ইসলাম গ্রহণ করলেন ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সি

বিনোদন ডেস্কঃ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ র‍্যাপার এবং ‘স্প্রিন্টার’ খ্যাত তারকা সেন্ট্রাল সি। সম্প্রতি এক অনলাইন লাইভস্ট্রিমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কালিমা পাঠ করে শাহাদাহ গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণ হওয়ার পর তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘আখিল’।

ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিমে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। তার আগের নাম ছিল ওকলি নীল সিজার-সু।

লন্ডনের শেফার্ডস বুশ থেকে উঠে আসা এই র‍্যাপার বর্তমানে বিশ্বসংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘PlaqueBoyMax’-এর সাথে একটি লাইভ চলাকালীন তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এখন থেকে তিনি ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। এর আগে সেন্ট্রাল সি তার ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে জনসমক্ষে খুব একটা কথা বলেননি।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করলেও ২০২১ সালের দিকে সেন্ট্রাল সি ইউকে র‍্যাপ জগতে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

প্রথম ব্রিটিশ র‍্যাপার হিসেবে একটি একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড রয়েছে তার। ড্রেক এবং জে. কোল- এর মতো বিশ্বসেরা তারকাদের সাথে কাজ করে তিনি গত কয়েক বছরে সাফল্যের তুঙ্গে রয়েছেন।

নিজের দ্রুত উত্থান সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সবকিছু এতো দ্রুত ঘটছে যে মাঝে মাঝে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে যায়। আমি এতোদিন ধরে এতো দ্রুত দৌড়াচ্ছি যে এসব নিয়ে ভাবার সময়টুকুও পাইনি।

পেশাদার জীবনের এই ব্যস্ততার মাঝে তার এই ব্যক্তিগত এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন ভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তার অনুসারীরা তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। মুসলিম কমিউনিটির পক্ষ থেকে তার এই সিদ্ধান্তকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে।




আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলো শ্রীলঙ্কা

ক্রীড়া ডেস্কঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে ফিল্ডিংয়ের ভয়াবহ ব্যর্থতাকে কাজে লাগিয়ে সহজ জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আইরিশদের হাতছাড়া করা চারটি ক্যাচ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাজে ফিল্ডিংয়ের সুযোগ নিয়ে ২০ রানে জয় নিশ্চিত করে লঙ্কানরা।

জয়ের জন্য ১৬৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে আয়ারল্যান্ড এক বল হাতে থাকতেই ১৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। এই জয়ের ফলে এই ফরম্যাটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টানা ১১তম জয়ের রেকর্ড ধরে রাখল শ্রীলঙ্কা, যা তাদের বিশ্বকাপের মিশন ২ পয়েন্ট দিয়ে শুরু করতে সাহায্য করেছে।

ম্যাচের শুরুতে আয়ারল্যান্ডের বোলাররা লঙ্কানদের বেশ চাপে রেখেছিলেন। ইনিংসের চার ওভার বাকি থাকতে শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ৪ উইকেটে মাত্র ১০৪ রান। তবে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায় শেষ চার ওভারে, যেখানে আইরিশ ফিল্ডাররা একের পর এক ক্যাচ মিস করতে থাকেন। ১৭তম ওভারে দুটি ক্যাচ ফেলার খেসারত হিসেবে ২১ রান দেয় আয়ারল্যান্ড।

শেষ দিকে কুশল মেন্ডিসের অপরাজিত ৪৩ বলে ৫৬ রান এবং কামিন্দু মেন্ডিসের মাত্র ১৯ বলে ৪৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের ওপর ভর করে ৬ উইকেটে ১৬৩ রানের লড়াকু পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা। আইরিশরা শেষ চার ওভারে ৫৯ রান দিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে শুরু করে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৪৫ রান তুলে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। হ্যারি টেক্টর ও লরকান টাকার এক সময় ম্যাচটি আইরিশদের নাগালে নিয়ে এসেছিলেন। ১৫ ওভার শেষে তাদের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১০৫ রান। কিন্তু লঙ্কান স্পিনারদের জাদুকরী বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে আয়ারল্যান্ডের মিডল ও লোয়ার অর্ডার।

মাত্র ৩৮ রানের ব্যবধানে তারা শেষ ৮টি উইকেট হারায়। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও দুনিথ ভেল্লালাগের স্পিন আক্রমণে টাকার ও টেক্টর ফিরে যাওয়ার পর মাহিশ থিকশানা টানা দুই বলে উইকেট নিয়ে আয়ারল্যান্ডের হার নিশ্চিত করেন।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মাহিশ থিকশানা সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট শিকার করেন। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন কামিন্দু মেন্ডিস। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে বোলাররা শুরুতে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও ফিল্ডিংয়ের চরম বিশৃঙ্খলা ও স্পিন খেলার দুর্বলতা শেষ পর্যন্ত তাদের পরাজয়ের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে গেল লঙ্কান সিংহরা।




