ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্দেহভাজন যুবকের বাড়ি পটুয়াখালী

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনের পরিচয় ও ঠিকানা জানা গেছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ওই যুবকের নাম ফয়সাল করিম মাসুদ, ডাকনাম রাহুল। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়।

জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদের স্থায়ী ঠিকানা বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে, কেশবপুর কলেজসংলগ্ন এলাকায়। তার পিতার নাম হুমায়ুন কবির। বর্তমানে তিনি ঢাকার আদাবর থানাধীন পিস কালচার হাউজিং সোসাইটির ৪১ নম্বর বাসা, ৯ নম্বর রোডে বসবাস করতেন। জানা গেছে, আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

এদিকে, ফয়সাল করিম মাসুদের পিসিআর রিপোর্ট–সংক্রান্ত কিছু তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজনের পরিচয় ও বাড়ির ঠিকানা বাউফল এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর সেখানে মানুষের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুরো ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান থাকায় এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির বৈঠক

ডেস্ক নিউজঃ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে করেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি দল। 

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তিনটি দলের দুজন করে প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের একজন কর্মকর্তা।

বিএনপির পক্ষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ এবং অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের; এবং এনসিপির পক্ষে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে দেশে চলমান সংকট ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে।




হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেপ্তার: ডিএমপি কমিশনার

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর বিজয়নগরে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, জড়িতদের যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘উই আর ভেরি ক্লোজ টু ডিটেক্ট। হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। জড়িতদের যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।’

এর আগে, বিকেলে হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে ন্যক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত হামলা উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয় (ডিএমপি)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছে।

এই ঘটনায় নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করে ডিএমপি।

এর আগে, শুক্রবার দুপুরে বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে করে এসে দুর্বৃত্তরা ওসমান হাদির ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।




ওসমান হাদির ওপর হামলা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বানচালের ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, “যে আঘাতই আসুক, কোনো শক্তিই আগামী নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।”

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা–বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদির ওপর হামলা অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে সবচেয়ে উদ্বেগজনক ঘটনা। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ওপর সরাসরি আঘাত। পরাজিত শক্তি দেশের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ করার দুঃসাহস দেখিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের হামলার চেষ্টা যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে। দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করব।”

বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়–বিষয়ক বিশেষ সহকারী সায়েদুর রহমান জানান, ওসমান হাদির অবস্থা এখনও অত্যন্ত সংকটাপন্ন এবং পরিবারের ইচ্ছায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “যে করেই হোক, দ্রুততম সময়ে হামলার পরিকল্পনাকারী ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।” তিনি দেশবাসীকে হাদির দ্রুত আরোগ্য কামনায় প্রার্থনার আহ্বান জানান।

বৈঠকে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, হামলার স্থানের সিসিটিভি ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দেন, “হামলাকারীরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছাড়তে না পারে—সীমান্তে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সঙ্গে তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানে যারা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন এবং সম্ভাব্য টার্গেটে থাকতে পারেন, তাদের নিরাপত্তা বিশেষভাবে নিশ্চিত করতে হবে।”

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়— নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি বিশেষ হটলাইন চালু করা হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের সম্ভাব্য আস্তানায় অভিযান আরও জোরদার হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে শিগগিরই প্রধান উপদেষ্টা দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

বৈঠকে আইন, স্বরাষ্ট্র, তথ্য, জ্বালানি, স্থানীয় সরকার, সংস্কৃতি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




মানবাধিকার সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন আমাদের আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ

মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সিকদারঃ আন্তর্জাতিক সামাজিক মানবাধিকার তদন্ত সংস্থা চেয়ারম্যান বলেন ২০২৫ সালের “আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই” —-  কামরুল হাসান আলমাস মামুন। ১০ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। জাতি, লিঙ্গ, বয়স বা সামাজিক পটভূমি নির্বিশেষে আমাদের প্রত্যেকের জন্য যে সার্বজনীন অধিকার রয়েছে তা নিয়ে ভাবার এটি একটি মুহূর্ত। এই অধিকারগুলির মধ্যে রয়েছে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের সামনে সমতা, শিক্ষার সুযোগ এবং সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, স্বাস্থ্য ও সুস্থতার অধিকার।
যদিও আমরা প্রায়শই মানবাধিকারকে ন্যায়বিচার এবং স্বাধীনতার বিষয়গুলির সাথে যুক্ত করি, স্বাস্থ্য মর্যাদার সাথে জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য। সুস্বাস্থ্য ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন করে, সম্প্রদায়কে শক্তিশালী করে এবং মানুষের উৎপাদনশীল, পরিপূর্ণ জীবনযাপনের ভিত্তি স্থাপন করে। দুর্ভাগ্যবশত, বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে বাধার সম্মুখীন হয়, যা স্বাস্থ্যকে একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে সমুন্নত রাখার জরুরি প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়।
এই বছর, “আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই” প্রতিপাদ্যটি একটি ন্যায্য এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যত নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর আলোকপাত করে। এটি ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সরকারকে মানবাধিকার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার তাৎক্ষণিক গুরুত্ব স্বীকার করার আহ্বান জানায়।
মানবাধিকার কেবল আইনে লিখিত আদর্শ নয়; এগুলি একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজের ভিত্তি। তবে, এই অধিকারগুলি প্রায়শই অসমতা, বৈষম্য এবং পদ্ধতিগত বাধার মতো বিষয়গুলির দ্বারা চ্যালেঞ্জিত হয়। আজ মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়ে, আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি।



পিরোজপুরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে একটি রেলি বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন ক্লাব সড়কে মানববন্ধনে মিলিত হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মো: নজরুল ইসলাম বাদশা, সিনিয়র সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট বাহাদুর হোসেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট রিয়াজুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট আরাফাত ইসলাম বাদল,  এ্যাডভোকেট শামিম গাজী, বিজন কুমার দাস, মোস্তাফিজুর রহমান।

বক্তারা বলেন, ‘বিভেদ নয় ঐক্য চাই, সংঘাত নয় শান্তি চাই‍‍‍’ এই মূলমন্ত্রে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সমাজের প্রতিটি মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব অবস্থান থেকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখলে বৈষম্য, সহিংসতা ও অন্যায়ের প্রতিরোধ সম্ভব।

এ উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক বৈষম্য হ্রাস এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনের নেতারা।




মধুপুর জাতীয় উদ্যান রেঞ্জে ৩৯ লাখ টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ, রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রশ্ন

এসএম বদরুল আলমঃ টাঙ্গাইল বন বিভাগের মধুপুর জাতীয় উদ্যান রেঞ্জে রাজস্ব আত্মসাতের এক ভয়ংকর চিত্র ধীরে ধীরে সামনে আসছে। সম্প্রতি রাজস্ব সংক্রান্ত একটি ঘটনায় পলায়নের অভিযোগ ওঠার পর এবার মধুপুর রেঞ্জের বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন, ডেপুটি রেঞ্জারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর তথ্য স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে টাঙ্গাইল বন বিভাগের অধীনে নিলামের মাধ্যমে মধুপুর জাতীয় উদ্যান রেঞ্জের গাছাবাড়ি বিটের লট নম্বর ১৫, ১৬, ১৯ ও ৩১/২৪-২৫ সহ একাধিক লট বিক্রি করা হয়। এসব লটের ক্রেতা হিসেবে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার গাবতলী এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী আলাল খান ও রহমত সরকার এবং টাঙ্গাইলের অরণখোলা এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী আয়নাল হকের নাম উঠে আসে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন নিজ কার্যালয়ে ডেকে কাঠ ব্যবসায়ী আলাল খানের কাছ থেকে লট নম্বর ১৫ ও ১৬/২৪-২৫ বাবদ ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, রহমত সরকারের কাছ থেকে লট নম্বর ১৯, ৩১ ও আরও একটি লট বাবদ ১৪ লাখ টাকা এবং আয়নাল হকের কাছ থেকে কয়েকটি লটের বিপরীতে প্রায় ২০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৯ লাখ টাকা আদায় করা হলেও এসব অর্থ আজও সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, কাঠ ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত লটের গাছ কেটে নিয়ে গেছেন এবং জামানতের অর্থও ফেরত পেয়েছেন। একই সঙ্গে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন ওই বনভূমিতে দ্বিতীয় আবর্তের বাগান সৃজন করেছেন। তবে বিস্ময়ের বিষয় হলো—এত বড় অঙ্কের বিক্রয়মূল্য সরকারি কোষাগারে জমা না হওয়ায় বন বিভাগের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কাঠ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বন বিভাগের সব পাওনা পরিশোধ করেছেন বলে মনে করলেও রেঞ্জ কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে সরকারি রশিদের পরিবর্তে কাঁচা রসিদ বা টোকেন ব্যবহার করে অর্থ গ্রহণ করেছেন। বন বিভাগের সরকারি রাজস্ব আদায়ের জন্য নির্ধারিত রশিদ বহি থাকা সত্ত্বেও কেন কাঁচা রসিদ ব্যবহার করা হলো, তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয় যখন সম্প্রতি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন কাঠ ব্যবসায়ীদের আবারও তার অফিসে ডেকে টাকা দাবি করেন। তখনই মূল তথ্য ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে শুরু করে। স্থানীয়দের মতে, তদন্ত হলেই পুরো ঘটনার প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।

