বাংলাদেশের পাটখাতে ব্যাপক বিনিয়োগে চীনের আগ্রহ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের সবুজ প্রযুক্তি, পাট, বস্ত্র ও ওষুধশিল্পে বড় ধরনের বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনা বিনিয়োগকারীরা।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষিত উৎপাদন খাতের রূপান্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ আগ্রহ এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠককালে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার (এক্সিম ব্যাংক) ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়াং দোংনিং এ আগ্রহের কথা জানান।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটির প্রেসিডেন্ট ড. মা জুন।

বৈঠকে ইয়াং দোংনিং বলেন, বাংলাদেশে চীনের দীর্ঘদিনের অবকাঠামো বিনিয়োগের পাশাপাশি এখন তারা উৎপাদন খাতে মনোযোগ দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে রুফটপ সোলার প্যানেল এবং দেশের ‘সোনালি আঁশ’ পাটকে কেন্দ্র করে জ্বালানি, বায়োসার ও প্লাস্টিকের বিকল্প তৈরির বড় প্রকল্প।

তিনি জানান, এসব সরাসরি উৎপাদন বিনিয়োগে এক্সিম ব্যাংকও অর্থায়নে আগ্রহী।

ড. মা জুন বলেন, ঐতিহ্যবাহী পাটশিল্প চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। তারা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায়।

তিনি জানান, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো সবুজ জ্বালানি, সার ও প্লাস্টিকের বিকল্প তৈরির জন্য বছরে ১০ লাখ টন পর্যন্ত পাট ব্যবহার করতে প্রস্তুত। চীনা অর্থায়নে পাটভিত্তিক যৌথ উদ্যোগের বড় সুযোগ রয়েছে।

চীনের এই আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, চীনা বিনিয়োগকারীরা চাইলে বাংলাদেশকে উৎপাদনশীল পণ্য রপ্তানির একটি হাবে রূপান্তর করা সম্ভব—যা উন্নত দেশসহ চীনে রপ্তানির সুযোগ বাড়াবে। তিনি ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবাকে চীনা বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন।

ড. ইউনূস আরও বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় সৌরশক্তি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে চীন রুফটপ সোলারসহ সবুজ জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সহায়তায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে উৎপাদন কারখানা স্থানান্তরে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, দেশের বিপুল তরুণ কর্মশক্তি ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো যৌথ উদ্যোগে ব্যবহারের বড় সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা। আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। আমরা চাই এগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে যাক।’

ইয়াং দোংনিং জানান, এআই ও ই-কমার্স খাতেও বিনিয়োগের সুযোগও চীন বিবেচনা করছে—যে দু’টি ক্ষেত্রে চীন ইতিমধ্যে বৈশ্বিক নেতৃত্বে রয়েছে।

জবাবে প্রধান উপদেষ্টা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কারখানা স্থাপনের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, ওই অঞ্চলে দেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রবন্দর এবং মিয়ানমার-থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের কৌশলগত নিকটতা বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই অঞ্চলের সমুদ্রুপ্রবেশাধিকারে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। চীনা শিল্প কারখানাগুলো এখানে স্থানান্তর করলে উৎপাদিত পণ্য উন্নত দেশসহ চীনেও রপ্তানি করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ চীনের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপনে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে আঞ্চলিক সংযোগ বাড়বে এবং স্থানান্তরিত কারখানার পণ্য রপ্তানি আরও সহজ হবে।

বৈঠকের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা হংকংয়ের একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা জানান।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং ঢাকায় নিয়োজিত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।




খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য জাতির কাছে দোয়া প্রার্থনা মির্জা ফখরুলের

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’ বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এজন্য তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

শুক্রবার বাদ জুমা রাজধানীর নয়াপল্টনে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া শেষে এ কথা জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপি প্রধানের রোগমুক্তির জন্য এদিন নয়াপল্টন মসজিদের পাশাপাশি সারাদেশে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করে দলটি।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব জানান, গণতন্ত্রের জন্য আজীবন সংগ্রামকারী নেত্রী খালেদা জিয়া গত দুই দিন ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (২৭ নভেম্বর) রাতেই ডাক্তাররা বলেছেন তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়। এ কারণে, দলের পক্ষ থেকে গণতন্ত্রের এই নেত্রীর রোগমুক্তির জন্য সারাদেশের জনগণের কাছে এবং মসজিদে মসজিদে বাদ জুমা দোয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, আল্লাহ যেন তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে দেন। তিনি যেন সুস্থ অবস্থায় আবার জনগণের মাঝে ফিরে এসে দেশের মানুষের কাজ করার সুযোগ পান।

এ সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




বিপিএল নিলামে অংশ নিতে আসছে এই বিদেশি ক্রিকেটাররা

খেলাধুলা ডেস্কঃ কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম। কয়েক মৌসুম পর ফের আয়োজিত এই নিলামে অংশ নিতে প্রথমে নিবন্ধন করেছিলেন ৫০০ জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার; যাচাই-বাছাই শেষে ২৫০ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।

বিপিএল নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার এসেছে শ্রীলঙ্কা থেকে- মোট ৫০ জন। পাকিস্তান থেকে অংশ নিচ্ছেন ৪৫ জন খেলোয়াড়। ভারতের মাত্র ৩ জন ক্রিকেটার নিলামে নাম জমা দিয়েছেন, আর আয়ারল্যান্ডের রয়েছে ৬ প্রতিনিধি। আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের সংখ্যা ১৮। সবশেষে, যুক্তরাজ্য থেকে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ক্রিকেটার নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

একই সময়ে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি ও এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এমন সুযোগ করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। যার ফলে কয়েক ম্যাচের জন্য বিদেশি তারকাদের আনতে পারবে দলগুলো। বিপিএল নিলামে ২৫০ জন বিদেশিকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ডলার।

এ ছাড়া ‘বি’ ২৬ হাজার ডলার, ‘সি’ ২০ হাজার ডলার, ‘ডি’ ১৫ হাজার ডলার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ১৫ হাজার ডলার। ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার।

বিপিএল নিলামে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তারকা ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার যারা আছেন-

ক্যাটাগরি এ-

জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, কিমো পল, ডমিনিক ড্রেক্স, আব্দুল সামাদ, জামান খান, মোহাম্মদ হাসনাইন, উসামা মির, শোয়েব মালিক, অভিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মাহিশ থিকশানা, দুশমান্থ চামিরা, মাথিশা পথিরানা, চারিথ আসালাঙ্কা, জর্জ ডাকরেল, বাস ডি লিড, ওয়েইন পার্নেল, দীনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, লাহিরু কুমারা।

ক্যাটাগরি বি-

সন্দীপ লামিচানে, আসিফ আলী, রিচার্ড এনগারাভা, ওশেন থমাস, হ্যারি টেক্টর, আলি খান, হাশমতুল্লাহ শাহিদি, রবি বোপারা, সাউথ শাকিল, ইসুরু উদানা, নাজিবউল্লাহ জাদরান।

ক্যাটাগরি সি-

আলি রেজা, হায়দার আলী, শন উইলিয়ামস, টেরেন্স হিন্ডস, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শাহজাদ, দিলশান মুনাওয়েরা, অ্যাশেন বান্দারা, জশ লিটল, জুবায়ের হামজা, ডেন প্যাটারসন, রায়ান বার্ল, পল স্টার্লিং ও কারিমা গোর।

ক্যাটাগরি ডি-

মেহরান মুমতাজ, উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, দীপেন্দ্র সিং আইরে, শেভন ড্যানিয়েল, বাসিল হামিদ, কলাম পার্কিনসন, সালিম শাফি, ব্র্যাড ইভান্স, মার্ক ওয়াট ও জ্যাক হেইন্স।

ক্যাটাগরি ই-

সাঙ্গিথ কোরায়, থানুকা দাবারে, জশুয়া বিশপ, কাদিম অ্যালেন, কেমানি মেলিয়াস, র‍্যান্সফোর্ড বিটন, আশমীদ নেড, আসদ রাজা, তৈয়ব আব্বাস, মুহাম্মদ জিশান, রুম্মান রইস, খলিল গুরবাজ ও বাকার ইব্রাহিমজাই।




ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের দিকে মোড় নিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট

খেলাধুলা ডেস্কঃ নিউজিল্যান্ডে ব্যক্তি মালিকানায় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চালু হতে যাচ্ছে। এনজেড টুয়েন্টি২০ নামে প্রতিযোগিতা ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরুর পরিকল্পনা করছেন তারা।

প্রাথমিকভাবে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) অনুরূপ মডেলে টুর্নামেন্টটি পরিচালিত হবে বলে আশা করছেন তারা। এর অনুমোদন দিবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। যদিও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকবে ফ্র্যাঞ্চাইজির এর হাতে। মোট ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এ নিয়ে এখনও কিছু জানায়নি।

নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে সুপার স্ম্যাশ নামে ঘরোয়া টি-২০ টুর্নামেন্ট চালু আছে। এই টুর্নামেন্টে অকল্যান্ড অ্যাসেস, ক্যান্টারবেরি কিংস, সেন্ট্রাল স্ট্যাগস, নর্দার্ন ব্রেভ, ওটাগো ভলটস ও ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডস।

এনজেড টুয়েন্টি২০ এর প্রকল্পের সাথে জড়িত কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন লাইসেন্স নিশ্চিত হলে, তারা ঘরোয়াভাবে চালু হলে সুপার স্ম্যাশকে প্রতিস্থাপন করবে।

এনজেড টুয়েন্টি২০ এর প্রতিষ্ঠা কমিটির প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেন, এই ধারণাটি নিউজিল্যান্ডের সাবেক খেলোয়াড়দের একটি দল থেকে এসেছে, যার মধ্যে স্টিফেন ফ্লেমিংও ছিলেন। এরপর তারা ফ্র্যাঞ্চাইজি-ভিত্তিক লীগে আগ্রহ যাচাই করার জন্য নিউজিল্যান্ড প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনজেডপিএ) এর সাথে যোগাযোগ করে।

ম্যাককিনন উল্লেখ করেন, সুপার স্ম্যাশ ক্রমবর্ধমানভাবে একটি উন্নয়নমূলক প্রতিযোগিতা হিসেবে কাজ করছে এবং ভক্তদের আগ্রহ অর্জনের জন্য লড়াই করছে। তিনি বিশ্বাস করেন, বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এনজেড ঘরোয়া ক্রিকেটকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।




টেক্টরের তাণ্ডবে আয়ারল্যান্ডের বড় সংগ্রহ, চাপে বাংলাদেশ

খেলাধুলা ডেস্কঃ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টেক্টরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ১৮২ রানের রার্গেট দিয়েছে আয়ারল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আয়ারল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় লিটন দাস।

আগে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডের শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।

তিনে নেমে টিমের সাথে যোগ দেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টরের উইলোবাজিতে চলেছে আইরিশ ঝড়। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম থামেন দলের ৭১ রানের মাথাতে। চারে নেমে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি লরকান টাকার। ১৪ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন কার্টিস ক্যাম্ফার। চলেছে দুজনের তাণ্ডব। টেক্টর তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। এরপর টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন জর্জ ডকরেল। শেষের দিকে ঝড় তুলেছেন হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করিয়েছেন টেক্টর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৭ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন জর্জ ডকরেল। ৪৫ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন হ্যারি টেক্টর। শেষ ওভারে এসেছে ১৭ রান।




হার দিয়ে অভিযান শুরু, সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ

খেলাধুলা ডেস্কঃ ব্যাটিং বিপর্যয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয়ের লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরিতে ১৪২ রানে শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলতে পারে মাত্র ২০ রান। শুরুর এমন ধাক্কা সামাল দেন জাকের আলি ও তাওহিদ হৃদয়। দুজনই পরিস্থিতি সামলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে জাকের আলী ২০ রানে আউট হলেও একাই লড়াই চালিয়ে যান তাওহিদ হৃদয়। দলের বিপর্যয়ের মধ্যে তার লড়াকু ৫০ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার লোগ না থাকায় বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১৪২ রানে। এতে ৩৯ রানে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ফলে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় টাইগারদের।

এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডের শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।

