• সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৮:৩২ অপরাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ ছেলেকে নিয়ে খবর, মেসি বললেন—এটা মিথ্যা এমবাপ্পেকে পিএসজির কট্টর সমর্থকদের ‘হুমকি’ আইপিএল মানে বলিউড নয়, কেকেআর খেলোয়াড়দের গম্ভীর অষ্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি করছেন রুপা, বাবা পার্থ বড়ুয়ার সঙ্গে মঞ্চে গাইলেন এ এমন পরিচয়… ক্ষোভ–অভিমান থেকে বিদায় নিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন, বললেন অনেক কথা নতুন বিজ্ঞাপনচিত্রে মুশফিক ফারহান এবারের ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ জিতলেন কে প্রিন্সেস টিনা খানের মেয়ের ‘ভুলে ভরা’ জীবন ‘অবিকল ঐশ্বরিয়া’ শিল্পী সমিতির বনভোজনে হাতাহাতির ঘটনায় মামলা বৈশাখীর ‘সকালের গানে’ গাইবেন সুস্মিতা সাহা বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন, জবাবে যা বললেন জয়া আহসান চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অঙ্কিতা! নেপথ্যে কোন ঘটনা? আগামী উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি : রিজভী নোয়াখালীতে তিন দিনব্যাপী ঈদ আনন্দ মেলা

দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য রাশিয়া নিজের অর্থনীতিকে প্রস্তুত করছে: ন্যাটো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য রাশিয়া নিজের অর্থনীতিকে প্রস্তুত করছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক জোট ন্যাটোর প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ।জার্মান পত্রিকা ‘ওয়েলট অ্যাম সোনট্যাগ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।ন্যাটো প্রধান বলেন, “যেহেতু রাশিয়া যুদ্ধনির্ভর অর্থনীতির দিকে যাচ্ছে, তাই আমাদের নিরাপত্তার জন্য আরও কিছু করতে হবে।”এ সময় তিনি জোর দাবি করে বলেন, ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার পথ খুঁজছে না। তবে আমাদের এমন একটি যুদ্ধের জন্য (রাশিয়ার বিরুদ্ধে) নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে, যা কয়েক দশক ধরে চলতে পারে।

ন্যাটো প্রধান বলেন, যদি পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধে জয়ী হন, তাহলে রাশিয়ার আগ্রাসন অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়বে না তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। এ কারণে ন্যাটো জোটের উচিত এমন একটি যুদ্ধের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করা, যা কয়েক দশক ধরে চলতে পারে। ন্যাটো সদস্যভুক্ত দেশগুলোকে তাদের প্রতিরক্ষা খাত আরও দ্রুত প্রসারিত করতে হবে।

স্টলটেনবার্গ আরও বলেন, ইউক্রেনকে সমর্থন করা ও জোটের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিনিয়োগ করা রাশিয়ার বিরুদ্ধে সর্বোত্তম প্রতিরক্ষামূলক হাতিয়ার। কারণ রাশিয়া ইতোমধ্যেই একটি দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য তার অর্থনীতিকে প্রস্তুত করছে।তিনি বলেন, আমাদের প্রতিরক্ষা খাতকে আরও দ্রুত প্রসারিত করতে হবে, যাতে আমরা ইউক্রেনে সরবরাহ বাড়াতে পারি ও আমাদের নিজস্ব মজুদগুলো পুনরায় পূরণ করতে পারি। যার মানে, ধীর শান্তিকালীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে দ্রুততর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় স্থানান্তর হতে হবে, যেমনটি যুদ্ধ সময়ে প্রয়োজন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় ন্যাটো দেশও অদূর ভবিষ্যতে রাশিয়ার আগ্রাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.