ড্রোনের কারণে লুক্সেমবার্গ বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ড্রোনের কারণে লুক্সেমবার্গ বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি (এএ) এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, অনুমতি ছাড়া কয়েকটি ড্রোন বিমানবন্দরের আশপাশে ও রানওয়ে এলাকায় উড়তে দেখা যাওয়ার পর শনিবার ভোরে কিছু সময়ের জন্য লুক্সেমবার্গ বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, বিমানবন্দরের আশপাশে এবং পরবর্তীতে রানওয়ে এলাকায় অনুমোদনহীন চালকবিহীন আকাশযান (ইউএএস) শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় বিমান চলাচল শুরু করা হয়।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, যাত্রী, বিমানকর্মী, স্থলকর্মী এবং উড়োজাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সাময়িক এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

সূত্র: আনাদোলু




দুপুরের মধ্যেই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, বেতন নিয়ে যা জানা গেল

ডেস্ক নিউজঃ দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন আজ জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ চলছে। 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে উল্লেখ করে সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতেও বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপনের ছাপার কাজ চলছিল। সবকিছু ঠিক থাকলে আজই নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হতে পারে।

এর আগে, গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন। তবে অনুমোদনের প্রায় তিন সপ্তাহ পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর্যায়ে এসেছে নতুন এই বেতন কাঠামো।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট নতুন কাঠামোর খসড়ার আংশিক অংশ অর্থ বিভাগ থেকে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরে বাকি অংশও পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হওয়ার পর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন পে স্কেল একসঙ্গে নয়, মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ জুলাই মাসকে কার্যকারিতার তারিখ ধরে কর্মকর্তা কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর জন্য সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজই (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস) প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ চলছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে এটি প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আজ দুপুরের পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হতে পারে।’

তিন ধাপে বাস্তবায়ন, কার্যকর ধরা হয়েছে ১ জুলাই থেকে

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন পে-স্কেল একসঙ্গে নয়, মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ জুলাই মাসকে কার্যকারিতার তারিখ ধরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন।

নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।

এক দশকের বেশি সময় পর সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতন কাঠামো পেতে যাচ্ছেন। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রেডে আগের তুলনায় মূল বেতন দ্বিগুণ হয়েছে।

মূল গেজেটের সঙ্গে পৃথক এসআরও

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর করতে একটি মূল গেজেটের পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক ৫ থেকে ৭টি এসআরও জারির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), সশস্ত্র বাহিনী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক বাস্তবায়ন আদেশ থাকবে।

গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি সরকারি বেতন-ভাতা ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার ‘আইবাস++’ এ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ চলছে। ২০১৫ সালের পে স্কেল কার্যকরের সময় এ সফটওয়্যার ছিল না। এবার নতুন বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হওয়ায় আইবাস++-এ বেতন পুনর্নির্ধারণ (ফিক্সেশন) ও নতুন হিসাব কাঠামো যুক্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইতিমধ্যে অবসরে যাওয়া সোয়া ৯ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য এবং পেনশনের স্তর সমন্বয়ের কাজ চলছে।

২০টি গ্রেডই বহাল, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার

নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল থাকছে। ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ১৪২ শতাংশ বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ১ম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ করে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। ফলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১:১.৭৮।

মূল বেতন তিন ধাপে, ভাতা কার্যকর ২০২৮ সালে

নতুন পে-স্কেল চলতি বছরের পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে সরকারি ব্যয়ভার ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মূল বেতন ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের মধ্যে তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

নতুন কাঠামোয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সব গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর জন্য মোবাইল ভাতার ব্যবস্থাও থাকছে।

পেনশনেও বড় পরিবর্তন

পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও ধাপে ধাপে সুবিধা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে। নিট পেনশনের ওপর ভিত্তি করে ৯ হাজার টাকা বা তার কম পেনশনধারীদের ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকার বেশি পেনশনধারীদের ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত নিট পেনশন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি রয়েছে। নতুন কাঠামোয় পেনশন বৃদ্ধির হার পেনশনের স্তরভেদে ৫৫ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হবে বলে প্রকাশিত তথ্যেও উল্লেখ রয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোর ফলে প্রায় ২৪ লাখ কর্মরত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ পেনশনভোগী সরাসরি উপকৃত হবেন। এ জন্য সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। গেজেট প্রকাশের পর সরকারি কর্মচারীদের নতুন স্কেলে বেতন ফিক্সেশন এবং বকেয়া পাওনা সমন্বয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

