শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে শিশুদের ঝগড়া থেকে বড়দের সংঘর্ষ; মুরগি ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ১৫

ডেস্ক নিউজ : নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নে শিশুদের খেলাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিরোধে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মকবুল হোসেন (৪৫) নামের এক মুরগি ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর সকালে বালাগ্রাম ইউনিয়নে শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে কয়েকজন শিশুর খেলাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে ধারালো দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের ফলে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় মকবুল হোসেনকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে মকবুলের মরদেহ জলঢাকার বালাগ্রামের নিজ বাড়িতে নেওয়ার পথে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা জলঢাকা বাজারে লাশবাহী গাড়ি আটকে দেন। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তারা অভিযোগ করেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই প্রতিপক্ষ মামলা করেছে এবং পুলিশি ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম জানান, এই সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (একটি ১৭ সেপ্টেম্বর এবং অন্যটি ১৯ সেপ্টেম্বর)। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং খুব দ্রুত তাদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।




চার দশক পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক জিতল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত পদক পেয়েছিল সেই ১৯৮৬ সালে। এরপর কেটে গেছে প্রায় চার দশক। এই দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ব্যক্তিগত ইভেন্টে পদক নিশ্চিত হলো বাংলাদেশের। নাগোয়া এশিয়ান গেমসে উশুর ৫২ কেজি ওজন শ্রেণিতে জিন্নাত আক্তারের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তত ব্রোঞ্জ পদকও নিশ্চিত হয়েছে।

মেয়েদের ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন বাংলাদেশের জিন্নাত। এই রাউন্ডে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেন্তিনা থারিসা। তবে নির্ধারিত ওজনের চেয়ে বেশি হওয়ায় ফ্লোরেন্তিনাকে ডিসকোয়ালিফাইড ঘোষণা করা হয়। ফলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ে নামার প্রয়োজন হয়নি জিন্নাতের। সরাসরি সেমিফাইনালে জায়গা করে নেন তিনি।

সেমিফাইনালে উঠলেই কেন পদক নিশ্চিত হচ্ছে, সেটির ব্যাখ্যা রয়েছে উশুর প্রতিযোগিতার নিয়মে। এবারের ৫২ কেজি বিভাগে মোট ১৫ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, ছয়জনের বেশি প্রতিযোগী থাকলে সেমিফাইনালে পরাজিত দুই খেলোয়াড়কে ব্রোঞ্জ পদক দেওয়া হয়। ফলে জিন্নাতের সেমিফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের অন্তত ব্রোঞ্জ নিশ্চিত হয়ে যায়।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম পদক এসেছিল ১৯৮৬ সালের সিউল আসরে। বক্সিংয়ের লাইট হেভিওয়েট বা ৮১ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মোশাররফ হোসেন। পরবর্তী সময়ে কাবাডি ও ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলীয়ভাবে পদক পেলেও ব্যক্তিগত ইভেন্টে আর কোনো পদক আসেনি।

দীর্ঘ ৪০ বছর পর সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন নেত্রকোনার উশু খেলোয়াড় জিন্নাত আক্তার। ঘরোয়া পর্যায়েও তার সাফল্যের ধারাবাহিকতা রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে টানা সাতবার সোনা জিতেছেন তিনি। এবার এশিয়ান গেমসের মতো বড় আন্তর্জাতিক আসরে অভিষেকেই নিশ্চিত হলো পদক।

তবে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত হওয়াতেই সন্তুষ্ট থাকতে চান না জিন্নাত। আগামীকাল সেমিফাইনালে তার প্রতিপক্ষ চীনের একজন প্রতিযোগী। সেই ম্যাচে জিততে পারলে ফাইনালে উঠে রুপা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে। আর ফাইনাল জিততে পারলে চার দশক পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের পদকের রং হতে পারে সোনালি।

এবারের এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের একাধিক ডিসিপ্লিন থেকে পদকের প্রত্যাশা ছিল। ক্রিকেটে মেয়েদের দল ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে পদকবঞ্চিত হয়েছে। জাপানের সাথে কাবাডিতেও হেরে পদকবঞ্চিত হয়েছে। এরপরই উশু থেকে এসেছে বাংলাদেশের নিশ্চিত পদকের খবর।

তবে জিন্নাত আক্তারের এই অর্জনের গুরুত্ব আলাদা। কারণ, তার হাত ধরে ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে আবারও পদক নিশ্চিত হলো বাংলাদেশের।




বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা মারা গেছেন

বিনোদন ডেস্ক : বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা কৃষ্ণা মুখার্জি আর নেই। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন তিনি। রানি মুখার্জির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যশ রাজ ফিল্মস তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

যশ রাজ ফিল্মসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তারা রানি মুখার্জির মা মিসেস কৃষ্ণা মুখার্জির মৃত্যুর খবর জানায়। এই কঠিন সময়ে পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সমর্থনের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে পরিবারের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রানি ও তার পরিবারের সঙ্গে সম্প্রতি নানা অনুষ্ঠানে প্রায় দেখা যেত কৃষ্ণাকে। মায়ের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা বিভিন্ন সময়ে বলেছেন রানি। বাংলা চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন কৃষ্ণা। একাধিক সিনেমায় গান গেয়েছেন তিনি। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে প্রশিক্ষিত শিল্পী ছিলেন কৃষ্ণা।

রানির প্রথম হিন্দি সিনেমা ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’-এ অভিনয়ের প্রস্তাব আসে তার বাবার বন্ধু, প্রযোজক সেলিম আখতারের কাছ থেকে।

সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে রানি জানান, মায়ের পরামর্শে তিনি অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেন। রানি বলেন, ‘মা হয়তো আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি কিছুটা ভাল করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাদের আশা ছিল, আমি যদি ভাল কাজ করি, তা আমাদের পরিবারের সকলের জন্য ভাল হবে।’

মায়ের মৃত্যুর পর শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুখার্জি পরিবারে। পরিবারের পক্ষ থেকে এই কঠিন সময়ে সবার ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

রানি মুখার্জি ‘গুলাম’, ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘সাথিয়া’, ‘হাম তুম’ ও ‘ব্ল্যাক’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মারদানি ৩’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা গেছে তাকে।




সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

ডেস্ক নিউজ : ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সমুদ্রবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে তিন নম্বর সতর্কসংকেত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।




বিশ্বজুড়ে ডিজেল সংকট, স্বস্তি মিলবে না ২০২৭ সালেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া ডিজেল সংকট আগামী বছরেও কাটার সম্ভাবনা কম। ফলে জ্বালানির বাড়তি দাম বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও দীর্ঘ সময় চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিল্পের অংশীজন ও বাজার বিশ্লেষকেরা।

ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে ডিজেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি বাজারে পৌঁছাতে পারছে না। একই সময়ে বিভিন্ন দেশে ডিজেলের মজুত ঐতিহাসিকভাবে নিচে নেমে গেছে। সরবরাহ ঘাটতির কারণে জ্বালানিটির দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

ডিজেলের এই সংকটের প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। কৃষি, উৎপাদনশিল্প ও ভারী পরিবহন—অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব খাতেই ডিজেলের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী সরবরাহ সংকট অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬ ডলার ছাড়িয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রেও ডিজেল সংকটের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। চলতি মাসে দেশটিতে খুচরা ডিজেলের দাম প্রথমবারের মতো প্রতি গ্যালন ৬ ডলার ছাড়িয়েছে।

এই বাড়তি দাম কৃষক ও ট্রাকচালকদের ওপর বড় ধরনের ব্যয়চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশটির অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির উচ্চমূল্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্যও রাজনৈতিকভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মজুত রাখার জায়গাও কমছে
ডিজেল সংকট যে দ্রুত কাটছে না, তার আরেকটি ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে জ্বালানি সংরক্ষণ বা স্টোরেজ বাজারে।

স্টোরেজ ব্রোকার প্রতিষ্ঠান ‘দ্য ট্যাংক টাইগার’-এর তথ্য অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শোধনাগার ও জ্বালানি ব্যবসায়ীরা ডিজেল সংরক্ষণের জন্য নেওয়া গুদাম বা স্টোরেজের লিজ নবায়ন করছেন না। এর অন্যতম কারণ, সংরক্ষণ করার মতো পর্যাপ্ত ডিজেলই পাওয়া যাচ্ছে না।

অর্থাৎ, বাজারে সরবরাহ এতটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে যে অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন করে ডিজেল মজুত করার পরিবর্তে বিদ্যমান সংকট সামাল দেওয়ার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

২০২৭ সালেও থাকতে পারে চাপ
বাজারের মজুত পরিস্থিতি এবং শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছর পর্যন্তও ডিজেল সরবরাহে বড় ধরনের স্বস্তি নাও ফিরতে পারে। অর্থাৎ, বর্তমান সংকট ২০২৭ সাল পর্যন্ত গড়াতে পারে।

ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট বিভিন্ন বিঘ্নের কারণে বাজারে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিজেলের উচ্চমূল্য বিশ্বজুড়ে কৃষি, পরিবহন ও শিল্প উৎপাদনের ব্যয় বাড়িয়ে যেতে পারে।

ডিজেলনির্ভর এসব খাতে ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্য পরিবহন, খাদ্য উৎপাদন ও দৈনন্দিন পণ্যের দামের ওপরও পড়তে পারে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী ডিজেল সংকট বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হিসেবে থেকে যেতে পারে।




