চিম্বুলুই সীমান্তে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর

ডেস্ক নিউজ : রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম চিম্বুলুই সীমান্তে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ হয়ে পড়া এক বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে।

বাঘাইহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (৫৪ বিজিবি) লে. কর্ণেল মো. মহিউদ্দিন ফারুকী প্রেরিত এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, শনিবার দুপুর ১টার দিকে বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন (৫৪ বিজিবি)-এর হাবিলদার মো. এলাহান মিয়া (৪৯) কান্তালং বিওপি থেকে লিংক টহলে অংশ নিয়ে চিম্বুলুই বিওপির নিকটবর্তী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ তার বাম হাত ও বাম পায়ে তীব্র ব্যথা ও অবশভাব দেখা দেয়।

তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাটালিয়নের মেডিকেল অফিসার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঢাকার পিলখানাস্থ বিজিবি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, তার মধ্যে ‘লেফট-সাইডেড হেমিপেরেসিস’ (Left-sided Hemiparesis) জনিত উপসর্গ দেখা দেওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাকে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরপর বিজিবির অপারেশন ও চিকিৎসা শাখার সমন্বয়ে দ্রুত একটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়। দুপুর ২টা ৩৬ মিনিটে হেলিকপ্টারটি চিম্বুলুই বিওপি থেকে উড্ডয়ন করে তাকে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নিয়ে যায়।

বর্তমানে হাবিলদার মো. এলাহান মিয়া চট্টগ্রাম সিএমএইচে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিজিবি জানায়, দায়িত্ব পালনকালে কোনো সদস্য অসুস্থ বা আহত হলে তার জীবনরক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বাহিনী সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দুর্গম সীমান্ত এলাকাতেও সদস্যদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আধুনিক চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে সেনাবাহিনী পরিচালিত চট্টগ্রাম সিএমএইচে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।




খরা-বন্যা-সংঘাতে ঘরছাড়া সোমালিয়ার লাখো মানুষ, তীব্র খাদ্যসংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সোমালিয়ায় খরা, আকস্মিক বন্যা, সংঘাত ও আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার ফলে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। দেশটির ৬৫ লাখের বেশি মানুষ এখন তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে। এটা মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। অনেক পরিবার জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাজধানী মোগাদিশুর আশ্রয়শিবিরে এলেও সেখানে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের চক্র থেকে মুক্তি পাচ্ছে না।

দেশটির মধ্যাঞ্চলের বুরহাকাবা এলাকার বাসিন্দা জয়নাব ইব্রাহিম টানা তিন বছর খরা দেখেছেন। বৃষ্টি না হওয়ায় জমি শুকিয়ে যায়, ফসল নষ্ট হয়, আর পানি ফুরিয়ে যায়। তার গ্রামে ক্ষুধা ও রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এতে তার ১০ সন্তানের মধ্যে চারজন মারা যায়। তিনি বলেন, জীবন বাঁচাতে আমরা সবরকম চেষ্টা করেছি—শুকনো ঘাস বিক্রি করেছি, মাটি খুঁড়ে পানি তুলেছি। কিন্তু কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত সন্তানদের বাঁচাতে পালিয়েই আসতে হয়েছে। এখন তিনি মোগাদিশুর কাহদা এলাকার একটি শিবিরে ছয় সন্তান নিয়ে ছোট্ট একটি অস্থায়ী ঘরে থাকেন।

এমন পরিস্থিতির শিকার ৭৭ বছর বয়সী আদান রোবলেও। দীর্ঘ খরায় তার জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এরপর গত মাসে প্রবল বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা হলে তার গ্রাম ভেসে যায়। ওই সময় এলাকাজুড়ে সরকারি বাহিনী ও আল-শাবাবের যুদ্ধ চলছিল, মাথার ওপরে ঘুরছিল ড্রোন।

তিনি বলেন, সবকিছু হারিয়ে খাবার ও পরিষ্কার পানি ছাড়া বেঁচে থাকা, আর চারদিক থেকে যুদ্ধ—এই বাস্তবতা খুব ভয়ংকর। নিরাপত্তাহীনতা ও সাহায্যের অভাবে তাকেও গ্রাম ছেড়ে পালাতে হয়। এখন মোগাদিশুতে ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ অস্বাস্থ্যকর ও ভিড়াভিড়ি পরিবেশে বসবাস করছে। সেখানে পানি, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।

সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছে শিশুরা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ১৯ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে। অর্থের অভাবে প্রায় ৫০০ পুষ্টিকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে অনেক শিশু চিকিৎসা পাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস জানিয়েছে, গত তিন মাসে কিসমায়ো হাসপাতালের বিশেষ বিভাগে ৭০০-এর বেশি শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ জন মারা গেছে।