পে-স্কেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে

– কার্যকর তারিখ: ১ জুলাই ২০২৬।

– গ্রেড: আগের মতো ২০টি গ্রেড বহাল।

– সর্বনিম্ন মূল বেতন: ২০তম গ্রেডে ২০,০০০ টাকা।

– সর্বোচ্চ মূল বেতন: ১ম গ্রেডে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

– সর্বনিম্ন গ্রেডে বৃদ্ধি: ৮,২৫০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকা- বৃদ্ধি ১৪২ শতাংশ।

– ১ম গ্রেডে বৃদ্ধি: ৭৮,০০০ টাকা থেকে ১,৫৬,০০০ টাকা- বৃদ্ধি ১০০ শতাংশ।

– ৯ম গ্রেড: ২২,০০০ টাকা থেকে ৪৪,০০০ টাকা; এই গ্রেডে প্রবেশকারী বিসিএস কর্মকর্তাদের মূল বেতনও এ কাঠামোর আওতায় পড়বে।

– সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত: ১:১.৭৮, যা আগের ১:১.৯৪৫ থেকে কম।

– মূল বেতন বাস্তবায়ন: মোট তিন ধাপে।

– অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা: ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

– প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা।

– উপকারভোগী: প্রায় ২৪ লাখ কর্মরত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় ৯ লাখ ২৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী।

– অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয়: আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।




দেশে প্রথমবার ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন

ডেস্ক নিউজঃ এখন থেকে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় ছাড়াও অন্যদের দান করা কিডনি প্রতিস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। শনিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এর মাধ্যমে নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকায় নিকট আত্মীয় ছাড়াও স্বেচ্ছায় যে কেউ কিডনি দান করতে পারবেন৷

বিএমইউ উপাচার্য বলেন, ইমোশনাল ডোনার যাচাই বাছাইয়ের জন্য কযেকটি সংস্থা কাজ করছে। আইনগত ভিত্তিগুলো সংস্থাগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে প্রতিস্থাপন করা হবে। হাসপাতালের একটি টিম আছে, তারা মেডিকেল ও অন্যন্য জটিল বিষয় দেখে তদন্ত করে ইমোশনাল ডোনার সঠিক কিনা তা জেনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, কোন অবস্থাতেই অর্থ লেনদেন হতে পারবে না। দীর্ঘদিন জটিলতায় কিডনি ট্রান্সফার বন্ধ ছিল। তবে এখন থেকে নিয়মিত কিডনি রোগিরা সেবা পাবে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয়টি কিডনি সফলভাবে ট্রান্সফার হয়েছে।




এনআইডির ভুল তথ্য সংশোধনে যেসব কাগজ লাগবে

ডেস্ক নিউজঃ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার আইডি কার্ডে নাম, জন্মস্থান, বাবা-মায়ের নাম, পেশা কিংবা ঠিকানায় ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে কোন তথ্য সংশোধন করতে হবে, তার ওপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ধরনও ভিন্ন হয়।

আগে থেকেই প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখলে আবেদন প্রক্রিয়া সহজ হতে পারে।
নাম সংশোধনে যেসব কাগজ লাগতে পারে

নামের বানান বা আংশিক সংশোধনের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে

এসএসসি, জেএসসি বা পিএসসি সনদ—যা প্রযোজ্য
অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ
পাসপোর্ট—থাকলে
ড্রাইভিং লাইসেন্স—থাকলে
সন্তানের জন্মসনদ বা শিক্ষাসনদ—থাকলে
কাবিননামা বা বিবাহ সনদ
স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি

সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এসব নথির পাশাপাশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পাদিত হলফনামা প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশন সরেজমিন তদন্তও করতে পারে।

বাবা-মায়ের নাম সংশোধনে
বাবা বা মায়ের নামের বানান, পদবি বা সম্পূর্ণ নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে—

শিক্ষাগত সনদ
অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ
বাবা-মায়ের এনআইডি
ভাই-বোনের এনআইডি ও শিক্ষাসনদ
পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স—থাকলে

সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিল, করের রসিদসহ অতিরিক্ত প্রমাণপত্রও চাওয়া হতে পারে।

জন্মস্থান সংশোধনে
জন্মস্থান সংশোধনের জন্য প্রয়োজন হতে পারে—

অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ
পাসপোর্ট—থাকলে
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র

পেশা সংশোধনে
পেশার তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে—

নিয়োগপত্র—চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে
পেশাসংক্রান্ত সনদ
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র

দৃশ্যমান শনাক্তকরণ চিহ্ন সংশোধনে

এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে—
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রতিবেদন
মেডিক্যাল সনদ

