• শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৭:২৮ অপরাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ Avodate Evaluation: Is It Easy To Date Online? Unveiling The Enigmatic Beauty Of Dominican Brides PinCo Çevrimiçi Casino’yu Keşfedin: Oyun ve Ödüller “20bet App Felülvizsgálata ᐈ Link A Letöltéshez Magyarországo ঈদে রুনা লায়লার নতুন গান ধারাবাহিক থেকে সিনেমা ‘সাত ভাই চম্পা’ ৭৪–এ বরিশালের মিঠুন, রইল তাঁর জানা–অজানা কিছু তথ্য ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা পাইরেসি: অভিযুক্তদের হতে পারে চার বছরের কারাদণ্ড অতীত ভোলেননি বিজয় মুক্তির জন্য প্রস্তুত পাঁচ সিনেমা, আলোচনায় ‘তুফান’ আজ মুক্তি পাচ্ছে ‘বাজি’ আগে টি-টোয়েন্টি শাসন করলেও এখন পাকিস্তান পেছনে পড়ে গেছে: ইমাদ মালয়েশিয়ান ওপেনে এবার রুপা জিতলেন মাহফুজুর সাকিবদের সুপার এইটে ওঠার ম্যাচ বিশ্বকাপে প্রথম রিটায়ার্ড আউট, ফিরে এল বাংলাদেশের সেই স্মৃতিও

নেতারা ছিল বাটপার! কাদের নিয়ে নায়কের ক্ষোভ

বিনোদন ডেস্ক ‘ধুঁকছে দেশের সিনেমা, কাঁদছে মন, হে কথিত নেতারা, এ আপনাদের কেমন আচরণ! থাকবে শিল্প, থাকবে সংস্কৃতি, জাগবে প্রাণ আবার, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বলবে শুধু, নেতারা ছিল বাটপার!’ চিত্রনায়ক সাইমন সাদিকের ফেসবুক পোস্টে দেওয়া কয়েকটি লাইন। প্রেক্ষাগৃহ বাঁচাতে বাংলাদেশে হিন্দি সিনেমা প্রদর্শনের পক্ষে বর্তমান শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও খল চরিত্রের অভিনেতা ডিপজলের সমর্থনের পরিপ্রেক্ষিতে সাইমনের এমন পোস্ট বলে মনে করছেন কেউ কেউ। এর আগে চিত্রনায়িকা নিপুণ শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে দেশের প্রেক্ষাগৃহে বিদেশি ছবি প্রদর্শন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় সমিতির কার্যকরী পরিষদের নিষ্ক্রিয়তায় সংগঠন থেকে অব্যাহতি নেন সাইমন।

ফেসবুক পোস্টের প্রসঙ্গ নিয়ে জানতে সাইমনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রথম আলো। তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু ভিনদেশি ছবি আসা নিয়ে কোনো মন্তব্য দিইনি। আমি বলতে চেয়েছি, আমাদের এতগুলো সংগঠন, এখানে ছবির সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আমাদের কোনো চিন্তা নাই। কোনো অনুভূতিও ছবি নিয়ে কাজ করে না। বেশির ভাগ আছে ঝগড়াঝাঁটি আর কাদা-ছোড়াছুড়ি নিয়ে। আমরা আছি চেয়ার দখল নিয়ে, সমিতি-সংগঠন নিয়ে, অন্য কিচ্ছু না। চলচ্চিত্রশিল্পের স্বার্থরক্ষা নিয়ে কারও কোনো মন্তব্য নেই, মাথাব্যথা নেই।’

কথায় কথায় সাইমন আরও বলেন, ‘আর ভালো লাগে না। এক-দুই লাইন লেখা ছাড়া আমার আর কীই-বা করার আছে। সবাই তো আর পদত্যাগ করতে পারে না। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে আসার আগে সবাই বলে “আমি এই করব, সেই করব।” আসার পর সবাই ঝিম মেরে বসে থাকে। আমার কথা হচ্ছে, এত কথা বলার তো দরকার নাই। আমার যদি আমাদের সিনেমাশিল্প নিয়ে ফিলিংস থাকে, কাজ করব। তবে এটাও ঠিক, কাজ করতে নেতৃত্ব লাগে। চেয়ারটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই চেয়ারকে গুরুত্বহীন বানিয়ে ফেললে হবে না। আর এটাই আমরা দিনের পর দিন করছি।’

