প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসি সভা চলছে

ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শুরু হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশন মিলনায়তনে এ সভা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।

সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। সভায় এডিপি চূড়ান্ত ও অনুমোদন দেয়া হতে পারে।

এছাড়া ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত রূপরেখা (২০২৬-২০৩০ অর্থবছর)’ শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলপত্রের রূপরেখা উপস্থাপন ও অনুমোদনের বিষয়ও রয়েছে।

সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানসহ অন্যরা অংশ নিয়েছেন।




মালদ্বীপে ডাইভিং দুর্ঘটনা: উদ্ধার কাজে নেমে প্রাণ হারালেন ডুবুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো একদল ইতালীয় পর্যটকের মরদেহ উদ্ধারে নেমে মালদ্বীপে এক উদ্ধারকারী ডুবুরির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মালদ্বীপ সরকারের এক মুখপাত্র গতকাল শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছেন, স্টাফ সার্জেন্ট মোহামেদ মাহদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে সেখানেই তিনি মারা যান।

এর আগে বৃহস্পতিবার সমুদ্রের প্রায় ৫০ মিটার (১৬৪ ফুট) গভীরে গুহা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করতে গিয়ে ইতালির পাঁচ নাগরিকের মৃত্যু হয়। এখন পর্যন্ত তাদের একজনের মৃতদেহ মিলেছে, তাও সমুদ্রপৃষ্ঠের ৬০ মিটার নিচে এক গুহায়। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু শনিবার বাকি ইতালীয় নাগরিকদের মৃতদেহ উদ্ধার অভিযান দেখতে ভাভু প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় যান।

“আট উদ্ধারকারী ডুবুরি আজ পানিতে নেমেছিলেন। তারা যখন ভেসে ওঠেন, বুঝতে পারেন যে মাহদি ফিরে আসেনি,” বিবিসিকে এমনটাই বলেছেন মালদ্বীপ সরকারের মুখপাত্র মোহামেদ হোসেইন শরিফ।

অন্য উদ্ধারকারী ডুবুরিরা তাৎক্ষণিকভাবে সমুদ্রের তলদেশে যান এবং সেখানে মাহদিকে অচেতন অবস্থায় পান। মালদ্বীপের সামরিক বাহিনী আগেই বিরূপ আবহাওয়ায় সমুদ্র তলদেশে এই উদ্ধার অভিযানকে ‘খুবই ঝুঁকিপূর্ণ’ আখ্যা দিয়েছিল।

মাহদির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তায়ানি। যে পাঁচ ইতালীয় কেভ ডাইভে নেমে মারা গেছেন তাদের চারজনই জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দলের অংশ। এরা হলেন- অধ্যাপক মনিকা মন্টিফেলকোন ও তার মেয়ে এবং দুই তরুণ গবেষক। এর বাইরে যে ইতালিয়ান মারা গেছেন তিনি নৌযান পরিচালনা ব্যবস্থাপক ও ডাইভিং প্রশিক্ষক।

এ পাঁচজনই বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকালের দিকে ভাভু দ্বীপপুঞ্জের কাছে সমুদ্রে নেমেছিলেন; অনেকক্ষণ পরও তারা ভেসে না ওঠায়, তাদেরকে ডাইভিংয়ে নিয়ে যাওয়া নৌযানের ক্রু’রা ৫ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর দেন।

রাজধানী মালে-র প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ওই এলাকার আবহাওয়াও সেসময় বিরূপ ছিল এবং যাত্রীবাহী নৌকা ও জেলেদের জন্য ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছিল, বলছে পুলিশ।

শরিফ বলছেন, বেড়াতে আসা স্কুবা ডাইভারদের কেবল সমুদ্রের ৩০ মিটার গভীর পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই ইতালীয়রা কী করে ৬০ মিটার নিচের গুহায় গিয়েছিলেন তা পরিষ্কার নয়।

এর আগে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, যে ডিউক অব ইয়র্ক ইয়ট থেকে ওই ৫ জন সমুদ্রে নেমেছিলেন, সেখানে ইতালির আরও ২০ নাগরিক ছিলেন। তারা অক্ষত আছেন এবং শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অবস্থিত ইতালি দূতাবাস তাদের সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে।




সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ

ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নিয়েছেন। রোববার (১৭ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান। 
দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড অ্যান্ড গ্রুপ’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মিজানুর রহমান সিনহা। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র পেশ ইমাম আবু রায়হান।
এতে আরো অংশ নেন  জাতীয় সংসদের স্পিকার অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অন্যান্য সদস্য।
জানাজা শেষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । এরপর একে একে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীসহ অন্যরাও সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৫ মে) রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
মিজানুর রহমান সিনহা মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন।
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মিজানুর রহমান সিনহা। এছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপির কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। সর্বশেষ ঘোষিত মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটিতে তাকে আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।



শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

ডেস্ক নিউজঃ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রবিবার (১৭ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো বিনামূল্যে উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সেবা। এদিন দুপুর ২টায় এ সেবার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। এখন থেকে বিমানবন্দরে আসা যাত্রীরা বিনা খরচে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

এ সময় আফরোজা খানম বলেন, ‘বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ‘সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির আলোকে এই সেবা চালু করেছে। আশা করছি থার্ড টার্মিনালও দ্রুত উদ্বোধন করতে পারব, যা আমাদের জন্য হবে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’

বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, নতুন এই নেটওয়ার্কে একই সময়ে ৩৭ হাজারেরও বেশি যাত্রী ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

জানা যায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কাভারেজ দেবে। এর আওতায় রয়েছে— টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি টার্মিনাল, ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং এলাকা। এই বিস্তৃত কাভারেজের ফলে বিমানবন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অংশেই যাত্রীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

সেবাটির জন্য পুরো নেটওয়ার্কটি তৈরি করতে স্থাপন করা হয়েছে ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্ট, ৪৮ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ও ইথারনেট কেবল এবং ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ। প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে সেবা দিতে সক্ষম। সম্পূর্ণ সিস্টেম সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।




ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ডেস্ক নিউজঃ দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা হামের টিকাদান কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘ফৌজদারি অবহেলা’ আখ্যা দিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ২৪ জনের ভূমিকা তদন্ত এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটে হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা থেকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়।

রিটে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে গত ৬ এপ্রিল একই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম। ওই নোটিশে পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছিল। অন্যথায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম বলেন, দেশে আবারও হামের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রিটে যাদের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, নূরজাহান বেগম, ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা। হামের টিকা ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার ‘অশুভ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে’ স্বার্থসংশ্লিষ্টভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে এই তদন্ত ও নিষেধাজ্ঞার দাবি জানান ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।



বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি নির্ধারণ কর‌ল মিসর

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ফি ঘোষণা করেছে মিসর। সিংগেল এন্ট্রি, মাল্টিপল এন্ট্রি এবং পাঁচ বছর মেয়াদি ভিসার ফি পরিবর্তন করা হ‌য়ে‌ছে।

আজ রবিবার (১৭ মে) ঢাকার মিসর দূতাবাস এক বার্তায় এ‌ তথ্য জানি‌য়ে‌ছে।

দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এখন থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের সিংগেল এন্ট্রির ক্ষেত্রে ৯ হাজার ২০০ টাকা, মাল্টিপল এন্ট্রির ক্ষেত্রে ১২ হাজার ১৫০ টাকা এবং পাঁচ বছর মেয়াদি ভিসার ফি ৯৫ হাজার ২০০ টাকা।




