সাগরে ফের লঘুচাপ, ২ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

আবহাওয়া ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় মোন্থা বিদায় নিতেই বঙ্গোপসাগরে আবার লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে।ফলে দেশের দুই বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। একইসঙ্গে এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে লঘুচাপটি আছে। এ লঘুচাপ বাংলাদেশ-মিয়ানমার উপকূলের দিকে আসতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও দিনে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আজ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এই লঘুচাপটি ঘনীভূত হতে পারে। পরে এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। আর এর প্রভাবে বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে আজ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানেও বৃষ্টি হতে পারে।

লঘুচাপটির গতিপথই বলে দিচ্ছে, এটি চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে আসছে। আর এ কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে।

এবারের লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু- এ প্রশ্নের জবাবে হাফিজুর রহমান বলেন, রাজধানীতে আগামীকাল বুধবার বা এর পরদিন সামান্য বৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে, গত ২৮ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় মোন্থা আঘাত হানে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টিপাত পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। এতে ফসলের ক্ষতিও হয়। রাজধানীতে মোন্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হয়। গত শনিবার রাজধানীতে ৯ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।




জলবায়ু অর্থায়নে ৮৯১ প্রকল্পে ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়নে ৮৯১ প্রকল্পে ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় তহবিলের (বিসিসিটি) বরাদ্দের ৫৪ শতাংশে দুর্নীতি হয়েছে। ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে মোট ৮৯১টি প্রকল্পে সংঘটিত দুর্নীতির পরিমাণ ২৪৮ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ হাজার ১১০ দশমিক ৬ কোটি টাকার সমান।

আরও বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিটি) থেকে মোট ৪৫৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ বরাদ্দ দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ড ও কারিগরি কমিটির সদস্যদের যোগসাজশে এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্প অনুমোদনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। অথচ তহবিল ব্যবস্থাপক হিসেবে বিসিসিটির কর্মকর্তারা এসব অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রয়োজন ১২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তহবিল মিলিয়ে বছরে গড়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ৮৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, যা প্রয়োজনের মাত্র শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ।

জাতীয় তহবিল থেকে বরাদ্দ প্রতিবছর গড়ে ৮ দশমিক ২ শতাংশ হারে হ্রাস পাচ্ছে, যদিও আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে বরাদ্দ বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ হারে। তবে এই বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি বছর জলবায়ু ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। কিন্তু ২০০৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আমরা পেয়েছি মাত্র ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যা অত্যন্ত নগণ্য।

দুর্নীতির কারণে জাতীয় তহবিলের ৫৪ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, লুটপাট হয়েছে উল্লেখ করেন তিনি।




এনসিপিসহ ৩ দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিন দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টিকে নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এরপর দাবি-আপত্তি এলে তা নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেয়া হবে।

ইসির নিবন্ধন পেতে ১৪৩ টি দল আবেদন করে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২২ দলের মাঠ মাঠ পর্যায়ে তদন্ত পাঠায় নির্বাচন কমিশন। এরপর মাঠ পর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।




টানা কমছে দেশের রপ্তানি আয়, সামনে আরও কমার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টানা তৃতীয় মাসের মতো অক্টোবরেও কমেছে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয়। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই হ্রাসের হার ৭.৪৩ শতাংশ। রপ্তানিকারকরা আশঙ্কা করছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক এবং ব্যাংক খাতের চলমান সংকটের কারণে সামনের মাসগুলোতেও রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাবে না।

এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ ৩.৬৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ৪.১৩ বিলিয়ন ডলারের ছিল। তবে সেপ্টেম্বারের তুলনায় অক্টোবরে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত শুল্ক এবং ইউরোপের প্রধান বাজারে চীনের সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের অর্ডারও কমছে। এছাড়া সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার জটিলতাও রপ্তানি কমার একটি কারণ।

ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এম.এ. রহিম ফিরোজ বলেন, “আমাদের অর্ডার আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। বড় ক্রেতারাও অর্ডার কমিয়েছে। এর ফলে নিটিং ও ডাইং ইউনিটের কাজও কমে গেছে। আগামী নির্বাচনের আগে অর্ডারের প্রবাহ বাড়ার সম্ভাবনা নেই।”

বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে অর্ধেক পণ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে এবং একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, যা মোট রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৮.৩৯ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী বলেন, “পোশাক রপ্তানি কমার তিনটি প্রধান কারণ—নির্বাচনকালীন অস্থিরতার আশঙ্কায় ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্কের কারণে চীনা রপ্তানিকারকরা ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করার ফলে বাংলাদেশের অর্ডার কমে যাওয়া, এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খুলতে না পারা।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে ক্রেতারা ঝুঁকি নিতে চাইছে না, ফলে অর্ডার কমানো হয়েছে। চীনের রপ্তানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে, যা আমাদের বাজারকে কিছুটা সঙ্কুচিত করছে।”

অন্যান্য রপ্তানিকারকও জানিয়েছেন, সরকারের ঘোষণার পর অনেক আমানতকারী সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন। এতে গার্মেন্টস মালিকরা ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খুলতে পারছেন না। ব্যাংক পরিবর্তন করাও সহজ নয়।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসে কেবল জুলাইয়েই রপ্তানি বেড়েছিল, পরের তিন মাসে টানা হ্রাস দেখা গেছে। তবে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ২.২২ শতাংশ বেড়েছে। এই চার মাসে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি হয়েছে ১৬.১৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫.৭৯ বিলিয়ন ডলার।

অক্টোবর মাসে কেবল তৈরি পোশাক নয়, হিমায়িত ও জীবিত মাছের রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্য ১২ শতাংশ এবং কৃষিপণ্য ১০ শতাংশ। একই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ১৩ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্য ৭ শতাংশ এবং হোম টেক্সটাইল ১৪ শতাংশ।




বিসিএস কর্মকর্তার বাবার পরিচয় যাচাই করতে যাচ্ছে দুদক, করা হবে ডিএনএ পরীক্ষা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামাল হোসেনের বাবা-মায়ের পরিচয় নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যাচাই করতে যাচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মুক্তিযোদ্ধা চাচা মো. আহসান হাবীবকে বাবা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি অর্জন করেছেন।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সাংবাদিকদের জানান, মা-বাবার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে তারা ডিএনএ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মামলায় বলা হয়েছে, মো. কামাল হোসেন তার প্রকৃত বাবা-মা মো. আবুল কাশেম ও মোছা. হাবিয়া খাতুনের পরিবর্তে চাচা-চাচি মো. আহসান হাবীব ও মোছা. সানোয়ারা খাতুনের নাম ব্যবহার করেছেন। এই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং পরে বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সরকারি চাকরি পান।

এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদে তিনি জাল তথ্য ব্যবহার করেছেন। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায়। প্রতারণার মাধ্যমে পিতৃপরিচয় পরিবর্তনের এই অভিযোগ প্রমাণের জন্য দুদক এখন ডিএনএ পরীক্ষা করতে যাচ্ছে।

মামলাটি গত ২৬ ডিসেম্বর দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু দ্বারা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ দায়ের করা হয়।




৭৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডের সাবেক এমডি ও জিএম কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আবছার এবং তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) মো. নাসিবুজ্জামান তালুকদারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শারমিন জাহান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বিজিএফসিএলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) এ টি এম শাহ আলম নিজের জন্মসাল পরিবর্তন করে বয়স জালিয়াতি করেন। তাঁর এনআইডি ও শিক্ষাগত সনদে জন্মসাল ১৯৬১-এর পরিবর্তে ১৯৬২ দেখিয়ে তিনি চাকরির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে নেন। এতে তিনি ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর অবসরের সময় অতিক্রম করার পরও অতিরিক্ত এক বছর কর্মরত থেকে প্রায় ৭৪ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি বেতন ও ভাতা আত্মসাৎ করেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে বিজিএফসিএল একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে প্রতারণার প্রমাণ মেলায় বোর্ড সভায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, এ টি এম শাহ আলমকে এই প্রতারণায় সহযোগিতা করেছিলেন তৎকালীন এমডি নুরুল আবছার ও জিএম (প্রশাসন) মো. নাসিবুজ্জামান তালুকদার।

ঘটনার পর বিজিএফসিএলের তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল বাসার মিজি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি এ টি এম শাহ আলম মামলা হওয়ার পরপরই দেশ ত্যাগ করেন। অপর দুই আসামি উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন, তবে সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের অতিরিক্ত পিপি মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগগুলো জামিন অযোগ্য ধারার হওয়ায় আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।




হাসপাতালের কোয়ার্টারে ডাক্তারের ব্যক্তিগত চেম্বার: তাড়াইলে দুদকের অভিযানে অনিয়মের চিত্র

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিমের অভিযানে বেরিয়ে এসেছে একের পর এক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা। ছদ্মবেশে পরিচালিত এই অভিযানে টিম দেখতে পায়, হাসপাতালের এক চিকিৎসক নিজ কোয়ার্টারেই ব্যক্তিগত চেম্বার খুলে রোগী দেখছেন, যা সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আক্তারুল ইসলাম জানিয়েছেন, চিকিৎসাসেবা প্রদানে হয়রানি ও নানা অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে দুদকের কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয় থেকে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় টিম হাসপাতালের বহির্বিভাগে আগত রোগীদের ওষুধ সরবরাহের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে। দেখা যায়, অনেক রোগী ঠিকমতো ওষুধ পাচ্ছেন না। হাসপাতালের খাবারেও অনিয়ম ধরা পড়ে—রোগীদের জন্য নির্ধারিত ১৮০ গ্রামের পরিবর্তে মাত্র ১২৫ গ্রাম মাংস দেওয়া হচ্ছে, ১০০ গ্রামের পাউরুটির পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ৫০ গ্রাম, আর নির্ধারিত ৫০ গ্রাম চিনি দেওয়া হয়নি। রান্নাঘরে ডায়েট চার্ট না থাকা, নোংরা পরিবেশ এবং বাথরুমের অস্বাস্থ্যকর অবস্থা টিমের নজরে আসে।

তাছাড়া, হাসপাতালের প্যাথলজি ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছিল, ওয়ার্ডে বেডশিটগুলো ছিল অপরিচ্ছন্ন। ডিউটি থাকা ডাক্তাররা নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না, ফলে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।

অভিযানে পাওয়া এসব অনিয়মের বিষয়ে দুদক টিম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে টিম একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেবে বলে জানিয়েছে দুদক।




চট্টগ্রাম কাস্টমসে বড় জালিয়াতি: ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার অনুমোদন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দেশের শুল্ক ব্যবস্থার ইতিহাসে আলোচিত “অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম” জালিয়াতি মামলায় বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটি প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কনটেইনার খালাসে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সাবেক ও বর্তমান মোট ১০ জন রাজস্ব কর্মকর্তা এবং পাঁচজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মো. আক্তারুল ইসলাম জানিয়েছেন, কমিশনের অনুমোদন ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে, এবং মামলাটি শিগগিরই দায়ের করা হবে।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— চট্টগ্রাম কাস্টমসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাসুদেব পাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. আব্দুর রাজ্জাক ও দিদারুন নবী। এছাড়া সাবেক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রনি বড়ুয়া ও মো. আরিফুর রহমান, এবং বর্তমান রাজস্ব কর্মকর্তা ফারহানা আকরাম ও মো. মাহবুবুর রহমানকেও মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ী আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— অন্তরা করপোরেশনের মালিক মো. মুশতাক খান, মেসার্স এ. অ্যান্ড জে. ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অংশীদার মো. আবদুল জলিল আকন ও মো. আলতাফ হোসেন, মেসার্স প্যান বেঙ্গল এজেন্সির মো. সেলিম, এবং জিআর ট্রেডিং করপোরেশন সিঅ্যান্ডএফ লিমিটেডের মালিক মো. আব্দুল রহিম।

দুদক জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব ধারায় আত্মসাৎ, প্রতারণা, জাল নথি প্রণয়ন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থপাচারের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে “অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম” হ্যাকিংয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তদন্তে জানা যায়, কাস্টমস কর্মকর্তারা সফটওয়্যারের দুর্বলতা ও অভ্যন্তরীণ যোগসাজশ কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চার হাজারেরও বেশি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে অসংখ্য কনটেইনার অবৈধভাবে খালাস করেন। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়।

বহু বছর অনুসন্ধানের পর অবশেষে মূল জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। সংস্থাটির মতে, এই পদক্ষেপ দেশের কাস্টম প্রশাসনে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।




ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন: ত্যাগী নেতার হাতে দলের আস্থা ও আশার প্রতীক

এসএম বদরুল আলমঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ঢাকা-১৫ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দিয়েছে।  
সম্প্রতি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে তার নাম সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়। 
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতেই মিল্টনের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়।

মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মিরপুর, পল্লবী, কাঁচাবাজার, দারুস সালাম ও রূপনগর এলাকায় আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুলের মালা পরিয়ে দেন প্রিয় নেতা মিল্টনের গলায়। পুরো এলাকাজুড়ে স্লোগান ওঠে—
“ঢাকা-১৫ চাই মিল্টনের নেতৃত্বে!”

দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও মাঠসঙ্গী এই নেতা বহু বছর ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।
২০১৪, ২০১৮ সালের নির্বাচনসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে বলছেন,
“এই মনোনয়ন হচ্ছে ত্যাগী নেতৃত্বের প্রতি দলের আস্থার প্রতিফলন।”

মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন—

“এটি শুধু আমার নয়, ঢাকা-১৫ আসনের প্রতিটি নেতাকর্মীর পরিশ্রমের ফসল।
আমি জনগণের ভোটে জাতীয়তাবাদী চেতনার বিজয় নিশ্চিত করতে চাই।”

মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তার নির্বাচনী কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রচার-প্রচারণা, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও টিম গঠনসহ নানা কার্যক্রম চলছে জোরেশোরে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে মিল্টনের নেতৃত্ব নিয়ে দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও উৎসাহ।

তৃণমূল নেতারা আশাবাদী, মিল্টনের নেতৃত্বেই বিএনপি ঢাকা-১৫ আসন পুনরুদ্ধার করবে। তাদের বিশ্বাস—
“জনগণের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই হবে দলের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

চূড়ান্ত মনোনয়নের মধ্য দিয়ে এখন স্পষ্ট হয়েছে,
ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তার নেতৃত্বে মাঠে নেমে পড়েছে দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা, ফিরে এসেছে ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আশা, আস্থা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশা।




ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক, তৃণমূলের ভরসায় নতুন উদ্দীপনা

এসএম বদরুল আলমঃ আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-১৬ আসনে (পল্লবী, রূপনগর, মিরপুর-১১, ১২, ১৪ ও ১৫ এর কিছু অংশ) বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রার্থী হিসেবে আমিনুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, আমিনুল হক দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতিতে নিবেদিতপ্রাণ, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী নেতা হিসেবে কাজ করছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়গুলোতে তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতারা আমিনুল হককে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, মাঠপর্যায়ে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং কর্মীদের একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা বিএনপিকে ঢাকা-১৬ আসনে জয়ের পথে এগিয়ে নেবে। মহানগরের এক সিনিয়র নেতা বলেন,
আমিনুল ভাই আমাদের দলের নির্ভরযোগ্য মুখ। তিনি সব সময় তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন, তাই জনগণের ভালোবাসা তাঁর প্রতি গভীর।

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও আমিনুল হককে ঘিরে আশাবাদ দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন,
যিনি আন্দোলনের দিনেও পাশে ছিলেন, তিনিই আমাদের প্রার্থী — এটাই তৃণমূলের বিজয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই সিদ্ধান্তে ঢাকা উত্তর অঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।

মনোনয়ন পাওয়ার পর আমিনুল হক বলেন,

“আমি কৃতজ্ঞ আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি। তাঁর বিশ্বাস ও দলের ভালোবাসা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি জনগণের পাশে থেকে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী লক্ষ্য হবে একটি নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা গঠন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তৃণমূলের শক্তিকে কাজে লাগানো

ইতিমধ্যে ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। শুরু হয়েছে উঠান বৈঠক, পোস্টার ও ব্যানার তৈরির কাজ, আর বিভিন্ন ইউনিটে কর্মী সভার প্রস্তুতি।

সবমিলিয়ে, বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক এখন এই আসনের রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে। তৃণমূলের একতা, জনআস্থা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাঁকে এই নির্বাচনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরেছে।