ভবিষ্যতে ব্যবসা করতে হলে সবাইকে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হবে: এনবিআর চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে এখনো বেশির ভাগ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে—এ কথা উল্লেখ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, সামনে এমন সময় আসবে যখন কেউ চাইলে ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া কোনো ধরনের ব্যবসা চালাতে পারবেন না। তিনি জানান, ধীরে ধীরে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ লাখ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রাজস্ব ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ১০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে বিশেষ নিবন্ধন অভিযান চলবে, যেখানে লক্ষ্য রাখা হয়েছে কমপক্ষে এক লাখ নতুন প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনা। বর্তমানে দেশে মোট ৬ লাখ ৪৪ হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধিত আছে।

তিনি আরও জানান, ভ্যাট দেওয়ার ঝামেলা কমাতে “এক ক্লিকেই ভ্যাট পরিশোধ” ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করা হবে। কিছু বড় প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই এই সুবিধা ব্যবহার করছে। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসায়ীদের সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচবে।

ই-রিটার্ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ২২ লাখ ই-রিটার্ন জমা পড়েছে এবং বছর শেষে ৪০ লাখে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। তিনি জানান, ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ব্যাংক–সংক্রান্ত চারটি তথ্য দিতে হয়, যার কারণে করদাতাদের ব্যাংকে যেতে হয়। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করা হবে যাতে মানুষকে আর বাড়তি ঝামেলায় পড়তে না হয়। তিনি পরিষ্কার করে বলেন, অনেকের ধারণা রাজস্ব কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত ব্যাংক তথ্য দেখতে পারেন—কিন্তু বাস্তবে সেটা সম্ভব নয়।

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, যারা নিয়ম মানছে তাদের ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করা হবে না। যারা নিয়ম ভেঙে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে, শুধুমাত্র তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেন কোনো ধরনের হয়রানি বা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে বিশেষ নজর রাখা হবে।

এই বছর ভ্যাট পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে না বলেও তিনি জানান। পুরস্কারের নীতিমালা পুনর্গঠন করা হচ্ছে এবং কাজ শেষ হলে পুনরায় পুরস্কার কার্যক্রম চালু হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য (মূসক নীতি) মো. আজিজুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।




সরকারি গৃহঋণে জটিলতা: অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ব্যাংকের আচরণে বিস্ময়

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সম্পূর্ণ ঘটনাটি শুরু হয় যখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মফিজ উদ্দীন আহমেদ রূপালী ব্যাংক থেকে ২০২২ সালের মে মাসে ৭৫ লাখ টাকার গৃহঋণ নেন। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ২০ বছর ধরে ২৪১ কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। তিনি নিজের সঞ্চয় যোগ করে ঢাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকায় একটি ফ্ল্যাটও কেনেন এবং ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে নিয়মিত কিস্তি দিতেও থাকেন। এক বছরের অবসর-উত্তর ছুটি শেষে ২০২৪ সালের ১ জুলাই তিনি অবসর নেন, কিন্তু অবসরের মাত্র দুই মাস পরই ব্যাংক থেকে অস্বাভাবিক চাপের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে।

গত ৩ সেপ্টেম্বর রূপালী ব্যাংকের করপোরেট শাখা তাঁকে হাজির হতে বলে এবং সেখানে গিয়ে তিনি একটি চিঠি পান। চিঠিতে জানানো হয়, তাঁকে হঠাৎ করেই ৪৭ লাখ টাকা একবারেই পরিশোধ করতে হবে, বাকি অংশ কিস্তিতে দেওয়া যাবে। অথচ তিনি তো নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছিলেন! এই আচরণ তাঁর কাছে পুরোপুরি অযৌক্তিক মনে হয়। বিষয়টি তিনি লিখিতভাবে অর্থ বিভাগকে জানান, এবং অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়—ব্যাংকের এই দাবি সরকারি গৃহনির্মাণ ঋণের নীতিমালা-২০১৮–এর সঙ্গে একদমই যায় না। নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, অবসরের পর কিস্তি বকেয়া থাকলেও গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে কিস্তি পুনর্গঠন করা যাবে, কিন্তু এককালীন চাপ দেওয়া যাবে না।

ঘটনা এখানেই থামেনি। ২৬ অক্টোবর নিজের এলাকার একটি শাখা থেকে নিজের জমা টাকার অর্ধেক তুলতে গেলে তাঁর চেক প্রত্যাখ্যাত হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ব্যাংক হিসাব ‘ওপরের নির্দেশে’ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। অথচ কোনো সরকারি অনুমতি ছাড়া ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নিয়ম নেই—এটি স্পষ্টভাবে নীতিবহির্ভূত। পরে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবুও প্রশ্ন থেকেই যায়—একজন নিয়মিত কিস্তি দেওয়া গ্রাহকের সঙ্গে এমন অদ্ভুত আচরণ কেন হলো?

অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে শুধুমাত্র রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে নয়। সরকারি কর্মচারীরা জানাচ্ছেন, যেসব ব্যাংক গৃহঋণ কার্যক্রমে যুক্ত—তার মধ্যে অনেক ব্যাংকই এখন গ্রাহকদের নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে হয়রানি করছে। কারণ সাধারণ ঋণের সুদের হার বাড়ায় ব্যাংকগুলো এখন ভালো মুনাফা ধরে রাখতে ব্যস্ত, আর সরকারি গৃহঋণে সুদের হার মাত্র ৪ শতাংশ হওয়ায় এ ঋণ দিতে অনীহা দেখা যাচ্ছে। ফলে নানা সীমাবদ্ধতার কথা বলে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের চাপের মুখে ফেলছে।

এ অবস্থায় অর্থ বিভাগ ১১ নভেম্বর ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়—গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া পুনঃতফসিল করা যাবে না, অবসরের পর কোনো বাড়তি চাপ দেওয়া যাবে না, এবং কোনো অস্পষ্টতা হলে তা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। আরও বলা হয়, গৃহঋণের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বা বাড়ির দলিল থাকে, তাই ঋণ ঝুঁকিপূর্ণ নয়; ফলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ওপর অযাচিত চাপ দেওয়া অনুচিত।

এর মধ্যে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে চালু হওয়া সরকারি গৃহনির্মাণ ঋণ নীতিমালার আওতায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ১৯৪ জনের নামে ঋণ অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৩০ জন চূড়ান্তভাবে ভর্তুকি পেয়েছেন। সরকার ইতোমধ্যে ১৮৩ কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দিয়েছে।

পুরো ঘটনায় মফিজ উদ্দীন আহমেদ শুধু জানান, অর্থ বিভাগ ও ব্যাংক এখন বিষয়টি সমাধানের পথে এনেছে। তবে এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—সরকারি কর্মচারীদের গৃহঋণ ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব জরুরি প্রয়োজন।




বেনাপোলে আমদানিকারকদের ভোগান্তি বাড়ছে—দুর্নীতির অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে নিয়ে ক্ষোভ

এসএম বদরুল আলমঃ বেনাপোল স্থলবন্দর ঘিরে আমদানিকারকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি—কাস্টমসের শুল্কায়ন গ্রুপ-২ (এ)-এর রাজস্ব কর্মকর্তা সনজু মিয়া এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিব আরিফিন নিয়মিত ঘুষ দাবি করেন এবং নানা অজুহাতে তাদের হয়রানি করেন। তাদের কথায়, এই দুই কর্মকর্তা নাকি প্রভাবশালী পরিচয় দেখিয়ে বন্দরজুড়ে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছেন যেখানে ঘুষ ছাড়া কোনো চালান এগোয় না।

অনেক আমদানিকারক অভিযোগ করেন, সনজু মিয়ার টেবিলে ফাইল উঠলেই স্বাক্ষর থেকে শুরু করে মূল্যায়ন—সবকিছুর জন্য আলাদা করে টাকা চাইতে দেখা যায়। কেউ টাকা দিতে না চাইলে চালান নাকি আটকে রাখা হয়, আবার কখনও পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, প্রয়োজন না থাকলেও পণ্য ঢাকা বুয়েটে পরীক্ষার নামে পাঠিয়ে দেয়া হয়, এতে সময় নষ্ট হয় এবং ব্যয়ও বাড়ে। এসব কারণে শিল্পকারখানার কাঁচামাল ছাড় করানো কঠিন হয়ে পড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে উৎপাদন ও সরকারের রাজস্ব আদায়ে।