১ জুলাই থেকেই পে-স্কেল বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন এই বেতন কাঠামো কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে বলে হিসাব রয়েছে। এই বিশাল আর্থিক চাপ এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি সামলাতে একসঙ্গে নয়, তিনটি ধাপে এটি বাস্তবায়নের কৌশল নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপেই বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে, যার জন্য আসন্ন বাজেটে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বাজেট সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের ধারাবাহিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টানা দুদিনের এই আলোচনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন পে-স্কেলের রূপরেখা, খাতভিত্তিক বরাদ্দ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর আহরণের সার্বিক চিত্র প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। সব দিক পর্যালোচনার পর প্রধানমন্ত্রী নতুন বেতন কাঠামো চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সবুজ সংকেত দেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামোতে বেতন পাবেন, এ নিয়ে এখন আর কোনো সংশয় নেই।’ অর্থমন্ত্রীর আসন্ন বাজেট বক্তৃতার খসড়াতেও এই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পুরো কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেলের প্রস্তাব পুরোপুরি কার্যকর করতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এই বিশাল ব্যয়ের চাপ সামলাতেই সরকার কৌশলগতভাবে ধাপে ধাপে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকেই নতুন বেতন কাঠামোর অধীনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এ জন্য আসন্ন বাজেটে ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখার প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে এবং তৃতীয় ধাপে মূল বেতনের সঙ্গে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয় করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, তিন বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে দেশের সামগ্রিক বাজারে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে কোনো চাপ পড়বে না এবং সরকারের নগদ অর্থায়ন ব্যবস্থাপনাও অনেক সহজ হবে।

এর আগে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের বেতন কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। বর্তমানে দেশের প্রায় ১৪ লাখ কর্মরত সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর বেতন-ভাতা মেটাতে সরকারের বার্ষিক ব্যয় হয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

বেসামরিক প্রশাসন, জুডিশিয়াল সার্ভিস ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির জন্য সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিশন ও কমিটির খসড়া অনুযায়ী, সরকারি চাকরির গ্রেড আগের মতোই ২০টি বহাল থাকছে। তবে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ রয়েছে। এই কাঠামো অনুমোদিত হলে গ্রেডভেদে কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনা হচ্ছে।

বৈঠকে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।




“দেশে এখন স্বাধীনভাবে কথা বলাও কঠিন”-বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘অপশাসনের ধারাবাহিকতা’ বললেন জিএম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে দেশে যেসব জাতীয় নির্বাচন হয়েছে, সবই আগে থেকেই পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত ছিল। তাঁর অভিযোগ, ভোটের ফল জনগণের রায়ে নয়, বরং কৌশল আর প্রভাব খাটিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে নিজের দু’টি বইয়ের প্রকাশনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনেও ভোটের প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটার সংখ্যা বাড়লেও ভোটকেন্দ্রের বুথ কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল পরিকল্পিতভাবে। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল মহল আগেই বুঝেছিল সাধারণ মানুষ ভোট দিতে কেন্দ্রে আসবে না। তাই কৃত্রিমভাবে ভোটের পরিবেশ তৈরি করতে এবং পরে ফলাফল নিজেদের মতো সাজাতে বুথ সংখ্যা কমানো হয়।

তিনি নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ভোটের হার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ঘোষিত ভোটের হিসাব বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। তিনি গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক ভোট গ্রহণ করা বাস্তবে সম্ভব নয়। ভোটারের পরিচয় যাচাই, আঙুলে কালি দেওয়া, ব্যালট নেওয়া, ভোট দিয়ে বাক্সে ফেলা—সব মিলিয়ে যে সময় লাগে, তাতে ঘোষিত ভোটের সংখ্যা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, বাস্তবে অধিকাংশ কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় ভোটারশূন্য অবস্থা ছিল এবং প্রকৃত ভোট পড়েছে অনেক কম।

জাপা চেয়ারম্যান আরও অভিযোগ করেন, বিপুল সংখ্যক ভুয়া ভোট দেখিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের জেতানো হয়েছে। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী বাস্তব ভোটের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যা দেখিয়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকারকে কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ করে ফেলা হয়েছে।

