• শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৭:৪০ অপরাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ Avodate Evaluation: Is It Easy To Date Online? Unveiling The Enigmatic Beauty Of Dominican Brides PinCo Çevrimiçi Casino’yu Keşfedin: Oyun ve Ödüller “20bet App Felülvizsgálata ᐈ Link A Letöltéshez Magyarországo ঈদে রুনা লায়লার নতুন গান ধারাবাহিক থেকে সিনেমা ‘সাত ভাই চম্পা’ ৭৪–এ বরিশালের মিঠুন, রইল তাঁর জানা–অজানা কিছু তথ্য ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা পাইরেসি: অভিযুক্তদের হতে পারে চার বছরের কারাদণ্ড অতীত ভোলেননি বিজয় মুক্তির জন্য প্রস্তুত পাঁচ সিনেমা, আলোচনায় ‘তুফান’ আজ মুক্তি পাচ্ছে ‘বাজি’ আগে টি-টোয়েন্টি শাসন করলেও এখন পাকিস্তান পেছনে পড়ে গেছে: ইমাদ মালয়েশিয়ান ওপেনে এবার রুপা জিতলেন মাহফুজুর সাকিবদের সুপার এইটে ওঠার ম্যাচ বিশ্বকাপে প্রথম রিটায়ার্ড আউট, ফিরে এল বাংলাদেশের সেই স্মৃতিও

বাংলাদেশের একটি নক্ষত্র ঝরে গেল ।। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবন

মোঃ নাসির উদ্দিন সিকদার ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ১৯৪০ সনের ৩১ জানুয়ারি পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকার নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। ছাত্রজীবনে স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করে ব্যারিস্টারি পড়তে লন্ডন যান ৷  সেখানে  মিডল টেম্পল-ইন এ ভর্তি হন। ওখান থেকে ফিরে এসে ১৯৬৫ সালে  হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের লন্ডন প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি কমনওয়েলথ প্রেস ইনস্টিটিউটেরও একজন সদস্য ছিলেন। ইউরোপীয় কমন মার্কেট কমিশনের আমন্ত্রণে তিনি ব্রাসেলস পরিদর্শন করেন। 

চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১৯৬৯ এবং ১৯৮৯ সালে সরকারি প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে চীন সফর করেন।১৯৬৯ সালে তাঁর বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর ইত্তেফাক সম্পাদনার গুরুদায়িত্ব তিনি পালন করেন।বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ইংরেজি দৈনিক “দ্য নিউ নেশনের”সম্পাদক ছিলেন।পরে ১৯৭৩ সালে ইত্তেফাকের সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হন।একই বছর বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া-কাঁঠালিয়া আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। 

সংসদে তিনি নিবর্তনমূলক যেকোনো আইন পাসের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী রাষ্ট্রপতির ৫০ নম্বর আদেশ জারির সময় তিনি বিরোধিতা করেন। পরবর্তীকালে সরকার আদেশটি রদ করে।তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা’র প্রচলন করলে তিনি তার পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।তিনি বাংলাদেশ এর সংবাদ মালিকদের সংগঠন “বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ” এর সভাপতি হিসেবে  দায়িত্ব পালন করেছিলেন।তিনি সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন এর সভাপতি হিসেবে ২০০০-২০০১ মেয়াদে নির্বাচিত হন।

জনাব হোসেন ২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বহুল আলোচিত বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তথ্য, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং ভূমি মন্ত্রণালয় এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।গতকাল ০৯/১২/২০২৩ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা৩০ মিনিটে  ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি ৷ তাঁর পরিবারের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা ৷ আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন ৷ আমীন ৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.