গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন ডা. শফিকুর রহমান: রাশেদ খাঁন

গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেইমানি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।

শনিবার সকালে নিজ গ্রাম ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী মুরারীদহ এলাকার ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খাঁন বলেন, ডা. শফিকুর রহমানকে এতদিন মজলুম নেতা হিসেবে জানতাম। তবে তিনি যে মুখোশধারী ছিলেন, তা গণঅভ্যুত্থানের পরই স্পষ্ট হয়েছে। তিনি গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন- অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানিটি তিনিই করেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি জামায়াতে ইসলামী জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে। ক্ষমতায় আসার জন্য এমন কোনো অন্যায়, অপরাধ, মিথ্যাচার ও মুনাফেকি নেই যা তারা করেনি। জনগণ এখন বুঝতে পেরেছে, এ দেশের যা কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন, তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে হয়েছে। ঠিক একইভাবে আগামীর বাংলাদেশের পরিবর্তন হবে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে।

সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের ভূমিকা প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, নাহিদ ইসলাম গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত একদম সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু যে মুহূর্তে তিনি জামায়াতে ইসলামীর ফাঁদে পা দিয়েছেন, ঠিক তখন থেকেই তিনি বিপথগামী হয়েছেন।

ঐতিহ্যবাহী ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।




নাটোরে গরুবাহী ট্রলির সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

নাটোর জেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের গুরুদাসপুরের নয়াবাজার এলাকায় গরুবাহী ভুটভুটি ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনজন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তিন গরু ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান ও আক্কাছ আলী এবং জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার লক্ষীকোল এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী একটি বাসের সঙ্গে চান্দাইকোনা গরুর হাটে যাওয়ার পথে গরুবাহী ভুটভুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে ভুটভুটিতে থাকা এক গরু ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকজনকে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও রাজশাহী মেডিকেলে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়।

আহত তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ করছে পুলিশ।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেন তিনি।

এর আগে জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর জাতীয় সঙ্গীত শেষে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশ শুরুর আগে তারা শান্তির দুটি পায়রা উড়িয়ে দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




গ্রিস উপকূলে দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশী ও সুদানি

ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে পৌঁছানো দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে দেশটির সরকার। উদ্ধার হওয়াদের একটি বড় অংশ বাংলাদেশী ও সুদানির নাগরিক। এছাড়া কয়েকজন মিসরীয় নাগরিকও রয়েছেন। খবর মিডল ইস্ট মনিটর।

গ্রিক দৈনিক পত্রিকা দেমোক্রেতিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিবিয়া উপকূল থেকে যাত্রা করা এসব অভিবাসনপ্রত্যাশী গ্রিসের দক্ষিণ ক্রিট দ্বীপে এসে পৌঁছান। গত ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে অন্তত ২০২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী এ দ্বীপে এসেছেন। এতে দ্বীপটির স্থানীয় প্রশাসন ও অস্থায়ী অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে ইউরোপীয় সীমান্ত ও কোস্টগার্ড সংস্থা ফন্টেক্সের একটি উড়োজাহাজ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইয়েরাপেত্রা এলাকায় অন্তত ৪০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে বহন করা একটি ট্রলার চিহ্নিত করে। পরে কোস্টগার্ডের টহল দল একটি মাছ ধরার নৌকার সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই দুটি নৌকায় আরো ১১২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ওই দ্বীপে এসে পৌঁছায়। এর মধ্যে প্রথম দলে ৫৬ জন ছিলেন, যার মধ্যে ৩১ জন সুদানি এবং ২৫ জন বাংলাদেশী নাগরিক। আর দ্বিতীয় দলের ৫৬ জনের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশী এবং ৯ জন মিসরীয় নাগরিক ছিলেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের তাৎক্ষণিকভাবে হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দ্বীপে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় কেন্দ্রটি এখন তাদের সাময়িক আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এদিকে পৃথক এক অভিযানে মানব পাচারের অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী এক দক্ষিণ সুদানি কিশোরকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইয়েরাপেত্রা থেকে সাড়ে ২৮ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে সমুদ্র থেকে আগে উদ্ধার হওয়া ৫০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে পাচারের অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।

উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের জবানবন্দি অনুযায়ী, লিবিয়ার তোব্রুক শহর থেকে গ্রিস পর্যন্ত বিপজ্জনক এ সমুদ্র যাত্রায় নৌকাটি ওই কিশোর পরিচালনা করছিল। এর বিনিময়ে সে জনপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।




হরমুজ নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনায় আশার আলো দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসের যুদ্ধের কারণে স্থবির হয়ে পড়া হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হওয়ায় নিয়ে আশার আলো দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথ খুলে দিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ওয়াশিংটনের প্রশাসনিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রণালির দুই তীরের দুই দেশ ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা চুক্তি হতে পারে। ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন, হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসা মাত্রই ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন পদক্ষেপগুলো আগের মতোই ইরানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে।