গণমাধ্যম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিএম কাদের। তিনি বলেন, দেশে এখন আর প্রকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। সংবাদমাধ্যমের অনেকেই চাপ, ভয় কিংবা বিভিন্ন কারণে আত্মনিয়ন্ত্রণের মধ্যে কাজ করছে। তাঁর অভিযোগ, তিনি যে তথ্য ও হিসাব তুলে ধরেছেন, তা দেশের সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করতে সাহস পায়নি।

সাংবাদিক আনিস আলমগীরমঞ্জুরুল হাসান পান্না-সহ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর দাবি, ভিন্নমত দমন করতে এখনও আগের মতো ভয়ভীতি ও নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি চলছে। মানুষের বাকস্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও দুর্নীতি বেড়েছে বলে অভিযোগ করে জিএম কাদের বলেন, দেশে এখন নতুন ধরনের “মামলা বাণিজ্য” শুরু হয়েছে। নিরীহ মানুষকে মামলা, গ্রেফতার বা “শোন অ্যারেস্ট” দেখানোর ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, কেউ রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন মতের হলেই তাকে হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। বিমানবন্দরে আটকে রেখে ভয় দেখানো, পরে অর্থ আদায়ের মতো ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র সমালোচনা করে তিনি বলেন, একতরফাভাবে সংবিধান পরিবর্তনের চেষ্টা অতীতেও স্থায়ী হয়নি। বর্তমান সরকারও যদি রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে নিজেদের মতো সংস্কার চালাতে চায়, তাহলে সেই উদ্যোগও দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জিএম কাদের বলেন, প্রতীক নিয়ে তারা চিন্তিত নন। মামলা বা চাপ যাই আসুক, দলকে ধরে রেখে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাবেন। তবে দলের ভেতরে বিশ্বাসঘাতকতা করলে কাউকে আর ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকাশক আলমগীর সিকদার লোটন। প্রধান আলোচক ছিলেন আবুল কাশেম ফজলুল হক। এছাড়া বক্তব্য দেন আব্দুস সাত্তার, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, কাজী রওনক হোসেন, মাসুদ কামাল-সহ আরও অনেকে।




ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

ডেস্ক নিউজঃ পবিত্র ঈদুল আজহার সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ এবং ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার লক্ষ্যে আগামীকাল সোমবার (১৮ মে) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

রোববার (১৭ মে) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এমপি।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেলে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিকে জানানোর জন্য দেশের সকল নাগরিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করা হয়েছে। চাঁদ দেখার তথ্য জানানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু টেলিফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০, ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭

এছাড়া, সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও (ইউএনও) বিষয়টি অবহিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।




ট্রেনে ঈদযাত্রার শেষ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

ডেস্ক নিউজঃ পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ২৮ মে হতে পারে—এমনটি ধরে নিয়ে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই হিসেবে ঈদযাত্রার শেষ দিন অর্থাৎ ২৭ মে’র আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে আজ রোববার (১৭ মে)। বরাবরের মতোই যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে শতভাগ আসনের টিকিট অনলাইনে (অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে) বিক্রি করা হচ্ছে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আর দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিট বিক্রি।

ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ঈদের আগের ৫ দিনের টিকিট অগ্রিম দেওয়া হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ মে দেওয়া হয়েছে ২৩ মে’র টিকিট, ১৪ মে দেওয়া হয়েছে ২৪ মে’র, ১৫ মে দেওয়া হয়েছে ২৫ মে’র এবং ১৬ মে দেওয়া হয়েছে ২৬ মে’র টিকিট। আজ ১৭ মে দেওয়া হচ্ছে ২৭ মে’র টিকিট। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট পরবর্তী সময়ে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, একজন যাত্রী ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট সর্বোচ্চ একবারই কিনতে পারবেন এবং একটি আইডিতে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কেনা যাবে। এই টিকিট কোনোভাবেই রিফান্ড বা ফেরত দেওয়া যাবে না। তবে সাধারণ ও কর্মজীবী যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং বা আসনবিহীন টিকিট বিক্রি করা হবে।