লালমনিরহাট যুবদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ- স্বেচ্ছায় সেতু নির্মাণে নজির
জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ঝাড়িরঝাড় রত্নাই নদীর দুই গ্রামের মানুষের দুর্দশা লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে সেতু নির্মাণ করেছে জেলা যুবদল।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের ঝাড়িরঝাড় নামক এলাকায় দুই গ্রামের যাতায়াতে রতনাই নদীর উপরে নির্মিত এ সেতুর উদ্বোধন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় সাংগাঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু এ সেতুর উদ্বোধন করেন।

অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ফ্যাসিবাদী শাষণের কারণে মানুষের দুঃখ-দুর্দশার প্রতি কোন আন্তরিকতা ছিলনা আওয়ামী লীগের। ৫ আগষ্টের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি। যুবদল বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করছে এতে জনদূর্ভোগ কমছে মানুষের।
এলাকাবাসী জানান, কৃষি জমির জন্য সারের বস্তা কিংবা উৎপাদিত ফসল হাটবাজারে নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। একটা সেতু না থাকায় এসব ভোগান্তির সীমা ছিল না। তাছাড়া বর্ষাকালে চরম ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হতো। জেলা যুবদলের এ উদ্যোগে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ বলেন, স্থানীয়দের দুঃখ দুর্দশার কথা ভেবে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে ভাসমান এ সেতু নির্মাণ করছি ইতিমধ্যে আমরা তিনটি সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করেছি এবং আরো চারটি সেতু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
জেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাসান আলী বলেন, পাশ্ববর্তী তিস্তা নদীর পানির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সতি নদীর পানিও ওঠা নামা করে। তাই বাঁশ বা কাঁঠের সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাশ্রম কাজ করে যাচ্ছে জেলা যুবদল। মানুষের পাশে থাকা ও সমস্যা সমাধানে কাজ করাই যুবদলের লক্ষ। এই ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন বাবুল, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুবদলসহ ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ।
নির্বাচন বানচালে ৫০ প্রার্থীকে টার্গেট কিলিং করা হবে: রাশেদ খাঁন
ডেস্ক নিউজঃ গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পর নির্বাচন হচ্ছে, এ নির্বাচনে প্রত্যেক দলের প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এক ধরনের চক্রান্ত রয়েছে যে, যারা নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে- এরকম ৫০ জন প্রার্থীকে টার্গেট কিলিং করা হবে। আমি এমন তথ্য পেয়েছি। আরও তথ্য পেয়েছি যারা প্রার্থী রয়েছেন, তাদের গুপ্তহত্যা করার প্ল্যান আওয়ামী লীগের রয়েছে। এভাবে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত তাদের রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন কেউ বানচাল করতে পারবে না। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচন হবে এবং নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া বাজারে নির্বাচনি পথসভায় রাশেদ খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমি যতটুক জেনেছি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে যতটুক আমার কথাবার্তা হয়েছে, তারেক রহমান তফশিলের পরপরই বাংলাদেশে আসবেন এবং তিনি বাংলাদেশের মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা, সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।
বুলেটপ্রুফ গাড়ি ক্রয়ের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, এখন তারেক রহমানের কি নিরাপত্তা লাগবে না? শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, আজকে যদি তারেক রহমান একই ধরনের নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হয়, তাহলে এই বাংলাদেশ নিয়ে যে ধরনের ভারতীয় ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন বিদেশি চক্রের ষড়যন্ত্র হয়েছে, সেগুলো সফল হয়ে যাবে। সুতরাং তার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। সেই নিরাপত্তা বিবেচনা করে দলের পক্ষ থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি ক্রয় করা হয়েছে। আমি মনে করি, এখানে কোনো অন্যায় নাই। বরং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার, আপনার, আমাদের সবার দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, ঠিক একইভাবে আমরা যারা প্রার্থী রয়েছি, আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এখন প্রশাসন যদি মনে করে যে রাশেদ খানের নিরাপত্তা লাগবে না, তাহলে তো আমার কিছু করার নাই; কিন্তু আমি যেহেতু প্রশাসনকে সবসময় অবহিত করি, আমি পুলিশকে জানাই, এসপিকে জানাই, ডিজিএফআইকে জানাই। সুতরাং এখানে যদি আমার ওপর আক্রমণ হয়, আমার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, এর দায়ভার কিন্তু সরকারকে নিতে হবে।