তিনে নেমে টিমের সাথে যোগ দেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টরের উইলোবাজিতে চলেছে আইরিশ ঝড়। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম থামেন দলের ৭১ রানের মাথাতে। চারে নেমে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি লরকান টাকার। ১৪ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন কার্টিস ক্যাম্ফার। চলেছে দুজনের তাণ্ডব। টেক্টর তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। এরপর টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন জর্জ ডকরেল। শেষের দিকে ঝড় তুলেছেন হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করিয়েছেন টেক্টর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৭ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন জর্জ ডকরেল। ৪৫ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন হ্যারি টেক্টর। শেষ ওভারে এসেছে ১৭ রান।




স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ফাইনাল সিজনের ঢেউ—স্ট্রিমিং শুরু হতেই নেটফ্লিক্স ঠেকল না চাপ

বিনোদন ডেস্ক: স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ এর ফাইনাল সিজনের প্রথম ভলিউম মুক্তি পেতেই প্ল্যাটফর্মটি সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত দর্শক চাপের কারণে বিশ্বব্যাপী বহু ব্যবহারকারী অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে ভিডিও চালাতে ব্যর্থ হন।

ডাউনডিটেক্টরের তথ্যে জানা যায়, নেটফ্লিক্স ডাউন হওয়া নিয়ে প্রায় ১০ হাজারের বেশি রিপোর্ট জমা হয়েছে। তাদের হিসাবে, ৫১ শতাংশ ব্যবহারকারী ভিডিও লোড করতে পারেননি, আর ৪৯ শতাংশ ব্যবহারকারী সংযোগ সমস্যার অভিযোগ করেন।

হঠাৎ করে স্ট্রিমিং সেবা ব্যাহত হওয়ায় সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক দর্শক। তবে নেটফ্লিক্সের জন্য এটি এক অর্থে ইতিবাচক কারণ সিরিজটি ঘিরে দর্শকের বিপুল আগ্রহই প্ল্যাটফর্মকে ডাউন করে দেয়।

ডাফার ব্রাদার্সের নির্মাণ করা ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ শুরুর পর থেকেই ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে দর্শকদের মধ্যে। সময়ের সঙ্গে সিরিজটির জনপ্রিয়তা কেবল বেড়েই চলেছে।




হেনস্তার দায় পোশাকে নয়’—স্পষ্ট বার্তা দিলেন ঐশ্বরিয়া

বিনোদন ডেস্ক: নারীদের হেনস্তার বিপরীতে অনেকেই তাদের সাজপোশাককে দাঁড় করান। এবার বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। জানালেন, আপস নয়, দরকার ঘুরে দাঁড়াবার।

সম্প্রতি একটি প্রসাধনী পণ্যের বিজ্ঞাপনী দূত হিসেবে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়, রাস্তাঘাটে কীভাবে হেনস্তার মোকাবিলা করবেন মেয়েরা?

তৎক্ষণাৎ পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন ঐশ্বরিয়া, ভাবছেন অপর প্রান্তের মানুষটির চোখের দিকে না তাকালেই পার পেয়ে যাবেন? তাহলে বলি, একদম নয়। মোকাবিলা করতে হেনস্তাকারীর চোখের দিকে সোজাসুজি তাকাতে শিখুন। মাথা উঁচু করে হাঁটুন।

তার কথায়, আমার শরীর, আমার সম্পদ—ভাবতে শিখুন। নিজের মূল্যের সঙ্গে কখনো আপস করবেন না। নিজেকে নিয়ে কখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগবেন না। আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন। দরকারে নিজের জন্য নিজে উঠে দাঁড়িয়ে লড়ুন। কিন্তু কখনো নিজের সাজপোশাক কিংবা লিপস্টিক শেডের দোষ দেবেন না। মনে রাখবেন, রাস্তাঘাটে হেনস্তার শিকার হলে সেটা কখনোই আপনার দোষ নয়।

মাসখানেক আগে শারীরিক গড়ন নিয়ে নিজেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। বিশেষ করে, অভিনেত্রীর ওজন বাড়া নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া হয়েছিল নেটপাড়ায়।




১৩০০ প্রতিযোগীকে হারিয়ে রণবীর সিংয়ের নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত সারা

বিনোদন ডেস্ক: আদিত্য ধর পরিচালিত নতুন চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’ এর ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই চলছে তুমুল আলোচনা। শুধু ট্রেলার নয়, বিশেষ নজর কেড়েছেন ছবির নায়িকা সারা অর্জুন। কয়েকদিন আগেও যাকে অনেকেই চিনতেন না, ট্রেলার প্রকাশের পর তিনি এখন চলচ্চিত্র দুনিয়ার নতুন মুখ হিসেবে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।

ট্রেলার উন্মোচন অনুষ্ঠানে পরিচালক আদিত্য ধর জানান, সারা অর্জুনকে নায়িকার চরিত্রে নেওয়ার পথে কতটা কঠিন সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের। তিনি বলেন,’মুকেশ ছাবরা প্রায় ১ হাজার ৩০০টি অডিশন নেন। অসংখ্য প্রতিযোগীর মধ্য থেকে সারা অর্জুনই শেষ পর্যন্ত নির্বাচিত হয়। সে অসাধারণ সবার মধ্যে সেরা।’

২০০৫ সালের ১৮ জুন জন্ম নেওয়া সারা অর্জুন হলেন অভিনেতা রাজ অর্জুনের মেয়ে। মাত্র ১৮ মাস বয়সে অভিনয়জগতে পা রাখেন তিনি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন দেশের অন্যতম পরিচিত শিশুশিল্পী। এ সময় শতাধিক বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন সারা।

ছোটবেলা থেকেই ক্যামেরার সামনে বেড়ে ওঠায় তার অভিনয় দক্ষতা দ্রুত বিকশিত হয়। মাত্র ছয় বছর বয়সে তামিল ছবি ‘দেবিয়া থিরুমাগাল’-এ চিয়ান বিক্রমের সঙ্গে অভিনয় করে বড় ব্রেক পান তিনি। শিশুশিল্পী হিসেবে ওই ছবিতে তার অভিনয় বহুল প্রশংসিত হয়। পরে তিনি তামিল, তেলেগু ও হিন্দি, তিন ভাষারই একাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে-‘শিবাম’, ‘পন্নিইন সেলভান’ ১ ও ২, ‘এক থি ডয়েন’ প্রভৃতি।

ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে সারা অর্জুনকে প্রশংসায় ভাসান চলচ্চিত্রের সহ-অভিনেতা রণবীর সিং। তিনি বলেন,ছবিতে সারা দারুণ চরিত্রে অভিনয় করেছে। বয়স কম হলেও প্রভাবশালী চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছে।

আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি পাবে ৫ ডিসেম্বর।




তিশার বিরুদ্ধে নতুন দাবি, ‘পাসপোর্ট জমা ছাড়াই দেশ ছাড়েন

বিনোদন ডেস্ক: মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে চলমান বিতর্ক আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। কলকাতার একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অগ্রিম পারিশ্রমিক নেওয়ার পর কাজ না করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর অভিযোগ তুলেছেন ছবিটির প্রযোজক সরিফুল ধাবক।

প্রায় তিন মাস আগে ভারতীয় বাংলা সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’-এ অভিনয়ের জন্য ১১ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন তানজিন তিশা। চুক্তির সময় তিনি দুই দফায় মোট ৪ লাখ ১২ হাজার টাকা অগ্রিম নেন বলে দাবি প্রযোজকের। কিন্তু শুটিংয়ের সময়সূচি মিল না হওয়া এবং ভিসাজনিত সমস্যার কথা বলে শেষ পর্যন্ত কাজ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

প্রযোজক সরিফুল ধাবক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিশার জন্য ভিসার স্লট ঠিক করা হয়েছিল, কিন্তু নানা অজুহাতে তিনি সময়মতো ভারতীয় অ্যাম্বাসিতে পাসপোর্ট জমা দেননি। এরপর আর ভিসা পাওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি তিশার সুবিধার কথা বিবেচনা করে একাধিকবার শুটিংয়ের সময়ও পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান বলে অভিযোগ তার।

ধাবক আরও জানান, সিনেমায় অভিনয় না করেও তানজিন তিশা অগ্রিম পারিশ্রমিক ফেরত দিচ্ছেন না। এ কারণে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছেন।

অন্যদিকে, তানজিন তিশা নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ‘ভালোবাসার মরশুম’ প্রকল্পের কারণেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুই মাস অপেক্ষার পরও নির্মাতা প্রস্তুত না থাকায় বাধ্য হয়ে তিনি কাজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।