যদিও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ট্রাম্প প্রশাসন বারবার চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সংকেত দিলেও ইরান প্রতিবারই এমন কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করে এসেছে। ফলে বর্তমান আলোচনার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটুকু স্থায়ী সমাধান আনবে তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি হামলার পাশাপাশি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মধ্যবর্তী এলাকায় ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীও জাহাজ লক্ষ্য করে আক্রমণ বাড়িয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম জ্বালানি উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ‘আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি’ (এডনক) শুক্রবার জানিয়েছে, সংঘাত শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় তাদের ১৫টি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত তাদের এক ক্রু সদস্য নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ওমান চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে সাময়িক স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দেবে।




সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির আভাস, ছয় অঞ্চলে হতে পারে ভারী বর্ষণ

দেশের আট বিভাগেই আজ দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে দেশের ছয় অঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে প্রকাশিত সারা দেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘলা হতে পারে। এ সময় হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। এ সময় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।




শেখ হাসিনার বক্তব্য ভারত সমর্থন করে না: রণধীর জয়সওয়াল

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি) সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেয়া নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ভারত সরকার শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য সমর্থন করে না।

আজ শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বুধবারের শেখ হাসিনার প্রেস কনফারেন্সে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার নিয়ে যেসব বক্তব্য দেয়া হয়েছে সেগুলোর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাছাড়া প্রেস কনফারেন্সটি একটি বেসরকারি মাধ্যম বা সংস্থার উদ্যোগ ছিল বলেও জানান তিনি।

গত বুধবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরও দেন। ওই আয়োজন নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তির কথা আগেই ভারতকে জানিয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনের পর ওইদিন রাতেই এর কঠোর প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে সরাসরি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি দেয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ হয়েছে। সেখানে তিনি ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও এর জনগণের বিরুদ্ধে বিষাক্ত ঘৃণা ছড়িয়েছেন।

এ ঘটনা বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ওই আয়োজন শুরুর আগেই ওই বিষয়ে আমরা আমাদের মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছিলাম। সেই কথা আরো একবার বলছি। আয়োজনটি ছিল একটি বেসরকারি মিডিয়া সংস্থার উদ্যোগ। এতে সরকারের কোনো ভূমিকাই ছিল না। ওই মঞ্চ থেকে যা কিছু বলা হয়েছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধে যা কিছু বলা হয়েছে, ভারত সরকার তা সমর্থন করে না।

নয়াদিল্লির ওই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সজীব ওয়াজেদ বলেছিলেন, বাংলাদেশ দ্রুত আরেকটা পাকিস্তান হতে চলেছে। আজকের ব্রিফিংয়ে তার সেই বক্তব্য উল্লেখ করে এক সাংবাদিক জানতে চান, ওই অভিযোগ ভারত অনুমোদন করে কি না এবং বাংলাদেশের অবস্থা ভারতের কাছে কতটা উদ্বেগের।

জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, প্রতিবেশী দেশের যেকোনো ঘটনা বা গতিবিধির ওপর সর্বদা তীক্ষ্ণ নজর রাখা হয়। ভারত তার রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়। যেকোনো ঘটনা বা পরিস্থিতি অনুযায়ী উচিত পদক্ষেপ নেয়। সজীব ওয়াজেদর অভিযোগ অনুমোদন বা সমর্থন করা বা না করা নিয়ে জয়সোয়াল কোনো মন্তব্য করেননি।




আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ আছে বলে মনে করি না: জামায়াত আমির

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতিতে তাদের ফেরার সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। এ দেশের রাজনীতি তারাই হত্যা করেছে। তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। অসংখ্য মায়ের বুক খালি করেছিল, অসংখ্য মানুষ ঘুম হয়েছিল, গুম হওয়া সবাই ফিরে আসেনি এখনো। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ এখনই রাজনীতিতে চলে আসবে?

আজ শুক্রবার সকালে বাগেরহাট জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে যোগ দেয়ার আগে সার্কিট হাউসে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমির বলেন, আওয়ামী লীগ এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেনি, সামান্য অনুশোচনাও নেই তাদের। যে দল এ দেশের অসংখ্য মানুষকে গুম করল, খুন করল, অসংখ্য মানুষকে পঙ্গু করল, একটা জেনারেশনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেল, তাদের কোনো অনুশোচনা দেখা গেল না। শুধু দল ভারী করার জন্য তাদের রাজনীতিতে আনা অন্যায়, জঘন্য অপরাধ। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ কারো করা উচিৎ হবে না।

তিনি বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। জায়গাটা সরকার যত সামাল দেবে বাংলাদেশের ততো সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে। আমরা সংসদের ভেতরে অবশ্যই সহযোগিতা করছি। আর যেখানে বিরোধিতা করা দরকার, সেখানে বিরোধিতা করছি।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনো আমরা দুই মেরুতে আছি। দেশের ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অপমান করতে দেয়া হবে না।

জাতীয় সংকট মোকাবেলায় সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, তেলের সংকটের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দল একযোগে পদক্ষেপ নেয়ার পরই জ্বালানি তেলের সংকট কেটে যায়। অথচ কেউ অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করেনি। এতে বোঝা যায়, সমন্বিত উদ্যোগ অনেক সংকটের কার্যকর সমাধান দিতে পারে।

সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকা নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।এক সময় সংসদে মারামারি হয়েছে। ফাইল ছুড়ে মারা হয়েছে। একে অন্যের দিকে তেড়ে গেছে। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। আমরা সে পার্লামেন্ট চাই না। আমরা একটা সভ্য জগতের পার্লামেন্ট দেখতে চাই। এজন্য প্রথম দিন থেকে বিরোধীদল হিসেবে আমাদের ভূমিকা ছিল গঠনমূলক এটা আমরা অব্যাহত রাখব। কোনো উস্কানিতেই এ জায়গা থেকে আমরা সরে আসব না।

বাগেরহাট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় ছিলেন জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মো. মশিউর রহমান , বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীমসহ জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

পরে তিনি বাগেরহাট কামিল মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।




৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বিজয় র‍্যালি পালন করেছে মিরপুর প্রেসক্লাব

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের শুভযাত্রা উপলক্ষে বিজয় র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মিরপুর প্রেসক্লাব।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এ বিজয় র‍্যালির নেতৃত্ব দেন মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরী সম্পাদক তালুকদার রুমী। এ সময় নেতৃত্বে ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন।

বিজয় র‍্যালিটি মিরপুর-১৩ নম্বর বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে পৌঁছে। সেখানে গণঅভ্যুত্থান ও গণতন্ত্র বিষয়ক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে র‍্যালিটি মিরপুর-২ নম্বর হয়ে পুনরায় বিআরটিএ কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে অনুষ্ঠিত সমাপনী বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা তালুকদার রুমী বলেন, “২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশের মানুষের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে ভবিষ্যতেও সমুন্নত রাখতে হবে।”

সভাপতি এস এম বদরুল আলম বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ প্রমাণ করেছে যে কোনো স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা চিরস্থায়ী নয়। বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই গণতান্ত্রিক ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে সাংবাদিক সমাজকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”

সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। আজ দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক পরিবেশে নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে। এই অর্জন ধরে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
এ সময় আরও বক্তব্য দেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বিজয় র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল, সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোকসেদুল আলম খোকন, সহ-সভাপতি একলাছুর রহমান রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, সহ-সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, দপ্তর সম্পাদক এম এ গাফফার, কার্যনির্বাহী সদস্য সেকেন্দার আলী, দুলাল হোসেন, মানজারুল ইসলামসহ মিরপুর প্রেসক্লাবের কয়েকশ সাংবাদিক ও সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন ও জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।




মিরপুর প্রেসক্লাবে ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভা

নাজমুল আলম নাছিমঃ  ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, গণতন্ত্রের চর্চা এবং দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ নিয়ে রাজধানীর মিরপুর প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

“২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও গণতন্ত্র” শীর্ষক এ আলোচনা সভায় বক্তারা গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, জনগণের প্রত্যাশা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত এজিএস, মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমী। সভাপতিত্ব করেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সবুজ বিপ্লব পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এস. এম. বদরুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মো. শিহাব উদ্দিন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তালুকদার রুমী বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন, নিপীড়ন ও জনগণের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে অংশ নিয়ে পরিবর্তনের পথ সুগম করেছে। জনগণের প্রত্যাশা ছিল একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সব রাজনৈতিক শক্তিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, নতুন নেতৃত্বের দাবিদার রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও পরিপক্ব, দায়িত্বশীল ও বাস্তবমুখী রাজনৈতিক চর্চা করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. বদরুল আলম বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়; এটি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই অর্জনকে ধরে রাখতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে জাতীয় ঐক্য, উন্নয়ন ও জনকল্যাণের রাজনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সঞ্চালকের বক্তব্যে মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল জনগণের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা। এই চেতনাকে ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সাংবাদিকদেরও সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখতে হবে।’

আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা জরুরি। গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

সভায় মিরপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এস. এম. ইসলাম উকিল, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি নিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক এম. এ. গাফফার ও সেকেন্দার আলী, সহ-সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা ও মানজারুল ইসলামসহ মিরপুর প্রেসক্লাবের সদস্য এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।