ভারতের উত্তর প্রদেশে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে নিহত ১১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রবল শিলাবৃষ্টি, ভারী বর্ষণ ও বজ্রপাতে অন্তত ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৭২ জন। রাজ্যের ২৫টি জেলায় গতকাল বুধবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে হতাহতের এসব ঘটনা ঘটে।

উত্তর প্রদেশের ত্রাণ কমিশনার ঋষিকেশ ভাস্কর যশোদের কার্যালয় জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে প্রয়াগরাজে। সেখানে মারা গেছেন ২১ জন।

এ ছাড়া মির্জাপুরে ১৯ জন, সন্ত রবিদাসনগরে ১৬ জন এবং ফতেহপুরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ১৭০টি গবাদিপশুর মৃত্যু এবং ২২৭টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ত্রাণ কমিশনার জানান, ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল অ্যান্ড কমান্ড সেন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

৫০ ফুট ওপরে উঠে যান এক ব্যক্তি

উত্তর প্রদেশের বেরেলি জেলার ভামোরা এলাকায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। জেলার বাবিয়ানা গ্রামের নানহে আনসারি নামের এক বাসিন্দা বাতাসের তোড়ে একটি টিনের চালের সঙ্গে প্রায় ৫০ ফুট ওপরে উঠে যান বলে জানা গেছে। পরে তিনি একটি ভুট্টাখেতে আছড়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। আনসারির শূন্যে উড়ে যাওয়ার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কর্মকর্তাদের দ্রুত ত্রাণতৎপরতা শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসকদের (ডিএম) নিজ নিজ জেলায় উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিতে হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য সরকারের একজন মুখপাত্র জানান, কর্মকর্তাদের দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন, দুর্গত ব্যক্তিদের সহায়তা এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ।




এ দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক: ডেপুটি স্পিকার

ডেস্ক নিউজ : জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না। এখানে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। রাষ্ট্রের সম্পদের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকায় এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আমি নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম—এক মানবের দুই হাত, এক হাত হিন্দু আর এক হাত মুসলমান। উন্নয়নমূলক টিআর, কাবিখা বা অন্যান্য বরাদ্দ যাই আসুক না কেন, আমি মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সবাইকে সমানভাবে ভাগ করে দিই। বাংলাদেশে কোনো ধরনের ধর্মীয় বৈষম্য হতে দেওয়া হবে না।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের আগামী তিন মাস সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

কায়সার কামাল আরও বলেন, সরকারি অনুদান নিতে কাউকে কোনো ধরনের ঘুস দিতে হবে না। অতীতে বিভিন্ন সরকারি অনুদান নিয়ে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। আমি নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম, সরকারি অনুদান নিয়ে আমি নিজে দুর্নীতি করব না এবং কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না।

সুমেশ্বরী নদী শাসন প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইতোমধ্যে সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ও হাওড় এলাকার দুর্ভোগ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর এ ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দুর্ভোগ দিনদিন বেড়েছে। এখন যে পরিকল্পনাগুলো হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে আমরা আশা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকারের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ভূঁইয়া, বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম এবং কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেমসহ স্থানীয়রা।




কান উৎসবে নেই ঐশ্বরিয়া, কিন্তু কেন?

বিনোদন ডেস্ক : শুরু হয়েছে কান চলচ্চিত্র উৎসব। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশ্বের জনপ্রিয় তারকারা হাজির হয়েছেন এ আসরে। তারকাদের পোশাক আর লুক নিয়ে চলে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

দীর্ঘ দিন ধরে বলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের কানে উপস্থিতি নিয়ে চমক থাকছে। তবে কান ২০২৬ সালের আগে লরিয়াল প্যারিসের নতুন প্রোমোতে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এবারের কান উৎসবের পোস্টারেও দেখা যায়নি অভিনেত্রীকে।

যদিও এর আগে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ২০০২ সাল থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন এবং ২০০৩ সাল থেকে লরিয়ালের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে যুক্ত আছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তার উপস্থিতি কান রেড কার্পেটে গ্ল্যামার ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী। এবার দেখার পালা ঐশ্বরিয়া কানে হাজির হন কিনা।

ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও লরিয়ালের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়েও এবারের চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বরিয়াকে না দেখায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। ফ্রান্সের কান শহরে চলমান কান চলচ্চিত্র উৎসবের একটি প্রচারণামূলক আয়োজনে ছয় লরিয়াল প্যারিসের অ্যাম্বাসাডরের ছবি দেখা যায়। সেখানে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটসহ অন্যান্য তারকা থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।

এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এক নেটিজেন লিখেছেন— ঐশ্বরিয়া না থাকলে লরিয়ালকে কল্পনাও করা যায় না। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—তিনি ছিলেন পুরো এশিয়ার জন্য ব্র্যান্ডটির মুখ।

বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার পর ব্র্যান্ডটির অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম পোস্টের কমেন্টে সরাসরি প্রশ্ন করেন অনেকেই। শেষ পর্যন্ত মুখ খোলে লরিয়াল প্যারিস। তারা জানিয়েছে, ঐশ্বরিয়া একজন জীবন্ত কিংবদন্তি এবং তিনি জানেন কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে হয়। প্রতি বছরই কানে তিনি থাকেন এটাই নিয়ম।




বাংলাদেশের ফিল্ডিংকে বিশ্বের তিন নম্বর বললেন ফিল্ডিং কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক : একসময় ফিল্ডিংয়ে বেশ দুর্বল অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তবে গত কয়েক বছরে সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে বলে মনে করেন ফিল্ডিং কোচ আশিক মজুমদার। এখনো কিছু জায়গায় ঘাটতি থাকলেও, তার বিশ্বাস—বিশ্ব ক্রিকেটে ফিল্ডিংয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ শীর্ষ তিন দলের মধ্যেই আছে।

সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে আশিক বলেন, স্লিপ ক্যাচিংয়ে বাংলাদেশ দলের উন্নতি চোখে পড়ার মতো। টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও খেলোয়াড়রা সেই জায়গায় ভালোভাবে ফিরে এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, প্রথম ও দ্বিতীয় ইনিংসে স্লিপ ক্যাচিং ছিল বেশ সন্তোষজনক।

ফিল্ডারদের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, দলের খেলোয়াড়দের পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বেশ ভালো। বিভিন্ন পরিবেশে তারা দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে এবং নিজেদের প্রস্তুতিও তারা খুব ভালোভাবে নেয়। ঢাকা টেস্টে সাদমান ইসলামের নেওয়া একটি কঠিন ক্যাচের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেটি খুব কাছ থেকে নেওয়া সহজ ছিল না, বিশেষ করে যখন ব্যাটসম্যান কাট শট খেলেছিল।

সাদমান সম্পর্কে কোচ আশিক বলেন, তার মানসিক শক্তি ও মনোযোগ অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের। পুরো দলের মধ্যেই এমন মানসিকতা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে দলের ফিল্ডিং এনার্জি আরও বেড়ে গিয়েছিল, যা তাকে মুগ্ধ করেছে বলেও জানান তিনি।

ফিল্ডিং উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদী আশিক বলেন, প্রতিদিনই শেখার সুযোগ আছে এবং উন্নতির কোনো শেষ নেই। খেলোয়াড়দের ফিল্ডিংয়ের প্রতি নিবেদন ও আগ্রহ যদি আরও সামান্য বাড়ানো যায়, তাহলে পারফরম্যান্স আরও উন্নত হবে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা শারীরিকভাবে ফিট ও অ্যাথলেটিক, যা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফিল্ডিংয়ের ভিত্তি তৈরি করছে।

সবশেষে আশিক মজুমদার নিজের বিশ্বাসের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিল্ডিংয়ের মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের শীর্ষ তিন দলের একটি। এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের সিরিজগুলোতেও ভালো ফলাফল আশা করা যাবে।




ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা

ডেস্ক নিউজ : রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক এবং কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ও এমপি অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের থেকে জানানো হয়, ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি দ্বিতীয় সভা।

সভায় নগরীর সড়ক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, গণপরিবহণ ব্যবস্থার সমন্বয়, ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয় বলেও জানা গেছে।




আগামী বছর এসএসসি ও এইচএসসি কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ : শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজন করা হবে।

বুধবার (১৩ মে) বিকালে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) গাজীপুর বোর্ড বাজার ক্যাম্পাসে ‘শ্রেষ্ঠত্ব’ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় যে সেশনজট তৈরি হয়েছে, তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং পাঠদান কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে বাস্তবসম্মত সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডিসেম্বরে পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মতামত বিবেচনায় সরকার সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির শেষে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুনে নেওয়া হবে। তবে পরবর্তী বছরগুলোতে সেশনজট নিরসন করে পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর জীবন থেকে অতিরিক্ত সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য ধাপে ধাপে সবকিছু সমন্বয় করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়মিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য রাখা হয়েছে, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য ড. হিসাইন আরাবি নূরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। পরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট ও সম্মাননা তুলে দেন মন্ত্রী।

এর আগে একই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেওয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিরোধিতা করেন। তাদের মতে, এক বছরেই চার মাস সময় কমিয়ে দিলে শিক্ষার্থীরা চাপের মুখে পড়বে এবং শিখন ঘাটতি তৈরি হবে।

সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। যেকোনো সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটিই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।




কানের রেড কার্পেটে আলিয়া ভাটকে ‘উপেক্ষা’র ভিডিও ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক : কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৯তম আসরে দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিয়ে রেড কার্পেটে আলো ছড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট।

তামারা র‌্যালফের ডিজাইন করা মনোমুগ্ধকর ব্লাশ-টোনড বডি-হাগিং গাউনে তার উপস্থিতি ছিল এক কথায় অনবদ্য। তবে আলিয়ার এই গ্ল্যামারাস উপস্থিতিকে ছাপিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি বিতর্কিত ভিডিও।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আলিয়া যখন রেড কার্পেটে পোজ দিচ্ছিলেন, তখন একদল আলোকচিত্রীকে তাদের ক্যামেরা নামিয়ে রাখতে দেখা যায়। এমনকি অভিনেত্রী হাসিমুখে হাত নাড়লেও অনেক পাপারাজ্জিই সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করছিলেন না।

এই ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে নেটিজেনদের একাংশ অভিনেত্রীকে নিয়ে ট্রল শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর ক্যাপশনে একজন লিখেছেন, ‘খুবই বিব্রতকর! কান একটি বৈশ্বিক মঞ্চ, অথচ তাকে কেউ চিনতেই পারছে না। কেউ তার দিকে ক্যামেরাও তাক করেনি। তিনি কার দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ছেন? তার মধ্যে ব্যক্তিত্বের অভাব স্পষ্ট।’

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। কট্টর সমালোচকদের কেউ কেউ আলিয়ার এই মুহূর্তটিকে ‘অস্বস্তিকর’ বলে অভিহিত করেছেন। এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, ‘তিনি এমনভাবে হাত নাড়ছেন যেন তিনিই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ, অথচ ক্যামেরাম্যানরা সব এয়ারপ্লেন মোডে আছেন!’

আবার কেউ কেউ তার আমন্ত্রণের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে আলিয়ার ভক্ত এবং সমর্থকদের সংখ্যাও কম নয়। অনেক নেটিজেন এই সংকীর্ণ মানসিকতার সমালোচনা করে বলেছেন, ভারতীয়রাই অন্য ভারতীয়দের সাফল্যে সবচেয়ে বেশি ঈর্ষান্বিত হয়।

আলিয়াকে সমর্থন জানিয়ে একজন লিখেছেন, ‘সবাই ভুলে যাচ্ছেন যে তিনি ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে গিয়েছেন। শাহরুখ খানকেও আপনারা একসময় এভাবে ট্রল করেছিলেন।’

অন্যদিকে খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক আলোকচিত্রী গ্রেগ মার্টিন আলিয়ার সঙ্গে একটি সেলফি পোস্ট করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, যা প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক মহলেও এই অভিনেত্রীর যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আলিয়ার পক্ষ নিয়ে আরেক ভক্ত লিখেছেন, ‘আলোকচিত্রীরা তার ছবি তুলছেন কিনা তা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো তিনি সেখানে আমন্ত্রিত হয়েছেন এবং পুরো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন।’

সব মিলিয়ে, কানের রেড কার্পেট এবং আলিয়া ভাটের এই ভিডিওটি বর্তমানে বিনোদন জগতের অন্যতম ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়েছে। কেউ একে দেখছেন ‘উপেক্ষা’ হিসেবে, আবার কারো মতে আলিয়ার বিরুদ্ধে এটি স্রেফ নেতিবাচক প্রচারণার একটি অংশ।




হামজাদের নতুন কোচের বেতন জোগাড়ে আবার মন্ত্র্রীর সঙ্গে কথা বলবে বাফুফে

ক্রীড়া ডেস্ক :  জাতীয় দলের কোচের নাম ১৫ মে জানানোর ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। সেই লক্ষ্যেই চলছিল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কিন্তু কোচ চূড়ান্ত করার আগে বাফুফের সামনে এখন প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।

আজ বাফুফের জাতীয় দল কমিটির জরুরি অনলাইন সভায় তাই কোনো নাম চূড়ান্ত করা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে আবারও কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাফুফে সভাপতি। তুরস্ক সফর শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আমিনুলের ঢাকায় ফেরার কথা।

মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেই যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা অবশ্য নেই। বাফুফের পছন্দের শীর্ষে থাকা ওয়েলসের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যান একজন সহকারীসহ প্রতি মাসে ৩৫ হাজার ডলার বেতন চেয়েছেন বলে জানা গেছে। যেখানে বাফুফে নিজে ১৫-২০ হাজার ডলার পর্যন্ত দিতে সক্ষম।

বাকি মোটা অঙ্কের টাকা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েই গেছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কদিন আগে বাফুফেকে সহায়তার আশ্বাস দিলেও ঠিক কত টাকা দেবেন, তা নিশ্চিত নয়। এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলেও আমিনুল হক ফোন ধরেননি।

বাফুফের জাতীয় দল কমিটির এক সদস্য জানান, অর্থের সংস্থান না হলে কোলম্যানকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম বেতন চাওয়া অন্য কাউকে নেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোচের চূড়ান্ত নিয়োগে একটি নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছেই।

জাতীয় দল কমিটির অনলাইন সভা শেষে একজন সদস্য বলেন, ‘সবকিছুর মূলে অর্থ। বাফুফে ওয়েলসের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যানের প্রতিই বেশি আগ্রহী। কিন্তু তাঁকে আনতে যে টাকা লাগে, সেটির ব্যবস্থা এখনো হয়নি। তাই সভাপতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি আবার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। কিন্তু এত টাকা জোগাড় হবে কি না সংশয় আছে।’ তিনি আরও জানান, মন্ত্রীর কাছে তিনজনের নাম নিয়ে যাবেন সভাপতি।

সেই তিনজনের মধ্যে জার্মানির কোচ বার্নড স্টর্কসও আছেন নিশ্চিত। বাফুফেতে আবেদন করেও ৮ মে ব্রাজিলের দ্বিতীয় বিভাগে যোগ দেওয়া রিও অলিম্পিকে ব্রাজিলের কোচ রোজারিও মিকেলের নামও আবার শোনা যাচ্ছে।

এদিকে এ বছর সেপ্টেম্বরে সাফ ফুটবল হচ্ছে না, যা পিছিয়ে নভেম্বর-ডিসেম্বরে চলে যেতে পারে। এমনকি এ বছর সাফ না হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। সভায় প্রশ্ন উঠেছে, “সাফ না হলে এত অর্থ দিয়ে কোচ এনে কী লাভ হবে?” এছাড়া শুধু হাই-প্রোফাইল কোচ আনলেই হবে না, দেশের মাঠগুলোর অবকাঠামো ও ঘরোয়া লিগের মান উন্নত না হলে বিশ্বমানের কোচেরা দীর্ঘমেয়াদে কাজ করতে আগ্রহী হবেন না বলেও সভায় আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ের মাঠগুলোর নাজুক অবস্থা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়েই থাকছে।

 




জাহাঙ্গীরনগরে ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার প্রতিবাদে মশাল হাতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে অন্ধকারে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থতার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নারী শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান এলাকা থেকে মিছিল বের করেন তাঁরা। মিছিলে সহস্রাধিক নারী শিক্ষার্থী অংশ নেন।

মিছিলটি ছাত্রীদের ১০টি আবাসিক হলের সামনে দিয়ে গিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে শেষ হয়। এর আগে রাত ১০টার দিকে বটতলা এলাকা থেকে ছাত্ররা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি টারজান এলাকায় গিয়ে নারী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে যুক্ত হয়ে তাঁদের সঙ্গে সংহতি জানায়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘ধর্ষকের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’, ‘ক্যাম্পাসে ধর্ষণ করে, প্রক্টর কী করে?’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাঁদের দাবিগুলো হলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে, ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডিকেও পদত্যাগ করতে হবে, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স কার্যকরী টিম গঠন করতে হবে, ক্যাম্পাসে নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে এবং কুইক রেসপন্স টিমে যুক্ত করতে হবে।

এ বিষয়ে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নাদিয়া রহমান বলেন, ‘আমরা গর্ব করে বলতাম এই ক্যাম্পাস নারীদের জন্য নিরাপদ। কখনো আমাদের এই অনুভূতি হতো না কেউ আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারে। কিন্তু বর্তমানে অবস্থা খুবই নাজুক। ক্যাম্পাসের ভেতরেই আমাদের এক সহপাঠীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে ঝোপে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা করে। এর চেয়ে আর দুঃখের, লজ্জার কী হতে পারে? এই প্রশাসন আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের একটি সড়ক দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এক ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে ঝোপে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা একজনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেন। সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন এক তরুণের চেহারা নিশ্চিত হওয়া গেলেও এখনো তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, হত্যাচেষ্টা ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হওয়া মামলাটি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে। অতি দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবেন বলে তাঁরা আশাবাদী।




সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী ও শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) ‘সারমাত’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে রাশিয়া।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মঙ্গলবার দূরপাল্লার এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষা চালানো হয়। পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।

এই সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে রাশিয়া তাদের সামরিক সক্ষমতার এক নতুন উচ্চতা প্রদর্শন করল, যা বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক বিবৃতিতে জানান, ‘সারমাত’ বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।

তিনি দাবি করেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক বাহিনীর হাতে থাকা যে কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এটি কয়েকগুণ বেশি শক্তিশালী এবং অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন মারণাস্ত্র বহনে সক্ষম।