এ সময় পথসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ধেয়ে আসছে শৈত্যপ্রবাহ ‘পরশ’, তাপমাত্রা নামতে পারে ৮ ডিগ্রিতে
আবহাওয়া ডেস্কঃ মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ‘পরশ’ আসছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানায় বিডব্লিউওটি। এতে বলা হয়, ১৪ থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে সক্রিয় থাকতে পারে শৈত্যপ্রবাহ পরশ। এটি সক্রিয় থাকার সময় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা এবং সিলেট বিভাগের কিছুকিছু স্থানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১১ ডিগ্রি, কুমিল্লা, নওগাঁর বদলগাছী, গোপালগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১২ দশমিক ৫, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ১২ দশমিক ৪ এবং রাজশাহী, কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও পাবনার ঈশ্বরদীতে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
পূর্বাভাসে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকবে। আর মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশের পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে ১-২টি মৃদু (৮-১০° সে.) থেকে মাঝারি (৬-৮° সে.) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে আজ সাক্ষ্য দেবেন হাসনাত আবদুল্লাহ
ডেস্ক নিউজঃ জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আজ নতুন সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে দায়ের করা মামলাটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ আজ সাক্ষ্য দেবেন।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। প্যানেলের অন্য দুই বিচারক হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
গত ২৭ নভেম্বর টানা ১৮তম দিনের মতো ২১ নম্বর সাক্ষীর জেরা শেষ হয়। এরপরই আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। যদিও ২৪ নভেম্বর পুলিশ বিভাগের এক কর্মকর্তার জবানবন্দি নেওয়ার কথা ছিল, বিশেষ কারণবশত তা হয়নি। এর আগে ২৩ নভেম্বর এক শিক্ষার্থী সাক্ষ্য দিয়ে জানান, তিনিই আহত সাঈদকে হাসপাতালে নেন, আর মৃত ঘোষণার পর পথ থেকে পুলিশ লাশটি নিয়ে যায়। এ ছাড়া পলাতক ২৪ আসামির স্টেট ডিফেন্সসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
১৮ নভেম্বর সাক্ষ্য দেন শিক্ষার্থী শান-এ রওনক বসুনিয়া। একইভাবে ১৬ নভেম্বর মিঠাপুকুর থানার ওসি মো. নূরে আলম সিদ্দিক ১৭তম সাক্ষী হিসেবে ১৬ জুলাইয়ের ঘটনার পূর্ণ বিবরণ তুলে ধরেন। ১৩ নভেম্বর সাক্ষ্য দেন নায়েক আবু বকর সিদ্দিক, আর ১২ নভেম্বর এসআই (সশস্ত্র) আশরাফুল ইসলাম জানান—রংপুর কোতোয়ালি জোনের তৎকালীন এসি আরিফুজ্জামান ও তাজহাট থানার ওসি রবিউল ইসলামের নির্দেশে গুলিতে সাঈদ নিহত হন। ১১ নভেম্বর কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান আহমেদ ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষ বর্ণনা দেন। ১০ নভেম্বর আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আকিব রেজা খানও হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
৪ নভেম্বর, ২১ ও ১৩ অক্টোবর সাক্ষী হাজির না হওয়ায় তিনবার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে যায়। ৬ অক্টোবর নবম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে দুই উপপরিদর্শক—এসআই রফিক ও এসআই রায়হানুল রাজ দুলাল—জবানবন্দি দেন। এর আগে ২৮ আগস্ট প্রথম দিন শহীদ সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও সাংবাদিক মঈনুল হক সাক্ষ্য দেন।
চলতি বছরের ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। এর আগে ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করা হয়। তবে সাবেক ভিসিসহ ২৪ আসামি এখনও পলাতক। তাদের পক্ষে ২২ জুলাই রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে চার আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।
৩০ জুলাই পলাতকদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা শুনানি করেন; এর মধ্যে পাঁচজনের পক্ষে লড়েন সুজাদ মিয়া এবং ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত নেতাদের পক্ষে ছিলেন মামুনুর রশীদ। অন্যদিকে ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলামও শুনানিতে অংশ নেন।
২৯ জুলাই তিন গ্রেপ্তার আসামির পক্ষে শুনানি হয়—শরিফুলের পক্ষে আমিনুল গণি টিটো, কনস্টেবল সুজনের পক্ষে আজিজুর রহমান দুলু এবং ইমরানের পক্ষে সালাহউদ্দিন রিগ্যান বক্তব্য রাখেন। এর আগে ২৮ জুলাই অভিযোগ গঠনের ওপর প্রসিকিউশনের শুনানি শেষ হয়। ৩০ জুন চার্জ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল এবং ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দেয়। মামলায় মোট সাক্ষী ৬২ জন।
বিজয় দিবসে টিকিট ছাড়াই ঘুরে দেখা যাবে জাদুঘর
ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীসহ সারাদেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অথবা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জাদুঘরে আগামী ১৬ ডিসেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণ প্রবেশ করতে পারবে। পাশাপাশি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখা ও বিনা টিকেটে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে।
মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। এতে অংশ নেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজউদ্দিন মিয়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শীতের অনুভূতি বাড়িয়ে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঢাকার সকাল
ডেস্ক নিউজঃ রাজধানী ঢাকায় শীতের অনুভূতি বাড়ছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত কয়েকদিনের তুলনায় কিছুটা বেশি শীতল আবহাওয়া তৈরি করেছে।
তবে দিনের বাকি সময়ের আবহাওয়া শুষ্কই থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে কোথাও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। এসময় উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রায়ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় আজ সকাল ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৯ শতাংশ। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
অন্যদিকে, সোমবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।
৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
ডেস্ক নিউজঃ প্রতি বছরের মতো এবারও নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার এবং নারী জাগরণে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চার বিশিষ্ট নারীকে সম্মানিত করা হলো রোকেয়া পদকে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাদের হাতে পদক তুলে দেন।
এবার যারা পদক পেলেন তারা হলেন– নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব, নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ও নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করছে। রোকেয়া দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার প্রস্তুতি
ডেস্ক নিউজঃ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য অন্যান্য আয়োজনের পাশাপাশি এবার সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে প্যারাস্যুটিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদ্যাপনে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাই ডাইভিং করবেন। এটিই হবে বিশ্বের বুকে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়বে।
মহান বিজয় দিবস ২০২৫ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে গতকাল সোমবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক–ই–আজম।
সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব সিরাজউদ্দিন মিয়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব-ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ব্যাপক আকারে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতির বিষয়ে আলোচনা করেন।
বিজয় দিবসের দিন বেলা ১১টা থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে। চলবে বিজয় দিবসের বিশেষ ব্যান্ড শো।
বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদ্যাপনে পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করবেন। জনসাধারণের জন্য এ বিশেষ আয়োজন উন্মুক্ত থাকবে।
দেশের অন্যান্য শহরেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে। সারা দেশে সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, আনসার বাহিনী ব্যান্ড শোয়ের আয়োজন করবে। প্রতিটি আয়োজন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত বছরের মতো এবারও দেশের সব জেলা-উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বিজয়মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
পাশাপাশি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে শিশুদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অপর দিকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৫ ডিসেম্বর বেলা তিনটায় ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অ্যাক্রোবেটিক শো হবে। সন্ধ্যা ছয়টায় হবে যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’।
১৬ ডিসেম্বর বেলা তিনটা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিবেশিত হবে বিজয় দিবসের গান। পাশাপাশি দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের গান পরিবেশন করবেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা।
গতকালের বৈঠকে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক–ই–আজম। তিনি বলেন, বিজয় দিবস বাংলাদেশের গৌরবময় দিন। এ বছর বিজয় উদ্যাপনে ধর্ম, বর্ণ, বয়স, জাতি, শ্রেণিনির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক আকারে প্রস্তুতি চলছে। এবার পুরো জাতি একসঙ্গে বিজয়ের উৎসবে অংশ নেবে।
সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে অনুপ্রেরণাদায়ী বেশির ভাগ গানই ছিল স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ের। আমি নিশ্চিত, এটা অর্গানিকভাবেই হয়েছে। এটাই বলে দেয় এই প্রজন্মের কাছে দেশ, দেশের অস্তিত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এবারের বিজয় দিবসে দেশব্যাপী বিজয়মেলা, এই প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের গান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাত্রাপালা “জেনারেল ওসমানী”, কনসার্ট ও পুরাতন এয়ারপোর্টে এয়ার শো এবং ৫৪টা পতাকা নিয়ে ৫৪ জন প্যারাট্রুপারের জাম্প—এসব মিলিয়ে নতুন প্রজন্ম এক স্মরণীয় বিজয় দিবস উদ্যাপন করতে যাচ্ছে। আশা করছি, এবারের বিজয় উদ্যাপন অতীতের সব উদ্যাপনকে ছাড়িয়ে যাবে।’
দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে তথ্য মন্ত্রণালয়। বিধি অনুযায়ী, এদিন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি ভবনসহ বিদেশে অবস্থানরত দূতাবাস-মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হবে। প্রতিবছরের মতো এবারেও ৩১ বার তোপধ্বনি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠান, জেলা-উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, পাগলা, বরিশালসহ বিআইডব্লিউটিসির ঘাটে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড একক বা যৌথভাবে জাহাজগুলো সকাল নয়টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জনসাধারণের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখবে।
ঢাকাসহ দেশের সিনেমা হলগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী এবং মিলনায়তন ও উন্মুক্ত স্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
সরকারি, বেসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জাদুঘরগুলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।
দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকাল-সন্ধ্যা উন্মুক্ত রাখা ও বিনা টিকিটে প্রবেশের ব্যবস্থা থাকবে।
সারা দেশে মসজিদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত হবে। মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে হবে বিশেষ প্রার্থনা।
দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, পথশিশু পুনর্বাসনকেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণকেন্দ্র, ডে–কেয়ার, শিশুবিকাশ কেন্দ্র, শিশু পরিবার ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রীতিভোজের আয়োজন থাকবে। বাসস
বাংলাদেশে তামাকজনিত মৃত্যু ঠেকাতে আইন শক্তিশালী করার দাবি
বিশেষ প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। এ বাস্তবতা তুলে ধরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি যৌথভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রুত সংশোধনের দাবি জানিয়েছে।
সংগঠনগুলো সোমবার (৮ ডিসেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, বর্তমান আইনকে শক্তিশালী না করা হলে অকালমৃত্যু কমানো, স্বাস্থ্যব্যবস্থার চাপ হ্রাস ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা সম্ভব নয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দেশে প্রতিদিন ৩৫৭ জন এবং বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায়। এছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক প্রায় ১৫ লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হন এবং ৬১ হাজার শিশু বিভিন্ন রোগে ভোগে।
বিবৃতিতে তামাকের অর্থনৈতিক প্রভাবও তুলে ধরা হয়েছে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তামাক থেকে সরকারের আয় ছিল ৪০ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার কোটি টাকা—আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।
সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, অন্তবর্তীকালীন সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই তামাকশিল্প বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সংশোধন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।
যৌথ বিবৃতিতে ৬টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে:
-
সব পাবলিক স্থান ও গণপরিবহনে ধূমপানের নির্ধারিত স্থান বাতিল করা
-
বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকপণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা
-
তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা
-
ই-সিগারেট থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা
-
তামাকপণ্যের খুচরা ও খোলা বিক্রি বন্ধ করা
-
সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ৫০% থেকে বাড়িয়ে ৯০% করা
বিবৃতিতে সই করেছেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী, বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক এবং বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডা. আসিফ মুজতবা মাহমুদ।