ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

শিক্ষা ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ এর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ ঢাকার বাইরে ৪টি বিভাগীয় শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলো হল—চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৫০টি আসনের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৬২ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপাচার্য বলেন, অত্যন্ত সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় ১টি আসনের বিপরীতে প্রায় ৩৩ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ নিচ্ছে। এটি খুবই কঠিন একটি প্রতিযোগিতা।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে সন্তানদের ওপর কোন ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি না করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে ভর্তির সুযোগ পাওয়া মানেই জীবনের শেষ কথা নয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী তাদের নিজের মতো করে সক্ষম। এই সক্ষমতাকে সমর্থন ও বহিঃপ্রকাশের সুযোগ দেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, ১ হাজার ৫০টি আসনের মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ৯৩০টি, বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ৯৫টি ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি আসন রয়েছে।

বিজ্ঞান শাখার ৫ হাজার ১৪৮ জন, মানবিক শাখার ৫ হাজার ৮৯২ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ২৩ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করে।




জুহদ ও দুনিয়া: নবীজির আদর্শ জীবন

ইসলামিক ডেস্কঃ আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন পরীক্ষার জন্য, আর দুনিয়াকে বানিয়েছেন মানুষের জীবনযাপনের উপযোগী করে। বিশুদ্ধ বায়ুর জন্য অসংখ্য উদ্ভিদ, খাদ্যের জন্য নানান ধরনের ফল-ফসল, উপভোগের জন্য পাহাড়পর্বত, নদীনালা এবং সৌন্দর্য দেখার জন্য প্রকৃতির অগণিত নিদর্শন তিনি সৃষ্টি করেছেন। আকাশে মেঘ এনে তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন- যাতে মানুষ পান করে জীবনধারণ করতে পারে। এসব কিছুর মধ্যে লুকিয়ে আছে একটিই শিক্ষা- মানুষ যেন এসব নিয়ামতের মাধ্যমে তার স্রষ্টাকে চিনে নেয়, তাঁর আনুগত্য করে এবং কৃতজ্ঞ হয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, মানুষ স্রষ্টাকে ভুলে স্রষ্টার সৃষ্টি জড় বস্তু, সম্পদ ও বিলাসবহুল জীবনযাত্রার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। প্রয়োজন পূরণের জন্য পরিশ্রম করা স্বাভাবিক; কিন্তু মানুষ আজ এমন কিছুর পেছনেও ছুটছে, যা তার প্রয়োজনই নয়। জীবন যৌবন দুনিয়ার মোহে নষ্ট করছে, আবার হারানো যৌবন ফিরিয়ে আনতে সম্পদ ব্যয় করছে, যেন নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে। আমরা যেন ভুলেই গিয়েছি অমোঘ সেই সত্য আল্লাহ প্রতিটি মানুষের রিজিক নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। কিন্তু মানুষ সেই নির্ধারিত রিজিক নিয়ে সন্তুষ্ট না থেকে মরীচিকার মতো ক্ষণস্থায়ী জিনিসের পেছনে ছুটছে।

অথচ মানুষ দুনিয়াতে মুসাফির। একজন পথিক গাছের নিচে সামান্য বিশ্রাম নিয়ে যেমন আবার যাত্রা শুরু করে, তেমনই দুনিয়া শুধু সফরের বিরাম; গন্তব্য নয়। মানুষ যখন দুনিয়ার মোহে ডুবে যায়, তখন সে রবকে ভুলে সীমা লঙ্ঘন করে বসে। অথচ দুনিয়ার সৌন্দর্য, সম্পদ ও ভোগবিলাস সবই পরীক্ষা। এগুলো কখনো জীবনের আসল লক্ষ্য হতে পারে না। আল্লাহর সন্তুষ্টিই আসল লক্ষ্য। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘দুনিয়ার যেসব জাঁকজমক সামগ্রী কিছু লোককে পরীক্ষা হিসেবে দিয়েছি, তুমি তার দিকে লোভের দৃষ্টিতে তাকিও না। তোমার রবের দেওয়া রিজিকই উত্তম ও স্থায়ী।’ (সুরা ত্বাহা, আয়াত ১৩১।) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা দুনিয়াকে চাইছ; অথচ আখিরাতই উত্তম এবং চিরস্থায়ী।’ (সুরা আলা, আয়াত  ১৬-১৭)

মনে রাখতে হবে, দুনিয়া বিমুখতা মানে দুনিয়া ত্যাগ করা নয়। এমনভাবে দুনিয়া ছাড়াও ইসলামে অনুমোদিত নয় যে পরিবারপরিজন, দায়িত্ব-কর্তব্য সব ভুলে গিয়ে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা যাবে। রাহবানিয়্যাত (বৈরাগ্যবাদ) ইসলামের শিক্ষা নয়। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন যুহদের (দুনিয়াবিমুখতা) প্রকৃত আদর্শ। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়াকে কখনো হৃদয়ে স্থান দেননি, কিন্তু হালাল দুনিয়া ব্যবহার করেছেন। তিনি বিবাহ করেছেন, পরিবারপরিজনের হক আদায় করেছেন, হালাল খাবার পছন্দ করেছেন, মধু, সুগন্ধি ও ঠান্ডা পানি পছন্দ করেছেন, আর না পেলে ধৈর্য ধরেছেন। অর্থাৎ হালাল দুনিয়া ব্যবহার, কিন্তু হৃদয়কে দুনিয়ার দাস না বানানো- এটাই জুহদ বা দুনিয়াবিমুখতা।

সুফিয়ানে কেরাম বলেন, জুহদের রয়েছে চারটি স্তর। ১. হারাম থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা। ২. মাকরুহ থেকেও বেঁচে থাকা। ৩. হালাল ভোগে সীমা না ছাড়ানো। ৪. অন্তরে আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি আসক্তি না রাখা। এটাই সর্বোচ্চ জুহদ। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে দুনিয়াবিমুখতার অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুরপাতার চাটাইয়ে ঘুমাতেন, দেহে দাগ পড়ে যেত। তিনি বলতেন, ‘দুনিয়ার সঙ্গে আমার সম্পর্ক কী? আমি তো এক পথিক; যে গাছের নিচে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়, তারপর আবার চলতে থাকে।’ ( তিরমিযি, হাদিস ২৩৭৭।)

অন্য এক হাদিসে হজরত উমর (রা.) বলেন, একদিন তিনি দেখেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘরে খাবার বলতে শুধু সামান্য যব ছাড়া কিছুই নেই। রোম-ফারসি রাজারা ভোগবিলাসে মত্ত; কিন্তু আল্লাহর প্রিয় নবী দুনিয়া থেকে বিরত থাকছেন। উমর (রা.) কান্নায় ভেঙে পড়েন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হে উমর! তুমি কি খুশি নও যে দুনিয়া তাদের জন্য, আর আখিরাত আমাদের জন্য?’ (মুসলিম, হাদিস ২৯৬৫)

অনুরূপভাবে ইবাদতেও তাঁর জুহদ প্রকাশ পায়। তিনি রাতে গোপনে, দিনে প্রকাশ্যে ইবাদত করতেন; তাকওয়া, দোয়া, কান্না- সবকিছুতেই ছিলেন উম্মতের জন্য উত্তম  আদর্শ। আমাদের জীবনও হোক এমন- দুনিয়াকে হাতে রেখে, কিন্তু হৃদয়কে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত রেখে। আমিন।




অসিয়ত সম্পর্কে ইসলামি বিধান

ইসলামিক ডেস্কঃ অসিয়ত হলো কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর কোনো কিছু করা বা হওয়ার নির্দেশনা প্রদান। কারো কারো মতে, পরবর্তী সময়ে কার্যকর করার নির্দেশসংবলিত বিশেষ উপদেশ। যেমন-আমানত পৌঁছে দেওয়া, সম্পদ দান করা, কন্যা বিয়ে দেওয়া, মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া, তার জানাজা পড়ানো, মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ বণ্টন করা ইত্যাদি অসিয়তের অন্তর্ভুক্ত।

অসিয়তের সময় দুজন সাক্ষী রাখা উচিত, যেন পরবর্তী সময়ে মতানৈক্য সৃষ্টি না হয়। সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ অসিয়ত করা জায়েজ। এর চেয়ে বেশি অসিয়ত করা জায়েজ নয়। যেসব হক আদায় করা ওয়াজিব তার জন্য অসিয়ত করাও ওয়াজিব।

অসিয়তকারীর পক্ষে অসিয়ত কোনো চুক্তি নয়। কাজেই অসিয়ত করার পর যত দিন সে জীবিত থাকে, তত দিন তা প্রত্যাহার করার অধিকার তার থাকে। মানুষের স্বীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর তার মালিকানাস্বত্ব নেই।

তাই এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করার অধিকারও মানুষের নেই। আর অসিয়ত শুধু নিজ মালিকানাধীন সম্পদের মধ্যেই করা যায়। তাই মৃত্যু-পরবর্তী অঙ্গদানের অসিয়তের কোনো গ্রহণযোগ্যতা ইসলামে নেই। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৮১৫২, দুররুল মুখতার : ১০/৩৩৭)

যেসব লোক মুমূর্ষু ব্যক্তির মুখ থেকে কোনো অসিয়ত শুনেছে, তাদের পক্ষে সে অসিয়ত কোনো ধরনের কমবেশি করা জায়েজ নয়। গুনাহের কাজের অসিয়ত করলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং তা পূর্ণ করা যাবে না, করলে গুনাহ হবে। (রদ্দুল মুহতার : ১০/৩৯৭)




বিজয় দিবসের প্রীতি ম্যাচে নেতৃত্বে মিরাজ–শান্ত

খেলাধুলা ডেস্কঃ চলছে মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বিজয় দিবসকে উৎযাপন করতে প্রতিবছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাবেক তারকাদের নিয়ে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে থাকে।

কিন্তু এবার সেই ধারায় এসেছে পরিবর্তন। আসছে বিজয় দিবসে জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে এক ব্যতিক্রমী বিশেষ ম্যাচের আয়োজন করেছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। বিসিবির সহযোগিতায় সন্ধ্যায় ছয়টায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

কোয়াব এর আয়োজনে  ম্যাচটির নাম দেয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ অল স্টার্স ম্যাচ’। যেখানে মূলত দেশের সেরা ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত দুটি দল ‘অদম্য’ ও ‘অপরাজেয়’ মাঠে নামবে।

বিজয় দিবসের এই হাই-ভোল্টেজ প্রীতি ম্যাচে দল দুটির নেতৃত্বভার দেয়া হয়েছে বর্তমান জাতীয় দলের দুই তরুণ অধিনায়কের হাতে। টেস্ট দলের কান্ডারি নাজমুল হোসেন শান্ত নেতৃত্ব দেবেন ‘অপরাজেয়’ দলকে। অন্যদিকে, ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ থাকছেন ‘অদম্য’ দলের নেতৃত্বে।

এই বিশেষ ম্যাচটি সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) কোয়াব আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। স্কোয়াডের মূল অংশজুড়ে রয়েছেন বর্তমানে জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটাররা। তবে পাশাপাশি দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এবং এমনকি জাতীয় দলে এখনও অভিষেক হয়নি এমন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদেরও এই অল স্টার্স স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দুই দলের স্কোয়াড :
অপরাজেয় : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ মিথুন, মাহমুদুল হাসান জয়, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদি, জাকের আলী, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, নাহিদ রানা ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

অদম্য : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, হাবিবুর রহমান সোহান, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আকবর আলী, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, তানভীর ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম।