এই সংকট আরও খারাপ হয়েছে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার কারণে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের ফলে হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি, খাদ্য ও পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। এটা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার সম্প্রতি বলেন, জলবায়ু সংকট, সংঘাত আর বন্যা-খরা একসঙ্গে পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছে। অর্থের অভাবে সাহায্য সংস্থাগুলোও ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না। সব মিলিয়ে সোমালিয়া এখন গভীর এক সংকটের মধ্যে রয়েছে, যেখানে মানুষ শুধু বেঁচে থাকার জন্যই প্রতিদিন সংগ্রাম করছে।




সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক :  সাফ উইমেনস চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে ৩-১ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। এতে সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো না ঋতুপর্ণাদের।

শনিবার গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ফাইনালে স্বাগতিক ভারতকে পরাজিত করে টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর সত্যি হলো না। ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরে গেছেন মারিয়া-ঋতুপর্ণারা। এ নিয়ে সাফে ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত।

এর আগে ২০২২ ও ২০২৪ সালে শিরোপা জিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

গ্রুপ পর্বের সেই নিষ্প্রভ চেহারার বদলে আজ এক লড়াকু বাংলাদেশকে দেখা গেছে। ১২ ও ১৪ মিনিটে তহুরার গোল করার দারুণ সুযোগ মিস করা এবং ৪১ মিনিটে অল্পের জন্য বল পোস্টের বাইরে চলে যাওয়া এই মুহূর্তগুলো ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।

সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচের চালকের আসনে থাকতো বাংলাদেশই।

ম্যাচের ৪২ মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে ভারতের পেয়ারি সাসা গোল করে দলকে লিড এনে দেন। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে তহুরার নিখুঁত পাসে ঋতুপর্ণা চাকমার গোলটি ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রাণসঞ্চারী। ১-১ সমতায় থেকে বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের ফুটবলারদের চোখেমুখে ছিল ট্রফি জয়ের দৃঢ়তা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ছন্দপতন ঘটে। খেলা শুরুর মাত্র এক মিনিটের মাথায় ভারতের সানফিদার হেডে বল জালে জড়ালে ফের পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। গোল শোধে মরিয়া হয়ে ৫১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের হেড অল্পের জন্য ক্রসবার উঁচিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর ভারতের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় এবং গোলরক্ষকের বীরত্বে আরও কয়েকবার গোলবঞ্চিত হয় বাংলাদেশ।

ম্যাচের ৮১ মিনিটে রক্ষণভাগের ভুলে লিন্ডাকমের গোলটি কার্যত বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়। শেষ দিকে সাগরিকা ব্যবধান কমানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করেও সফল হননি।

শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে মাঠে একরাশ বিষণ্নতা নিয়ে লুটিয়ে পড়েন বাংলাদেশের মেয়েরা।




দেশের সব বিভাগে আগামী তিনদিন বৃষ্টির আভাস

ডেস্ক নিউজ : টানা তাপপ্রবাহে যখন রাজধানীবাসী ছিল অতিষ্ট। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম-বেশি বৃষ্টি হওয়ার পর কমেছে তাপমাত্রা, ফিরেছে স্বস্তি। আগামী তিন দিন এমন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক শুক্রবার রাতে বলেন, “আজ যেমন বৃষ্টি হয়েছে, আগামী তিন দিন সারাদেশের সব বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।”

আবহাওয়া অধিদপ্তরের শুক্রবার সন্ধ্যার বুলেটিনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এই সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নরসিংদীতে দেশের সর্বোচ্চ ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।এই সময়ে চুয়াডাঙ্গায় ৪৪, চাঁদপুরে ৩৯, টাঙ্গাইলে ৩২ ও শ্রীমঙ্গলে ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে; ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত সময়ে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

সে কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




ইসরায়েলি কড়াকড়ি উপেক্ষা করে আল-আকসায় জুমার নামাজে ৬৫ হাজার মুসল্লি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলের আরোপিত বিধিনিষেধ ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সত্ত্বেও পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেছেন প্রায় ৬৫ হাজার মুসল্লি। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ জুন) ভোর থেকেই হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পবিত্র এ মসজিদে জড়ো হন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকাল থেকে মুসল্লিদের ঢল নামে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের আঙিনা ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বিধিনিষেধ ও বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করেই বহু ফিলিস্তিনি জুমার নামাজে অংশ নিতে সেখানে পৌঁছান।
গত তিন বছর ধরে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে আসা ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে আসছে ইসরায়েল। এর ফলে অনেক মুসল্লি সরাসরি মসজিদে প্রবেশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র এ ধর্মীয় স্থানে প্রবেশাধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে আল-আকসায় প্রবেশে আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করার দাবি জানিয়ে আসছেন।



শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান

বিনোদন ডেস্ক : ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর ঘর আলো করে এসেছে নতুন অতিথি। কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করেছেন বুবলী।

শুক্রবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে ট্যাগ করা এক পোস্টে কন্যাসন্তানের খবর নিশ্চিত করেন বুবলী। জানিয়েছেন, তাদের মেয়ের নাম রেখেছেন শার্লিন খান।

পোস্টের ক্যাপশনে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।

বুবলী বলেন, আমার মেয়ে এখন বেশ ভালো ও সুস্থ আছে। গত ১১ মে (সোমবার) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তার জন্ম হয়। বোনকে পেয়ে বেশ খুশি শেহজাদ।

খুব শিগগির কাজে ফিরবেন জানিয়ে তিনি বলেন, কাজে ফেরার তাগাদা তো আছেই। প্রযোজকরা অনেক টাকা লগ্নি করেছেন। মাতৃত্বকালীন সময়টাতে অনেকগুলো কাজ ঝুলে গেছে। তাই কিছুদিন বিশ্রাম শেষে খুব শিগগির কাজে ফিরব, যাতে কোনো নির্মাতাই ক্ষতিতে না পড়েন। আশা করছি, এ সময়টুকু তারা বিবেচনায় রাখবেন।

উল্লেখ্য, শাকিব-বুবলীর প্রথম সন্তান শেহজাদ খান বীর। ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড জ্যুইশ মেডিকেল হাসপাতালে তার জন্ম হয়। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলের জন্মের বিষয়টি জানান দেন শাকিব-বুবলী দুজনেই।




বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক সরকার।

শুক্রবার কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে এসে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান একথা বলেছেন।

শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সাথে আলাপকালে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তুরস্ক সরকার বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই পাশে থেকে তাদের মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান হবে এবং রোহিঙ্গারা তাদের সম্মান এবং নাগরিকত্বের মর্যাদা নিয়ে তাদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেল তিনটায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি উখিয়া শরণার্থী শিবিরে পৌঁছান। পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মিজানুর রহমান জানান, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উখিয়ার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের সহায়তায় স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতালের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোহিঙ্গা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা সেবার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা নিতে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং তাদের জীবনযাত্রা ও নানা সমস্যার বিষয়ে অবগত হন।

পরে তিনি ১৬ ও ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তুরস্কের সহায়তায় পরিচালিত চিকিৎসা ও মানবিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ক্যাম্পগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য নেন।




১৫ বছর পর সিরিজ খেলতে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক : বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচ সিরিজ খেলতে ঢাকায় পৌঁছেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। দুই ভাগে ভাগ হয়ে বাংলাদেশে আসছে অজিরা।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার কিছু আগে একটি ফ্লাইটে প্রথম বহরে থাকা ক্রিকেটাররা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। দ্বিতীয় বহরে থাকা বাকি ক্রিকেটাররা রাতের ফ্লাইটে ঢাকায় আসবেন।

২০১১ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেবার মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বাধীন দল তিন ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল সাকিব আল হাসানের বাংলাদেশকে।

এরপর অবশ্য টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছিল অজিরা। মিরপুরে সেই সিরিজ জিতেছিল মাহমুদউল্লাহর দল।

আগামীকাল ঐচ্ছিক অনুশীলন করার কথা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। তবে ৭ ও ৮ জুন পুরোদমে অনুশীলন করবে সফরকারী দল।

৯ জুন প্রথম ওয়ানডে দিয়ে মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১১ ও ১৪ জুন সিরিজের পরের দুই ম্যাচ খেলবে দু’দল। ওয়ানডে সিরিজের সবগুলো ম্যাচ সকাল ১১টায় শুরু হবে।

ওয়ানডে শেষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চট্টগ্রামে যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দল। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন সিরিজের তিনটি ম্যাচ খেলবে দু’দল। সবগুলো ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়।

বাংলাদেশ সফরে দলে নেই অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসত্রয়ী প্যাট কামিন্স-মিচেল স্টার্ক-জশ হ্যাজেলউড। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দেবেন মিচেল মার্শ।

গতকালই পাকিস্তানের কাছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। তাই দুঃস্মৃতিকে সঙ্গী করেই বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে অজিরা।

অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে দল : মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, বেন ডোয়ারর্শিষ, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিশ, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, ম্যাট রেনশ, তানভির সাঙ্ঘা, লিয়াম স্কট, অ্যাডাম জ্যাম্পা।

অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি দল : মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিশ, স্পেন্সার জনসন, ম্যাথু কুনেমান, রাইলি মেরেডিথ, জশ ফিলিপি, ম্যাট রেনশ, অ্যাডাম জাম্পা।




এবার মমতার কাছ থেকে সরে গেলেন মুসলিম বিধায়করাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিভাজন। দলটির একটি অংশের বিদ্রোহী অবস্থান এবং বেশ কয়েকজন মুসলিম বিধায়কের সেই শিবিরে যোগ দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিশ্লেষণ সামনে আসছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা গেছে, দলটির নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৩৪ জন মুসলিম। এর মধ্যে ১৭ জন বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে অবস্থান নিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়া বিধায়কদের মধ্যে রয়েছেন জাবেদ আহমেদ খান, আখরুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, গোলাম রাব্বানী, নিয়ামত শেখ, ইমানি বিশ্বাস, গুলশান মল্লিক ও মো. তৌসিফুর রহমানসহ আরও কয়েকজন।

বিদ্রোহী শিবিরের পক্ষ থেকে বিধানসভার স্পিকারের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। এতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে সমর্থনের কথা উল্লেখ করা হয়।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, “১৮তম বিধানসভায় ঘাসফুল প্রতীকে নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী আমরাই প্রকৃত বিরোধী দল।”

একসময় দলীয় সিদ্ধান্তে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী মমতা ব্যানার্জিকে এখন কেবল পরামর্শদাতা হিসেবে রাখার প্রস্তাবও দিয়েছে বিদ্রোহী শিবির। এ বিষয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মাননীয় মমতা ব্যানার্জিকে আমাদের পরিষদীয় দলের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়ক শিউলি সাহা বলেন, “তিনি পরামর্শদাতা হিসেবে থাকুন, আমাদের পরামর্শ দিন এবং আমাদের কাজ করতে দিন।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিভাজন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ভোটের ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অধ্যাপক প্রতীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা ব্যানার্জি বর্তমানে আগের মতো ক্ষমতার কেন্দ্রে নেই। ফলে মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটি অংশও তার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তাদের ধারণা, বর্তমান নেতৃত্বের বাইরে গেলে তারা বেশি নিরাপত্তা পাবে।

বুধবার বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়েও দলের ভেতরে মতবিরোধ দেখা যায়। সূত্রগুলোর দাবি, মমতা ব্যানার্জির পছন্দ ছিল শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করা। তবে দলের একটি বড় অংশ সেই অবস্থানের বিপরীতে অবস্থান নেয়।

অধ্যাপক রাজাগোপাল ধর চক্রবর্তী বলেন, মুসলিম সমাজের মধ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হবে বলে আমরা ভেবেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, মমতা ব্যানার্জির প্রতি আগের মতো সমর্থন আর নেই। অনেকের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।

এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক বিধায়ক এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরও দলটির ভাঙন নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, একটি দলের সর্বোচ্চ নেত্রী হয়েও যদি অন্যদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতেই পারে।

বৃহস্পতিবার তিনি আরও বলেন, মমতা ব্যানার্জি নির্বাচনে জয়ী হলে এবং নেতৃত্ব ধরে রাখতে পারলে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হতো না।




আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল

ডেস্ক নিউজ : ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজের’ বিধান লঙ্ঘন করায় কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পরিচালক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। পত্র জারি হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে (আগামী ৭ জুন বিকাল ৪টার মধ্যে) হাসপাতালটির মালিক ডা. শেখ মহিউদ্দিনকে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়, গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশে ১ জুন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকালে কমিটি হাসপাতালের ডিজি, এডি, শিশু বিভাগের প্রধান, এনআইসিইউতে কর্মরত চিকিৎসক, ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত নার্স, আয়া এবং রোগী ও রোগীর অ্যাটেনডেন্টসহ মৃত নবজাতকদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য গ্রহণ করে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিচালনায় ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’ অধ্যাদেশের বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। এই নিয়মের চরম অবহেলার কারণেই ওই ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এজন্য কমিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী সাব্যস্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আদ্-দ্বীন হাসপাতালটি ওই অধ্যাদেশের ৮ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধিত। তদন্তে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলায় ধারা মোতাবেক কেন হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তার যৌক্তিক কারণ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্বশরীরে বা লিখিতভাবে জানানোর জন্য আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে।