স্টাফ রিপোর্টারঃ কনা আক্তার
গাজীপুর জেলার টঙ্গী এলাকায় অবস্থিত জাভান হোটেলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড নারীদের দিয়ে নাচানাচি এবং মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী রাত গভীর হলেই হোটেলটিতে শুরু হয় অসামাজিক তৎপরতা যা এখন আর গোপন নেই কারও কাছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সন্ধ্যার পর থেকে জাভান হোটেলের আশপাশে অস্বাভাবিক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। গভীর রাত পর্যন্ত বহিরাগত লোকজনের যাতায়াত উচ্চ শব্দে গান-বাজনা এবং কিছু নারীদের দিয়ে নাচানাচির আয়োজন করা হয় ও আড়ালেই চলে দেহ ব্যবসা।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জাভান হোটেলকে কেন্দ্র করে মাদক ব্যবসার বিস্তার অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী হোটেলটির আশপাশে খুব সহজেই বিভিন্ন ধরনের মাদক পাওয়া যায়। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান এখানে হাত বাড়ালেই মাদক মিলে এটাই এখন ওপেন সিক্রেট। সময়ের সাথে সাথে জাভান হোটেল টঙ্গী এলাকায় মাদক কেনাবেচার একটি পরিচিত স্পটে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ।
এলাকাবাসীর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন সবকিছু প্রকাশ্যে চললেও কেনো বন্ধ করতে পারছে না প্রশাসন। স্থানীয়দের দাবি একাধিকবার এই হোটেলটি কে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে মাদক সহ কিছু যৌনকর্মী কে গ্রেফতার করে পুলিশ। কয়েকবার অভিযান চালিয়ে প্রশাসন সিং কালা করা হয় পরে জামিনে বের হয়ে আবারও আগের থেকে বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে জাভান হোটেল এবং সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে।
সচেতন মহলের মতে, এভাবে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক ব্যবসা চলতে থাকলে টঙ্গী এলাকার তরুণ সমাজ মারাত্মকভাবে বিপথগামী হবে। পরিবার ও সমাজব্যবস্থার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।
এই টঙ্গী জাভান হোটেল আওয়ামী লীগের দোসর মালিক বাদল মিয়া ছিলেন বর্তমানে পলাতক আছে এবং এই বর্তমানে হোটেলটির মালিক বিএনপি’র নেতা এফ এ রহমান ।
এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকরা দ্রুত জাভান হোটেলকে ঘিরে সুষ্ঠু তদন্ত, নিয়মিত নজরদারি এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তুলেছেন প্রশাসনের এই নিরবতা কি অবহেলা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় আমরা অভিযোগ পেয়েছি তা সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে অপরাধী যেই হোক কোন ছাড় দেওয়া হবে না ইনশাআল্লাহ।