ট্রেন চলবে নির্ধারিত শিডিউলে, ছুটি বাতিল পদ্মা এক্সপ্রেসের

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) ট্রেন শিডিউল অনুযায়ী চলাচল করবে। যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে ছুটি বাতিল (মঙ্গলবার) করা হয়েছে ঢাকা-রাজশাহীগামী পদ্মা এক্সপ্রেসের। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের যুগ্ম-মহাপরিচালক (অপারেশন) শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, পদ্মা এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক ছুটি মঙ্গলবার। যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নির্ধারিত ছুটি বাতিল করা হয়েছে। 

অন্যদিকে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে টানা তিন দিন সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। তবে নির্বাচনের দিন চলবে না ক্যাব-মাইক্রোবাস-ট্রাক। রাজধানীতে নির্বাচনের ছুটিতে চলবে মেট্রোরেল।

মোটরসাইকেল: সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ (তিন দিন) সার দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

ক্যাব-মাইক্রোবাস-ট্রাক: একই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ২৪ ঘণ্টা।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিল থাকবে নিষেধাজ্ঞা: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক। জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন। আত্মীয়স্বজনের জন্য বিমানবন্দরে যাওয়া, বিমানবন্দর থেকে যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনসহ নিজ বাসস্থানে বা আত্মীয়স্বজনের বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন (টিকিট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন) এবং দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী বা দূরপাল্লার যাত্রী হিসাবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে)-এর জন্য একটি গাড়ি (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি ছোট আকৃতির যানবাহন) রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন/মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন/রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে/নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য মোটরসাইকেল। টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ছাড়াও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বাইর বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়ক বা এমন সব রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

মেট্রোরেল: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে সব ধরনের যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এ বিধিনিষেধের মধ্যে ঢাকার জনপ্রিয় গণপরিবহন মেট্রোরেলে যাত্রী পরিবহন স্বাভাবিক থাকবে। মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক এ কে এম খায়রুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ ছুটির দিনগুলোয় ঢাকার যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে এবং ভোটপ্রদান সহজ করতে স্বাভাবিক কর্মদিবসের মতোই মেট্রোরেল চলাচল করবে। এক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে যেসব স্টেশনের গেট ভোটকেন্দ্রের একেবারে পাশে অবস্থিত, সেসব গেট বন্ধ রাখা হতে পারে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া বাকি সব গেট খোলা থাকবে। নির্বাচনকালীন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ডিএমটিসিএল ও সংশ্লিষ্ট সবার ছুটি বাতিল করা হয়েছে।




নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ আমরা কেউই চিরস্থায়ী নই। কিন্তু নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, তারা যেন জানে এই দেশ কোথা থেকে এলো, কীভাবে যুদ্ধ হয়েছে। যুদ্ধ তো একটা না, সামনে আরও যুদ্ধ আসবে। আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠককালে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান, বীর উত্তম, ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হুদা, মেজর (অব.) সৈয়দ মুনিবুর রহমান, মেজর (অব.) কাইয়ুম খান, সাদেক আহমেদ খান, হাবিবুল আলম, বীর প্রতীক, মেজর (অব.) ফজলুর রহমান বীর প্রতীক।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান, বীর প্রতীক, মেজর (অব.) সৈয়দ মিজানুর রহমান, পিএসসি, মেজর (অব.) এ কে এম হাফিজুর রহমান, মনোয়ারুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর, সদস্য সৈয়দ আবুল বাশার, সিরাজুল হক, মো. মনসুর আলী সরকার, অনিল বরণ রায়, নুরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ হিল সাফী, জাহাঙ্গীর কবির, প্রকৌশলী জাকারিয়া আহমেদ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে বের করা এবং ভুয়াদের চিহ্নিত করতে উদ্যোগ নেওয়া। বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্ভব শ্রদ্ধা করেন। এ কারণে শ্রদ্ধাকে পুঁজি করে অতীতে অনেকে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছেন। এটা যেন আর ভবিষ্যতে না ঘটে সেই ব্যবস্থা আমাদের করে যেতে হবে। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যখন এটাতে সুযোগ দেখল তখন এটাকেই ব্যবহার করল। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আর প্রতিষ্ঠান থাকল না; খেলার পুতুল হয়ে গেল। খেলার পুতুল থেকে এগুলোকে আবার প্রতিষ্ঠান করাই আমাদের চেষ্টা ছিল।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ড. ইউনূস বলেন, ইতিহাস লিখতে পারা, ইতিহাসের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া একটি পবিত্র কাজ। এটা করতে পারা অত্যন্ত গর্বের। আর কয়েক বছর পর নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু তাদের স্মৃতি আমাদের ধরে রাখতে হবে। এজন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেদিকে আমাদের এখন থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যেন আমাদের জাতির মধ্যে অবিনশ্বর থাকে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, বিগত সরকার মুক্তিযোদ্ধার চেতনার বুলি আওড়িয়ে মানুষের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বঞ্চিত করেছে। অনেক মুক্তিযোদ্ধারা এ নিয়ে মর্মাহত ছিলেন, কষ্টে ছিলেন। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সবাই মিলে জঞ্জালমুক্ত করতে চাইছি। মুক্তিযোদ্ধাদের হারানো ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন, সংস্কার বাস্তবায়ন এবং গণভোটের আয়োজন করায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। তারা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার চিহ্ন থাকবে না। সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে জুলাই সনদ অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানান তারা।

গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে তা হবে দেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে ব্যক্তিগত পরিসরে গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন বৈঠকে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা একেবারে নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে আছি। সংবিধান সংস্কারের একটি সুযোগ আমরা গণ-অভ্যুত্থান থেকে পেয়েছি। সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে ঐকমত্য কমিশন কাজ করেছে। এখন সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের আয়োজন করছে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সংস্কার না হলে, পরিবর্তন না হলে ঘুরে ফিরে একই জায়গায় থেকে যাব, আর বের হতে পারব না।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক নঈম জাহাঙ্গীর বলেন, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপনি আন্তর্জাতিকভাবে যে বলয় তৈরি করেছেন সেজন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভূমিকা, একটা দেউলিয়া অর্থনীতিকে সবল করার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের যুদ্ধ করার লক্ষ্য ছিল দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অর্থনৈতিক মুক্তিলাভ। কিন্তু এখন জনগণ একদিকে, মুক্তিযোদ্ধা একদিকে, স্বাধীনতা আরেকদিকে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অপরাজনীতির কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের আইসোলেট করে ফেলা হয়েছে।

বৈঠকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা আক্ষেপ করে জানান, ১৬ বছরে সম্মান এমনভাবে নষ্ট হয়েছে যে পরিচয় দিতে পারতাম না। মানুষ জিজ্ঞেস করত, আসল না নকল?

ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হুদা বলেন, বাকস্বাধীনতা, ৫৭ বছরে যেটা পাইনি সেটা আপনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। সবাই এখন কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে, নিজেদের নেতা-উপযুক্ত লোক খুঁজে নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত সরকারে যারা এসেছেন মুক্তিযুদ্ধকে টুইস্ট করেছেন। আমরা মতবিনিময় করে সংজ্ঞা পরিবর্তনের সুপারিশ করেছিলাম। আপনি সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করেছেন। আগামীতে কী হবে জানিনা। কিন্তু এখন মুক্তিযোদ্ধাদের ভুল বোঝার যে সুযোগ ছিল আপনার সরকার সেটা দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে; সেজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, আমরা যে বয়সে যুদ্ধ করেছিলাম, চব্বিশে সেই বয়সের ছেলেরাই জুলাই গণঅভ্যুত্থান করেছে। আমাদের মতো এই তরুণরাও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়েছে, পুরানো বয়ান-সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এরা আমাদেরই উত্তরসূরি। অনেকেই একাত্তর-চব্বিশকে মুখোমুখি করতে চায়। তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে।

বৈঠকে তিন সংগঠনের নেতারা তাদের কাজ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরেন। তারা বলেন, গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও অধ্যায়কে এই প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়াই এখন মূল উদ্দেশ্য।

তারা জানান, একাত্তরে সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছিল, কিন্তু এটা জনযুদ্ধও ছিল। সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতিস্মারক সংরক্ষণ ও গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিল হয়েছে। ঘুরে ঘুরে কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদগুলো যাচাই করা হচ্ছে, সবকিছু নোট নেয়া হচ্ছে, জটিলতা চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং কীভাবে এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার হয় তা নিয়ে কাজ চলছে। পরে যারা আসবেন তাদের জন্য একটি ছক ও কর্মপন্থা রেখে যেতে চেষ্টা করবেন বলেও জানান তারা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের শক্ত থাকতে হবে, যেন অতীতের মতো কেউ এসে গন্ডগোল করতে না পারে। যে সম্পদ আছে সেটা যেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে, মানুষ যেন শ্রদ্ধা করতে পারে, স্মরণ করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করতে হবে। দেশের স্থায়ী মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করতে হবে। অর্থের দিক থেকে, সম্পদের দিক থেকে এই সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এটা ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে, কাজের পরিধিও বাড়াতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে কাজ হবে কিন্তু নাগরিক হিসেবেও কাজ করে যেতে হবে। আর কয়দিন পরেই আমি সরকারে থাকব না। এটা আমার জায়গা ছিল না কখনোই। আমি ঘটনাচক্রে জড়িত হয়ে গেছি। তবে আমি নাগরিক হিসেবে আমার কর্তব্য পালন করে যাব।