এদিকে গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পাল্টা পোস্টে মোঃ মোশাররফ হোসেন দাবি করেন, লাল চান নামের এক বাগান মালী (আউটসোর্সিং স্টাফ) পারিবারিক ঝামেলার কারণে পরিবার রেখে পালিয়ে যাওয়ায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তবে এই ব্যাখ্যাকে অনেকেই প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন আউটসোর্সিং স্টাফের পারিবারিক সমস্যার দায় কেন একজন রেঞ্জ কর্মকর্তা নেবেন এবং কেন তিনি নিজে বাদী হয়ে থানায় জিডি করবেন—এই প্রশ্নের উত্তর পরিষ্কার নয়।

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো স্টাফ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে রেঞ্জ কর্মকর্তার করণীয় হলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সেখানে থানায় জিডি করার বিষয়টি অনেকের কাছেই সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে।

আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে একজন আউটসোর্সিং স্টাফের কাছে রাজস্বের লক্ষ লক্ষ টাকা জমা রেখে নিশ্চিন্ত ছিলেন এবং ওই স্টাফের কোনো খোঁজখবর নেননি। স্থানীয়রা জানান, মুক্তাগাছার বানারপাড়া এলাকার করাতকল মালিক মোঃ শফি এবং আরও একজনের মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে গত এক সপ্তাহে ওই স্টাফ লাল চান ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা পাচার করেছে—যা এলাকায় মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, টাঙ্গাইলের ডিএফও’র অত্যন্ত স্নেহভাজন হওয়ায় মোঃ মোশাররফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ধরাকে সরা জ্ঞান করে মধুপুর জাতীয় উদ্যান রেঞ্জে অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি শক্ত ঘাঁটি গড়ে তুলেছেন। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের ডিএফও, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক ও প্রধান বন সংরক্ষক মহোদয়ের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।




ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর নির্বাচনী প্রচারণার সময় রাজধানীর বিজয়নগরে এ ঘটনা ঘটে।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজি জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হাদির মতো আমাদের জীবনেরও শঙ্কা রয়েছে, আমাদেরকেও মেরে ফেলা হতে পারে, তবে আমরা জীবন দিয়ে লড়াই করে যেতে চাই।’

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত নই, আমাদের টিম পাঠিয়েছি। টিম আমাদের কনফার্ম করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’




১১ বছরের গোপন সিন্ডিকেট : গণপূর্ত প্রকৌশলী রাকিবুলের ঠিকাদারি সাম্রাজ্য ও কোটি টাকার লুটচক্রের অভিযোগে ঝড়

এসএম বদরুল আলমঃ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত ১৭ নভেম্বর প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে মো. রাকিবুল হাসানের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই গণপূর্ত অধিদপ্তরজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। কারণ, যাকে উচ্চ পদে উন্নীত করা হয়েছে, সেই কর্মকর্তা দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সরকারি চাকরির পাশাপাশি গোপনে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করেছেন বলে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে রাকিবুলকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সমান্তরাল ক্ষমতাকেন্দ্র—যেখানে তিনি দিনে সরকারি প্রকৌশলী, আর রাতে ঠিকাদার সিন্ডিকেটের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত। সহকর্মী কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের একটি অংশ অভিযোগ করেছেন, রাকিবুল দুই পরিচয়ে কাজ করে কয়েকশ কোটি টাকার অনিয়ম, কমিশন বাণিজ্য এবং প্রকল্প লুটপাটের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন।

একাধিক কর্মকর্তা জানান, রাকিবুলের নির্দেশ ছাড়া তার এলাকায় কোনও প্রকল্প এগোয় না। কমিশন দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রকল্পের ফাইল আটকে রাখা, মাপজোখে জটিলতা সৃষ্টি করা কিংবা প্রভাব খাটানো ছিল নিয়মিত ঘটনা। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রভাবশালী নাম ব্যবহার করে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং ‘নিজেদের ঠিকাদার’ ছাড়া অন্য কাউকে কাজ করার সুযোগ দিতেন না।

তেজগাঁও উপবিভাগে দায়িত্ব পালনের সময় টেন্ডার ওঠার আগেই ঠিকাদারদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ত—কারা কাজ পাবে আর কারা পাবে না। অভিযোগকারীরা জানান, যেসব প্রকল্পে ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের সুযোগ ছিল, সেখানে রাকিবুল নিজেই গোপনে ঠিকাদার হিসেবে কাজ করতেন। ফলে প্রকল্পে তার স্বার্থ যুক্ত হলে বাইরের কোনও ঠিকাদারই কাজ পেতেন না।

