অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: বিদ্যুৎ বিভাগ

ডেস্ক নিউজ : অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত যে সকল অভিযোগ পাওয়া গেছে তা বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিতরণ সংস্থাসমূহ কর্তৃক সমাধান করা হয়েছে।

আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এ বিষয়ে কোনো প্রকার অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ নেই। তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বিষয়ক কোনো অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে সে বিষয়ে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




রাশিয়ার সমুদ্রসৈকতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, হতাহত ৪৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলীয় জনপ্রিয় পর্যটন শহর গেলেনজিকের কাছে একটি ব্যস্ত সমুদ্রসৈকতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এতে ৪৭ জন হতাহত হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৪০ জন।

নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ক্রাসনোদার ক্রাই অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানান। তিনি এ হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন।
তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী হামলার বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার সন্দেহ
স্থানীয় ও গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ড্রোনটির মূল লক্ষ্য সম্ভবত রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নভোরোসিস্ক নৌঘাঁটি ছিল। এই নৌঘাঁটিটি গেলেনজিক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ড্রোনটি গেলেনজিকের কাছের আরখিপো-ওসিপোভকা এলাকার একটি ব্যস্ত সমুদ্রসৈকতে আঘাত হানে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভিডিওর সত্যতা যাচাই
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো যাচাই করেছে বিবিসি ভেরিফাই।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভিডিওর অবস্থান শনাক্ত (জিওলোকেশন) করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ঘটনাটি আরখিপো-ওসিপোভকা সৈকতেই ঘটেছে। এছাড়া সময়-সংক্রান্ত বিশ্লেষণ (রিসেন্সি চেক) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) পরীক্ষার মাধ্যমে ভিডিওগুলো সাম্প্রতিক এবং প্রকৃত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাড়ছে সীমান্তপারের ড্রোন হামলা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে ড্রোন হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে বলে মস্কোর দাবি।

অন্যদিকে ইউক্রেন সাধারণত নির্দিষ্ট হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করে না। ফলে গেলেনজিকের সমুদ্রসৈকতে সাম্প্রতিক এই হামলার লক্ষ্যবস্তু কী ছিল এবং কীভাবে বেসামরিক এলাকায় প্রাণহানি ঘটল, তা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 




ভারত সীমান্তে ২৫০টি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধযান মোতায়েন করলো পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সামরিক সক্ষমতা ও শক্তি বাড়ানোর অংশ হিসেবে ভারতের সীমান্তবর্তী পূর্ব সেক্টরে ২৫০টি চীনা তৈরি এসএইচ-১৫ ট্রাক-মাউন্টেড সেলফ-প্রপেলড হাউইটজার মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পর সামরিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইসলামাবাদের এটি অন্যতম বৃহৎ পদক্ষেপ।

চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘নরিনকো’ কর্তৃক তৈরিকৃত এই ১৫৫ মিলিমিটারের এসএইচ-১৫ হাউইটজারটিতে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ও দ্রুত গতিশীলতার সুবিধা:

গঠন ও ইঞ্জিন: অস্ত্রটি ৬×৬ চ্যাসিসের ওপর বসানো এবং এতে রয়েছে একটি শক্তিশালী ৪০০ হর্সপাওয়ারের ডিজেল ইঞ্জিন।

ফায়ারিং রেঞ্জ: এটি সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত ন্যাটো-সামঞ্জস্যপূর্ণ গোলাবারুদ নিক্ষেপ করতে পারে। তবে রকেট-অ্যাসিস্টেড প্রজেক্টাইল ব্যবহারের মাধ্যমে এর সর্বোচ্চ পাল্লা ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