মিড ডে মিলের খাবার খেয়ে ৩৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ডেস্ক নিউজ : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মিড ডে মিলের দুধ ও পাউরুটি খেয়ে ৩৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মধুপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ জন, তুলসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন এবং মধ্য গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনজন রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা তুষার চন্দ্র সিংহ।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে মধুপুর-১, তুলসীপাড়া ও মধ্য গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিলের খাবার হিসেবে দুধ ও পাউরুটি দেওয়া হয়। খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর একে একে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের পেটে ব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।

মধুপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমি বলে, ‘মিড ডে মিলের দুধ ও পাউরুটি খাওয়ার পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ি। খাবার ভালো ছিল না।’

মধ্য গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিকা দেবনাথের বাবা মানিক দেবনাথ বলেন, দুধ ও পাউরুটি খাওয়ার পর তার মেয়ে পেটে ব্যথায় ছটফট করতে থাকে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অভিযোগ, মিড ডে মিলে নিম্নমানের দুধ ও পাউরুটি দেওয়া হয়েছিল।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতুল চন্দ্র রায় বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সাতটি উপজেলার মধ্যে বালিয়াডাঙ্গীতে গত জানুয়ারি থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে মিড ডে মিল চালু হয়েছে। উপজেলার ১৩৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। রোববার ডিম ও পাউরুটি, সোমবার দুধ ও পাউরুটি, মঙ্গলবার কলা ও বিস্কুট এবং বুধবার ও বৃহস্পতিবার ডিম ও পাউরুটি দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, কেন মিড ডে মিলের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অঞ্জন কুমার দাস বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন সাইফউদ্দিন

ক্রীড়া ডেস্ক : ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেছেন পেস অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর অনুশীলনে বোলিং করার সময় ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে ব্যথা অনুভব করেন সাইফউদ্দিন। পরে শারীরিক পরীক্ষা এবং এমআরআই করানোর পর চোটের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তিনি জানান, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে সাইফউদ্দিনকে প্রায় তিন সপ্তাহের মতো পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

এশিয়ান গেমসে সাইফউদ্দিনের অনুপস্থিতির বিষয়টি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে (বিওএ) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বিসিবি। টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে খুব দ্রুতই তার বিকল্প খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হবে।

সম্প্রতি তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে ২০তম এশিয়ান গেমসের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি। দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লিটন কুমার দাসকে। তার ডেপুটি হিসেবে থাকবেন তাওহিদ হৃদয়।




এশিয়ান গেমস: মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, বাংলাদেশের বিদায়

ক্রীড়া ডেস্ক : রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পরও কিছুক্ষণ মাঠে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমাসহ বাংলাদেশের ফুটবলাররা। ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর এভাবেই শেষ হলো এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের এবারের যাত্রা।

গত বছর মিয়ানমারের মাঠেই তাদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। প্রায় দেড় বছর পর সেই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আবার মাঠে নেমেও এবার গোলের দেখা পেল না দল। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে না পারায় জয়ও পাওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।

ম্যাচের শুরুতেই গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল মিয়ানমার। প্রথম মিনিটেই আক্রমণে উঠে তারা বাংলাদেশের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। ১০ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশের গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি মিয়ানমার।
বাংলাদেশও অবশ্য গোলের সুযোগ পেয়েছিল। ৩৮ মিনিটে মিয়ানমারের এক ডিফেন্ডারের ভুলে বক্সের সামনে বল পেয়ে যান বাংলাদেশের তারকা ঋতুপর্ণা। দ্রুতগতিতে নেওয়া তাঁর শটটি মিয়ানমারের পোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।

 

মিয়ানমারের বিপক্ষে গত বছর বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ঋতুপর্ণা। তার জোড়া গোলেই সেবার জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। মিয়ানমার লিগে খেলার সুবাদে দেশটির বেশ কয়েকজন ফুটবলারের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। এদিনও মাঠে নিজের সামর্থ্যের ছাপ রেখেছেন তিনি। প্রথমার্ধের শেষদিকে বাজে ট্যাকলের শিকার হলেও ম্যাচ শেষ না করে পুরো সময় মাঠে ছিলেন ঋতুপর্ণা।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য বাংলাদেশের আক্রমণের ধার অনেকটাই কমে যায়। উল্টো ৭৭ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ পায় মিয়ানমার। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমাকে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেনি তারা।

ম্যাচের শেষ দিকে মিয়ানমার বেশির ভাগ সময় নিয়ন্ত্রণে রাখলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। বাংলাদেশও গোল করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয়।

গত আসর থেকে এশিয়ান গেমসে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। হাংজু আসরে জাপান ও ভিয়েতনামের কাছে হারলেও নেপালের বিপক্ষে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। এবারও ড্র দিয়েই এশিয়ান গেমসের যাত্রা শেষ হলো বাংলাদেশের। মিয়ানমারেরও সংগ্রহ এক পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় বাংলাদেশকে গ্রুপের চতুর্থ দল হয়েই আসর শেষ করতে হয়েছে।




শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানে আগ্রহ বাড়াতে হৃতিকের নাম পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার পরিকল্পনা

বিনোদন ডেস্ক : সুদর্শন চেহারা আর দুর্দান্ত শারীরিক গঠনের জন্য বলিপাড়ায় ‘গ্রিক গড’ নামে পরিচিত জনপ্রিয় অভিনেতা হৃতিক রোশন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দা কাঁপালেও তার জীবনে ঘটেছে এমন কিছু অদ্ভুত ও নজরকাড়া ঘটনা, যা যেকোনো চলচ্চিত্রপ্রেমীকে চমকে দেবে। তেমনই একটি স্মৃতিচারণ করে হৃতিক জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও আগ্রহী ও মনোযোগী করে তুলতে একবার একটি স্কুল বোর্ড সরাসরি জীববিজ্ঞানের পাঠ্যবইয়ে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল।

চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সঞ্চালক করণ জোহরের জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ অংশ নিয়ে হৃতিক রোশন নিজেই এই ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায় এক সফরে থাকার সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি। তখন সেখানকার একটি স্কুল বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি বার্তা পান হৃতিক, যেখানে স্কুলের পাঠ্যবইয়ে তার নাম কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে সে বিষয়ে তাদের অভিনব ভাবনার কথা প্রকাশ করা হয়।

স্কুল বোর্ডের মূল ভাবনাটি ছিল কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞানের কঠিন বিষয়গুলোকে আনন্দদায়ক করে তোলা। হৃতিকের কথায়, শিক্ষার্থীদের কাছে পড়ালেখা সহজ ও আকর্ষণীয় করতেই এই উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। যেমন জীববিজ্ঞানের ক্লাসে যদি প্রশ্ন করা হয়—‘হৃতিক রোশনের শরীরের দীর্ঘতম হাড় কোনটি?’, তবে তা তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বাড়তি কৌতূহল ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। এ ধরনের প্রশ্নের মাধ্যমে পড়াশোনায় শিশুদের মনোযোগ আকর্ষণ করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

২০০০ সালে ‘কাহো না… পেয়ার হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রেখে রাতারাতি তারকা বনে যান হৃতিক রোশন। এরপর গত দুই দশকে ‘কোই… মিল গায়া’, ‘কৃষ’, ‘লক্ষ্য’, ‘যোধা আকবর’, ‘গুজারিশ’, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ এবং ‘ওয়ার’-এর মতো অসংখ্য ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত চলচ্চিত্রে তার অভিনয়দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।

অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডিজিটাল প্রযোজক হিসেবে ডেবিউ করতে যাচ্ছেন এই তারকা। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন প্রজেক্ট ‘স্টর্ম’ নির্মাণের ঘোষণা এসেছে, যা পরিচালনা করছেন আলোচিত ওয়েব সিরিজ ‘টাব্বার’-এর পরিচালক অজিতপাল সিং। এই সিরিজে পার্বতী তিরুবোথু, আলিয়া এফ, সৃষ্টি শ্রীবাস্তব, রমা শর্মা এবং সাবা আজাদের মতো তারকাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে। পাশাপাশি তার তুমুল জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘কৃষ’-এর পরবর্তী কিস্তি ‘কৃষ ৪’-এ আবারও কৃষ্ণ মেহরা চরিত্রে পর্দা কাঁপাতে ফিরছেন এই অভিনেতা।




আইফোন দিতে রাজি না হওয়ায় অপ্রতীমকে হত্যা, ৩ ঘাতকের স্বীকারোক্তি

ডেস্ক নিউজ : কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে ৩ ঘাতক। রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম আবিদা সুলতানা মলির আদালতে ঘাতক তুহিন, ফাহাদ এবং কামরুল ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে তারা তিনজনই অপ্রতীমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। হাতে আইফোনটি দিতে রাজি না হওয়ায় তার সাথে ধস্তাধস্তি করা হয়। একপর্যায়ে মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। তিন ঘাতকই আদালতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে এর দায় স্বীকার করেছেন। এর আগে তিন ঘাতককে আদালতে সোপর্দ করে ডিবি পুলিশ। পরে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বলেন, অপ্রীতম হত্যার ঘটনায় ঘাতক তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রাত পৌনে ৯ টার দিকে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়। আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তাকে হত্যা করে ঘাতকরা। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩ জন দায় স্বীকার করেছে, সিয়াম নামের আরেকজন আসামির জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।