নির্বাচিত হলে ঢাকা শহরে ৪০টি আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ করবেন: তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানী ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ নির্মাণ করবে এবং নগর উন্নয়ন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাবে, এমন একটি বহুমাত্রিক প্রতিশ্রুতিসহ নির্বাচনী ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে গতকাল রোববার  মিরপুরের ইসিবি চত্বরে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় নির্বাচিত হলে ঢাকা শহরে ৪০টি আধুনিক খেলার মাঠ নির্মাণ করবেন। তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিলেন উন্নত নগর পরিবেশ ও নাগরিক কল্যাণের স্বপ্ন নিয়ে।

তারেক রহমান বলেছেন, যদি বিএনপি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে রাজধানীর যেকোনো এলাকা এবং নির্দিষ্ট নগর শ্রেণীর জন্য কমপক্ষে ৪০টি নতুন খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। এসব মাঠ শিশু ও কিশোরদের জন্য খেলাধুলার পাশাপাশি বয়স্ক এবং নারীদের হাঁটা-চলা, ব্যায়ামের সুবিধা হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তিনি আলোচনায় তুলে ধরেছেন যে ঢাকা শহরের দ্রুত নগরায়ন ও জনঘনত্বের কারণে খোলা স্থান ও মাঠ ক্রমেই কমে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উদ্বেগের বিষয়। নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে ‘স্বাস্থ্যকর ও সামাজিকতর পরিবেশ’ তৈরি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

এছাড়া তারেক রহমান ইসিবি চত্বর থেকে মানিকদী-বালুঘাট হয়ে জসীমউদ্দিন পর্যন্ত মূল সড়কটিকে ৬০ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত করার পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে। এই উন্নয়ন প্রকল্প মূলত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও যানজট হ্রাসের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত। এই প্রতিশ্রুতিগুলো এসেছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) নির্বাচনী প্রচারণার সময়, যেখানে তানিক সময়ের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক অঙ্গীকার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

তারেক রহমান একাধিক জনসভায় অংশ নিয়ে ঢাকাকে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য শহর করার দিকেও পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।  মাঠ নির্মাণ সামাজিক ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত শিশু ও কিশোরদের সার্বিক বিকাশে।

সড়ক সম্প্রসারণ এবং খোলা স্থানের উন্নয়ন ঘনবসতি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি উপকারি হলেও বাস্তবায়ন বাজেট ও ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু প্রাথমিক খটকা সৃষ্টি হতে পারে। এই ধরণের প্রতিশ্রুতি সাধারণত নির্বাচনী সময় ভোটার আকৃষ্টকরণ কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়; বিশেষত যেখানে নগর উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বড় ভোটব্যাঙ্ক আকর্ষণের বিষয়।




কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

আবহাওয়া ডেস্কঃ হালকা কুয়াশা পড়তে পারে নদ-নদী অববাহিকায়। এ ছাড়া আবহাওয়া থাকতে শুষ্ক। রবিবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।




আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই: ঠাকুরগাঁওয়ে তারেক রহমান

মোঃ শফিকুল ইসলামঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাডেট কলেজ, মেডিকেল কলেজ, বিমানবন্দর ও আইটি হাব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও পঞ্চগড়কে শিল্পে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে মানুষের যে অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সেটা ভোটের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেবে। বিগত ১৬ বছর স্বৈরাচার শুধু নিজের স্বার্থ দেখেছে। আমরা জনগণের সমর্থন দিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই।
পঞ্চগড়ে চিনিকল, চা ও রেশন শিল্প চালু করা হবে। জনগণের হারিয়ে যাওয়ার অধিকার ভোগ করার সময় এসেছে।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকা কৃষনির্ভর। কৃষকদের পাশে যেমন দাঁড়াবো তেমনভাবে এই এলাকায় কৃষিনির্ভর শিল্প বিকশিত করবো। যাতে কর্মসংস্থান হয়। বহু যুবক আছে যারা বেকার। যুবকদের ট্রেনং দিয়ে দক্ষ শ্রমিক করতে চাই। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মানুষকে সাথে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগীতা লাগবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনী জনসভায় এক দল আরেক দলের বিপক্ষে কথা বললে জনগণের কোনও লাভ হবে না। জনগণ জানতে চায় আমরা মানুষের জন্য কি করবো। এজন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরেছি। খালেদা জিয়া বলতেন বাংলাদেশ ছাড়া তার আর কোনও ঠিকানা নেই। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী বিশ্বাস করে বাংলাদেশ তাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এজন্য আমরা জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছি। জনগণের শক্তিতে দেশ পুনর্গঠন করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, ২৪ সালে অভ্যুত্থান দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের। ২৪ এও একই। এই দেশে হাজার বছর ধরে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছে। আগামীতেও তাই হবে। ধর্ম দিয়ে কাউকে বিচার করা হবে না।



