পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব গুরুত্ব সহকারে পালনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজঃ গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তাই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব গুরুত্ব সহকারে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশক আমরা ফ্যাসিবাদী শাসনের মধ্যে ছিলাম। ২৪-এর পর বর্তমান সরকার জনগণের কাছে একটি গণতান্ত্রিক সরকার। আমরা এই সরকারকে জবাবদিহিমূলক সরকার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই সরকার পুলিশ বাহিনীকে এমন একটি রূপ দিতে চায়, যেখানে পুলিশ হবে সত্যিকার অর্থে জনবান্ধব। সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা হবে পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো দেশে সাধারণ জনগণ পুলিশ প্রশাসনকে সরকারের আয়না হিসেবে বিবেচনা করে। পুলিশ প্রশাসন সফল হলে সেটিকে সরকারের সফলতা হিসেবেই ধরা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শক্তিশালী, জবাবদিহিমূলক, আইনসম্মত ও জনবান্ধব রাষ্ট্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কোনো আপস করতে চায় না। দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং যে বা যারা অপরাধে লিপ্ত হবে, তাদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দল আপনাদের দল নয়, বরং আপনারাই আইনের রক্ষক। আপনারা দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে। জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক হবে আইনগত এবং মানবিক।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের উল্লেখযোগ্য সময় ব্যয় হয়। বর্তমান সরকার দেশে জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে চায়। তবে কেউ যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে না পারে, সেটিও সবাইকে মনে রাখতে হবে।




মিয়ানমারে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজঃ মিয়ানমারে মধ্যরাতে ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু কম্পনের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার (১০ মে) দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ সময় ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয় বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস ।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার নিচে। প্রাথমিকভাবে এর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ দশমিক ৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

অন্যদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকা থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের কম্পন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও অনুভূত হয়। চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা জানান, কয়েক সেকেন্ডের জন্য হঠাৎ ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। এতে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

এর আগে শনিবার (৯ মে) বিকেলেও দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে হওয়া ওই কম্পনে বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪ থেকে ৪ দশমিক ৫ এর মধ্যে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৪ দশমিক ৫ উল্লেখ করলেও ইউএসজিএস জানিয়েছে, এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা কম হওয়ায় সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কম্পন বেশি অনুভূত হয়।

লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ঝাঁকুনি অনুভবের কথা জানিয়েছেন। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।




৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, ৫ দিন বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

আবহাওয়া ডেস্কঃ দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে আগামী পাঁচদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যার তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকবে উত্তরাঞ্চল ও সিলেট বিভাগে।

রোববার (১০ মে) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ মিয়ার দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এছাড়া আগামী পাঁচদিন পরও দেশের উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।




আদালতের স্থিতাবস্থা উপেক্ষা করে জমি দখলের অভিযোগ, গৃহায়নের কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমানকে ঘিরে ক্ষোভ

এসএম বদরুল আলমঃ রাজধানীর রূপনগর এলাকার দুয়ারীপাড়া মৌজায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও আদালতের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কো) অমান্যের অভিযোগে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাহমুদুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক দায়েরকৃত সিভিল পিটিশন নং-১৫২১/২১ এ উক্ত জমির ওপর স্থিতাবস্থা (Status quo) জারি রয়েছে। আদালতের নির্দেশনা বহাল থাকা অবস্থায় অভিযুক্তরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও বাহিনী নিয়ে জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণসহ দখল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, মোঃ মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। এ ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে আইনুদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফা স্টেট এর ৪৮ একর জমি অবৈধভাবে গৃহায়ন মিরপুর ১ জোনের এর উপ প্রকৌশলী মোঃ মাহমুদুর রহমান চক্রটি বিভিন্ন নামে বেনামে বরাদ্দ দিয়ে দুয়ারীপাড়া এলাকায় থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ওয়াকফা সম্পত্তি গরিব-দুঃখীরা দখলে থাকার পরও প্রতিনিয়ত প্রভাবশালী লোক দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছেন। আর এগুলোকে ইন নন দিচ্ছে দুর্নীতিবাজ মাহমুদুর রহমানের মত ব্যক্তিরা। বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি সহ নামে বেনামে সাংবাদিকদের দ্বারা আইনুদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াক্কা স্টেট এর সিটি জরিপম্পন্ন জমিগুলো দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অতি দ্রুত এই দুর্নীতিবাজ উপপ্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান যিনি কোটি কোটি টাকার মালিকবনে গেছেন এলাকার মানুষ দ্রুত তার বিচার দাবি করেন।

অভিযোগকারী মোঃ শিহাব উদ্দিন জানান, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এখানে জাতীয় গৃহায়নের জমি ১৯ একর বিরাজমান একই সাথে আইনুদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা ওয়াকফা স্টেটের ৪৮ একর জমি রয়েছে যাহা আইনুদ্দিন হায়দার ও ফয়জুন্নেসা স্টেট এর লোকজন প্রায় ৪০-৫০বছর ধরে হোক দখল করে আসছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন অভিযোগকারী। স্থানীয়দের মধ্যেও ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করেন অবিলম্বে গৃহায়নের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারী দের আইনের আওতায় এনে তাদের সম্পদের হিসাব নেয়া জরুরী। কারণ তারা স্ট্যাটাসকো বহাল থাকা অবস্থায় কিভাবে মানুষকে বরাদ্দ দেয়। যাহার রীতিমতো দুর্নীতির শামিল। অবিলম্বে এদেরকে বিচারের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর।




পুলিশকে ওভারটাইম ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের

ডেস্ক নিউজঃ দেশে পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও যুগোপযোগী করতে একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার জন্য ওভারটাইম ভাতা প্রবর্তন এবং অবসরকালীন সময়ে বিশেষ পদোন্নতির সুযোগ। রোববার (১০ মে) রাজারবাগে পুলিশ অডিটরিয়ামে ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কল্যাণ সভায়’ এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনের পর কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কনস্টেবল থেকে পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পর্যন্ত যেসব সদস্য অতিরিক্ত সময় দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের জন্য বিশেষ নীতিমালার ভিত্তিতে ওভারটাইম ভাতার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় হাসপাতালগুলোকে আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উন্নত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নতুন ও বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের কাজ সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

দীর্ঘদিন একই পদে কর্মরত থেকে অবসরে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়াতে ‘অনারারি পদোন্নতি’র ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড থাকলে কনস্টেবল থেকে অনারারি এএসআই। এএসআই থেকে অনারারি এসআই। এসআই থেকে অনারারি পরিদর্শক পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে।

এছাড়া পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের আবাসন সংকট নিরসনে ভূমি অধিগ্রহণ এবং নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করা হচ্ছে বলে সভায় জানানো হয়।

‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হওয়া এবারের পুলিশ সপ্তাহ আগামী ১৩ মে শেষ হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্ণিল প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবায় পুলিশের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই পুলিশ সপ্তাহ বাহিনীর সদস্যদের জন্য নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওভারটাইম ভাতার বিষয়টি দীর্ঘদিনের দাবি হওয়ায় সাধারণ পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এটি ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।




আবু ত্বহা-সাবিকুন নাহারের বিচ্ছেদ, গুরুতর ৪ অভিযোগ

ডেস্ক নিউজঃ আলোচিত তরুণ ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও সাবিকুন নাহার সারার সংসার আবারও ভেঙে গেছে। প্রথমবার বিচ্ছেদের পর কিছুদিন আগে তারা পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে দ্বিতীয়বার সংসার শুরুর মাত্র চার মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটেছে।

রোববার (১০ মে) এই বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়ে সাবিকুন নাহার সারার বড় বোন মোছাম্মাত হাজেরা বলেন, পারিবারিক অশান্তি ও মতবিরোধের জের ধরে আদনান-সারা দম্পতির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এক পর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবাহ বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

ত্বহা ও নাহার নতুনভাবে সংসার শুরু করার চেষ্টা করেছিলেন উল্লেখ করে মোছাম্মাত হাজেরা বলেন, ‘দুই পরিবারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু সেই সম্পর্ক আর টেকেনি। শেষ পর্যন্ত গত পবিত্র রমজান মাস শেষে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার রাতে অর্থাৎ ঈদের আগের রাতে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।’

বিচ্ছেদের কারণ জানতে চাইলে আদনানের নামে গুরুতর অভিযোগের কথা তুলে ধরেন মোছাম্মাত হাজেরা। ছোট বোন সাবিকুন নাহারের বরাত দিয়ে তিনি জানান-

  • আদনান চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন। বিয়ের কথা বলে মেয়েদের ছবি নেন, তাদের সঙ্গে কফি খান; কিন্তু বিয়ে করেন না।
  • তিনি মারাত্মক বদমেজাজি। দ্বিতীয়বার বিয়ে হওয়ার পর তিনি সাবিকুন নাহারের কাছ থেকে টাকা নেন এবং তাকে নিজের মা ও ভাই-বোনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেন।
  • বিলাসিতা করে শুধু ঋণ করেন আর মানুষকে বোঝান, তিনি ঋণী, কেউ তাকে ঋণ শোধের জন্য টাকা দিলে তার সওয়াব হবে।
  • পাবনায় অনার্সপড়ুয়া আয়শা নামের এক মেয়েকে মাদ্রাসা করে দিয়েছেন। মেয়েটির সঙ্গে তার নোংরা সম্পর্ক ছিল।

হাজেরার দাবি, উল্লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে সাবিকুন নাহার আপত্তি জানালে ত্বহা ক্ষুব্ধ হন এবং দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি ঘটানোর জন্য তালাকের কথা বলেন। এক পর্যায়ে তাদের তালাক হয়ে যায়।

বিচ্ছেদ ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে আবু ত্বহা আদনানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘উভয় পক্ষের সম্মতিতে যৌথ ও চূড়ান্ত তালাক হয়েছে।’

উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একদিন না হয় সময় করে অফিসে আসেন। যা বলার সামনাসামনি বলি। এসব অপবাদের জবাব দেওয়ার জন্য এক আল্লাহই আদনানের জন্য যথেষ্ট।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবু ত্বহা আদনান ও সারা। প্রথম বিচ্ছেদের পর দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উদ্যোগে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটে। নতুন করে সংসার শুরু করলেও সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলো না।




নৈশ প্রহরী থেকে কোটি টাকার মালিক! কর বিভাগের কর্মচারীর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য

এসএম বদরুল আলমঃ মো: জুলহাস উদ্দিন আহমেদ কর বিভাগে নৈশ প্রহরী হিসেবে চাকুরীতে প্রথম যোগদান করেন ২৩ মে ১৯৯৩ সালে। একই বিভাগে ৭ বছর চাকরি করার পর ১০ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে অফিস সহায়ক ( পিয়ন ) পদে প্রথম পদোন্নতি পান। একটানা একই বিভাগে ২৫ বছর চাকরি করেন তিনি। অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালীন “অফিস সহকারী কাম কমপিউটার মুদ্রাক্ষরিক ” পদে ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে দ্বিতীয় পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে তিনি কর অঞ্চল – ৩, সার্কেল – ৫৯, পুরানা পল্টন ঢাকায় নিয়মিত চাকরি করে যাচ্ছেন। উনার বর্তমান মাসিক বেতন সর্বসাকুল্যে ২২,৪৯০ টাকা।

 

354

 

জুলহাস উদ্দিন আহমেদ ভূয়া ঠিকানায় চাকরি নিয়েছেন মর্মে অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের হাতে বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত ও প্রমান আসে। উনার সম্পর্কে বিভিন্ন ভাবে অনুসন্ধান করে জানা যায় তিনি সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে কাগজ-পত্র জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা মানিকগঞ্জ জেলা দেখিয়ে সরকারী চাকরি বাগিয়ে নেন। পরবর্তীতে চাকরি স্থায়ী করনের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনে তিনি ঘুষের মাধ্যমে পুলিশকে ম্যানেজ করে মানিকগঞ্জের ভূয়া স্থায়ী ঠিকানাকে সঠিক স্থায়ী ঠিকানা দেখিয়ে পুলিশ তদন্ত রিপোর্টটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়ান। সংশ্লিষ্ট দপ্তর পুলিশ তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী উনার চাকরি স্থায়ী করন করেন।

