• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন |
  • Bangla Version
নিউজ হেডলাইন :
করোনা শনাক্তের হার ১৫ শতাংশের বেশি, মৃত্যু ১ কালিয়াকৈরে কলেজছাত্র হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন টাঙ্গাইলে নদীর পানি কমলেও তীব্র হচ্ছে ভাঙন গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তির লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধ: আমীর খসরু খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ‘দাওয়াই’ লাগবে: মির্জা আব্বাস কোটা পুনর্বহাল বৈষম্য প্রকট করবে: এবি পার্টি কাঁচা মরিচের ঝাল ও পেঁয়াজের ঝাঁজ দুটোই বেশি বাজারে আর্থিক তথ্য প্রকাশ আরও সীমিত করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক সপ্তাহের শেষ দিনে বিক্রির চাপে সূচক ও লেনদেন কমেছে তীব্র লোডশেডিংয়ে ভুগছেন মফস্‌সলের ছোট উদ্যোক্তারা সুন্দরবনের যে ফলটি হরিণ-বানরের প্রিয়, কাজে লাগে মানুষেরও তিন ঘণ্টার ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে ডুবল ঢাকার অনেক রাস্তা তমাকে বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন রাফী ‘সিনেমাটি না দেখলে মিস করবেন’, বললেন জয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস–কাণ্ডে গ্রেপ্তার আবেদ আলীর দেখা চান বাপ্পি চৌধুরী ‘অ্যানিমেল’-এর সাফল্যে কত পারিশ্রমিক বাড়ালেন তৃপ্তি

৭৪–এ বরিশালের মিঠুন, রইল তাঁর জানা–অজানা কিছু তথ্য

বিনোদন ডেস্ক মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর পর্দার নাম। প্রকৃত নাম গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী। ১৯৫০ সালের ১৬ জুন এই বাংলাদেশেই তাঁর জন্ম। কোন জেলায় জানেন? 

একসময় নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে যান মিঠুন। সেখান থেকে ফিরে অভিনয়ে মনোযোগী হন। কুস্তিগীর ছিলেন মিঠুন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপ জুনিয়র শাখার বিজয়ী হয়েছিলেন slot gacor hari iniতিনি। পাশাপাশি মার্শাল আর্টসেও আছে ব্ল্যাক বেল্ট । মিঠুন চক্রবর্তীকে চলচ্চিত্রে আনেন মৃণাল সেন। তাঁর ‘মৃগয়া’ মিঠুনের প্রথম ছবি। অভিষেকেই পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ায় থাকাকালীনই পরিচালক মৃণাল সেনের নজরে পড়েন মিঠুন। কলেজে মৃণাল সেনের নজর কাড়েন। তার বছর দুয়েক পর ‘মৃগয়া’য় অভিনয়ের সুযোগ পান। প্রথম ছবিতেই সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার। জাতীয় পুরস্কার নিতে দিল্লি যেতে হতো, কিন্তু মিঠুনের কাছে সেই টাকা ছিল না। সেই সময় নাকি মিঠুনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন রেখা। শোনা যায়, রেখার এক সিনেমার শুটিং দিল্লিতে হচ্ছিল। নিজের স্পটবয় সাজিয়ে তিনি মিঠুনকে দিল্লি নিয়ে যান। জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পরও খালি পেটে দিন কাটাতে হয়েছে মিঠুনকে। মুম্বাইয়ে বর্ণবৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। একসময় নাকি কোনো অভিনেত্রী নায়ক মিঠুনের বিপরীতে কাজ করতে রাজি ছিলেন না। এই প্রথা ভাঙেন জিনাত আমান। তিনিই প্রথমবার মূলধারার ছবিতে মিঠুনের নায়িকা হতে একবাক্যে রাজি হয়ে যান। মিঠুনকে নিয়ে বানানো হয়েছে কমিক বই। বইয়ের নাম ‘জিমি জিংচ্যাক’, ‘এজেন্ট অব ডিস্কো’। এক বছরে সবচেয়ে বেশি ছবি মুক্তির রেকর্ডও মিঠুনের। ১৯৮৯ সালে তাঁর ১৯টি ছবি মুক্তি পায়। প্রাণিপ্রেমী মিঠুনের বাড়িতে ৭০টির বেশি কুকুর আছে। আছে পাখিও। রুশ তরুণীদের কাছে মিঠুন চক্রবর্তী ভীষণ জনপ্রিয়। ‘ডিসকো ড্যান্সার’ ছবির গানে মাত রুশরা। বাংলাভাষী মিঠুন অভিনয় করেছেন হিন্দি, পাঞ্জাবি, ওড়িয়া, ভোজপুরি, তামিল, তেলেগু, কন্নড় ছবিতেও। জন্মদিনে কোনো আড়ম্বর পছন্দ করেন না মিঠুন। এদিন কোনো উদ্‌যাপন নাকি পছন্দ নয় তাঁর। কেকও কাটতে চান না।খুব ভালো রান্না করেন অভিনেতা। জন্মদিনে সাধারণত পরিবারের সদস্যদের রান্না করে খাওয়ান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.