রক্তের গ্রুপ সংযোজন বা সংশোধনে

রক্তের গ্রুপ সংযোজন বা সংশোধনের জন্য প্রয়োজন হবে—
রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট

স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা সংশোধনে

ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে—

অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ
বিদ্যুৎ বিল
চৌকিদারি ট্যাক্স বা পৌর করের রসিদ
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রত্যয়নপত্র
টিআইএন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্ট নম্বর—প্রযোজ্য ক্ষেত্রে
অতিরিক্ত নথিও চাইতে পারে নির্বাচন কমিশন

এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত নথি চাইতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশোধন করতে চাওয়া তথ্যের পক্ষে যত বেশি প্রাসঙ্গিক সরকারি নথি প্রস্তুত রাখা যায়, আবেদন যাচাইয়ের প্রক্রিয়া তত সহজ হতে পারে।

নোট : প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা সংশোধনের ধরন ও আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করা ভালো।




আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা

ডেস্ক নিউজঃ দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৯১ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ায় নতুন করে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির সভায় এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৩০১ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রুপার দাম ১১৬ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ২০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫৮ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫৮ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল।




জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। সংক্ষিপ্ত সফর শেষে তিনি দেশে ফিরবেন।

নিউইয়র্কে তার সম্মানে যে নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, সেটিও আর হচ্ছে না বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তৃতা দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন। নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠক, বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করবেন। জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকের মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন, মহামারি প্রতিরোধ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ। পাশাপাশি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সমস্যাসহ একাধিক বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ।

কূটনৈতিক একটি সূত্রে জানা গেছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য যেসব দেশের নেতাদের বৈঠক হতে পারে, সে তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ পে্লনকোভিচ ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল সৌদ।

এছাড়াও জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গে্লাবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী এ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও যোগ দেবেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সফর দীর্ঘ করার পরিকল্পনা ছিল। কয়েকটি প্রতিবেদনে ২১ থেকে ২৯ বা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান এবং সানফ্রান্সিসকো সফরের কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তী সিদ্ধান্তে সানফ্রান্সিসকো সফরও বাদ দেওয়া হয়েছে। সফর সংক্ষিপ্ত করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানো ও সময় ব্যবস্থাপনার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে সংশি্লষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সংবর্ধনা বাতিলের কারণ নিয়ে একাধিক তথ্য এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—সরকারি অর্থ ব্যয় করে বড় ধরনের নাগরিক সংবর্ধনা নেওয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আগ্রহী নন। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াস আহমেদ জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের উদ্যোগে সংবর্ধনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে তারেক রহমান সরকারি অর্থ ব্যয় করে এমন সংবর্ধনা নিতে চাননি। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিজস্ব অর্থায়নে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এদিকে ভিন্ন একটি সূত্র জানিয়েছে, ২৫ সেপ্টেম্বর ম্যানহাটনের ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেলে দলীয় উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ওই দিনই দেশে ফিরে গেলে তার উপস্থিতিতে নির্ধারিত সংবর্ধনা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।




ঢাকাসহ দেশের আট অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, সামান্য কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

আবহাওয়া ডেস্কঃ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ। পাশাপাশি কমতে পারে গরমও বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এসময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।




বর্ণবাদের বিষাক্ত অভিজ্ঞতা, ‘হাজারো বার’ আক্রান্ত ইয়ামাল

খেলাধুলা ডেস্কঃ বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় ‘হাজারো বার’ বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন। স্প্যানিশ সম্প্রচারমাধ্যম মুভিস্টার প্লাসের ‘ইউনিভার্সো ভালদানো’ অনুষ্ঠানে সাবেক আর্জেন্টাইন ফুটবলার হোর্হে ভালদানোর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

ইয়ামাল বলেন, বর্ণবাদ সবসময় সরাসরি গালিগালাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায় না। অনেক সময় মানুষের মন্তব্য, দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা আচরণের মধ্যেও বর্ণবাদী মনোভাব থাকে। তবে এসব আচরণ করা ব্যক্তিরা অনেক সময় নিজেরাই বুঝতে পারেন না যে তারা বর্ণবাদী আচরণ করছেন।

সাক্ষাৎকারে ভালদানো ইয়ামালকে সরাসরি জিজ্ঞেস করেন, তিনি কখনো বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন কি না। জবাবে বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড বলেন, ‘হ্যাঁ, হাজারো বার।’

