• বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৮:১১ অপরাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ হিরোশিমার চেয়ে ১৫০ গুণ শক্তিশালী বোমা পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন রাশিয়া ও পশ্চিমের সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে: মস্কোর হুঁশিয়ারি ইউক্রেনে বেহাত ভূখণ্ড আবার দখলে নেবে রাশিয়া: ক্রেমলিন গৃহবন্দিত্ব থেকে পালিয়েছেন সেই রুশ সাংবাদিক হারানোর ১৩ ঘণ্টা পর এসএসসির ৫০ খাতা উদ্ধার ভোলার মেঘনা নদী থেকে জলদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ আটক ৩ মধ্যরাতে রাজবাড়ীর ‘রক্তকন্যা’ স্মৃতি গ্রেপ্তার বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আহত কাভার্ড ভ্যান-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ : খাদ্যমন্ত্রী পুলিশ পরিচয়ে সম্পর্ক গড়ে ধর্ষণ! যুবক গ্রেপ্তার পূজামণ্ডপে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক ব্যক্তি নিহত শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত সেনা সদস্য জাহাঙ্গীরের বাড়িতে শোকের মাতম ঘরে নেই তরকারি, শাক তুলতে গিয়ে সাইমনের মৃত্যু পরিবারের একমাত্র অবলম্বন ছিলেন নিহত সেনা সদস্য শরিফ

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের তদন্তে এবার ঢাকার টিম 

যশোর প্রতিনিধি যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতিসহ সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত এবার শুরু হয়েছে। তদন্ত করতে বুধবার বোর্ডে আসেন ঢাকার পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের  পরিচালকসহ কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবারও তারা গভীরভাবে তদন্ত করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আসেন বলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কতদিন তদন্ত করবেন।সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর যশোর শিক্ষা বোর্ডে চেক জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। চেক জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ১১ জরুরি সভা করে হিসাব সহকারী আব্দুস সালামকে শোকজ করে।১৮ অক্টোবর দুদক মামলা করে ওই সময়কার বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব  আলী আর রেজা, হিসাব সহকারী আব্দুস সালামসহ ৫ জনের নামে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চেয়ারম্যান সচিবকে ও এসডি করা হয়।

চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবরণী গঠন করে বোর্ড কর্তৃপক্ষ । ২২ ফেব্রুয়ারি  হিসাব সহকারী সালামকে শোকজ করা হয়। ১০ কর্মদিবসে জবাব দিতে বলা হয়। সুচতুর কালক্ষেপণ করেন।এ সময়ে সালাম জবাব না দিয়ে ৬ মার্চ সময় প্রার্থনা করেন। ১০ মার্চ শোকজের জবার দেন। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ ২৭ এপ্রিল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্রকে আহবায়ক করে আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করে। এ কমিটি ২৮ এপ্রিল সালামকে শোকজ করে। ১০ কর্ম দিবসে জবাব দিতে বলা হয়। ১৮ মে সালাম শোকজের জবাব দিলে সেটা সন্তোষ জনক হয় না। এরপর বোর্ড থেকে সালামের কাছে চিঠি পাঠানো হয়, তাতে বলা হয় কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। এর কোন জবাব সালাম না দেয়ায় ১৪ জুলাই বোর্ড কর্তৃপক্ষ সালামকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে। বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানান এতকিছুর পরও কেন চেক জালিয়াতি ঘটনার  কিছুই হচ্ছে না, কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত সম্পৃক্ত  অপরাধীরা এখনো সামনে আসেনি।

সালামকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করার পর চেকজালিয়াতির ঘটনায় তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি। এতে বোর্ডের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা হতাশ হয়ে পড়েন।বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নির্দেশে ঢাকার পরিদর্শন ও পরিবীক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমত পীরসহ কর্মকর্তারা বোর্ডে তদন্তে আসেন।  চেয়ারম্যান, সচিব, অডিট অফিসার, হিসাব শাখার উপপরিচালকরে সাথে নানা বিষয়ে কথাবার্তা বলছেন। হিসাবের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।  তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন বোর্ড কর্মকর্তারা। এ কারনে বাইরের কাউকে চেয়ারম্যানের রুমে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।তদন্ত কর্মকর্তার বিষয়ে প্রশ্ন করলে হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপপরিচালক এমদাদুল হক কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন চেয়ারম্যান স্যারের সাথে কথা বলতে হবে। চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহসান হাবীবের সাথে কথা বললে তিনি জানান,তদন্ত কর্মকর্তার নাম বলা নিষেধ। এতটুকু বলতে পারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বোর্ডে সকল অনিয়ম, দুর্নীতির তদন্ত করতে কর্মকর্তারা এসেছেন। আমরা চাই এ তদন্তের মাধ্যমে চেকজালিয়াতির ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধী সামনে আসুক। থলের বিড়াল বেরিয়ে আসুক এবং তাদের শাস্তি হোক।এ ব্যাপারে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমত পীর জানান, বোর্ডে তদন্তের বিষয়ে এখন কিছু বলা যাবে না। তদন্ত শেষ করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার পর জানা যাবে।  তিনি ছাড়া বেশ কিছু কর্মকর্তা তদন্তে এসেছেন প্রশ্ন করলে তিনি কোন জবাব দেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪০
  • ১১:৫০
  • ৪:০৩
  • ৫:৪৫
  • ৬:৫৮
  • ৫:৫১