জুলহাস উদ্দিন সম্পর্কে মানিকগঞ্জ জেলায় অনুসন্ধান চালানো হলে তার কোন স্থায়ী ঠিকানার অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদকের হাতের তথ্য-উপাত্ত ও খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, উনার সঠিক স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম / রাস্তা ৯৯৯, ডাকঘর – সুলতানপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, জেলা – ব্রাহ্মণবাড়িয়া। যাহা উনার এন আই ডি পূর্বের নাম্বার ১৯৭৩২৬৯৩৬২৫৬৮৮৭২৯ এবং বর্তমান স্মার্ট কার্ড নাম্বার ৬৪০০৭১৫১২১ অনুযায়ী সত্যতা পাওয়া যায়।

এসব করে এখানেই তিনি ক্ষ্যান্ত হননি, চাকরি চলাকালীন অবস্থায় নিয়মিত ভাবে সরকারের সাথে প্রতারণা করেই যাচ্ছেন। বাংলাদেশ সরকার প্রত্যেক সরকারী কর্মকর্তা –
কর্মচারীদের আয়কর রির্টান জমা বাধ্যতামূলক করেছে । নতুন TIN ( ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টি নাম্বার ) যখন অনলাইন থেকে বের করা হয়। সেক্ষেত্রে ফরম পুরনের সময় পেশা সরকারী চাকুরীজীবি এবং কর্মস্থল ঢাকা দেখালে সয়ংক্রিয় ভাবে কর অঞ্চল – ৪ অন্তর্ভুক্ত হবে। এই কর অঞ্চলেই ঢাকায় অবস্থানরত সকল সরকারী চাকুরীজীবি আয়কর রির্টান জমা করে থাকেন।

কিন্তু জুলহাস উদ্দিন আহমেদের ৩৪ বছর ধরে নিজের কর্মস্থল কর অঞ্চল – ৩ হওয়ায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে লাগাতার একই জায়গায় চাকরি করে যাচ্ছেন। সব নিয়ম যেন তার হাতের মুঠোয়।কিন্তু তিনি সরকারকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে নিজের রাজ্য কর অঞ্চল -৩, সার্কেল – ৬২ থেকেই নতুন TIN অনলাইন থেকে বের করেন। সব অনিয়ম তার কাছে এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই।
সরাসরি সাক্ষাৎকারে উনার কাছে ভুয়া ঠিকানা ও এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার ভুল হয়েছে।

বিষয়টি এখানেই শেষ নয়, উনার TIN সার্টিফিকেট যাচাই করে দেখা যায় রাজধানী ঢাকাতেও উনার একটি স্থায়ী ঠিকানা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে উনার স্থায়ী ঠিকানা হলো ৩ টি। প্রশ্ন থেকে যায় – একই ব্যাক্তির স্থায়ী ঠিকানা কয়টি হতে পারে ? মুলত এর ভিতরে রহস্য কি ? হ্যাঁ গভীরে আরো রহস্য লুকিয়ে আছে।

জুলহাস উদ্দিন আহমেদের ভূয়া ঠিকানায় চাকরি, সরকারের সাথে প্রতারণা ও একাধিক স্থায়ী ঠিকানার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে এলো। তিনি গোপনে গড়েছেন টাকার পাহাড় ও নামে বেনামে সম্পদের পাহাড়। ঢাকার স্থায়ী ঠিকানার সূত্র ধরে অনুসন্ধানে জানা যায় – খিলগাও দক্ষীন বনশ্রী মেইন রোড এইচ ব্লকে বাড়ি নং – ৩ তার নিকট আত্তীয়ের নামে কিনেছেন কোটি টাকার ফ্ল্যাট। তার সঠিক স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সুলতানপুরে তার নিজের নামে ও ভাইদের নামে গড়েছেন রাজকীয় প্রাসাদ। এবং বাড়ির ভিতর রয়েছে অভিজাত ফার্নিচার। নিকট আত্তীয় স্বজনের নামে কিনেছেন প্রচুর জায়গা জমি। ৭ ভাইয়ের মধ্যে তিনি তার সবচেয়ে ছোট ভাইকে পাঠিয়েছেন আমেরিকার টেক্সাসে। অন্য আরেক ভাইকে পাঠিয়েছেন সৌদিআরবে।

