ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান, আতঙ্কে মানুষ ঘরছাড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে দেশটির লোরালাই এবং আশেপাশের এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ সময় লোকজন আতঙ্কে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানিয়েছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

জিও নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

পরে ভূমিকম্প অফিস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল লোরালাইয়ের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে। তবে ভূমিকম্পের পর প্রাথমিক ভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবারও পাকিস্তানের সিবি এলাকায় ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে দুটি ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতেও প্রদেশের কিছু অংশে ছোটখাটো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সে সময় পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) পরিচালিত এনএসএমসি জানায়, জিয়ারাত এবং আশেপাশের এলাকায় ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

গত ৮ নভেম্বরের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কোয়েটা থেকে ৬৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। তবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জিয়ারাতে সর্বশেষ বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ২০০৮ সালে। সে সময় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়।

ওই ভূমিকম্পে পুরো গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায়, শত শত বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ফলে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশ মূলত একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের পাশে অবস্থিত।




খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজঃ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতির খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিবের মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করে দেশবাসীর কাছেও দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জানিয়েছেন, ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়’। শুক্রবার রাতে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়ে তিনি বলেন, দূরত্ব বজায় রেখে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা চিনতে পেরেছেন এবং আমাদের সালামের উত্তর দিয়েছেন।

জানা গেছে, নানা রোগে আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর আবারও হাসপাতালে ভর্তি হন ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের সমস্যার কারণে। মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সিসিইউতে তার চিকিৎসা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছেন।




‘খালেদা জিয়া দেশের সবচেয়ে বড় ইউনিফাইং ক‍্যারেক্টার, এটা এক প্রকার ব্লেসিংস’

ডেস্ক নিউজঃ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে দ্রুতই বাসায় ফিরবেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ট্রানজিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন, এই প্রার্থনা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রার্থনা করেন।

ফেসবুক পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লেখেন, ‘আমার নিউজফিড জুড়ে খালেদা জিয়ার জন‍্য মানুষের দোয়া প্রার্থনা। এবং এই পোস্টগুলা কোনো একটা নির্দিষ্ট দলের মানুষের না। একটা মানুষের জীবনে এর চেয়ে বড় অর্জন আর কি থাকতে পারে?’

তিনি আরও লেখেন, ‘কালচারাল সফট পাওয়ারের সাহায্য ছাড়াই, কোনো বুদ্ধিজীবী গ‍্যাংয়ের নামজপ ছাড়াই খালেদা জিয়া যেভাবে মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিফাইং ক‍্যারেক্টার, এটা এক প্রকার ব্লেসিংস।

সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই বাসায় ফিরবেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ট্রানজিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন, এই প্রার্থনা।’




খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় এটি জানানো হয়।  বার্তায় বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তার সুস্বাস্থ্য দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা ও সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।




বিপর্যস্ত অর্থনীতি, ব্যবসায়ীদের দুরবস্থা, শিল্প কারখানা, ব্যবসা বাণিজ্য সহ সকল সেক্টরে চাঁদাবাজির ঘটনায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ।

এসএম বদরুল আলমঃ দেশের শিল্প কারখানা, ব্যবসা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, পণ্য পরিবহন, থেকে শুরু করে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সহ সকল সেক্টর আজ ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর শিকার। আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর ২০২৫, সকালে এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এই কথা বলেন।

তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, গার্মেন্টস আমাদের বিরাট একটি রপ্তানীমুখী শিল্প। দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ যোগান অাসে গার্মেন্টস শিল্প থেকে। বর্তমানে গামেন্টসসহ কল কারখানাগুলো চাঁদাবাজদের হুমকির কাছে খুব অসহায়। প্রতিবাদ করলেই কারখানা বন্ধ ও হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে, হামলা করা হচ্ছে। ফ্যাসিস্ট তকমা দিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয়ও দেখানো হচ্ছে। এভাবে ঢাকা সহ ঢাকার বাইরের এলাকা থেকে প্রতিদিনই চাঁদাবাজির খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি সাভারের হেমায়েতপুরে চাঁদার দাবিতে এক ব্যবসায়িকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে।

পরিবহন সেক্টরেও ব্যাপক চাঁদাবাজির খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে ভয়ে মুখ খুলছেন না আবার কখনো কখনো পুলিশকে অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

জিএম কাদের আরো বলেন, এর ফলে অর্থনীতিতে প্রচন্ড নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। যার মধ্যে রয়েছে ব্যবসার খরচ বৃদ্ধি, বিনিয়োগে নিরুৎসাহ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত। চাঁদাবাজির কারনে লাভ কমে যাচ্ছে উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। যা আমাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বড় বাধার সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় ব্যবসায়ী নেতারাও এখন বলছেন “অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সরকার ব্যবসায়ীদের চিৎকার শুনছে না”। চাঁদাবাজির কারনে দেশে আইনের শাসন ব্যাহত এবং সুশাসনের অভাব দেখা দিচ্ছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের অনতিবিলস্বে সরকার সংশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করার আহবান জানান।




সময়ের জনপ্রিয় মানবাধিকার নেতা সেহলী পারভীন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনোনীত

এসএম বদরুল আলমঃ সময়ের জনপ্রিয় মানবাধিকার নেতা ও হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি (Senior Vice President) হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

সমাজসেবা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নারী-শিশু সুরক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা এই মানবাধিকার নেত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনীত করায় বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, মানবাধিকারকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীরা আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার অগ্রগামী ভূমিকা ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। দায়িত্বশীল, সৎ ও মানবিক নেতৃত্বের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজকল্যাণে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছেন।

মনোনয়ন লাভের পর প্রতিক্রিয়ায় সেহলী পারভীন বলেন—
“এই পদ আমাকে যেমন গর্বিত করেছে, তেমনি বাড়িয়ে দিয়েছে দায়িত্বও। সাংবাদিকতা সত্য, বিবেক ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর নাম। আমি চাই সাংবাদিকরা আরও নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন। বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব সবসময় সত্য ও মানবতার পক্ষে কাজ করেছে— আমি সেই ধারা আরও শক্তিশালী করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে আমি দীর্ঘদিন মানুষের পাশে থেকেছি। ভবিষ্যতেও মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, সমাজকল্যাণ এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করে যেতে চাই। যারা আমাকে ভালোবাসেন ও সমর্থন করেন— সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।”

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান বলেন,
“সেহলী পারভীন শুধু একজন মানবাধিকার নেত্রীই নন, তিনি সাহসী ও জনদরদী সমাজসেবক। তার সততা, নেতৃত্বগুণ এবং দায়িত্ববোধ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। যোগ্য নেতৃত্বকে আমরা সবসময় মূল্যায়ন করি। তার অংশগ্রহণ সংগঠনের অগ্রযাত্রায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে।”

তিনি আরও বলেন,“গণমাধ্যম দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র রক্ষা ও সামাজিক সচেতনতার সবচেয়ে বড় শক্তি। সাংবাদিকদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। নতুন এই নেতৃত্ব প্রেস ক্লাবকে আরও শক্তিশালী করবে।”

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ও দৈনিক সোনালী সময় পত্রিকার উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহিদুল হাসান সরকার বলেন,
“সেহলী পারভীন একজন নির্ভীক মানবাধিকার কর্মী। তার নিরলস কাজ আমাদের মুগ্ধ করে। দায়িত্ব, নৈতিকতা ও মানবতার প্রতি তার গভীর সচেতনতা রয়েছে। সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে তিনি সংগঠনের মান উন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।”

“বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব সত্য প্রকাশের পক্ষে অটল। আমরা বিশ্বাস করি— নতুন নেতৃত্ব সাংবাদিকতার বিকাশ, পেশাগত নিরাপত্তা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।”

কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের সহকারী মহাসচিব সাঈদা সুলতানা বলেন,“সেহলী পারভীন সবসময় মানবতার পাশে থেকেছেন। নারী অধিকার, শিশু নিরাপত্তা ও মানবিক সেবায় তিনি অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেন। তার মতো দূরদর্শী ও মানবিক নেত্রীকে সিনিয়র সহ-সভাপতির পদে দেখতে পেয়ে আমরা গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন,“নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, দক্ষতা ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। তার নেতৃত্বে সংগঠন আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।”

সেহলী পারভীনের কর্মপরিধি প্রসঙ্গে ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট খান সেলিম রহমান বলেন—“সেহলী পারভীন দেশের নেতৃত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ হতে পারেন। সততা, কর্মদক্ষতা এবং ডায়নামিক নেতৃত্বের গুণে তিনি এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে যাচ্ছেন।”




মিরপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত- গণমাধ্যমের পেশাগত মানোন্নয়নে ঐক্য ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরলেন বক্তারা

এসএম বদরুল আলমঃ আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫) উচ্ছ্বসিত পরিবেশে মিরপুর প্রেসক্লাব চত্বরে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো মতবিনিময় সভা। মিরপুর প্রেসক্লাব আয়োজিত এই মিলনমেলায় রাজধানীর বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান থেকে অভিজ্ঞ সিনিয়র সাংবাদিক, তরুণ সংবাদকর্মী এবং সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভার সূচনায় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম বদরুল আলম বলেন, “সাংবাদিক সমাজ দেশের চেতনা, সংস্কৃতি ও গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। সত্য প্রকাশই আমাদের পেশার প্রধান লক্ষ্য। তথ্যের স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের মূল শক্তি।” তিনি আরোও বলেন, “নতুন উদ্যমে মিরপুর প্রেসক্লাব কে ঢেলে সাজানো হবে।” মতবিনিময় সভায় তিনি সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে পেশার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান জানান।

এরপর বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন। তিনি বলেন, “মিরপুর প্রেসক্লাব শুধু একটি সংগঠন নয়—এটি সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত নিরাপত্তার ঘর। আমরা চাই তরুণ থেকে প্রবীণ সবাই এখানে সমান সুযোগ, সম্মান ও সহায়তা পাবে। আধুনিক, নির্ভরযোগ্য ও নৈতিক সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নিতে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করছি।”

সিনিয়র সহ–সভাপতি মাইনুল ইসলাম পলাশ তার বক্তব্যে সমসাময়িক মিডিয়ার চ্যালেঞ্জগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, ভুয়া খবরের বিস্তার ও প্রতিযোগিতার বাজার—সবকিছু মিলেই সাংবাদিকতা আজ রূপান্তরের পথে। এই কঠিন সময়ে সাংবাদিকদের একতা ও পেশাদারিত্বই আমাদের প্রধান ভরসা।”

সভায় আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সিনিয়র সদস্য এমএস ইসলাম। তিনি বলেন, “সত্যনিষ্ঠ সংবাদ সমাজকে পথ দেখায়। উন্নত জাতি গঠনে সংবাদকর্মীরা অপরিহার্য ভূমিকা পালন করেন। তাই আমরা সত্য প্রকাশে আপসহীন থাকবো এবং গঠনমূলক সাংবাদিকতাকে আরও শক্তিশালী করবো।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্যসহ অসংখ্য গণমাধ্যমকর্মী—এমএস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম, মনজুর আহমেদ, শাহিনুজ্জামান, এমএ গাফফার, জাকির হোসেন মোল্লা, এস এম ইকবাল নিপু,  আসিফ মল্লিক, প্রেসক্লাবের সহ কোষাধক্ষ আব্দুল মালেক, সহ মহিলা সম্পাদিকা নুসরাত জাহান, শফিকুল ইসলাম সাইমনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ার প্রতিনিধি।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ছিল প্রাণবন্ত আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি।

মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকরা পেশাগত উন্নয়ন, নৈতিক মূল্যবোধ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। আয়োজকরা জানান, সামনে আরও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সাংবাদিকবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।




নারী আইপিএল নিলামে কোটি টাকার বৃষ্টি

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৩ সালে শুরু হওয়া মেয়েদের আইপিএল বা ওমেন্স প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) প্রথম মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে লিগটির চতুর্থ আসর। এই আসরের জন্য পাঁচ ফ্র্যাঞ্চাইজি ৬৭ ক্রিকেটারকে দলে নিতে ব্যয় করেছে ৪০.৮ কোটি রুপি। কোটিপতি হয়েছেন বিভিন্ন দেশের মোট ১১ ক্রিকেটার।

এর আগে ডব্লিউপিএলে সর্বোচ্চ দামে দল পাওয়ার রেকর্ড ছিল ভারতের ব্যাটার স্মৃতি মান্দানার—৩.৪০ কোটি রুপি। এরপর ৩.২০ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশলে গার্ডনার এবং ইংল্যান্ডের ন্যাট-শাইভার ব্রান্ট। চলতি আসরেও তিনজনকে ৩.৫০ কোটি রুপিতে ধরে রেখেছে তাদের পুরোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। ফলে স্মৃতি খেলবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গার্ডনার গুজরাট জায়ান্টস এবং ন্যাট-শাইভার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।

এবারের নিলামে সর্বোচ্চ ৩.২০ কোটি রুপিতে দল পেয়েছেন ভারতের স্পিন অলরাউন্ডার দিপ্তী শর্মা। ডব্লিউপিএলের ইতিহাসে এটি নিলামে দল পাওয়া ক্রিকেটারদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্য। রাইট টু ম্যাচ পদ্ধতিতে তাকে আবারও দলে নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স।

এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার অ্যামেলিয়া কেরকে ৩ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। একই দল শিখা পান্ডেকে কিনেছে ২.৪০ কোটি রুপিতে।

মেগা নিলামে কোটিপতি হওয়া ক্রিকেটাররা (রুপি অনুযায়ী):

১. দিপ্তী শর্মা, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ৩.২০ কোটি
২. অ্যামেলিয়া কের, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স – ৩ কোটি
৩. শিখা পান্ডে, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ২.৪০ কোটি
৪. সোফি ডিভাইন, গুজরাট জায়ান্টস – ২ কোটি
৫. মেগ ল্যানিং, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ১.৯০ কোটি
৬. শ্রী চরণী, দিল্লি ক্যাপিটালস – ১.৩০ কোটি
৭. চিনেল হেনরি, দিল্লি ক্যাপিটালস – ১.৩০ কোটি
৮. ফোবে লিচফিল্ড, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ১.৩০ কোটি
৯. লরা উলভার্ট, দিল্লি ক্যাপিটালস – ১.১০ কোটি
১০. আশা সোবহানা, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ১.১০ কোটি
১১. জর্জিয়া ওয়ারহ্যাম, গুজরাট জায়ান্টস – ১ কোটি

নারী আইপিএলের নিলামে সবচেয়ে বড় চমক অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক অ্যালিসা হিলির দল না পাওয়া। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আছে যে, এবার ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ব্যাটার নয়, অলরাউন্ডারদের প্রতিই বেশি ঝুঁকেছে। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের হিদার নাইট, অ্যামি জোনসও দল পাননি।

বাংলাদেশ থেকে নিলামে উঠেছিলেন দুই ক্রিকেটার। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পেসার মারুফা আক্তারও অবিক্রিত থেকে গেছেন।




কন্যা সন্তানের বাবা হলেন নিলয়

বিনোদন ডেস্কঃ বর্তমান সময়ে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর বাবা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে তার স্ত্রী তাসনুভা তাবাসসুম হৃদি এক কন্যাসন্তান প্রসব করেন।

নিলয় নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খুশির খবরটি ভাগ করে নেন। ফেসবুক পোস্টে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। নাম রুশদা মাইমানাহ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

এদিকে বাবা হওয়ার সুখবর জানাতেই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন নিলয়-হৃদি দম্পতি। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা নানা ধরনের শুভেচ্ছামূলক বার্তা দিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ফেসবুক থেকে পরিচয়ের পর ২০২১ সালের ৭ জুলাই তাসনুভা তাবাসসুম হৃদিকে বিয়ে করেন অভিনেতা নিলয় আলমগীর। এরপর পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে হয়। এটি হৃদির প্রথম বিয়ে হলেও অভিনেতার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০১৬ সালে মডেল-অভিনেত্রী আনিকা কবির শখকে বিয়ে করেছিলেন নিলয় আলমগীর। কিন্তু সেই বিয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি।




কন্যাসন্তানের নাম প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা

বিনোদন ডেস্কঃ চলতি বছরের জুলাইয়ে কন্যাসন্তানের মা হন কিয়ারা আদভানি, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। জন্মের পর থেকেই অনুরাগীরা জানতে চাচ্ছিলেন, তাদের কন্যার নাম কী রাখা হয়েছে। কিছু অনুরাগীর প্রস্তাব ছিল, সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার নাম মিশিয়ে ‘সিয়ারা’ রাখা হোক।

অবশেষে শুক্রবার সকালে কিয়ারার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একরত্তির পায়ের ছবি শেয়ার করে জানানো হয়, তাদের কন্যার নাম রাখা হয়েছে সারায়াহ মালহোত্রা।

কিয়ারার লেখা: “আমাদের প্রার্থনা থেকে আমাদের কোলে এসেছে আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ—আমাদের রাজকন্যা।”

সারায়াহ নামের অর্থ নিয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। তবে হিব্রু ভাষায় ‘সারাহ’ মানে রাজকন্যা, তাই অনুরাগীরা অনুমান করছেন এখান থেকেই নামটি এসেছে।

তারা কন্যার মুখ প্রকাশ্যে আনেননি, তবে নতুন রাজকন্যার আগমন ভক্তদের আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘শেরশাহ’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার প্রেমের শুরু। ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চলতি বছরের মে মাসে মেট গালায় একসাথে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা, এরপর বেশ কিছু সময় ক্যামেরার সামনে দেখা যায়নি।