ইয়ামাল আরও বলেন, ‘মানুষ অনেক সময় পরোক্ষভাবে আপনার সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ করে, কিন্তু তারা তা বুঝতে পারে না। অনেক মন্তব্য ও দৃষ্টি আছে, যেগুলো বর্ণবাদী হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেটি উপলব্ধি করেন না।’

২০২৪ সালের অক্টোবরে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এল ক্লাসিকো ম্যাচেও বর্ণবাদী আচরণের শিকার হন ইয়ামাল। ওই ম্যাচে বার্সেলোনার হয়ে গোল করার পর ইয়ামাল, রাফিনিয়া ও আনসু ফাতিকে লক্ষ্য করে গ্যালারি থেকে বর্ণবাদী মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে স্প্যানিশ ফুটবল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তবে মাঠে এমন অপমানজনক আচরণের মুখেও নিজের খেলায় মনোযোগ ধরে রাখার কথা জানিয়েছেন ইয়ামাল। তিনি বলেন, কেউ তাকে কালো বলে ডাকলে তাতে তার আপত্তি নেই, কারণ তিনি কালো। কিন্তু সেই পরিচয়কে অপমান বা হেয় করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করাটাই সমস্যার বিষয়।

ইয়ামালের ভাষায়, ‘কেউ আমাকে কালো বললে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কারণ আমি কালোই। কিন্তু তারা সেটি ভালোভাবে বলছে, নাকি অপমান করার জন্য বলছে—বিষয়টি সেখানে।’

তিনি আরও বলেন, কোনো দর্শক টিকিট কেটে তাকে খেলতে দেখতে এসেছেন বলে শুধু অপমানের জবাবে তিনি ম্যাচের মধ্যে রাগ দেখাতে চান না। তার মতে, বর্ণবাদকে সমর্থন না করলেও এর কারণে নিজের পারফরম্যান্স ও মনোযোগ নষ্ট করা উচিত নয়।

স্প্যানিশ ফুটবলে বর্ণবাদী আচরণ নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রসহ বেশ কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলার গ্যালারি ও অনলাইনে বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হয়েছেন। এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে লা লিগা স্টেডিয়ামে বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ জোরদার করেছে।

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন ইয়ামাল। তবে মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি বর্ণবাদের মতো সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধেও নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আলোচনায় এসেছেন বার্সেলোনার এই তারকা।




বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিরোধ, ফিফার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ইউরোপ-উত্তর আমেরিকা

খেলাধুলা ডেস্কঃ বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার ওপর চাপ বাড়িয়েছে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ফুটবল সংস্থাগুলো। ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত বাণিজ্যিক উদ্যোগ ও সংস্থার আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধের মধ্যেই নতুন করে অর্থ বিতরণ ও স্বাধীন পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফের প্রধানরা ফিফার ২১১ সদস্য দেশকে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। পাশাপাশি ফিফার আর্থিক রিজার্ভ ও বিতর্কিত বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়ে স্বাধীন পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

২১১ সদস্য দেশকে ১০ মিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার প্রস্তাব

উয়েফা সভাপতি আলেকসান্দার চেফেরিন এবং কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্টাগলিয়ানি ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর কাছে পাঠানো চিঠিতে প্রতি সদস্য দেশকে অন্তত ১ কোটি মার্কিন ডলার করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চার বছরে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থাকে এই অর্থ দেওয়া হতে পারে। সব সদস্যকে অর্থ দেওয়া হলে মোট ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ফুটবল অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের বিকাশে এই অর্থ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। উয়েফা ও কনকাকাফের প্রধানদের মতে, ফিফার আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় এই অর্থ বিতরণ সম্ভব।

ফিফার রিজার্ভ নিয়ে প্রশ্ন

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৬ চক্রের শেষে ফিফার আর্থিক রিজার্ভ প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই অর্থের একটি অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি তুলেছেন উয়েফা ও কনকাকাফের প্রধানরা।

তাদের প্রস্তাবে আর্থিক স্বচ্ছতা ও সুশাসনের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থ বিতরণের আগে ফিফার আর্থিক সক্ষমতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া স্বাধীনভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিতর্কিত বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়ে বিরোধ

ফিফার ওপর চাপ তৈরির পেছনে অন্যতম কারণ সংস্থাটির ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ বা FFE প্রকল্প। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ও টিকিট বিক্রির অধিকার পরিচালনার জন্য একটি নতুন কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

পরিকল্পনায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে ওই কোম্পানির অংশীদারত্ব বিক্রির বিষয় ছিল। এতে বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক অধিকার ব্যবস্থাপনায় বাইরের বিনিয়োগ যুক্ত হওয়ার কথা ছিল।

তবে উয়েফা, কনকাকাফসহ কয়েকটি আঞ্চলিক ফুটবল সংস্থা এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। সমালোচকদের দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বচ্ছতা ও পরামর্শের ঘাটতি ছিল।

বিরোধের মুখে ফিফা আগস্টে ওই উদ্যোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে পরিকল্পনাটি কীভাবে তৈরি হয়েছিল, কারা এতে যুক্ত ছিল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট নজরদারি ছিল কি না—এসব প্রশ্ন এখনো রয়েছে।

স্বাধীন তদন্তের দাবি

উয়েফা ও কনকাকাফের পক্ষ থেকে ফিফার বিতর্কিত বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়ে স্বাধীন পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়েছে। তাদের মতে, ভবিষ্যতে ফিফার বড় ধরনের আর্থিক ও বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন।

এদিকে ফিফা উয়েফার আইনি পদক্ষেপকে ‘স্মিয়ার ক্যাম্পেইন’ বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। সংস্থাটির দাবি, উয়েফার কর্মকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

অন্যদিকে উয়েফা জানিয়েছে, ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ও বাণিজ্যিক পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন। এই বিরোধের মধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্য হয়েছে।

ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে চাপ

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিতর্কিত বাণিজ্যিক উদ্যোগের পাশাপাশি বিশ্বকাপের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও ফিফার প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে ইউরোপের কয়েকটি ফুটবল সংস্থা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

আগস্টে নর্ডিক অঞ্চলের ছয়টি ফুটবল সংস্থা—সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড ও ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ—ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর আস্থা হারানোর কথা জানায়। তারা ফিফার শাসনব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বাধীন পর্যালোচনার দাবি জানায়।

এদিকে ইনফান্তিনো ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা প্রেসিডেন্ট পদে চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তার নেতৃত্ব নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে এই নির্বাচনকে সামনে রেখে ফিফার প্রশাসনিক কাঠামো ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।

সামনে ফিফা কাউন্সিলের বৈঠক

উয়েফা ও কনকাকাফের প্রস্তাব আগামী ১৫ অক্টোবরের ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে আলোচনার জন্য তোলা হতে পারে। সেখানে ফিফার আর্থিক রিজার্ভ, সদস্য দেশগুলোকে অর্থ বিতরণ এবং বিতর্কিত বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

তবে এখনো ফিফার পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি গ্রহণের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে ২১১ সদস্য দেশকে অর্থ বিতরণের দাবি বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নির্ভর করছে ফিফার পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর।

বিশ্ব ফুটবলের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে এই বিরোধের মধ্য দিয়ে ফিফার নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থ বণ্টনের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।




তৃণমূলের নাম-প্রতীক স্থগিত, ক্ষুব্ধ মমতার কণ্ঠে ‘গণতন্ত্রের কালো দিন’

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের মধ্যে ভারতের নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচলিত নাম ও ‘জোড়া ফুল’ প্রতীক সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের কালো দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর তৃণমূলের দুই পক্ষকে পৃথক নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষই পুরোনো ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও প্রচলিত ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পক্ষকে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন পক্ষ পেয়েছে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘খাম’ প্রতীক। এসব পরিচয় আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি। কমিশন জানিয়েছে, বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত একই নাম ও প্রতীক ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতেই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি সিদ্ধান্তটিকে ‘অসাংবিধানিক, বেআইনি ও অগণতান্ত্রিক’ বলে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি এটিকে ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে ‘কালো দিন’ বলে মন্তব্য করেছেন।

মমতার নেতৃত্বাধীন পক্ষের দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন দলের নাম ও প্রতীক স্থগিত করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নাম ও প্রতীক নিয়ে এই জটিলতার প্রভাব পড়েছে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনেও। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মমতা-সমর্থিত পক্ষের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন এবং পরে মমতা নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণা দেন।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিরোধ আরও প্রকাশ্যে এসেছে। পুরোনো নাম ও প্রতীক নিয়ে কার দাবি গ্রহণযোগ্য হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীকে নির্বাচনী কার্যক্রম চালাতে হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘জোড়া ফুল’ প্রতীককে ঘিরে তৈরি হওয়া এই বিরোধ এখন নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের বর্তমান সিদ্ধান্তটি অন্তর্বর্তী। তাই ভবিষ্যতে দলীয় নাম ও প্রতীকের বিষয়ে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও পরিবর্তন করতে পারে।