অটোমেশন ও গতিশীলতা: এতে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ফায়ার-কন্ট্রোল সিস্টেম এবং হাইড্রোলিক ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এটি অত্যন্ত দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করে প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ছয় রাউন্ড পর্যন্ত গোলা বর্ষণ করতে সক্ষম।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্ত্র মোতায়েন বেইজিং ও ইসলামাবাদের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান গভীর প্রতিরক্ষা সহযোগিতারই বহিঃপ্রকাশ। সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির বেইজিং ও ইসলামাবাদের সম্পর্ককে অনন্য বলে অভিহিত করেছেন। সামরিক শক্তিবৃদ্ধির এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছর পাকিস্তান তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট ১৮ শতাংশ বাড়িয়ে ৩ ট্রিলিয়ন রুপিতে উন্নীত করেছে।




পরীক্ষা শেষে বাড়ি গিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা বুঝলেন প্রশ্নপত্র ছিল ভুল

ডেস্ক নিউজ : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন একটি কেন্দ্রের ১৪ এইচএসসি পরীক্ষার্থী। ঘটনাটি জানাজানির পর ওই কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে।

জানা গেছে, ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। ওই কলেজ কেন্দ্রে পাশের লোকমান ফকির মহিলা ডিগ্রী কলেজ, শহীদ জিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ ও নিকরাইলের শমসের ফকির ডিগ্রী কলেজের ১৪ জন শিক্ষার্থী গত শনিবার (১ আগস্ট) মনোবিজ্ঞান পরীক্ষা দেয়। এসময় নৈব্যত্তিক প্রশ্নপত্র ২০২৬ সালের পরিবর্তে ২০২৫ সালেরটা দিয়ে পরীক্ষা নেয় শিক্ষকরা। পরে পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে গিয়ে প্রশ্ন মিলাতেই দেখতে পায় তারা ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে। পরে বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা স্ব-স্ব কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে ইবরাহীম কলেজ কর্তৃপক্ষ বোর্ড থেকে সমাধানের আশ্বাস দেয়।

এদিকে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাননি ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের কেন্দ্র সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন খান।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, পরীক্ষা শেষে বাসায় গিয়ে প্রশ্ন মিলাতে গিয়ে দেখা গেছে প্রশ্ন ২০২৫ সালের। পরীক্ষায় দায়িত্বরত শিক্ষকদের গাফিলতির কারণে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে। এটা আদৌ সমাধান হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত। এখন এই ১৪ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ কি হবে।

লোকমান ফকির মহিলা ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ. আউয়াল আল হাবিব বলেন, ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার বিষয়টি ইবরাহীম খা কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে এটার সমাধান করবে বলে জানিয়েছে।

ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন খান বলেন, এই ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে তিনজন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। আর দুইজনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন ২ শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে ১৪ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র দিয়েই মূল্যায়ন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান বলেন, ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলেও কেন্দ্র সচিব তা জানাননি। রাতে অন্য শিক্ষকের মাধ্যমে জানার পর বোর্ডে যোগাযোগ করা হয়। ১৪ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বোর্ড থেকে।  ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে শোকজ করা হয়েছে।




ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে মামলার হুঁশিয়ারি উয়েফার

ক্রীড়া ডেস্ক : বিশ্বকাপ স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ইস্যুতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে উয়েফা। পাশাপাশি, এই বিতর্কিত প্রস্তাবের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নথিপত্র যাতে নষ্ট না করা হয়, সে বিষয়েও তাকে সতর্ক করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জশুয়া কুশনার, গ্রেগ মাফি, জেপি মরগান এবং ওপেন ইকোনমিক্স-এর কাছেও চিঠি পাঠিয়েছে। এতে তাদের জানানো হয়েছে, স্থগিত হয়ে যাওয়া ওই প্রস্তাবের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার কারণে সংস্থাটি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।

ইএসপিএন ইনফান্তিনোর উদ্দেশ্যে পাঠানো নথিপত্র সংরক্ষণ সংক্রান্ত একটি চিঠির একটি কপি সংরক্ষণ করেছে। চিঠতে প্রমাণাদি ধ্বংস করা থেকে বিরত থাকার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে।