টি–টোয়েন্টি সিরিজের আগে গিলকে ঘিরে ইতিবাচক খবর

খেলাধুলা ডেস্কঃ ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক শুভমান গিল চোটমুক্ত হয়ে অবশেষে মাঠে ফিরতে প্রস্তুত। বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্স (সিওই) শনিবার জানায়, ঘাড়ের ইনজুরি থেকে সেরে ওঠা গিলকে খেলায় ফেরার জন্য মেডিকেল ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ সবুজ সংকেত দিয়েছে। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে।

গত মাসে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কলকাতা টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিন বল খেলার পরেই ঘাড়ের সমস্যা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন শুভমান গিল। পরে দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটার। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াডেও রাখা হয়নি তাকে।

তবে গত ৩ ডিসেম্বর গিলকে সহ-অধিনায়ক করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করে বিসিসিআই। কিন্তু স্কোয়াডে রাখলেও কেবল ফিটনেসের ছাড়পত্র পেলেই তিনি খেলতে পারবেন বলে জানানো হয়।

অবশেষে বিসিসিআইয়ের মেডিকেল ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ গিলকে খেলার সবুজ সংকেত দিয়েছে। বিসিসিআইয়ের সিওই থেকে দল ব্যবস্থাপনার স্পোর্টস সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন টিমকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, শুভমান গিল সফলভাবে সব রিহ্যাব ধাপ সম্পন্ন করেছে এবং সব ফরম্যাটের ক্রিকেটে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করেছে।

উল্লেখ্য, আগামী ৯ ডিসেম্বর কুটাকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর চন্ডীগড়ে ১১, ধর্মশালায় ১৪, লখনৌতে ১৭ ও আহমেদাবাদে ১৯ তারিখ সিরিজের শেষ ম্যাচে লড়বে দুই দল।




মেসির সিদ্ধান্তেই দৃষ্টি স্কালোনির

খেলাধুলা ডেস্কঃ ঝমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় কোন গ্রুপ তুলনামূলক কঠিন এবং কোনটি সহজ। সেই সাথে দলগুলোর সম্ভাব্য খেলোয়াড় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে আগামী বছরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি খেলবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছেন, দল এখনো অপেক্ষা করছে মেসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য। ৩৯ বছরে পা রাখতে যাওয়া মেসি এখনো নিশ্চিত করেননি। তিনি ষষ্ঠবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেবেন কি না।

কোচ স্কালোনি মনে করেন, মেসি না খেলা হবে ‘অবিশ্বাস্য এক ঘটনা’। ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা এখনও তার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। নীতিগতভাবে সবকিছু ভালোই চলছে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, তিনি এখন প্রতিদিন বিষয়গুলো বিবেচনা করছেন। তার ভাষায়, ‘সৎ থেকে এবং নিজের অনুভূতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে চাই। এই বছর আমি খুব ভালো অনুভব করেছি। মেসির মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ তার জন্য কিছুটা স্বস্তির হবে, কারণ তিনি এখন ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন।

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়া, জর্ডান ও আলজেরিয়ার সঙ্গে ‘জে’ গ্রুপে খেলবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা হারিয়েছিল সৌদি আরব। তারপরও তারা শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়। সেই স্মৃতি মনে করিয়ে স্কালোনি বলেন, সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা মনে আছে তো? প্রতিটি ম্যাচেই আমাদের সেরাটা দিতে হবে। বিশ্রামের কোনো সুযোগ নেই, আমরা সেটা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানি।’




ফুটবল ও ক্রিকেট বিশ্বকাপে যে দেশগুলো খেলবে

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৬ সালে অল্প সময়ের ব্যবধানে বসছে দুই দুটি মহাযজ্ঞ। ক্রিকেট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ফুটবল বিশ্বকাপ। দর্শকের মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে কোন কোন দেশ এবারের ক্রিকেট ও ফুটবল দুই বিশ্বকাপেই খেলবে? সেই সংখ্যাটা অবশ্য খুব বেশি নয়। মাত্র ৭টি দেশ ২০২৬ ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করা সাত দেশ হলো- দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের।

ক্রিকেট ও ফুটবল দুই বিশ্বকাপে খেলবে এমন দেশের সংখ্যাটা আরও বাড়তেও পারে। ফুটবল বিশ্বকাপের ৪৮ দলের মধ্যে ৪২টি দলের বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়েছে। বাকি ৬ দলের প্লে-অফের লড়াই শেষে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে হবে তাদের। এই প্লে-অফের লড়াইয়ে আছে ইতালি, নর্দান আয়ারল্যান্ড ও জ্যামাইকা।

ইতালি এবার প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে। আয়ারল্যান্ডও আছে বিশ্বকাপে। জ্যামাইকা সরাসরি ক্রিকেট বিশ্বকাপে নেই, তবে তাদের প্রতিনিধি হয়ে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মানে এরা বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলে ক্রিকেট ও ফুটবল দুই বিশ্বকাপে খেলা দেশের সংখ্যা বাড়বে। তবে ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা দেশের সংখ্যা ৯টির বেশি অবশ্য হওয়ার সুযোগ নেই।




হিন্দু রীতিতে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন সারা খান

বিনোদন ডেস্কঃ এক বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি বছরের অক্টোবরে বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও বিগ বস তারকা সারা খান। অভিনেতা ও প্রযোজক কৃশ পাঠককে বিয়ের পর নেটিজেনের কটাক্ষের মুখোমুখি হন তিনি।

তবে সব ধরনের সমালোচনা এড়িয়ে এবার কৃষের সঙ্গে হিন্দু রীতিতেই সাতপাক ঘুরলেন সারা। কৃষ পাঠক ‘রামায়ণ’খ্যাত সুনীল লহরীর পুত্র। সেই প্রেক্ষিতে পর্দার ‘লক্ষ্মণে’র পুত্রবধূ হলেন সারা খান।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) কয়েকজন নিকট আত্মীয় এবং বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে মুম্বইয়ে চার হাত এক হল। হিন্দু রীতি মেনে গায়ে হলুদ থেকে সাতপাক ঘোরার পাশাপাশি মালাবদল, সিঁদুরদানও হয়। এদিন লাল লেহেঙ্গার সঙ্গে মানাসই স্বর্ণ এবং কুন্দনের গয়নায় সেজেছিলেন ‘বিদাই’ ধারাবাহিক খ্যাত সারা খান।




প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় আশুলিয়ায় দোয়া মাহফিল।

 ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ বশির উদ্দিনঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় সাভার–আশুলিয়ায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার দ্রুত সুস্থতা কামনায় আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় আশুলিয়া বাইপাইলে এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ঢাকা জেলা ওলামা দল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি মনোনীত ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। তিনি এ সময় বক্তব্যে বলেন—
বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তার সুস্থতা কামনা করি এবং সরকারকে অনতিবিলম্বে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানবিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই।
প্রধান বক্তা ছিলেন আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর মিয়া। তিনি বলেন—
নেত্রী খালেদা জিয়া দেশের কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। তার সুস্থতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশপ্রেমিক জনগণ তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া করছে।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রবিউল আউয়াল, সদস্য সচিব, ঢাকা জেলা ওলামা দল। তিনি বলেন—
একজন অভিভাবকসুলভ নেত্রীর অসুস্থতায় দেশবাসীর হৃদয়ে যে বেদনা সৃষ্টি হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশের নয়। আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এইচ. এম. মাসুদ রানা, আহবায়ক, ঢাকা জেলা ওলামা দল। সঞ্চালনায় ছিলেন হাফেজ মাসুদুর রহমান দেওয়ান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, ঢাকা জেলা ওলামা দল।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মাওলানা তাওহিদুল ইসলাম, মাওলানা আবু সাঈদ, মফিজুল ইসলাম ফকির, সেলিম ভূইয়া, আবু তালহা, লোকমান হোসেন, আবুল মুন্সি প্রমুখ।
দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘায়ু, এবং দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
আয়োজনেঃ ঢাকা জেলা ওলামা দল



বাংলাদেশে বিক্রি করতে না পেরে ভারতে পেঁয়াজের ‘শেষকৃত্য’ করলো ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কোনো মানুষের নয়, ভারতে শেষকৃত্যের আয়োজন চলছে পেঁয়াজের। এ বছর বাংলাদেশে পেঁয়াজের রেকর্ড উৎপাদনের কারণে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চড়া দামে রপ্তানি করতে না পেরে হয়েছেন কার্যত পথে বসা।  

কেজি দুই রুপিতেও কেউ পেঁয়াজ কিনছে না দেশটিতে। সেই হতাশা, রাগ–ক্ষোভ থেকেই অভিনব এই প্রতিবাদ। মধ্যপ্রদেশে কৃষকরা ঘটা করে আয়োজন করছেন পেঁয়াজের প্রতীকী শেষকৃত্যের। যে ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদনের জেরে এবার ভারতের কৃষকদের নিতে হচ্ছে ভিন্নধর্মী প্রতিবাদের পথ। দেশে মাত্র দুই রুপিতেও পেঁয়াজ বিক্রি না হওয়ায় মধ্যপ্রদেশের অনেক চাষি ক্ষোভ–হতাশায় আয়োজন করেছেন পেঁয়াজের প্রতীকী শেষকৃত্য। শেষকৃত্যের এই ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।

চলতি বছরে বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন গত কয়েক বছরের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন কোনো ঘাটতি নেই, ফলে কৃষকদের সুবিধা ও উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সরকার আমদানি বন্ধ রাখে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বড় ধাক্কা লাগে ভারতের মধ্যপ্রদেশের মান্দাসৌর অঞ্চলে। বাংলাদেশের বাজার হারিয়ে এবং স্থানীয়ভাবে দাম না পাওয়ায় সেখানকার কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

বাংলাদেশের বাজারে যখন নতুন দেশি পেঁয়াজের সরবরাহে স্বস্তির হাওয়া বইছে, ঠিক তখনই পাশের দেশ ভারতে নেমে এসেছে ভয়াবহ চিত্র। মধ্যপ্রদেশের মান্দাসৌরে পেঁয়াজের দাম নেমে গেছে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে—কেজিপ্রতি মাত্র দুই রুপি। এত কম দামেও ক্রেতা না মেলায় ক্ষুব্ধ কৃষকেরা রাস্তায় পেঁয়াজের বস্তা ফেলে প্রতিবাদ করছেন, এমনকি পেঁয়াজের প্রতীকী শেষকৃত্যও আয়োজন করছেন। তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ রপ্তানি বন্ধ করায় বাজারে সরবরাহ বেড়ে গিয়ে এ ভয়াবহ দরপতন হয়েছে।

বাংলাদেশে অবশ্য দৃশ্য সম্পূর্ণ আলাদা। মৌসুমের শুরু থেকেই নতুন পেঁয়াজ ঘিরে স্থানীয় কৃষকেরা ভালো মূল্যের আশায় আছেন। সামনে মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ আসছে, যা রবি মৌসুমে দেশের মোট উৎপাদনের প্রায় ৭০ শতাংশ পূরণ করে এবং তিন থেকে পাঁচ মাস বাজারকে স্থিতিশীল রাখে। এর সঙ্গে খারিফ–১ মৌসুমের উৎপাদন যুক্ত হওয়ায় সারা বছরই দেশীয় পেঁয়াজের যোগান বজায় থাকে। ফলে আমদানির প্রয়োজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ভারতের গণমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশ আগে ভারতের মোট পেঁয়াজ রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কিনত। এবার সেই দরজা বন্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের স্বার্থেই আমদানি বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে ভারতের পাইকারি বাজারে পচে যাচ্ছে বিশাল পরিমাণ পেঁয়াজ।

ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবি, রপ্তানি বন্ধ থাকাই এই সংকটের মূল কারণ। অন্যদিকে বাংলাদেশের কৃষকেরা এখন অনেকটাই নিশ্চিত যে, দেশীয় উৎপাদনেই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা যাচ্ছে।