সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিচারিক রায়ের কপি চাইল বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, সৌ‌দি আর‌বে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিচারিক রায়ের কপি চেয়েছে বাংলাদেশ। কপি হাতে আসার পর এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করে মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, ২০২৩ সালে অভিযুক্তদের আটক করে সৌদি আরবের পুলিশ। এ সময়ের মধ্যে তাদের পরিবারের কোনো সদস্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। রায়ের কপি হাতে এলে তাদের পরিচয় ও দুজনের মধ্যে কী সম্পর্ক ছিল, তা জানা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদির বিভিন্ন এলাকায় অনেক বাংলাদেশি কারাভোগ করছেন। নিয়মিতভাবে তারা বাংলাদেশের কাছে এ তালিকা পাঠায়, সেখানেও খতিয়ে দেখছে মন্ত্রণালয়। আমরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। ধৈর্য ধরুন, রায়ের কপি হাতে পেলে বিস্তারিত জানানো যাবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আধা বেলার মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী, পুরো মন্ত্রিসভা, এমনকি বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিবও দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। এটাকে কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা যাবে না। শেখ হাসিনাকে নিয়ে কথা বলা সময়ক্ষেপণ ছাড়া আর কিছু নয়।




পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইশরাক হোসেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, আমি ইশরাক হোসেন ঢাকা-৬ আসন থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য। গত ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখ শপথ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমাকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেন। সেই অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছি।

তিনি আরও বলেন, গত ২ দিন একটি বিষয় নিয়ে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়ে আসছে। সেই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলতে আজকের সংবাদ সম্মেলন।

ইশরাক হোসেন বলেন, আজকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করি। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আমি পদত্যাগ করতে চাই। আমার মাদকবিরোধী অভিযান চলমান থাকবে। আমার কারণে যেন আপনার এবং সরকারের কর্মকাণ্ড ম্লান না হয়।

এরআগে, সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়ার কথা জানান ইশরাক হোসেন।

পদত্যাগ করলেও মাদকের বিরুদ্ধে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এবার সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন বিএনপি কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে শতগুণ বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আরও জোরদার হবে। দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলা সফর করতে পারব। মন্ত্রী নয়, মাদক নির্মূল! মাদক নির্মূল, মাদক নির্মূল!’




দুর্গাপূজার বার্তা সর্বজনীন, সকল সম্প্রদায়ের: রিজভী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজাভী বলেছেন, বার বার ঘুরেফিরে আসে মায়ের আগমনে শারদীয় দুর্গাপূজা। সমাজের অসত্যকে বিনাশ করে সত্য, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করাই দুর্গাপূজার মূল মর্মবাণী।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে দুর্গাপূজা পরিদর্শন শেষে উপস্থিত দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মের ভক্তবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, দুর্গাপূজা যে বার্তাটি দেয় সেটি সর্বজনীন, একক কোন ধর্ম সম্প্রদায়ের নয়। প্রত্যেক ধর্মসম্প্রদায়ের মানুষের জন্য, মানব জীবনের জন্য এই বার্তা।

এ সময় রুহুল কবির রিজাভী আরও বলেন, উৎসব সকল সীমারেখা অতিক্রম করতে শেখায় ও ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। উৎসবের সর্বজনীন যে তাগিদ, সেখানে অন্যান্য ধর্মের মানুষও আনন্দবোধ করেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রত্যেক নাগরিকের অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া। এই দুর্গাপূজা যেন নির্বিঘ্নে, শান্তিতে ও নিরাপত্তার সাথে উদযাপিত হয়, সেটি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং রাষ্ট্র সেই দায়িত্বই পালন করছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাইদের কাছ থেকে দুই দিনের ছুটির আবেদন করা হলেও সরকার এটিকে ৩ দিন করেছে। হিন্দু ভাইয়েরা এবার মোট ৫ দিন ছুটি উপভোগ করতে পারছেন। এছাড়া বিভিন্ন পূজামণ্ডপ মন্দিরে জন্য ৫ শত কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও সরকার এবার ৬ শত কেজি চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেক মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত সরকারের কাছ থেকে প্রতিমাসে সম্মানী পাবেন। সরকারের এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ করছে।

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্য হলো, আমরা একের উৎসবে অন্য অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের এই সুমহান ঐতিহ্যকে নিয়ে কেউ কেউ চক্রান্ত করতে পারে, ষড়যন্ত্র করতে পারে কিন্তু এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ কখনোই এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে দিবে না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমাদের লোকজ যে সাংস্কৃতিক ধারা, একসাথে সেখানে অংশগ্রহণ করেছি শত শত বছর ধরে। পূজা, ধর্ম বিশ্বাস যার যার তার তার কাছে রয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রের যে দায়িত্ব, প্রত্যেক নাগরিক যেন তার ধর্মীয় অধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেটি তারেক রহমান নিশ্চিত করেছেন।




সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন তিনি।

এর আগে রবিবার রাতভর নানা নাটকীয়তার পর সোমবার সকালে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।

সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন।

ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন লেখেন, আজ (সোমবার) দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হব, ইনশাআল্লাহ।

এরই ধারাবাহিকতায় নির্ধারিত সময়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে  উপস্থিত হয়ে সংবাদ সম্মেলন শুরু করেন ইশরাক।

এর আগে গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। তার সঙ্গে ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল।

ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।




আজকের অনুষ্ঠানে না এসে বিরোধী দল শহীদ পরিবারগুলোকে অবজ্ঞা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে নিশ্চয়ই বর্তমান বিরোধী দল ও জনগণের কাছে গিয়েছে। আমরাও গিয়েছি। জনগণই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী পাঁচ বছর কারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। সে হিসেবে তারা হয়তো বিএনপিকে সরকারে বসিয়েছে। আবার বিরোধী দলকেও সেভাবে সমর্থন দিয়েছে। আমরা মনে করি আজকের অনুষ্ঠানে না এসে বিরোধী দল শহীদ পরিবারগুলোকে অবজ্ঞা করেছে।’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময়  তিনি আধুনিকায়নকৃত ওসমানী উদ্যানেরও উদ্বোধন করেন।

বর্তমান বিরোধী দল শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা অবশ্যই সরকারের বিরোধিতা করবে। তবে তা হওয়া উচিত গঠনমূলক।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দল জুলাইকে ধারণ করে না। তাই আমন্ত্রণ পেয়েও ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বিরোধীদলীয় নেতা।

তিনি বলেন, ‘তাদের যদি আমাদের সঙ্গে একই মঞ্চে বসায় আপত্তি থাকে, চাইলে তো শহীদ পরিবারের সঙ্গেও বসতে পারতেন। অথচ তারা ভোট দেওয়ার কারণেই তো আমরা সরকারে, আর তারা বিরোধী দলে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।




দুপুর দুইটায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আজ দুপুর ২টায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এই বার্তা দেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী।

স্ট্যাটাসে ইশরাক লেখেন, ‘আজ দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেব এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হব, ইনশাআল্লাহ।’

আক্ষেপ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘ফেসবুকে কিছু সুশীল মানুষকে উল্লাসসূচক লেখালেখি করতে দেখলাম। আশা করি, ভবিষ্যতে কখনো আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে তারা জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদেশ থেকে দেশে এসে সেই আন্দোলনে যোগ দেবেন।’

পদত্যাগ করলেও মাদকের বিরুদ্ধে থাকার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি, ‘এবার সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, একজন বিএনপি কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে শতগুণ বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আরও জোরদার হবে। দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন জেলা সফর করতে পারব। মন্ত্রী নয়, মাদক নির্মূল! মাদক নির্মূল, মাদক নির্মূল!’




ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়ন করা উদ্যান এবং এর প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন শেষে দীর্ঘদিন পর নগরবাসীর জন্য আজ খুলে দেওয়া হলো ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)।




ফায়ার সার্ভিসে ডিডি ছালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দৈনিক ১০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ

নিজেস্ব প্রতিনিধি: অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি উদ্ধার সেবার দায়িত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। বিভাগের উপপরিচালক (ডিডি) মো. ছালেহ উদ্দিনকে ঘিরে লাইসেন্স ও ফায়ার রিপোর্টে অর্থ আদায়, সরকারি কেনাকাটায় অনিয়ম, জ্বালানি ও বিভিন্ন বিল আটকে রাখা, অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক চাপের মধ্যে রাখা এবং বদলি-পদায়নে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের নতুন ও গুরুতর অংশ হলো, কথিতভাবে ঘুষের অর্থের হিসাব সরাসরি টাকায় না লিখে কোডের মাধ্যমে একটি ডায়েরিতে সংরক্ষণ করা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, ডিডির পিএ হিসেবে পরিচিত জাকিরের কাছে থাকা কথিত ডায়েরিতে এসব হিসাব রাখা হয়। প্রতিটি কোডের আর্থিক মূল্য ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বলে দাবি করা হয়েছে। দিন শেষে হিসাব মিলিয়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় ছালেহ উদ্দিনের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

পদোন্নতি নিয়েও প্রশ্ন

ছালেহ উদ্দিনের পদোন্নতি নিয়েও অভিযোগকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারি গেজেট অনুযায়ী, তিনি সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক/সমমান পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, পদোন্নতির আগে তাঁর বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার নেতিবাচক প্রতিবেদন ছিল এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয় উল্লেখ ছিল।

ঢাকা বিভাগে পদায়ন নিয়েও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, পদোন্নতির পর ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক পদে আসতেও প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে তদবির ও অর্থ লেনদেন করা হয়েছে।

এ অভিযোগে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে নুর উদ্দিন আনিসের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

