শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের- কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির, সভাপতি- রেজাউল কবীর দিপু ও সাধারণ সম্পাদক -মোঃ শিহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ব্যাপী গতিশীল হচ্ছে সংগঠন-

দীর্ঘ ৩০ বছরের অভিজ্ঞতায় সংগঠনকে এগিয়ে নিচ্ছেন রেজাউল কবীর দিপু, সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিনের উদ্যোগে শক্তিশালী হচ্ছে মহানগর, জেলা ও থানা পর্যায়ের কমিটি।

শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল কবীর দিপু এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ শিহাব উদ্দিন। তাঁদের নেতৃত্বে সংগঠনটির কেন্দ্রীয়, মহানগর, জেলা ও থানা পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ও নতুন সাংগঠনিক উদ্যোগের সমন্বয়ে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ এখন দেশব্যাপী আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে সভাপতি রেজাউল কবীর দিপুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের কর্মতৎপরতায় সংগঠনটির সাংগঠনিক কাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা।

৩০ বছরের অভিজ্ঞতায় দেশব্যাপী সংগঠনকে গতিশীল করছেন সভাপতি রেজাউল কবীর দিপু শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি রেজাউল কবীর দিপু দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে সংগঠনটির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সংগঠনটির অন্যতম শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংগঠনটির প্রতি তাঁর ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও সাংগঠনিক নিষ্ঠা নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষভাবে আলোচিত। তিনি সংগঠনটিকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসেন এবং এর সাংগঠনিক বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়েই নয়, সারা বাংলাদেশে জেলা ও থানা পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানা পর্যায়ের কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় ও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-১৭ আসনে সভাপতি রেজাউল কবীর দিপুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রেক্ষাপটে ঢাকা-১৭ আসনেও সভাপতি রেজাউল কবীর দিপুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই আসনে সাংগঠনিক যোগাযোগ, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ঢাকা-১৭ আসনে তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকার পাশাপাশি দেশব্যাপী শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা তাঁকে সংগঠনের একজন অভিজ্ঞ ও গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে সংগঠনটি আগামী দিনে আরও ব্যাপক সাংগঠনিক বিস্তার লাভ করবে।

শিক্ষক, আইনজীবী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই সংগঠনকে একটি শক্তিশালী জাতীয় সাংগঠনিক কাঠামোয় প্রতিষ্ঠিত করাই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে সাংগঠনিক গতিশীলতা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ শিহাব উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের পর কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং জেলা-থানা পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

বিশেষ করে নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা আলোচনায় এসেছে।
মোঃ শিহাব উদ্দিন একজন সাবেক ছাত্রনেতা, সাংবাদিক ও সংগঠক। বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ জোরদার করার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকেন্দ্রিক উত্তাল সময়ে মিরপুর-১০ ও ইসিবি চত্বর এলাকায় তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা তাঁর সমর্থকরা তুলে ধরেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাংগঠনিক যোগাযোগ ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা আলোচিত হয়েছে।

ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৫ ও ঢাকা-১৮ আসনে সাংগঠনিক ভূমিকা রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৫ এবং ঢাকা-১৮ আসনেও মোঃ শিহাব উদ্দিনের সম্পৃক্ততা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী কার্যক্রমে মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রে নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ ও সমন্বয়ের দায়িত্বেও তিনি ভূমিকা রাখেন। তাঁর এই সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এখন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটিকে আরও শক্তিশালী এবং কার্যকর কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজপথের অভিজ্ঞতা থেকে সাংগঠনিক শক্তি
শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠনটির ব্যানারে দেশের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীরা সক্রিয় ছিলেন। যখন অনেকেই রাজপথে কর্মসূচি পালনে নানা বাধার মুখে পড়েছিলেন, তখন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতাকর্মীরা নিজেদের অবস্থান থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন।
সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনটি দেশব্যাপী সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে চায়। সভাপতি রেজাউল কবীর দিপুর দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের সাংগঠনিক উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নই এখন বড় প্রত্যাশা বর্তমানে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতাকর্মীদের অন্যতম প্রত্যাশা হচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করা ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা যেন যথাযথ মূল্যায়ন পান। জেলা, মহানগর ও থানা পর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্বের বিকাশ এবং নতুন প্রজন্মকে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা মনে করেন, সভাপতি রেজাউল কবীর দিপুর ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা, ঢাকা-১৭ আসনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ভূমিকা এবং দেশব্যাপী সংগঠনকে গতিশীল করার প্রচেষ্টা; অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের সাংগঠনিক উদ্যোগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও কর্মতৎপরতার সমন্বয় অব্যাহত থাকলে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ আরও শক্তিশালী ও গতিশীল সংগঠনে পরিণত হবে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বহুদলীয় গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং সাংগঠনিক ঐক্যকে ধারণ করে দেশব্যাপী সংগঠনকে আরও বিস্তৃত করাই এখন সভাপতি রেজাউল কবীর দিপু ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের নেতৃত্বের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশা।