আজকের স্বর্ণের বাজারদর প্রকাশিত, ভরিতে নতুন দাম নির্ধারণ

বাণিজ্য ডেস্কঃ দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বুধবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ নতুন দাম কার্যকর হয়। আজ বৃহস্পতিবারও একই দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ৯ এপ্রিল সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।




টাইম ১০০ প্রভাবশালী তালিকায় ‘ব্ল্যাকপিঙ্ক’ জেনি

বিনোদন ডেস্কঃ প্রভাবশালী মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম’-এর ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন কে-পপ সেনসেশন ও ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য জেনি। এ বছর এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় একমাত্র কে-পপ শিল্পী এবং একমাত্র দক্ষিণ কোরীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্থান পেয়েছেন তিনি।

জেনির এই অর্জন বিশ্বজুড়ে কে-পপ সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং একক শিল্পী হিসেবে তার অনন্য উচ্চতাকেই পুনর্নিশ্চিত করেছে। টাইম ম্যাগাজিনের ‘আর্টিস্ট’ ক্যাটাগরিতে লুক কম্বস এবং ডাকোটা জনসনের মতো বৈশ্বিক তারকাদের পাশাপাশি জেনির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

জেনির এই সাফল্যের নেপথ্যে গত এক বছরে তার অভাবনীয় সব রেকর্ড ও সৃজনশীল কাজ বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রুবি’ বিশ্বজুড়ে মিলিয়ন কপির বেশি বিক্রি হয়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ অ্যালবাম চার্টে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা কোরীয় একক শিল্পীর মর্যাদা পান। এ ছাড়া একই সময়ে বিলবোর্ড হট ১০০-তে তার তিনটি গান স্থান করে নেওয়া ছিল একটি বিরল ঘটনা। ডেম ইম্পালার সঙ্গে ‘ড্রাকুলা’ রিমিক্স সংস্করণে তাঁর উপস্থিতি তাকে প্রথম নারী কে-পপ একক শিল্পী হিসেবে বিলবোর্ড রক ও অল্টারনেটিভ এয়ারপ্লে চার্টের সেরা দশে জায়গা করে দেয়।

টাইম ম্যাগাজিনের এই বিশেষ সংখ্যায় জেনির ওপর আলোকপাত করতে গিয়ে জনপ্রিয় গায়িকা গ্রাসি আব্রামস তাকে এক জাদুকরী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আব্রামস লিখেছেন যে, লাখো ভক্তের সামনে মঞ্চে পারফর্ম করা হোক কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় কথা বলা—জেনি তার চারিত্রিক উষ্ণতা ও মায়াবী আকর্ষণে যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারেন। তার মতে, জেনির এই অভ্যন্তরীণ শক্তিই তাকে একজন সত্যিকারের বৈশ্বিক তারকায় পরিণত করেছে।

ভক্ত ও সমালোচকদের মতে, জেনির এই স্বীকৃতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্ব পপ সংস্কৃতিতে দক্ষিণ কোরীয় শিল্পীদের দাপটের একটি বড় নিদর্শন। ব্ল্যাকপিঙ্কের সদস্য থেকে শুরু করে ফ্যাশন আইকন এবং এখন একক শক্তিতে বিশ্ব কাঁপানো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে জেনির এই বিবর্তন বর্তমান প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাইম ১০০-র মতো তালিকায় তার এই অন্তর্ভুক্তি প্রমাণ করে যে, সাংস্কৃতিক প্রভাব ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে জেনি এখন এক অনস্বীকার্য নাম।




অনেক সিনেমা থেকে বাদ পড়ার অভিজ্ঞতা জানালেন প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন ডেস্কঃ বলিউড থেকে হলিউডে সফল ক্যারিয়ার গড়া অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাকে বারবার প্রত্যাখ্যান ও নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বলিউডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তার ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল এবং কখনো কখনো তিনি মানসিকভাবে ভেঙেও পড়েছিলেন।

প্রিয়াঙ্কা জানান, একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও সহ-অভিনেতার আপত্তির কারণে তাকে সেই প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়। শুটিং চলাকালেই সেটে এসে তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

স্বজনপোষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরুতে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তার ভাষায়, ‘আমি ভাবতাম সবাই নিজের সন্তানের ভালো চায়, পরে ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব রাজনীতি বুঝতে পারি।’

ক্যারিয়ারের শুরুতেই একাধিকবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় তিনি একসময় পেশা পরিবর্তনের কথাও ভেবেছিলেন বলে জানান এই অভিনেত্রী। তবে শেষ পর্যন্ত অভিনয়ের প্রতি আগ্রহই তাকে ধরে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পরও পরে জানানো হয়েছে, তাকে আর প্রয়োজন নেই।




সাবানের মোড়কে তামান্নার ছবি, ক্ষতিপূরণ দাবি খারিজ

বিনোদন ডেস্কঃ বিজ্ঞাপন এবং ব্যক্তিগত স্বত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগে আইনি লড়াইয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। একটি সাবান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা ১ কোটি রুপির ক্ষতিপূরণ মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন মাদ্রাজ হাইকোর্ট। পাওয়ার সোপস লিমিটেড নামক একটি কোম্পানি তামান্নার ছবি অনুমতি ছাড়াই তাদের পণ্যের প্রচারণায় ব্যবহার করেছে—এমন অভিযোগ তুলেই এই আইনি লড়াই শুরু করেছিলেন অভিনেত্রী।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, তামান্না প্রথমে নিম্ন আদালতে দাবি করেছিলেন যে, সংস্থাটি তার ছবি ব্যবহারের কোনো বৈধ অনুমতি না নিয়েই বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে, যা তার ব্যক্তিগত প্রচারণার অধিকার বা ‘পারসোনালিটি রাইটস’ লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু সেখানে তার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তিনি মাদ্রাজ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্ট তার সেই আপিলটিও গুরুত্ব সহকারে বিচার করার পর সম্প্রতি রায় দিয়েছেন যে, নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য পর্যাপ্ত কোনো যুক্তি বা তথ্যপ্রমাণ অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে তামান্নার ১ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সব পথ আপাতত বন্ধ হয়ে গেল।

তামিল, তেলেগু ও হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রভাবশালী এই অভিনেত্রীর জন্য আদালতের এই রায় বড় এক নেতিবাচক ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তারকাদের ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র কতটা স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন, এই রায় তা আবারও মনে করিয়ে দিল। একইসঙ্গে এই মামলাটি প্রমাণ করেছে যে, কেবলমাত্র অভিযোগ নয়, বরং অননুমোদিত ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট ও জোরালো প্রমাণ ছাড়া আদালতে এমন দাবি প্রতিষ্ঠা করা কঠিন।

তবে আইনি জটিলতার এই ধাক্কা কাটিয়ে তামান্না বর্তমানে তার হাতে থাকা একাধিক নতুন প্রজেক্টের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই রায়ের ফলে ভারতের বিনোদনজগতে সেলিব্রিটি ইমেজ রাইটস বা তারকাদের ছবি ব্যবহারের স্বত্ব নিয়ে চলমান বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।




নতুন গল্প নিয়ে ফিরছে ‘সাইয়ারা’ নির্মাতারা

বিনোদন ডেস্কঃ রোমান্টিক-মিউজিক্যাল ছবিতে মোহিত সুরির সাফল্য ঈর্ষণীয়। গত বছর ‘সাইয়ারা’ বানিয়ে বাজিমাত করেছেন বক্স অফিসে। ছবিটিতে অভিষেক হয় আহান পাণ্ডে ও অনীত পড্ডার। রাতারাতি তারা বনে যান তারকা।

বছর না ঘুরতেই ফের মোহিতের ছবিতে আহান ও অনীত। এবারও প্রেমের গল্পই তুলে আনবেন তারা। ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে খবরটি জানিয়েছে বলিউড হাঙ্গামা।

সূত্রের মতে, প্রেমের গল্প হলেও এটি ‘সাইয়ারা’ থেকে একদমই আলাদা। ফের মোহিতের ছবিতে অভিনয়ের ব্যাপারে আহান ও অনীত দুজনেই ভীষণ আগ্রহী। প্রযোজনায় আছে যশরাজ ফিল্মস।

নতুন ছবিটি  নির্মাতা মোহিত সূরি বলেন, আমি সবসময় প্রেমের গল্প বলতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এমন গল্প, যেখানে আবেগ এতটাই তীব্র যে তা উপেক্ষা করা যায় না। এই ছবিতেও সেই গভীর অনুভূতির গল্পই তুলে ধরার চেষ্টা করছি। একই টিম নিয়ে আবার কাজ করতে পারা আমার জন্য বিশেষ কিছু।

প্রযোজক অক্ষয় বিধানি বলেন, মোহিতের সঙ্গে আমাদের কাজের সম্পর্ক শুধু সিনেমা বানানো নয়, বরং এমন অনুভূতির খোঁজ করা যা দর্শকের মনে দীর্ঘদিন থেকে যায়। সাইয়ারা আমাদের জন্য তেমনই একটি অভিজ্ঞতা ছিল। এবার আমরা আরও গভীর, আরও সুন্দর একটি গল্প তুলে ধরতে চাই।

বর্তমানে আহান কাজ করছেন আলী আব্বাস জাফরের একটি ছবিতে, যেখানে তাঁকে গ্যাংস্টার চরিত্রে দেখা যাবে। এর শুটিং শেষে আগস্ট নাগাদ মোহিতের নাম চূড়ান্ত না হওয়া ছবিটি শুরু হবে।




‘টাইম ১০০’ তালিকায় জায়গা পেলেন রণবীর কাপুর

বিনোদন ডেস্কঃ বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের নিয়ে প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘টাইম ১০০’ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুর। তার সঙ্গে তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন প্রখ্যাত শেফ বিকাশ খন্না এবং প্রযুক্তি জগতের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব সুন্দর পিচাই।

বিনোদন, রন্ধনশৈলী ও প্রযুক্তিতে অবদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ় করলেন এই তিনজন। অর্থনীতি, ক্রীড়া, শিল্প ও প্রযুক্তির বিশ্বসেরা ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এক কাতারে উঠে এসেছে তাদের নাম।

রণবীর কাপুরের এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়ে অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা বলেন, ‘কিছু অভিনেতা উত্তরাধিকার সূত্রেই নিজের ঐতিহ্য বজায় রাখেন। আর কিছু অভিনেতা তাঁদের কাজ দিয়ে নিজেই একটি ইতিহাস হয়ে ওঠেন। রণবীর দ্বিতীয় ঘরানার।’

তিনি আরও বলেন, রণবীর শুধু একজন তারকা নন, বরং একজন বিশ্বমানের গল্পকার, যিনি ভারতীয় সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরেছেন। বর্তমানে ‘রামায়ণ’ প্রজেক্টে যুক্ত থাকা রণবীরকে তিনি ভারতের ‘সাংস্কৃতিক সেতু’ বলেও উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, তালিকায় জায়গা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শেফ বিকাশ খন্না। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এ আমাদের ঐতিহ্যের জয়, যা বিশ্ব জুড়ে সমাদৃত। আমি আশা করি এই সম্মান আমার দেশের মানুষকে তাঁদের স্বপ্নপূরণ করতে এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করতে অনুপ্রাণিত করবে।’ এই সাফল্যের কৃতিত্ব তিনি তাঁর ঠাকুরমা, মা ও বোনকে উৎসর্গ করেন।

প্রযুক্তি খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছেন গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাইও।

এবারের ‘টাইম ১০০’ তালিকায় আরও রয়েছেন ফ্যাশন জগতের রালফ লরেন, হলিউড অভিনেত্রী কেট হাডসন, অভিনেতা ইথান হক এবং মহাকাশচারী মার্ক কেলির মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা।




অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ চালু করছে বিসিবি

খেলাধুলা ডেস্কঃ বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমান জাতীয় দলের অধিনায়কদের সম্মান জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খানের উদ্যোগে চালু হচ্ছে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ হস্তান্তর অনুষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজন করা হবে ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড হস্তান্তর অনুষ্ঠান’। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়ে গর্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা বিশিষ্ট পুরুষ ও নারীদের হাতে ক্রিকেটারদের জন্য একটি স্পেশাল এডিশন প্রিভিলেজ কার্ড তুলে দেবেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল খান।’

এই কার্ডের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও জানা গেছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া সব অধিনায়কই এই কার্ড পাবেন। এটি মূলত একটি বিশেষ প্রবেশপত্র হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে তারা দেশের সব মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখতে পারবেন।

একজন সাবেক অধিনায়ক জানান, ‘তামিম ফোন করেছিল কয়েক দিন আগে। বিস্তারিত কিছু বলেনি, শুধু বলেছে যে অধিনায়কদের নিয়ে ছোট একটি আয়োজন আছে। অবশ্যই যেন উপস্থিতি থাকি। খুব আন্তরিকভাবে বলেছে, আমিও কথা দিয়েছি যে থাকব। পরে বিসিবি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’

সাধারণত বিসিবির পক্ষ থেকে সাবেক অধিনায়কদের ম্যাচ টিকিট দেওয়া হয়। তবে এবার তাদের বিশেষ মর্যাদা দিতে আলাদা এই ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দেশের সাবেক ও বর্তমান সব অধিনায়ক, যারা অন্তত একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা এই কার্ডের আওতায় থাকবেন।




মেসির অনুপস্থিতিতে ভেনিজুয়েলা ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক, আদালতে মামলা

খেলাধুলা ডেস্কঃ লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা। গত বছরের একটি প্রীতি ম্যাচে মেসির অংশ না নেওয়াকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির দাবি তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম টিএমজেড-এর বরাত অনুযায়ী, মায়ামিভিত্তিক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ভিআইডি জানায়, গত বছরের অক্টোবরে ভেনিজুয়েলা ও পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের জন্য এএফএর সঙ্গে প্রায় ৭০ লাখ ডলারের চুক্তি হয়েছিল। চুক্তিতে শর্ত ছিল, চোটে না থাকলে মেসিকে প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ৩০ মিনিট খেলতে হবে।

তবে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচে মেসি মাঠে না নামায় চুক্তি লঙ্ঘন হয়েছে বলে দাবি করছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি। তাদের অভিযোগ, মেসি খেলার পরিবর্তে ভিআইপি বক্সে বসে ম্যাচ উপভোগ করেন, যা তাদের বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। টিকিট ফেরত দেওয়া এবং স্পনসর চুক্তি বাতিল হওয়ায় কয়েক মিলিয়ন ডলারের লোকসান হয়েছে বলে দাবি তাদের।

ঘটনার পরদিন মেসি ইন্টার মায়ামির হয়ে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে মাঠে নেমে জোড়া গোল করেন। এ কারণে আয়োজকদের দাবি, তিনি শারীরিকভাবে খেলতে সক্ষম ছিলেন, তবুও জাতীয় দলের ম্যাচে অংশ নেননি।

অন্যদিকে, পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে মেসি মাঠে নেমে দুটি অ্যাসিস্ট করেন এবং আর্জেন্টিনা ৬-০ গোলে জয় পায়। তবে আয়োজক সংস্থার দাবি, ততক্ষণে তাদের ক্ষতি হয়ে গেছে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচের ভেন্যু শিকাগো থেকে ফোর্ট লডারডেলে সরিয়ে নেওয়া হয় টিকিট বিক্রি কম হওয়ার কারণে, যা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, ক্ষতি পুষিয়ে দিতে চীনে ভবিষ্যৎ ম্যাচ আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ বিষয়ে এখনো মেসি বা আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




প্রথমবার বিশ্বকাপ ফাইনালে হাফটাইম শো আনছে ফিফা

খেলাধুলা ডেস্কঃ আগামী দু মাস পর যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হাফটাইম শো অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

এবারই প্রথমবারের মতো ৪৮ টি দেশের অংশগ্রহণে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেমাফর ওয়ার্ল্ড ইকোনমি সামিটে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইনফান্তিনো বলেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিউ জার্সিতে একাধিক শিল্পির অংশগ্রহণে বিশ্বকাপ ফাইনালে আমরা হাফটাইম শো আয়োজন করব।

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। মধ্যবিরতিতে হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠানকে বড়সড় সংগীত আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইনফান্তিনো জানান, ব্রিটিশ পপ ব্যান্ড কোল্ডপ্লে এবং তাদের প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিন অনুষ্ঠানটি সাজানোর দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি বলেন, এখনই কারা পারফর্ম করবেন তা বলতে পারছি না, তবে একাধিক শিল্পী থাকবেন। এটি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শো; দারুণ কিছু।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়াপ্রেমীরা হাফটাইম শোর সঙ্গে পরিচিত, বিশেষ করে সুপারবোলের মাধ্যমে। তবে ফিফার এই উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে এই ধরনের আয়োজনের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফুটবলে অবশ্য ১৫ মিনিটের বিরতিতে সংগীত পরিবেশনা খুবই বিরল। এর অন্যতম কারণ, অনেক সমর্থক এই ধরনের বিনোদন পছন্দ করেন না। ২০১৭ সালে ডিএফবি কাপ ফাইনালে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের ম্যাচে জার্মান পপ তারকা হেলেন ফিশারকে দিয়ে হাফটাইম শো করানো হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ সামনে রেখে ইনফান্তিনো প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আপনি যাদের কল্পনা করতে পারেন, এমন সব তারকারা উপস্থিত থাকবেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি টম ব্র্যাডি এবং শ্যাকুয়েল ও’নিলের নাম উল্লেখ করেন। দুজনই ইতোমধ্যে গ্রুপ পর্বের ড্র অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তারা এটা ভীষণ উপভোগ করেন।




২০২৭ বিশ্বকাপে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন মিরাজ

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার পথ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয় বলেও স্বীকার করেছেন তিনি।

ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ রয়েছে নবম স্থানে। আগামী বছরের ৩১ মার্চের র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার দল নির্ধারিত হবে। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া শীর্ষ আট দল সরাসরি সুযোগ পাবে মূল পর্বে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে মিরাজ বলেন, ২০২৭ বিশ্বকাপ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার অংশ এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই সেখানে পৌঁছানোর মূল চাবিকাঠি।

তিনি বলেন, ‘২০২৭ বিশ্বকাপ অবশ্যই একটা প্রক্রিয়ার ব্যাপার এবং লম্বা সময়ের ব্যাপার। তখন পর্যন্ত যেতে গেলে কিন্তু প্রক্রিয়াটা ধরে রাখতে হবে এবং সিরিজ ধরে ধরে ভালো খেলতে হবে। গত দুটি সিরিজ আমরা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলেছি, প্রক্রিয়াটা ভালো ছিল এবং ক্রিকেটাররাও অনেক আত্মবিশ্বাসী।’

মিরাজ আরও বলেন, দলের প্রতিটি ক্রিকেটার ব্যক্তিগত উন্নতির পাশাপাশি দলীয় পারফরম্যান্সে মনোযোগ দিচ্ছেন।

তার ভাষায়, ‘প্রত্যেকটা ক্রিকেটারই চেষ্টা করছে, ব্যক্তিগতভাবে তারা কীভাবে উন্নতি করতে পারে। আমরা ওভাবেই অনুশীলন করছি। ম্যাচে যেন আমরা ওভাবে খেলতে পারি, সেভাবেই আমাদের ফিডব্যাক দেওয়া হচ্ছে।’

দীর্ঘমেয়াদে অধিনায়কত্ব পাওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন মিরাজ। তার মতে, এটি দল গঠনে ও স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, ‘লম্বা সময়ের জন্য একজন অধিনায়ক যদি থাকে, একটা দলকে খুব ভালোভাবে বন্ডিং করাতে পারে। সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আমি বলি না যে কাউকেই দায়িত্ব দেওয়া হোক। কারণ দিন শেষে তার জন্য অনেক কঠিন একটা দলকে বন্ডিং করানো। কাজেই আমার কাছে মনে হয় এটা একটা ইতিবাচক দিক।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি খুব ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে পারব প্রত্যেকটি সিরিজ। কোন কন্ডিশনে আমরা খেলব এবং ক্রিকেটাররাও মানসিকভাবে মুক্ত থাকবে যে আমরা কার নেতৃত্বে খেলব।’

সবশেষ দুটি সিরিজে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলেও জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘আমি অবশ্যই অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বাস রাখি, আমাদের যে দলটা আছে আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলছি এবং আমরা ভালো একটা ফল করতে পারব। আমরা যদি সবাই একসঙ্গে ভালো ক্রিকেট খেলি, যার যার জায়গায় পারফর্ম করার চেষ্টা করি, তাহলে আমাদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যাবে।’