 

657

 

জুলহাস উদ্দিন আহমেদ ২ মেয়ে ১ ছেলের পিতা। ছেলেকে দেশের সুনামধন্য প্রাইভেট ইষ্ট ওয়েষ্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করিয়েছেন। শুধু তাই নয় – সেখানে পড়াশোনা সম্পন্ন করার পর বর্তমানে উনার ছেলেকে লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করাচ্ছেন। উনার সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে উনাকে যখন প্রশ্ন করা হয় – ৭ বছর নৈশ প্রহরী এবং ২৫ বছর যাবৎ আপনি পিয়ন পদে চাকরি করেছেন। তখন আপনার মাসিক বেতন কত ছিল ? উত্তরে তিনি বলেন – পূর্বে অতি সামান্য বেতন থাকলেও তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার টাকায়। ছেলেকে ইষ্ট ওয়েষ্ট ইউনিভার্সিটির খরচ এবং লন্ডনে পড়াশোনা করতে যাওয়ার খরচ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উনি কোন সদ উত্তর না দিয়ে রেগে যান এবং বলেন – আপনারা যা পারেন নিউজ করেন!

তার সম্পর্কে আরও বিভিন্ন ভাবে অনুসন্ধান করে প্রমান পাওয়া যায়, তিনি সুলতানপুর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাধুলার অনুষ্ঠান, স্কুলের অনুষ্ঠান, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ডোনেশন করে বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চে বসেন এবং উপহার সামগ্রী ও অনুদান বিতরন করেন।

 

786

 

এসব বিষয়ে সরাসরি উনাকে প্রশ্ন করা হয় যে – আপনি বেতন পান ১৬ হাজার টাকা। কিন্তু বাস্তব চিত্রে আপনার মাসিক খরচ লাখ লাখ টাকা। বাকী টাকাগুলো আপনার কোথা থেকে আসে ? তিনি উত্তর না দিয়ে প্রতিবেদকের উপর রেগে যান।

দেশের সচেতন মহলের দাবি, এই ধরনের অসাধু কর্মচারী রাষ্ট্রের জন্য খুবই ভয়ংকর। তার সমস্ত অপরাধের বিষয় গুলো সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ আমলে নিবেন এবং আশাবাদী যথাযথ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।




এসএসসির নবম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩১ হাজার, বহিষ্কার ৯

ডেস্ক নিউজঃ আজ নবম দিনের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৩১ হাজার ৮৯৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। একইসঙ্গে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে সারাদেশে মোট ৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রবিবার (১০ মে) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আজ সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে হাদিস শরিফ এবং কারিগরি বোর্ডে রসায়ন-২ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজকের পরীক্ষায় মোট ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৫৭১ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১৫ লাখ ৮ হাজার ৬৬৩ জন।

এরমধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৩ লাখ ৫ হাজার ১৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৩ লাখ ১ হাজার ৬৫১ জন। অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৫০১ জন। কুমিল্লা বোর্ডে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৮৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৭ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৩০৬ জন। এছাড়া যশোর বোর্ডে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৭২৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৬২৮ জন। রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৫০ হাজার ১৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ জন। অনুপস্থিত ছিলে ১ হাজার ৯৬৮ জন পরীক্ষার্থী।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ লাখ ১০ হাজার ৯২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭১৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ২১৩ জন। বরিশাল বোর্ডে ৬৮ হাজার ১৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৬৬ হাজার ৮২৮ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৩৫৯ জন। দিনাজপুর বোর্ডে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ২৯ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৩৬৩ জন। আর ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮২ হাজার ৩৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৮১ হাজার ৪০০ জন। অনুপস্থিত ছিল ৯৭৭ জন। সিলেট বোর্ডে ৭১ হাজার ৪৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৭০ হাজার ৬৮৪ জন। অনুপস্থিত ছিলে ৭৯৮ জন।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে। এই বোর্ডে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ হাজার ৭৯৭ জন অনুপস্থিত ছিল, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। সর্বশেষ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৯৮৮ জন (৩ দশমিক ২২ শতাংশ)।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আজকের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে সারাদেশে মোট ৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ জন, ঢাকা ও যশোর বোর্ডে ২ জন করে এবং সিলেট ও কারিগরি বোর্ডে ১ জন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। তবে আজকের পরীক্ষায় কোনো পরিদর্শক বহিষ্কৃত হননি বলে জানা গেছে।




নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ বাহিনী গঠনের আদেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামের (টিভিকে) সভাপতি ও রাজ্যটির নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় থালাপতি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি তার প্রথম বক্তব্যেই বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আলাদা বাহিনী গঠনের কথা জানান।

রোববার (১০ মে) শপথ নিয়ে প্রথম সরকারি আদেশে সই করেছেন থালাপতি বিজয়। খবর এনডিটিভির।

শপথ গ্রহণের পরেই তিনি রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় বা বিনামূল্যে প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং নারীদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বাহিনী গঠন করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

থালাপতি বলেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পানির মতো মৌলিক বিষয়গুলোর প্রতিও তার পূর্ণ মনোযোগ থাকবে। কৃষক ও জেলেদের দেখভাল করা হবে। সবকিছু ভালো হবে।’

তিনি বলেন, ‘একজন সহকারী পরিচালকের ছেলে আজ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে। আমি দারিদ্র্য ও ক্ষুধা কী, তা জানি। আমি কোনো রাজকীয় পরিবার থেকে আসিনি। জীবনে অনেক কষ্ট সহ্য করেছি, অনেক মানুষ অপমান করেছে। আমি আপনাদের সন্তানের মতো, ভাইয়ের মতো। আপনারা আমাকে হৃদয়ে জায়গা দিয়েছেন, গ্রহণ করেছেন।’

এসময় জনগণকে মিথ্যা আশ্বাস না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থালাপতি বলেন, ‘ডিএমকে রাজ্যের কোষাগার পরিষ্কার করেছে এবং আমরা ১০ লাখ কোটি রুপির ঋণ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমরা জনগণের তহবিল থেকে একটি পয়সাও নেব না এবং আমরা কাউকে রাজ্য লুট করতে দেব না।’

জানা যায়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন থালাপতি বিজয়। তামিলনাড়ুর গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ পড়ান। শপথ নেন নতুন সরকারের নয়জন মন্ত্রীও।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিক ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজ্য পর্যায়ের শীর্ষ নেতারাও এসেছিলেন।




হরিণ বিক্রির ঘোষণা, কেনা যাবে ৫০ হাজার টাকায়

ডেস্ক নিউজঃ হরিণ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) পরিচালিত কেন্দ্রীয় উদ্যান ও বোটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বর্তমানে উদ্যানে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি হরিণ রয়েছে। বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি হরিণের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা প্রয়োজন হলেও সেই মান বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অতিরিক্ত হরিণগুলোকে নির্ধারিত মূল্য ও শর্তসাপেক্ষে হস্তান্তর বা বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাসিকের ভেটেরিনারি সার্জন ড. ফরহাদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে উদ্যানে প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট জায়গায় হরিণের জন্য সেড রয়েছে, যেখানে স্বাভাবিকভাবে সর্বোচ্চ ৮০-৮৫টি হরিণ রাখা সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে ১২৯টি হরিণ রয়েছে, যা ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি করছে। তাই বাড়তি হরিণগুলো আমরা নির্ধারিত ৫০ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও আমরা নিয়ম মেনে বিক্রি করেছি। তবে বন বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে অতিরিক্ত হরিণ বিক্রি বা হস্তান্তর করা হবে এবং যিনি কিনবেন তার অবশ্যই সুনির্দিষ্ট লাইসেন্স থাকতে হবে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে হরিণগুলো বিক্রি করা যেতে পারে। তবে শর্ত থাকবে, এসব হরিণ কোনোভাবেই জবাই করা যাবে না এবং কেবলমাত্র লালন-পালনের উদ্দেশ্যেই রাখা যাবে।

রাসিক সূত্রে জানা গেছে, এবার উদ্যানটিকে ‘বার্ড পার্ক’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে পুরো এলাকাকে পাখিভিত্তিক আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র ও অভয়ারণ্যে রূপান্তর করা হবে। প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি রঙিন পাখি আনা, পাখিদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।