কিছু ব্যবসায়ী জানান, এই পরিস্থিতি চলতে থাকায় অনেকেই এখন বেনাপোল এড়িয়ে অন্য বন্দরে পণ্য ছাড় করছেন। এতে স্থানীয় শ্রমিক, পরিবহন মালিক এবং বন্দরনির্ভর ব্যবসাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একজন আমদানিকারক দিদারুল ইসলাম বলেন, সনজু মিয়া যোগদানের পর থেকেই ঘুষ দাবির ঘটনা বেড়েছে। তার ভাষায়—টাকা না দিলে মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া বা টেস্টে পাঠানোর ভয় দেখানো এখন নিয়মিত বিষয়।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এভাবে ঘুষের মাধ্যমে সনজু মিয়া নামে-বেনামে সম্পদ বাড়িয়েছেন। অনেকেই মনে করেন, সঠিকভাবে তদন্ত হলে তার আয়ের সঙ্গে সম্পদের তুলনা মিলিয়ে দেখা সম্ভব হবে। আবার কেউ অভিযোগ করেন—কোনো আপত্তি তুললে লাইসেন্স বাতিল থেকে ফাইল স্থগিত করা পর্যন্ত নানারকম ভয়ভীতি দেখানো হয়, ফলে অনেকে মুখ খুলতে চান না।

অন্যদিকে, সনজু মিয়া এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তার বক্তব্য—এসব তথ্য ভিত্তিহীন। তবে কমিশনার খালেদ মোহাম্মদ আবু হোসেনের মন্তব্য পাওয়া যায়নি, কারণ ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এর আগেও বেনাপোলে দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছিল। চলতি বছর অক্টোবর মাসে রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তার ঘুষের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। তার সহযোগী হাসিবুর রহমানকে আরও আগে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এসব ঘটনার পর বেনাপোল কাস্টমসের সচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন আবারও জোরালো হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়, তাহলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি এবং সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। তাদের দাবি—সরকার চাইলে দ্রুত তদন্ত করে এই অনিয়ম বন্ধ করতে পারে এবং বন্দরকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারে।




শীতের অনুভূতি আরও বাড়িয়ে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঢাকার সকাল

আবহাওয়া ডেস্কঃ সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানী ঢাকায় শীতের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর তাপমাত্রা হঠাৎ কমে ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে, যা সকাল ৬টায় রেকর্ড হওয়া চলতি সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। 

ভোর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় কম-বেশি কুয়াশা দেখা যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি।

ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দিনের বাকি সময় আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। উত্তর/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে হালকা বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯০ শতাংশ। এদিকে, আজ সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ বিরাজ করতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ১২ মিনিটে, আর আগামীকাল সূর্যোদয় সকাল ৬টা ৩২ মিনিটে হওয়ার কথা রয়েছে।




২১ ঘণ্টা পরও উদ্ধার হয়নি শিশু স্বাধীন, চলছে টানা অভিযান

ডেস্ক নিউজঃ রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের একটি পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে গেছে দুই বছরের শিশু স্বাধীন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের একটি জমিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গর্তটির গভীরতা প্রায় ৩৫ ফুট। ঘটনার ২১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট টানা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিস জানায়, তখনও শিশুটি জীবিত ছিল। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ততই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

এদিকে রাতভর ও ভোর থেকে এলাকাবাসীর ভিড় বাড়ছে উদ্ধারস্থলে। সবার মুখে একটাই আশার কথা—শিশুটি যেন জীবিত ফিরে আসে। স্থানীয় প্রশাসন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস টিম—সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে গর্তের প্রায় ২৫ ফুট পর্যন্ত খনন করা হয়েছে; আরও প্রায় ১০ ফুট খনন কাজ সম্পন্ন হলে শিশুটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটির নাম স্বাধীন (২)। তার বাবা রাকিব উদ্দীন একই গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন ও জালাল উদ্দীন জানান, দুপুরের দিকে জমিতে আটকে যাওয়া একটি ট্রলি দেখতে রাকিব ও তার স্ত্রী তাদের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে যান। এ সময় স্বাধীন মায়ের কোলে থেকে নেমে হাঁটছিল। হঠাৎ পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের খোলা গর্তে পড়ে যায় সে।

তারা আরও বলেন, শিশুটির মা-বাবা নিজ উদ্যোগে উঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয় লোকজনও তাদের সহযোগিতা করছে।

শিশুটির মা রুনা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ট্রলিটার দিকে তাকাতে গিয়েছিলাম। আমার বাচ্চা কোল থেকে নেমে পড়ে যায়। গর্তের ভেতর থেকে ‘মা, মা’ বলে কান্নার শব্দ শুনেছি। আমি তাকে খুঁজছি, কিন্তু দেখতে পাচ্ছি না। আল্লাহ, আমার ছেলেকে আমাকে ফিরিয়ে দাও।” এতটুকু বলতে বলতেই তিনি ভেঙে পড়েন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নলকূপের মালিক তাহের দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত ডিপের পাইপটি মুখ খোলা অবস্থায় রেখেছিলেন। কোনো সতর্কতামূলক চিহ্ন না থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

তানোর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আব্দুল রউফ বলেন, বাচ্চাটি উদ্ধারের জন্য ৫ ঘণ্টা ধরে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আল্লাহ সহায় হলে বাচ্চাটি জীবিত উদ্ধার করা যাবে। ২১ ঘন্ট হলো উদ্ধার কাজ চলছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে একটি টিম নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও রাজশাহী থেকেও এসেছে এই উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা জন্য। এখন দেখা যাক শিশুটি জীবিত আছে কি না!

তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খান বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। সবাই দোয়া করুন, বাচ্চাটি যেন উদ্ধার হয়ে মায়ের কোলে ফিরে যেতে পারে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।




মধ্যরাতে ৫ মিনিটের ব্যবধানে সিলেটে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত

ডেস্ক নিউজঃ মধ্যরাতে সিলেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র নিশ্চিত করেছে।  

ভারতের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, প্রথম ভূকম্পনটি বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাত ২টা ৫০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে অনুভূত হয় এবং এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫। এর পরপরই রাত ২টা ৫৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে আবারও কেঁপে ওঠে সিলেট এবং পরেরটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩।

উভয় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পের কেন্দ্রের অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৮৩০; ৯২ দশমিক ১৮০ এবং এর গভীরতা ছিল ২০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, দ্বিতীয়টির অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৭৯০; ৯২ দশমিক ২১০ এবং এর গভীরতা ছিল ৩০ কিলোমিটার।

এর আগে, প্রায় রাত ২টা ৫৪ মিনিট ৩ সেকেন্ডে মিয়ানমারে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার খবর পাওয়া যায়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের উত্তর মান্দালয় থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে।




দুই উপদেষ্টার পদত্যাগে খালি তিন মন্ত্রণালয়: দায়িত্ব পেতে পারেন যারা

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে দুই ছাত্র প্রতিনিধি মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একটি সূত্র তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

নিয়মানুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

আসিফ মাহমুদ দায়িত্ব পালন করছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে। অন্যদিকে মাহফুজ আলম ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।

সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের সম্ভাবনা খুবই কম। সমালোচনা এড়াতে নতুন কাউকে না এনে বরং বিদ্যমান উপদেষ্টাদের মধ্যেই শূন্য হওয়া মন্ত্রণালয়গুলো পুনর্বণ্টনের আলোচনা চলছে।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, আলোচনায় রয়েছেন কয়েকজন বিদ্যমান উপদেষ্টা— ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, বর্তমান শ্রম উপদেষ্টা, তাকে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। আদিলুর রহমান খান, যিনি এখন শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন, তাকেও অতিরিক্তভাবে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা রয়েছে। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই উপদেষ্টা, তিনি পেতে পারেন তথ্য ও সম্প্রচার ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদমর্যাদায় থাকা অধ্যাপক আলী রীয়াজকেও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।

তফসিল ঘোষণা হওয়ায় নতুন নিয়োগ না দিয়ে বিদ্যমান উপদেষ্টাদের মাধ্যমেই মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব সামাল দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।




সম্পদের হিসাব দাখিল ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করেছি

ডেস্ক নিউজঃ আমি সম্পদের বিবরণী আজ সকালেই দাখিল করেছি, একই সঙ্গে আমার যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট আছে সেটাও আমি বাতিল করেছি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কতটা পেরেছি, সেটা দেশবাসী বলবে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি বলেন, তিনি নির্বাচন করবেন, এটা নিশ্চিত। তবে কোথা থেকে বা কোন দল থেকে করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত নয়। কোনও দলে যোগ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। ধরে নেয়া ঠিক নয় যে, এনসিপিতেই যোগ দেবো। কয়েক দিনের মধ্যেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

উপদেষ্টা পদে থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনগত বাধা না থাকলেও নৈতিকতার প্রশ্ন আছে। যা নিজে বলেছি, সেটির চর্চা করবো। পদত্যাগসংক্রান্ত বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানানো হবে। একটু অপেক্ষা করতে হবে।

আপনি কি আগামীকাল উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন নাকি আজ দিয়েছেন- এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আমাকে ডাকা হয়েছে। বাকিটা প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে আপনাদের জানানো হবে।

বিএনপির হয়ে ধানমণ্ডি থেকে নির্বাচন করার গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের অনেক অনুমান হয়েছে। ধানমণ্ডিতে বিএনপি ইতোমধ্যে প্রার্থী দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, আমার ক্ষেত্রে কেউ কেউ বাক স্বাধীনতার অপপ্রয়োগ করেছে। বাক স্বাধীনতা থাকবে, তবে সেটির সঠিক ব্যবহার সবাই নিশ্চিত করবে।

তার ব্যক্তিগত এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য তিনি দুদককে অনুরোধ করেছেন। এখন ঘটনাটি পুরোপুরি দুদকের এখতিয়ারেই রয়েছে।

আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের শুরুতেই উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি প্রথমে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে শ্রম মন্ত্রণালয় বাদ দিয়ে তাকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সময় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়।

বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা ছাড়া উপদেষ্টা রয়েছেন ২২ জন। আসিফ মাহমুদ পদত্যাগ করলে উপদেষ্টাদের সংখ্যা হবে ২১। প্রধান উপদেষ্টা পাঁচ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। ১০ জন ছাড়া বাকি সব উপদেষ্টা একাধিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।




উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন মাহফুজ আলম এবং আসিফ মাহমুদ। মাহফুজ আলম দায়িত্বে ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে। আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া দায়িত্ব পালন করছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। তখন প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ২৩ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছিল। আজ পদত্যাগের মাধ্যমে দুই ছাত্র প্রতিনিধি পরিষদ থেকে বিদায় নিলেন।

এর আগে ছাত্র প্রতিনিধি নাহিদ ইসলাম গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক হন। দলটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে গঠিত।

মাহফুজ আলম শুরুতে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (নিয়োগ: ২৮ আগস্ট ২০২৪)। পরে ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করার পর তাকে তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আসিফ মাহমুদ প্রথমে দায়িত্ব পান শ্রম মন্ত্রণালয় ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে। পরে এ এফ হাসান আরিফকে সরিয়ে গত বছরের নভেম্বরে তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা করা হয়। এরপর থেকে তিনি স্থানীয় সরকার ও যুব-ক্রীড়া—উভয় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।




ঢাকা-১৫ এ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সম্মিলিত দোয়া—উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশের অভিভাবক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় ঢাকা-১৫ আসনের সর্বস্তরের আপামর সাধারণ মানুষের উদ্যোগে এক সম্মিলিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেন,
“দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের সকলের মায়ের মতো। তাঁর সুস্থতা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।”

উক্ত দোয়া মাহফিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ফাউন্ডেশন, যারা পুরো আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে এলাকার মানুষকে একত্রিত করেন।