ব্যাপক সমালোচনার মুখে ইনফান্তিনো বিশ্বকাপের মালিকানার একাংশ বিক্রির প্রস্তাবটি বাতিল করেছিলেন। ইনফান্তিনো কুশনার পরিবারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বিনিয়োগকারীর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপ পরিচালনার জন্য ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার সেই ঘোষণার পর থেকেই এর বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি ও সমালোচনা বাড়তে থাকে।

এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে ইনফান্তিনো জানান, এই প্রস্তাবটি আর এগোবে না। এর আগের দিন ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা-র ৫৫টি সদস্য দেশ ওই প্রস্তাবের প্রতিবাদে বিশ্বকাপ ও ফিফার অন্যান্য সব প্রতিযোগিতা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই তার এই ঘোষণাটি এল।

ফিফার দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেন; তাদের মধ্যে একজন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং অন্যজন জানান, এই প্রকল্পের বিষয়ে কর্মীদের বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও ইভেন্ট যেমন বিশ্বকাপ এবং ক্লাব বিশ্বকাপ পরিচালনার জন্য ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা ইনফান্তিনো করেছিলেন। এই পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রত্যাশিত পুনর্নির্বাচন এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।




হঠাৎ ১৬ কেজি ওজন কমার কারণ জানালেন সালমান

বিনোদন ডেস্ক : চোখেমুখে ক্লান্তি, ঝরেছে অনেকটা ওজন, মাথা ঢাকা টুপিতে, ম্লান মুখ— সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ছবিতে সালমান খানকে এমন লুকে দেখে চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন অনেকেই। এতে করে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জাগছিল যে, সালমান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন কিনা। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। অবশেষে সেই জল্পনার জবাব দিলেন অভিনেতা।  প্রশ্নের জবাব নিজেই দিলেন ‘ভাইজান’ নিজেই।

সালমান জানান, ইচ্ছাকৃতভাবেই ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি। এটি তার পরিকল্পিত ফিটনেস সফরেরই অংশ, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভাই সোহেল খানের সঙ্গে কথোপকথনের সময়েই নিজের ফিটনেস নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন সালমান।

তিনি জানান, নিয়মিত শারীরচর্চা করছেন এবং ওজন কমিয়েছেন। জবাবে সোহেল জানান, তিনিও ১২ কেজি ওজন ঝরিয়েছেন। তখনই সালমান বলেন, আমি ১৬ কেজি ওজন কমিয়েছি। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাম্প্রতিক শারীরিক পরিবর্তন তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। নিজের ভালোর জন্যই ওজন কমিয়েছেন তিনি।

সালমান আরও জানান, সামনে একাধিক কাজ রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এখনো ওজন কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আরও বেশ কিছুটা ওজন কমাতে চান তিনি।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের ‘স্লাম রিহ্যাবিলিটেশন অথরিটি’র দফতরে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালমান। সেখানে সংস্থার নতুন ‘ডেটা কালেকশন অ্যান্ড ভেরিফিকেশন সাপোর্ট সেন্টার’-এর উদ্বোধন করেন তিনি। তবে অনুষ্ঠান শেষে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরেই শুরু হয়েছে জল্পনা। কেউ কেউ সালমানকে দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, এ কী অবস্থা নব্বই দশকের সুদর্শন নায়কের? কী হয়েছে তার?

সালমান নিজের কায়দাতেই এসব উদ্বেগের জবাব দিয়েছেন। গভীর রাতে নিজের বেশ কিছু ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন সালমান। সেই ছবির মাধ্যমে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। এবার বিশদে জানালেন, কেন তার ওজন কমেছে।




বিরোধী দলের নেতারা ‘শেখ হাসিনার ভাষায়’ কথা বলছেন: মির্জা ফখরুল

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ বিরোধী দলের নেতারা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনার ভাষায়’ কথা বলা শুরু করেছেন বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, “এখন যে ভাষায় আমাদের সম্মানিত বিরোধী দলের নেতারা কথা বলছেন… সরকারকে পাঁচ বছর থাকতে দেব না। এ ভাষায় কথা বলতেন শেখ হাসিনা।

“ওরা (আওয়ামী লীগ) ৯১ সালে যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন বলেছিল যে, একটা দিনের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেব না। আজ একই ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছেন আমাদের বিরোধী দলের নেতারা।”

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই অভ্যুত্থানের এক আলোচনা সভায় স্থানীয়সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

বিরোধী দলের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “বিরোধী দলের নেতারা অবশ্যই সমালোচনা করবেন, অবশ্যই তারা বিরোধিতা করবেন এবং যে ভুলগুলো সরকার করবে, সেগুলোকে দেখিয়ে দেবেন। কিন্তু সেটা পার্লামেন্টের মধ্যে হলেই গণতান্ত্রিক পরিবেশটা ঠিক থাকে।

“দুর্ভাগ্য আমাদের যে তারা সেই আগের মতই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে জনমত তৈরির চেষ্টা করছে। এটাও তো আপত্তি নেই, এটা আপনার গণতান্ত্রিক নীতি। কিন্তু সেটা এমন এক পর্যায়ে যেন না যায়, যে পর্যায়ে গিয়ে একটা সংঘাতে রূপ নেয়।“

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এ সভা আয়োজন করে।




হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮৫০ ছুঁইছুঁই

দেশে এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৪৭ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৫১ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৬ জন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩২৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১১৩ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯১, ময়মনসিংহে ৭১, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৫, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১২ জন মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত পরিসংখ্যানে মৃতদের বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়।

সরকারের তথ্য বলছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৬৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেল ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪০৮।

হাসপাতালে ভর্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫২২ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ১৭৯ জন।




বেনজীরের অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে, সন্দেহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের জন্য আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে তার অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারেন বলেও নিজের সন্দেহের কথা জানান মন্ত্রী।

আজ (সোমবার) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আদালত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাসহ কিছু শর্তে জামিন দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে দেশটিতে নিয়োজিত ল’ ফার্মকে জামিন বাতিলের আবেদন করতে এবং আদালতে পিটিশন দাখিল করতে নির্দেশনা দিয়েছি। এ ছাড়া, ইউএই রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে এবং ঠিক কী কী শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে তা জানতে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহের অনুরোধ করা হয়েছে। বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি ও কূটনৈতিক—উভয় প্রক্রিয়া সক্রিয় রয়েছে। তবে তার কাছে অন্য দেশের পাসপোর্ট থাকতে পারে – এটা আমাদের সন্দেহ।




রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা: তিনবারের দরপত্রেও কাজ হয়নি ৯ ট্রাফিক সিগন্যালে

রাজধানীর হাইকোর্ট মোড় থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ২২টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর ৯টির কাজ আটকে আছে ঠিকাদারের জটিলতায়। সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) অনুযায়ী চাওয়া অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে না পারায় তিন দফা দরপত্র আহ্বান করেও ঠিকাদার চূড়ান্ত করা যায়নি। এ কারণে নিয়মতান্ত্রিকভাবে যানবাহন চলাচলে সব মোড়ে সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। কাজ না হওয়া সব কটি মোড়ই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে।

 

এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাজধানীর আরও ৫০টি মোড়ে নতুন প্রজন্মের আইটিএসভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

কাজ না হওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাকি থাকা ৯টি মোড়ে ঠিকাদার নিয়োগের জন্য তিন দফায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। প্রথম দফায় গত ডিসেম্বরে, দ্বিতীয় দফায় এপ্রিলে এবং সর্বশেষ জুনে দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো পিপিআর অনুযায়ী চাওয়া অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে পারেনি। সে কারণে কিছু শর্ত শিথিল করে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অর্থসংকটও কাজ দেরি হওয়ার একটি কারণ ছিল।