আপনি নিজেও তো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিজ্ঞতা কী বলে, এমনটা কেন করে? এমন প্রশ্নে সাইমন বলেন, ‘আমি তো আসলে মধু খুঁজতে যাইনি। এখানে যে কী আছে, আল্লাহ মালুম। তবে একটা উপলব্ধি হয়েছে, সংগঠনের কেউই এই অঙ্গনকে ভালোবাসে না। এখান থেকে নিলাম। নিয়ে চলে গেলাম, এমনটাই সবার ভাব। আমি কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না। কিন্তু বিষয়টা এ রকম যে আমাদের শুধু নেতৃত্বটাই লাগবে। চেয়ারটাই লাগবে। আরও বড় চেয়ার লাগবে। নেতা হিসেবে বড় বড় ভাষণ দেব, কিন্তু কাজ করব না, এটাই সবার মানসিকতা হয়ে গেছে।’

সাইমন মনে করছেন, সব সমস্যা চিহ্নিত করে যদি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা যায়, তাঁকে সবকিছু বুঝিয়ে বলা যায়, তাহলেই চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট সব সমস্যা মুহূর্তেই সমাধান হবে। এ ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ অভিনয়শিল্পীদের উদ্যোগী হতে হবে। একই সঙ্গে চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য ফেরদৌসকে নিয়েও সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা যায়।

সাইমন বলেন, ‘যতগুলো সংগঠন আছে, আমাদের যে সিনিয়র অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছেন এবং আমাদের একজন সংসদ সদস্যও আছেন, ফেরদৌস ভাই, তাঁর মাধ্যমে আমরা যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারি, এটার একটা সঠিক সমাধান তো সম্ভব বলে মনে করি। আমার তো মনে হয় না এ পর্যন্ত চলচ্চিত্রের সংকট নিয়ে কেউ প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেছেন। কথাগুলো বলেছেন। আমরা শুধু নেতাগিরিই করে যাচ্ছি। চলচ্চিত্রশিল্পকে ভালোবেসে যে যে কাজটা আমরা করব, করা উচিত, তা আমরা পরিষ্কার করতে পারছি না।’

সাইমনের কাছে প্রশ্ন ছিল, আপনার পোস্টে উল্লেখ করেছেন নেতারা ছিল বাটপার! কোন নেতারা বাটপার মনে করছেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বলবে। আমিও কিন্তু নেতা ছিলাম। আমিও কিছুই করতে পারিনি। আমাকেও বলতে পারে। আমি গত আসরে নেতৃত্বে ছিলাম, হয়তো কিছু করতে না পেরে, আপস করতে না পেরে, পদত্যাগ করেছি।’

চলচ্চিত্রের সমস্যাগুলো লেগেই থাকুক, এমনটা কি কারও চাওয়া কিংবা চলচ্চিত্রের সংকট সমাধান করতে না পারার জন্য কোনো পক্ষের চাপ আছে কি না জানতে চাইলে সাইমন বলেন, ‘কিসের চাপ? কোনো চাপ তো নাই। এখানে আমাদের নিজেদের প্রতি নিজেদের ভালোবাসাটা নাই। সংগঠনের কারও আবেগ কাজ করে না। এখানে এলাম, প্রথমে কিছু দানদক্ষিণা করলাম। মানুষের বাহবা পেলাম। ভালোবাসা পেলাম। এরপর নেতা হয়ে গেলাম। তারপর আর কোনো খবর নাই। এরপর ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারে নেমে পড়লাম। আমরা আমাদের চলচ্চিত্রের স্বার্থটাই চাচ্ছি না আসলে। যদি চাইতাম, এসব কোনো বিষয়ই না। কত জটিল-কঠিন সব বিষয়ের সমাধান হচ্ছে, শুধু আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গনের গুটিকয় সমস্যার সমাধান হচ্ছে না!’

সাইমন ২০১২ সালে পরিচালক জাকির হোসেন রাজুর ‘জ্বী হুজুর’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময় তিনি ‘পোড়ামন’ ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের কাছে পরিচিতি পান।

এক যুগের অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে সাইমন বলেন, ‘আমি যত বছর কাজ করছি, তাতে দেখছি, পৃথিবীর সব ইন্ডাস্ট্রি তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে, শুধু আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ছোট থেকে ছোট হচ্ছে। এখানে সবাই নেতৃত্ব চাচ্ছে। কিন্তু নেতৃত্ব পাওয়ার পর যে কাজ করা উচিত, সেগুলো আমরা করছি না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.