একের পর এক রুশ তেল শোধনাগার জ্বলছে

image_pdfSaveimage_print

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সম্প্রতি রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন। এসব হামলার মধ্যে বেশির ভাগ লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে দেশটির বড় বড় তেল শোধনাগারে।

যার ফলে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ বা কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে রাশিয়া। ইতিমধ্যেই এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত গ্যাসোলিন রপ্তানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটি।

বার্তা সংস্থা বলছে, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি তেল শোধনাগার। যেসব শোধনাগারের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, সেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা বছরে ৮৩ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি বা দৈনিক প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার টন।

যার ফলে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ বা কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে রাশিয়া। ইতিমধ্যেই এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত গ্যাসোলিন রপ্তানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটি।

বার্তা সংস্থা বলছে, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি তেল শোধনাগার। যেসব শোধনাগারের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, সেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা বছরে ৮৩ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি বা দৈনিক প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার টন।

ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শোধনাগারগুলোর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম রাশিয়ার কিরিশি, মস্কো তেল শোধনাগার এবং ভলগা নদীর তীরে অবস্থিত নিজনি নোভগোরোদ, রিয়াজান ও ইয়ারোস্লাভলের প্ল্যান্টগুলো।

সূত্রের দেওয়া তথ্য মতে, রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম শোধনাগার কিরিশি, যার উৎপাদন ক্ষমতা বছরে ২ কোটি মেট্রিক টন। এটি রাশিয়ার মোট শোধনাগার ক্ষমতার প্রায় এক-চতুর্থাংশ। যা গত ৫ মে থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে স্থাপনাটি।

বার্ষিক ১৭ মিলিয়ন টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন আরেকটি প্রধান তেল শোধনাগার নোরসি। বুধবার হামলার শিকার হয়েছে এই শোধনাগারও। হামলার পর নোরসি কার্যক্রম চালু রাখতে পেরেছে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রাশিয়ার জ্বালানি উৎপাদনে এই শোধনাগারগুলোর সম্মিলিত অংশ গ্যাসোলিনের জন্য ৩০ শতাংশের বেশি এবং ডিজেলের জন্য প্রায় ২৫ শতাংশ।

রুশ কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা বিভিন্ন পোস্ট অনুসারে, রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন।যা চলতি বছরের শুরু থেকে দ্বিগুণ তেল শোধনাগার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

এই হামলায় পাইপলাইন এবং সংরক্ষণাগারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা রাশিয়ার তেল উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের পর রাশিয়া বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। এর ফলে মস্কোর ফেডারেল বাজেটের ওপর চাপ বেড়েছে, যেখানে মোট রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে তেল ও গ্যাসের কর থেকে।

  • Related Posts

    তিব্বতে ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, তাইওয়ানেও ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন

    চীনের দুর্গম তিব্বত অঞ্চলে ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পে ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে। মানুষজন নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে আশ্রয় নিচ্ছেন অথবা রাস্তায় রাখা নিজেদের গাড়িতে অবস্থান করছেন। ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ…

    সৌদি-হুতি সংঘাত: উল্লেখযোগ্য যা যা ঘটল

    সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে চলমান সংঘাত আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হুতির একের পর এক…

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    You Missed

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ১১ জেলের কারাদণ্ড

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ১১ জেলের কারাদণ্ড

    সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

    সৌদি আরবে হুতি হামলার তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের

    ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধী দল ধোঁকাবাজি করেছে’

    ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধী দল ধোঁকাবাজি করেছে’

    ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি

    ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি

    তিব্বতে ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, তাইওয়ানেও ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন

    তিব্বতে ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, তাইওয়ানেও ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন

    সৌদি-হুতি সংঘাত: উল্লেখযোগ্য যা যা ঘটল

    সৌদি-হুতি সংঘাত: উল্লেখযোগ্য যা যা ঘটল