অতীতের মতো ‘গুপ্তবাহিনী’ বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ : অতীতের মতো আবারও ‘গুপ্তবাহিনী’ বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং জনগণের কাছে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য কোনো দল রাজনীতি করে থাকলে সেই দলটির নাম বিএনপি। কিন্তু কিছু সংখ্যক রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এই উন্নয়নকর্মে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, যারা রাজপথ বন্ধ করতে চায়, মানুষকে বিভ্রান্ত করতে যায়, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া যায়, তা নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া যাবে না। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

উন্নয়নের জন্য চট্টগ্রামে যা যা প্রয়োজন, পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তারেক রহমান।




যেকোনো মূল্যে ইরান হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে: ইরানের সাবেক প্রধান বিচারপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান হরমুজ প্রণালি থেকে পিছিয়ে যাবে না প্রয়োজনে যে কোনো মূল্যে গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক রুটটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার কথা জানিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি আয়াতুল্লাহ আমোলি লারিজানি।

রোববার (৯ আগস্ট) বার্তাসংস্থা আইআরআইবি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ইরান যেকোনো মূল্যে গুরুত্বপূর্ণ এ সামুদ্রিক রুটটির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখবেন।

আয়াতুল্লাহ আমোলি লারিজানি বর্তমানে ইরানের ‘এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিল’-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এটি সুপিম লিডারের কর্তৃক সরাসরি গঠিত একটি সংস্থা। যা গুরুত্বপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তি ও পরামর্শক হিসেবে কাজ করে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। এর সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় তেহরান। যা এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়নি।

এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে। এতে করে হরমুজ দিয়ে ইরানে যাওয়া-আসা করা কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না।

হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পথ নেই

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্বিতীয় কোনো পথ নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আমির আকরামিনিয়া। তিনি বলেছেন, ইরান হরমুজে নতুন যে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে এটি অপরিবর্তনযোগ্য। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এটি পরিবর্তন করতে চায়। কিন্তু এতে কাজ হবে না।

তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করে তাহলে বর্তমানে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সেটি আরও বাড়বে।

হুমকির সুরে এ সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আর কোনো উপায় নেই; অন্যথায় অতীতে তারা যে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল, এবার মূল্য চুকাতে হবে তার চেয়েও অনেক বেশি।’




রাশিয়ার হয়ে লড়বে উত্তর কোরিয়ার ৫০ হাজার সেনা, দাবি জেলেনস্কির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইউক্রেনীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লড়ায়ে প্রায় ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। এছাড়া ইউক্রেনের মাটিতে পিয়ংইয়ংয়ের কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের অংশবিশেষ পাওয়া গেছে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতির কথা জানিয়ে নিজ দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে সাহায্য চেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

শনিবার এক্সে দেওয়া বার্তায় জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে তিনি এই তথ্যের উৎস পরিষ্কার করেননি। তিনি বলেন, ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গেছে, তবে সেগুলোর নির্দিষ্ট অবস্থান গোপন রেখেছেন। তার মতে, উত্তর কোরিয়া এই যুদ্ধের মাধ্যমে আধুনিক রণকৌশলের অভিজ্ঞতা ও রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জাম নিচ্ছে।

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দারা জানান, পশ্চিম রাশিয়ায় উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে। তাদের কাছে ১২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ৬টি লঞ্চার থাকতে পারে। ইউক্রেনের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষার তীব্র ঘাটতি রয়েছে। কঠিন ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়ে এই দুর্বলতারই সুযোগ নিচ্ছে রাশিয়া।

সংকট মোকাবিলায় সিউলের সহযোগিতা চেয়ে জেলেনস্কি বলেন, আমাদের যে জায়গায় ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার সমর্থন চাই। মূলত তিনি আকাশ প্রতিরক্ষার কথা বুঝিয়েছেন। ‘ড্রোন চুক্তি’ ও অন্যান্য বিষয়ে সিউলের সাথে ইউক্রেনীয় কূটনীতিকরা যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান তিনি।

২০২৪ সালের জুনে পুতিন ও কিমের চুক্তির অংশ হিসেবে কোরিয়া ইতোমধ্যে রাশিয়াকে লাখ লাখ গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনীয়দের আক্রমণ ঠেকাতে রাশিয়ার কুরস্কে প্রায় ১৪ হাজার সেনাও পাঠিয়েছে পিয়ংইয়ং।




সৌদিতে আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ : সৌদিআরবে একটি সোফা কারখানায় আগুনে পুড়ে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে সৌদি আরবে গিয়ে ওই কারখানায় কাজ করছিল তারা।

রবিবার দেশটির একটি কারখানায় আগুন লেগে তাদের মৃত্যু হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৬ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান।

তিনি বলেন, উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের ৪ জন, বিষা গ্রামের ২জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে এই মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।




সালাহর বিরুদ্ধে মিসরে তার আইনজীবীর মামলা, আদালতে হাজিরের নির্দেশ

ক্রীড়া ডেস্ক : নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার আনন্দ ফিকে হয়ে আসছে মোহাম্মদ সালাহর। তুরস্কের ত্রাবজোনস্পোরে ক্যারিয়ারের নতুন শুরু করতে না করতেই পুরনো আইনি ঝামেলায় পড়েছেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড। বকেয়া ফি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাকে সশরীর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মিসরের নিউ কায়রো কোর্ট অব ফার্স্ট ইনস্ট্যান্স।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এক মামলায় আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সালাহকে আদালতে উপস্থিত হতে হবে। আইনজীবী আমর ফারাগ আল্লাহ মোর্সি আবদেল তাওয়াবের দায়ের করা পাওনা দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এসেছে এ নির্দেশ।