তদন্তে উঠে এসেছে আরও বিস্ময়কর তথ্য। একটি প্রতিষ্ঠানের বিল ছাড় করতে তিনি নাকি ২০ কোটি টাকার ভুয়া ভেরিয়েশন দেখিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা কমিশন নিয়েছেন। আবার তেজগাঁও বিসিক ভবনের বেজমেন্টে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লেও মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বহু প্রকল্পে তিনি নিয়মিতভাবে ৫% পর্যন্ত কমিশন গ্রহণ করেছেন।

গণপূর্তের ভেতরে ইতোমধ্যে আলোচনা চলছে—গত কয়েক বছরে রাকিবুল কীভাবে আকস্মিকভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন। অভিযোগ রয়েছে, তেজগাঁও শিল্প প্লট ও অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প থেকে শত কোটি টাকা লোপাট করে তিনি ঢাকায় ফ্ল্যাট ও জমি, কুমিল্লায় ১০ কাঠা জমি এবং গাজীপুরে প্রায় ৩০ একর জমির ওপর রিসোর্ট নির্মাণ করেছেন। আরও অভিযোগ আছে, হুন্ডির মাধ্যমে সিঙ্গাপুরে বিপুল অর্থ পাচার করা হয়েছে।

এ সব অভিযোগ সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গত ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঠিকাদারদের একটি অংশ মানববন্ধন করে রাকিবুলের বিরুদ্ধে কঠোর তদন্তের দাবি জানায়। তাদের অভিযোগ, সরকারি কর্মকর্তা হয়েও তিনি দীর্ঘদিন গোপনে ঠিকাদারি ব্যবসা চালাচ্ছেন, কমিশন ছাড়া কোনও ফাইল এগোতে দেন না, আর কমিশন দিলে নিম্নমানের কাজও সহজে অনুমোদন পেয়ে যায়।

অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সেদিন কার্যালয়েও উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে এবং কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

পদোন্নতির পরই তার দীর্ঘদিনের গোপন সিন্ডিকেট ও অনিয়ম জাতীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে। এখন প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে—যে নেটওয়ার্ক এক দশকের বেশি সময় ধরে অদৃশ্য ক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে, সেই শক্তিশালী চক্রের বিরুদ্ধে কি সত্যিকারের তদন্ত সম্ভব?




ইসিবি চত্বরে নিউ গিনি প্রপার্টিজ নিয়ে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ, নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

এসএম বদরুল আলমঃ রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের মালিক মো. নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে জমি দখল, আর্থিক লেনদেনে অসংগতি এবং চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে বিল্লাল হোসেন সড়কের পাশে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনে ভুক্তভোগীরা বলছেন, তারা নাজিম উদ্দিনের কাছ থেকে ন্যায্য অধিকার ও সঠিক লেনদেনের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না। 

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নাজিম উদ্দিন নিজেকে রাজনৈতিকভাবে নির্দলীয় পরিচয় দিলেও পূর্ববর্তী সরকার আমলে তিনি এলাকাভিত্তিক প্রভাব খাটাতেন, যার সুযোগে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে জমি কিনে এখনো অনেকের পাওনা পরিশোধ করেননি। বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, তাদের কেনা প্লট হস্তান্তর না করে উল্টো প্রতিটি প্লটে মালিকপক্ষ নিজেদের ‘শেয়ার’ দেখানোর চেষ্টা করা হয়। কেউ কেউ জানান, প্রতিষ্ঠানের ভেতরে নির্মাণসামগ্রী আনা–নেওয়ার সময়ও বাধার মুখে পড়তে হয় এবং প্রয়োজনে ভয়-ভীতি দেখানোর ঘটনা ঘটছে।

এক ভুক্তভোগী দাবি করেন, তার দুই কোটি টাকার বেশি পাওনা থাকা সত্ত্বেও নাজিম উদ্দিন টাকা দিতে অস্বীকার করছেন। বরং তিনি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করেছেন এবং বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় অভিযোগ করেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন আহমেদের অভিযোগ আরও গুরুতর। তার কথায়, তার জমির সামনে দেয়াল তুলে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে তিনি নিজের সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারছেন না। স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

অধিকাংশ ভুক্তভোগীই সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্য, যারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে জমি কিনেছেন। তাদের আশঙ্কা—যতদিন পর্যন্ত প্রশাসন ও দেশের সর্বোচ্চ আদালত হস্তক্ষেপ না করবে, ততদিন তাদের সম্পত্তি ও বিনিয়োগ সুরক্ষিত থাকবে না। এজন্য তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।