আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা ব্যাপক অবদান রাখছেন: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অবকাঠামো ও শিল্প থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে তাদের সেবা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। 

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, একটি বৃহত্তর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে আইডিইবি এই দক্ষ কর্মীবাহিনীকে লালন-পালন, কারিগরি শিক্ষার প্রচার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে।

তিনি বলেন, গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনের সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, একটি জাতির প্রকৃত শক্তি কেবল তার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেই নয়, বরং তার জনগণের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মধ্যেও নিহিত।

তিনি বলেন, অব্যাহত প্রতিশ্রুতি, পেশাদারিত্ব এবং উদ্ভাবনের চেতনার মাধ্যমে আইডিইবি’র সদস্যরা আমাদের জাতি গঠনের প্রচেষ্টার অগ্রভাগে থাকবেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং আমাদের জাতীয় আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

আইডিইবি প্রতিবছর ৮ নভেম্বর ‘গণপ্রকৌশল দিবস’ পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘দক্ষ জনশক্তি-দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’।




‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তায় কৌশলগত পদক্ষেপ ভারতের

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন যখন পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলছে, তখন এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। নয়াদিল্লি আশঙ্কা করছে, এই নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ভারত সীমান্তে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে, যা শুধু নিজের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করবে না, বরং ঢাকা সরকারের ওপরও চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিলিগুড়ি শহরকেন্দ্রিক এই সরু ভূখণ্ডটির প্রস্থ সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে মাত্র ২০–২২ কিলোমিটার। ভৌগোলিকভাবে এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে মূল ভারতের সঙ্গে যুক্ত করে। করিডরটির পশ্চিমে নেপাল ও পূর্বে বাংলাদেশ, আর উত্তরে ভুটান অবস্থিত। অঞ্চলটির কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত এখন বিহারের জোগবানি হয়ে নেপালের বিরাটনগর পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নিউ মল জংশন পর্যন্ত নতুন রেললাইন স্থাপনের পরিকল্পনাও করছে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ
ভারতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মিরজার ঢাকা সফরের পর। তিনি বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানা গেছে।

এর আগেও বাংলাদেশের কিছু সরকারি কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বক্তব্যে ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সাবেক বর্ডার গার্ড (তৎকালীন বিডিআর) প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) এ এল এম ফজলুর রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘যদি ভারত পাকিস্তানের ওপর আক্রমণ চালায়, তবে বাংলাদেশ সাতটি উত্তর-পূর্ব রাজ্য দখল করে নেবে। এজন্য চীনের সঙ্গে যৌথ সামরিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।’

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভারত
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক চীন সফরও নয়াদিল্লিতে অস্বস্তি তৈরি করেছে। গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চের সফরে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ভারতের পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্য, যেগুলোকে “সেভেন সিস্টার্স” বলা হয়, সেগুলো স্থলবেষ্টিত অঞ্চল—সমুদ্রপথে তাদের কোনো সরাসরি প্রবেশাধিকার নেই। আমরা এই অঞ্চলের একমাত্র “সমুদ্র অভিভাবক”।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই অবস্থান আমাদের জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করছে। এটি চীনের অর্থনীতির সম্প্রসারণ হিসেবেও কাজ করতে পারে—উৎপাদন, বিপণন, পণ্য পরিবহন ও রপ্তানিতে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।’

নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের বক্তব্যে নয়াদিল্লি মনে করছে, বাংলাদেশ-চীন ঘনিষ্ঠতা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ক ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক প্রভাবের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সীমান্তে নতুন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে ভারত এই পরিস্থিতিতে প্রতিরোধমূলক অবস্থান নিচ্ছে।

কী পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত?
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তিনটি নতুন গ্যারিসন বা সেনাঘাঁটি স্থাপন করেছে ভারত। এগুলো হলো আসমের বামুনি, বিহারের কিশনগঞ্জ ও পশ্চিমবঙ্গের চোপড়ায়। এই ঘাঁটিগুলো স্থাপনের মাধ্যমে নয়াদিল্লি সুরক্ষিত করতে চায় তথাকথিত ‘চিকেনস নেক’ বা ‘সিলিগুড়ি করিডর’—ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থলসংযোগ।




মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠিয়ে ৫২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ৬ রিক্রুটিং এজেন্সির ১১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৬টি রিক্রুটিং এজেন্সির ১১ জন মালিক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ৩১ হাজার ৩৩১ জন কর্মীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে গড়ে পাঁচ গুণ বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার কমিশনের বৈঠকে ছয়টি মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রথম মামলায় আসামি করা হবে মেসার্স আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের মালিক রুহুল আমিনকে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ৭ হাজার ৪৩০ জন কর্মীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ১২৪ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা আদায় করেছে।

দ্বিতীয় মামলায় মেসার্স মেরিট ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণকে আসামি করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩ হাজার ৪৮৯ জনের কাছ থেকে ৫৮ কোটি ৪৪ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে।

তৃতীয় মামলায় সাদিয়া ইন্টারন্যাশনালের শামীম আহমেদ চৌধুরী ওরফে নোমানকে আসামি করা হবে, যিনি ৩ হাজার ৩২১ জন কর্মীর কাছ থেকে ৫৫ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

চতুর্থ মামলায় ইমপেরিয়াল রিসোর্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসাইন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা ৮ হাজার ১০১ জনের কাছ থেকে ১৩৫ কোটি ৬৯ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

পঞ্চম মামলায় আরআরসি হিউম্যান রিসোর্স সার্ভিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও এমডি মো. আলমগীর কবীরের বিরুদ্ধে ৫ হাজার ২০২ জনের কাছ থেকে ৮৭ কোটি ১৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া ষষ্ঠ মামলায় থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের সাবেক এমডি আব্দুল্লাহ শাহেদ, পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন নোমানী ও বর্তমান ব্যবস্থাপক শমসের আহমেদকে আসামি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩ হাজার ৭৮৮ জনের কাছ থেকে ৬৩ কোটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ১ হাজার ১২৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৩২ জনের নামে এবং ১৪ সেপ্টেম্বর আরও ১ হাজার ১৫৯ কোটি টাকার আত্মসাতের ঘটনায় ১৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির শীর্ষ কর্মকর্তাদের নামে মামলা করে দুদক।

২০১৮ সালে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের কারণে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করেছিল মালয়েশিয়া। পরে ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর দেশটি আবার শ্রমিক নেওয়ার চুক্তি করে। এরপর ২০২২ সালে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ শ্রমিক পাঠানোর খরচ নির্ধারণ করে ৭৮ হাজার ৫৪০ টাকা।




৮৫৭ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলায় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক এমডি ফিরোজ হোসেন গ্রেপ্তার

নিজস্ব ডেস্কঃ ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে ৮৫৭ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক্সিম ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ফিরোজ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে দুদকের জনসংযোগ শাখা।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, এক্সিম ব্যাংকের মোট ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান, এমডি এবং ২১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস’ নামে প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা মোজাম্মেল হোসাইন অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ঋণ নেন। ওই ঋণ অনুমোদনের সময় এক্সিম ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যোগসাজশে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। নিয়মবহির্ভূতভাবে অনুমোদিত ঋণ পরবর্তীতে খেলাপি হয়ে যায়, ফলে ব্যাংকটি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে এবং সরকারের আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে গ্রাহকের ব্যবসার বাস্তবতা যাচাই না করেই ঋণ অনুমোদন করেন এবং যৌথভাবে প্রায় ৮৫৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এই কাজ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

মামলায় আসামি হিসেবে নাম রয়েছে— মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটসের মালিক মোজাম্মেল হোসাইন; এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তার স্ত্রী সাবেক পরিচালক নাসরিন ইসলাম; বর্তমান চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন; সাবেক এমডি ফিরোজ হোসেন; সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক আসাদ মালেক; ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আরমান হোসেন; সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আনিছুল আলম; অ্যাডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইব্রাহিম খান ও মঈনুল ইসলাম; ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাকসুদা খানম; সাবেক এমডি জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া; সাবেক অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল বারী ও হুমায়ুন কবীরসহ আরও কয়েকজন প্রাক্তন পরিচালক ও কর্মকর্তার।

তদন্তে প্রমাণিত হলে এই ঋণ জালিয়াতি দেশের ব্যাংকিং খাতের অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতির ঘটনায় পরিণত হতে পারে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।




দুদকের আবেদনে জেমকন গ্রুপের সিইও কাজী আনিসের সম্পদ জব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জেমকন গ্রুপের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাজী আনিস আহমেদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁর বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন সম্পদ জব্দ, ব্যাংক ও বিনিয়োগ হিসাব অবরুদ্ধ এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

দুদকের নথি অনুসারে, কাজী আনিস আহমেদের নামে বিভিন্ন জেলায় মোট ৪৯ দশমিক ৪৩ একর জমি ও রাজধানীর গুলশান এলাকায় একটি প্লট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৭ কোটি ২০ লাখ ৭২ হাজার ৮৪৬ টাকা।

অন্যদিকে, অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা প্রায় ৮৪ কোটি ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮২৫ টাকা এবং ২০টি ব্যাংক হিসেবে থাকা প্রায় ২২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।




এলজিইডির নতুন নেতৃত্বে জাবেদ করিম, দায়িত্ব নিলেন ২০তম প্রধান প্রকৌশলী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নতুন নেতৃত্ব পেল। সংস্থাটির ২০তম প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রকৌশলী জাবেদ করিম।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রধান প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন অবসরে যাওয়ার পর ২৬ অক্টোবর থেকে ১০ কার্যদিবস এলজিইডি প্রধানবিহীন ছিল। অবশেষে প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (গ্রেড–৩) জাবেদ করিমকে রুটিন দায়িত্বে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এতে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

প্রকৌশল পরিবারে বেড়ে ওঠা জাবেদ করিম সহকর্মীদের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। বিদেশি অনুদাননির্ভর প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তাঁর রয়েছে বিশেষ পারদর্শিতা। তাঁর নেতৃত্বে এলজিইডির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থাকায়, কর্মকর্তারা আশা করছেন তাঁর নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।




এলজিইডিতে ফিরোজ আলমের দাপট: অনিয়মের পাহাড়ে ঘেরা প্রকৌশল অফিস

বিশেষ প্রতিনিধিঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ঘিরে আবারও উঠেছে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ। আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফিরোজ আলম তালুকদার। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ রাজিবকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্পে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।

সূত্র জানায়, ফিরোজ আলম তালুকদার ও রাজিব একসঙ্গে মিলে একপ্রকার ‘লুটের রাজত্ব’ গড়ে তুলেছিলেন। শেখ রাজিবের স্ত্রী পুলিশ সদস্য হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণভবনে দায়িত্বে ছিলেন। তার প্রভাবের কারণে অফিসের অনেকেই রাজিবের মুখের কথাকেই “গণভবনের নির্দেশ” বলে ধরে নিত। এই সম্পর্কের সুযোগে ফিরোজ-রাজিব জুটি বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাবেক আওয়ামী সরকারের পতনের পর তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। এলজিইডি ভবনের কর্মচারী ও ঠিকাদাররা ফিরোজ আলম তালুকদারকে লাঞ্ছিত করে অফিস থেকে বের করে দেয়। এমনকি তার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাও ঘটে বলে জানা যায়। ওই সময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে তিনি গোপনে মাঝে মাঝে অফিসে যেতেন। বর্তমানে তাকে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একাধিক প্রকল্পে অনিয়মের প্রমাণ। GDP-03 প্রকল্পের অধীনে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দেবীনগর আজর আলী মোল্লার বাড়ি থেকে হাশেম মাদবর-করিম মোল্লা সড়কের (দৈর্ঘ্য ৬৩০ মিটার) ঠিকাদার ছিলেন মেসার্স নুর এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর গাজী হাফিজুর রহমান। প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ৬৭,০০,০০০ টাকা হলেও কাজ না করেই অতিরিক্ত ৩৭ লাখ টাকা বিল তোলা হয়। এ ঘটনায় উপসহকারী প্রকৌশলী শেখ রাজিব ও নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আলম তালুকদারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

তাছাড়া, IRIDP-3 প্রকল্পের অধীনে দোহার উপজেলার রাধানগর কৃষ্ণদেবপুর স্যাটেলাইট স্কুল সড়কের কাজের দায়িত্বে ছিল বিসমিল্লাহ কনস্ট্রাকশন, যার প্রোপাইটর আবুল কালাম আজাদ। ১ কোটি ২২ লাখ টাকার এই কাজেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। নির্ধারিত সময়ের আগেই ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা হলেও কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়, ফলে প্রকল্পটি ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বাতিল করা হয়।

এ ছাড়া নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা-বারুয়া খালি শিকারীপাড়া রোড উন্নয়ন প্রকল্পেও অনিয়মের প্রমাণ মেলে। এস এম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটর সাইফুল ইসলামের নামে ৯২০,৭৮,৫৩,৩০০ টাকার কাজের চুক্তি হয়। কিন্তু কাজ শুরু না করেই ৩২ লাখ টাকা অগ্রিম বিল নেওয়া হয়। সময়মতো কাজ সম্পন্ন না করায় ৪ মে ২০২৫ তারিখে এই প্রকল্পও বাতিল করা হয়।

এলজিইডি সদর দপ্তরের কর্মীদের দাবি, বর্তমানে ফিরোজ আলম তালুকদার রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে নানা তদবির বাণিজ্যে লিপ্ত রয়েছেন এবং বিরোধীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।




ধামরাইয়ে সাহসী পুলিশ অফিসার জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ২৫ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত রিপন গ্রেপ্তার

সুমন খানঃ সাহসী অফিসার এস.আই মোঃ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে, ধামরাইয়ে আবারও প্রমাণ হলো, আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কেউ রেহাই পায় না।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ধামরাই থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন হোসেন (৩৫) গ্রেপ্তার হয়েছেন। অভিযানটি পরিচালনা করেন ধামরাই থানার সাহসী ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা এস.আই (নিঃ) মোঃ জিয়াউর রহমান, বিপি-৮৪০৩০৪৮২৩৪। তাকে সহায়তা করেন কং/৭৬৩ আলিমুল হক ও কং/২০১৬ আবু আনছারসহ থানার একটি চৌকস টিম।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর লোকাল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রিপন পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা দক্ষতার সঙ্গে তাকে আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (ওজন ২.৫ গ্রাম) উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৭,৫০০ টাকা।জিজ্ঞাসাবাদে রিপন স্বীকার করে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করে আসছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রিপনের বিরুদ্ধে পূর্বেও পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। এবারে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

এস.আই মোঃ জিয়াউর রহমানের দৃঢ় অবস্থান

মাদকবিরোধী এই অভিযানে নেতৃত্বদানকারী অফিসার এস.আই (নিঃ) মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, ধৃত রিপন একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সমাজ থেকে মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ধামরাইকে মাদকমুক্ত করার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

জনগণের আস্থা ফিরে আসছে পুলিশের প্রতি,ধামরাইয়ে একের পর এক সফল অভিযানে পুলিশের প্রতি জনসাধারণের আস্থা ও সমর্থন বাড়ছে। স্থানীয়রা বলেন, এস.আই জিয়াউর রহমানের মতো সাহসী ও নির্ভীক কর্মকর্তার কারণে ধামরাইয়ে অপরাধীরা আর নিরাপদ নয়।

মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলে ধামরাই থানা পুলিশের এই ধারাবাহিক অভিযান এলাকায় প্রশংসিত হচ্ছে।

মাদক সমাজের শত্রু—এর শিকড় উপড়ে ফেলতে হলে এমন সাহসী উদ্যোগ ও পুলিশের সততা আরও বিস্তৃত হোক,এটাই এখন এলাকার মানুষের প্রত্যাশা।




পাঁচ ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত

ডেস্ক নিউজঃ একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর আগেই বিনিয়োগকারীদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় বলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। বিএসইসি-র এই সিদ্ধান্তের ফলে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক—এই পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন আজ থেকে বন্ধ থাকবে।

বুধবার এই পাঁচটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তাদের দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংকগুলোতে প্রশাসকও নিয়োগ দেয়। গতকাল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকগুলোর শেয়ারের মূল্য ‘শূন্য’ ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ব্যাংকগুলোর বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতিতে শেয়ারধারীরা কোনো অর্থ পাবেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের এই ঘোষণার পর গতকাল বিকেল থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। আজ লেনদেন শুরুর আগেই বিএসইসি ব্যাংক পাঁচটির লেনদেন স্থগিতের কথা জানালো।

তবে শেয়ারবাজার–সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএসইসি বেশ বিলম্ব করেছে, ফলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মত, সরকারের পক্ষ থেকে যখন এসব ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তখন বিএসইসি ব্যাংকগুলোর লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিলে নতুন করে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতেন না।




আরও দুই দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবে বাংলাদেশিরা

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশের কূটনৈতিক, অফিসিয়াল ও সার্ভিস পাসপোর্টধারীদের জন্য তিমুর ও লেস্তে দেশে ভিসা অব্যাহতির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে এই পাসপোর্টধারীরা এখন থেকে উক্ত দুই এশীয় দেশে ভিসা ছাড়া যাতায়াত করতে পারবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষে বাংলাদেশের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতির চুক্তি করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ এশিয়ার ২১টি, ইউরোপের ৪টি, আফ্রিকার ১টি এবং আমেরিকার ৩টি দেশসহ মোট ২৯টি দেশের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতির চুক্তি করেছে।