ওই আইনজীবীর দাবি, বিগত বছরগুলোতে তিনি সালাহর পক্ষে বিভিন্ন আইনি, প্রশাসনিক ও পরামর্শমূলক কাজ করেছিলেন। সামলেছিলেন আদালতের নথিপত্রও। কিন্তু এসব কাজের বিপরীতে তার প্রাপ্য বকেয়া ফি পরিশোধ করা হয়নি।

তবে মামলার আরজিতে উল্লিখিত এসব কাজ এবং বকেয়া থাকার দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সালাহ। মিসরীয় তারকার এই অস্বীকৃতির সত্যতা যাচাই করতেই আদালত তাকে সশরীর হাজির হয়ে ‘শপথ’ নেওয়ার আদেশ দেন। মানে তিনি মামলার আরজিতে লিখিতভাবে যা দাবি করেছেন, সেটা সত্যি কি না, তা শপথের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।

কিন্তু সালাহ যদি আদালতে হাজির হয়ে শপথ নিতে ব্যর্থ হন কিংবা উপযুক্ত কারণ ছাড়া শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে তাকে ‘শপথ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তি’ হিসেবে গণ্য করা হবে। সে ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে তিনি দাবি মেনে নিয়েছেন। তখন রায় তার বিরুদ্ধে যেতে পারে। আপাতত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায় স্থগিত রেখেছেন বিচারক।

এই বিরোধের সূত্রপাত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। বকেয়া ফি দাবি করে ওই সময়ে সালাহর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন ওই আইনজীবী। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালে সালাহর দেওয়া একটি সাধারণ অফিশিয়াল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ভিত্তিতে কাজ করতেন তিনি। ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেই ক্ষমতার মেয়াদ বহাল ছিল। পরে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বকেয়া ফি না পাওয়ায় আর্থিক ও মানসিক ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন এই আইনজীবী।

সম্প্রতি লিভারপুল ছেড়ে তুর্কি ক্লাব ত্রাবজোনস্পোরে যোগ দিয়েছেন সালাহ। ১৫ আগস্ট কাশিমপাশার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার তুর্কি লিগে অভিষেক হতে পারে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর গেনচলেরবিরলিগির বিপক্ষে আবার মাঠে নামার কথা ত্রাবজোনস্পোরের।

ঠিক একই দিনে সালাহকে মিসরের আদালতে সশরীর হাজির হতে বলা হয়েছে। ফলে ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ের শুরুতেই ভালো ঝামেলায় পড়লেন সালাহ।




ফিফার প্রস্তাব নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান জানালেন বাফুফে সভাপতি

ক্রীড়া ডেস্ক : ফিফার প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল। তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্পটিতে বাংলাদেশ কোনো আগাম সমর্থন দেয়নি। বরং বাফুফের নির্বাহী কমিটি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগেই ফিফা প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়।

সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবিত এই প্রকল্পে বাংলাদেশ সমর্থন জানিয়েছিল। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেন তাবিথ।

গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা কোনো অগ্রিম সমর্থন বা নিশ্চিতকরণ দিইনি। কোনো ব্যক্তির জন্যও দিইনি, কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষেও দিইনি। ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামের যে প্রোগ্রাম নিয়ে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর মতামত চাওয়া হয়েছিল, আমাদের নির্বাহী কমিটি সেটি বিবেচনা করার আগেই ফিফা তা বাতিল ঘোষণা করেছে।”

কী ছিল ফিফার প্রস্তাবে?
প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ প্রকল্পটি ছিল বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্বকাপের প্রায় ২০ শতাংশ মালিকানা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়ার কথা ছিল।

এর বিনিময়ে ফিফার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো ভবিষ্যতে সর্বোচ্চ ৪০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পেতে পারত। বর্তমানে সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোর জন্য এই সুবিধার পরিমাণ প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার।

প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বজুড়ে ফিফার সদস্য দেশগুলোর আর্থিক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাতিল হলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা থামেনি। বিশেষ করে ফিফা ও উয়েফার অবস্থানের পার্থক্য আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রশাসনে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

তাবিথ আউয়ালের মতে, উয়েফার শক্ত অবস্থানের কারণে বিষয়টি এখন শুধু ফুটবল প্রশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে ভূরাজনৈতিক বিষয়ও যুক্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইস্যুটা উয়েফার একটি শক্ত ভূমিকার কারণে ভূরাজনৈতিক রূপ নিচ্ছে। এ কারণে আমি মনে করি, নির্বাহী কমিটির পাশাপাশি আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কথা বলতে হবে। সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেই আমরা ভবিষ্যতে আমাদের অবস্থান জানাব।’

বাফুফে সভাপতির বক্তব্যে স্পষ্ট, আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় কোনো বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অবস্থান নেওয়ার বদলে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে চায় বাংলাদেশ।

তাবিথের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো আন্তর্জাতিক প্রস্তাবের ক্ষেত্রে বাফুফের নির্বাহী কমিটিতে আলোচনা ও সিদ্ধান্তের পরই আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানানো হয়। তাই কমিটির সিদ্ধান্তের আগে বাংলাদেশের সমর্থনের খবরকে বাফুফের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।




সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডন কারাগারে

বিনোদন ডেস্ক : চলচ্চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জুয়েল রানার আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে, বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান।

রাষ্টপক্ষে ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে সিআইডি আটক করেছে। এ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ড জড়িত।

এ সময় আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় সালমানের স্ত্রী সামীরা হক, সামীরার মা লতিফা হক লিও ওরফে লুসি ও খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত পরে সিআইডিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চলচ্চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। সেই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন জানান তিনি।

অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। প্রতিবেদনে সালমান শাহ’র মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হয়। সেই সময় সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে রিভিশন মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

সবশেষ গত বছরের ২০ অক্টোবর বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক।