• শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:০৬ অপরাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ Mirage Volcano Attraktion In Las Vegas 1win ⭐ Ei̇dman Və Kazino Mərcləri >> Depozit Bonusu $1000 1win Yüklə Android Apk Və Ios App 2023 Pulsuz Indir Globalez Resources Sdn Bhd 1win Yüklə Android Apk Və Ios App 2023 əvəzsiz Indir Kazino রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট Mostbet Giriş, Mobil oyna, Blackjack, Baccarat ve Roulette 2024 গরমে তরমুজ খেলে কী উপকার পাবেন নখ কামড়ানোর বদভ্যাস ছাড়বেন যেভাবে এই গরমে বারবার গোসল করা কি ভালো ? জুলাইয়ের আগে পান্থকুঞ্জ হবে নান্দনিক উদ্যান: মেয়র তাপস গুলশানে বারের সামনে মারামারির ঘটনায় ৩ তরুণী গ্রেপ্তার  মাহির সঙ্গে প্রেম, জয় বললেন আমাদের সম্পর্ক পবিত্র জোভান বললেন, এমন কাজ আর করব না অবসর ভেঙে ৫৮ বছরে ফুটবলে ফিরছেন রোমারিও!  রাজায় রাজায় যুদ্ধ আজ আল-ফালাহ ব্যাংক কিনে নিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া

দু’দিনের বৃদ্ধির সমান এক দিনেই কমলো

বিশেষ প্রতিনিধি পরপর দু’দিনের ঊর্ধ্বমুখী ধারার পর গতকাল সোমবার দিনের লেনদেনের মাত্র প্রথম আট মিনিট পর্যন্ত ওই ধারা ছিল। এরপর দর হারাতে থাকে এবং তা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এতে আগের দু’দিনের দরবৃদ্ধিতে প্রধান মূল্যসূচক যেখানে ৬৭ পয়েন্ট বেড়েছিল, এক দিনেই তার থেকেও এক পয়েন্ট বেশি হারিয়েছে।

গতকাল প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯৩ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ৪৬টির দর বেড়েছে, কমেছে ৩১৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৪টির দর।এ দর পতনে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬৮ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৭৬১ পয়েন্টে নেমেছে। সূচকের এ অবস্থান ২০২১ সালের ১১ মের পর সর্বনিম্ন। লেনদেন শুরু হওয়ার ৯ মিনিটে সূচকটি ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৮৫০ পয়েন্ট ছাড়ায়। আর লেনদেন শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে ৫৭৫৬ পয়েন্ট পর্যন্ত নামে। এ বিবেচনায় লেনদেনের মাঝে সূচক কমে ৯৪ পয়েন্ট।দর পতনের কারণ সম্পর্কে শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথমত দুই দিনের দরবৃদ্ধির সুবিধা নিতে কেউ কেউ শেয়ার বিক্রি করেছেন। এর বাইরে মার্চ প্রান্তিক শেষে প্রভিশন সংরক্ষণের ইস্যুতে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি না করলেও গতকাল করে থাকতে পারে। এমনকি মার্জিন ঋণে কেনা শেয়ারেও ফোর্স সেল বাড়তে পারে। এতে বিক্রি চাপ বেড়েছে বলে মনে হয়েছে।তারা জানান, গত জুলাই থেকে বাজারভিত্তিক করার পর আমানতের সুদের হার ক্রমাগত বাড়ছে। সুদের হার বাড়লে সবসময়ই নিরাপদ বিনিয়োগে অনেকে ব্যাংকমুখী হন। এতে একদিকে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ে, অন্যদিকে ক্রয় চাপ কমে। এতে শেয়ারদর নিম্ন হয়।

বর্তমান দর পতনের সঙ্গে এর সংযোগ থাকা অস্বাভাবিক নয়।পর্যালোচনায় দেখা গেছে, তথ্য-প্রযুক্তি খাতে মিশ্র ধারা ছাড়া অন্য সব খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর কমেছে। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পাট, কাগজ ও ছাপাখানা এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ৪১ কোম্পানির গড়ে ২ শতাংশের ওপর দর পতন হয়েছে। অন্য অধিকাংশ খাতের গড় দর পতনের হার ১ শতাংশ ছাড়িয়েছে।একক কোম্পানি হিসেবে ২৯ কোম্পানির শেয়ারদর ৫ থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। সর্বাধিক প্রায় ১০ শতাংশ দর হারিয়ে দর পতনের শীর্ষে ছিল এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার। ৮ শতাংশের ওপর দর হারিয়ে পরের অবস্থানে ছিল খুলনা প্রিন্টিং ও গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ। বিপরীতে যে স্বল্পসংখ্যক শেয়ারের দর বেড়েছে, তার মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশ দর বেড়ে শীর্ষে ছিল মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.