• শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ নিম্নচাপ এগোচ্ছে বাংলাদেশের দিকে, শনিবার রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে কোপার আগে কোস্টারিকা থেকে অবসর কেইলর নাভাসের শেষ পর্যন্ত জাভিকে বরখাস্তই করল বার্সা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হার নিয়ে সাকিব, ‘টি-টোয়েন্টিতে ছোট-বড় দল বলে কিছু নেই’ ফিফার জরিমানা নিয়ে বিবৃতিতে যা বললেন সালাম মুর্শেদী পিওলিকে বরখাস্ত করল এসি মিলান কয়েক ঘণ্টা পর মেরিল–প্রথম আলোর জমকালো আসর সবচেয়ে বাজে পরামর্শ নিয়ে মুখ খুললেন জ্যাকুলিন নতুন লুকে আনুশকা! কানে নিজের ছবির প্রিমিয়ারে থাকবেন ইরানের দণ্ডপ্রাপ্ত সেই নির্মাতা যে কারণে বিয়ে করতে চান না, জানালেন প্রভাস বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের মতবিনিময় মহাসড়ক যেন ময়লার ভাগাড় কুড়িগ্রামে মাদকসহ যুবক গ্রেফতার বিরামপুরে শ্রেণিকক্ষে যৌন হয়রানি, ইউএনও কার্যালয়ে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের

চিরনিদ্রায় শায়িত হায়দার আকবর খান রনো

বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আকবর খান রনোর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে, বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে হায়দার আকবর খান রনোর জানাজা হয়।সকালে দলীয় কার্যালয় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মুক্তি ভবনের সামনে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়। গার্ড অব অনারের পর সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ রাখা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। বেলা সোয়া একটা পর্যন্ত নানা স্তরের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে, গত ১০ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) এই উপদেষ্টার। 

১৯৪২ সালের ৩১ আগস্ট কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন রনো। ১৯৬১ সালে তিনি তদানীন্তন গোপন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি এই দেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসেবে পরিগণিত হন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক। ২০১০ সালে রাজনৈতিক মতবিরোধের কারণে তিনি ওয়ার্কার্স পার্টি পরিত্যাগ করে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান করেন। তখন থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। পরে তাকে পার্টির উপদেষ্টা করা হয়।

১৯৬২ সালের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে রনো ছিলেন অন্যতম নেতা। তিনিই প্রথম সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বক্তব্য রেখেছিলেন (১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬২)। ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০ সালে তিনি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ শ্রমিক সংগঠন পূর্ব বাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক।

কমরেড রনো ছিলেন একাত্তরের রণাঙ্গনের সৈনিক। ১৯৯০ সালের এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.