লাইসেন্সে ‘রেট’, ফায়ার রিপোর্টে ৫% কমিশন

অভিযোগের অন্যতম প্রধান বিষয় হলো ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ও ফায়ার রিপোর্ট।

অভিযোগকারীদের দাবি, নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ হাজার বর্গফুট ফ্লোর সংযোজনের জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ফায়ার রিপোর্টের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কমিশনের একটি অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও অভিযোগ, প্রত্যাশিত অর্থ না পেলে ফাইল আটকে রাখা হয় এবং সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে স্বাক্ষর করতে গড়িমসি করা হয়।

অভিযোগকারীদের একজন দাবি করেছেন, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অবৈধ অর্থ আদায় করা হয়।

কোডে টাকার হিসাব রাখার অভিযোগ

ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগকে আরও গুরুতর করেছে কথিত ‘কোড হিসাবের’ বিষয়টি।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, টাকা আদায়ের হিসাব সরাসরি টাকার অঙ্কে না লিখে বিভিন্ন কোডে লেখা হয়। প্রতিটি কোডের মূল্য ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বলে দাবি করা হয়েছে।

পিএ জাকিরের কাছে থাকা একটি ডায়েরিতে এই হিসাব সংরক্ষিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

দিন শেষে টাকা ‘সেটেলমেন্ট’

অভিযোগে বলা হয়েছে, সারা দিনের কথিত অর্থ আদায়ের পর দিনের শেষে কোড অনুযায়ী হিসাব করা হয় এবং অর্থ বুঝে নেওয়া হয়।

আরও দাবি করা হয়েছে, বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ গাড়িতে করে সংগৃহীত অর্থ তেজগাঁওয়ে ছালেহ উদ্দিনের বাসায় পৌঁছে দেন।

৪০–৫০ লাখ টাকার কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ

অভিযোগপত্রে ছালেহ উদ্দিনের দায়িত্বকালে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কেনাকাটা নিয়মবহির্ভূতভাবে সম্পন্ন করার দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, স্টেশনারি, গাড়ির পাম্পসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে এসব ব্যয় ‘আসবাবপত্র’ ক্রয়ের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।

জ্বালানি ও বিল আটকে থাকার অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়েছে, ঢাকা বিভাগের কয়েকটি ফায়ার স্টেশনে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন এবং খাবারের বিল নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

বারিধারা ফায়ার স্টেশনের জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও সংকটের কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

‘মাসোহারা’ না দিলে ছুটি বন্ধের অভিযোগ

অধীনস্থ সিনিয়র স্টেশন অফিসার ও ডিএডিদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ না পেলে ছুটি আটকে দেওয়া বা প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সিনিয়র স্টেশন অফিসারদের সাপ্তাহিক ছুটি নিয়েও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

বদলি ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ

ছালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে অতীতে বদলি-বাণিজ্য ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগও ওঠার কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সহকারী পরিচালক আনিসের নামও এসেছে, যিনি আর্থিক লেনদেন পরিচালনায় ভূমিকা রাখেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ডিডি ছালেহ উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।




বাংলাদেশে অবকাঠামো, লজিস্টিকস ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুর

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প খাতে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুর। বিশেষ করে দেশের টার্মিনাল উন্নয়ন ও পরিচালনায় সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে দেশটির আগ্রহ রয়েছে।

রবিবার ঢাকায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত) মি. ফিলিপ অং-এর বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে মি. ফিলিপ অং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষকে (পিপিপি কর্তৃপক্ষ) একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সমন্বিত, দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক একীভূতকরণ ও সমন্বয়ের এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে আরও প্রতিষ্ঠানকে এর সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের জন্য কার্যকর লজিস্টিকস সহায়তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিত করা এবং শিল্পের বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো ও লজিস্টিকস খাতে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় সিঙ্গাপুরের বৈশ্বিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বাংলাদেশের টার্মিনাল উন্নয়ন ও পরিচালনায় সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মি. ফিলিপ অং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির জন্য নীতিগত ধারাবাহিকতা, স্বচ্ছতা এবং পূর্বানুমানযোগ্য ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিনিয়োগ, অবকাঠামো, লজিস্টিকস এবং শিল্প উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।




পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর বড় প্রমাণ।

তিনি বলেন, ‘পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’

রবিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘প্রায় দুই মাস আগে আমিনবাজার এলাকার যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এতে এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য অপেক্ষাকৃত সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

তিনি এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তারেক রহমান বলেন, সরকারের উদ্যোগে একটি এলাকাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এখন সেই সৌন্দর্য ও পরিবেশের উন্নয়ন ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। সবাই সহযোগিতা করলে এলাকাটিকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসককে আমিনবাজারের আশপাশে ঢাকা জেলার আওতাধীন এলাকায় সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলেন।

তিনি বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে থাকা মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে, সেসব জায়গা উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও এর আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রতিও আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অনুরূপ স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির আওতায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।