নৌকা নেই, নিশ্চিত ভোটও নেই: হবিগঞ্জ-০৪ এ অনিশ্চয়তার রাজনীতি

বিশেষ প্রতিবেদকঃ স্বাধীনতার পর থেকে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হবিগঞ্জ-০৪ আসন (চুনারুঘাট–মাধবপুর) এবার একেবারেই ভিন্ন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। নৌকা প্রতীক না থাকায় ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা, কৌতূহল আর চাপা উত্তেজনা। প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার ভোটারের এই আসনে দীর্ঘদিন ধরে নৌকার পক্ষে থাকা একটি বড় অংশ এবার কোন দিকে যাবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

এই আসনের রাজনীতিতে এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শিল্পপতি ও রাজনীতিবিদ এস এম ফয়সল এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইসলামি বক্তা মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। দুজনের প্রচার, বক্তব্য ও সমর্থন ঘিরে শুরু থেকেই চলছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এস এম ফয়সলের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৮ কোটি টাকা হলেও তার বিরুদ্ধে প্রায় ২০০০ কোটি টাকার ঋণের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওপর পেশিশক্তি প্রয়োগ, ভয়ভীতি দেখানো এবং নির্বাচনী মাঠে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া তার পরিবারের একাধিক সদস্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃত্বে থাকায় বিষয়টি নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে এস এম ফয়সলের ভাই এস এম কায়সার যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন—এই ইতিহাস নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও আদালতের রায় কার্যকরের আগেই তিনি কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।

এদিকে এস এম ফয়সলের ভাতিজা সৈয়দ তানভীর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা হওয়ায় এলাকাজুড়ে আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগপন্থী অনেক নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার আতঙ্ক এবং তথাকথিত মামলা-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে এস এম ফয়সলের অনুসারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর মাধবপুর বাজারের স্বর্ণপট্টি এলাকায় এক রাতেই প্রায় ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত বিতর্কিত কিছু নেতাকে নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের মধ্যেও বিভাজন তৈরি, মতের অমিল থাকা সাংবাদিকদের চাপের মুখে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করার কথাও শোনা যাচ্ছে।

অন্যদিকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রার্থী মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি নিজেকে একজন ঋণমুক্ত প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরছেন। তিনি ইসলামি মূল্যবোধ, সংযত ভাষা ও ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তার পক্ষে পীর-মাশায়েখদের সমর্থন এবং সাবেক স্বতন্ত্র এমপি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমনের সমর্থনের কথাও আলোচনায় রয়েছে।

যদিও মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরির স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়, তবুও তিনি হবিগঞ্জ-০৪ আসনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পাচ্ছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে। অনেকের মতে, বহিরাগত হয়েও তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

ইটাখোলা দাখিল মাদ্রাসার এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এস এম ফয়সলের পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতে নিজ দলের লোকজনের ওপরও হামলা, মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। তার মতে, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে এসব নতুন কিছু নয়। তিনি আরও বলেন, মুফতী তাহেরির কর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনাও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে অনেকেই মনে করছেন।

মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি নিজেও অভিযোগ করেছেন যে, তাকে গাড়ি আটকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মত প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে এসব ঘটনায় তিনি বিচলিত নন বলে জানান। তার ভাষায়, “আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করে এগোচ্ছি। জনগণ ব্যালটেই জবাব দেবে।”

এই আসনে প্রায় ২২টি চা বাগানের প্রায় ৭০ হাজার চা শ্রমিক ভোটার দীর্ঘদিন ধরে নৌকার প্রতি অনুগত বলে পরিচিত। নৌকা না থাকায় তাদের ভোট কোন দিকে যাবে, সেটিই এখন নির্বাচনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অনেকের ধারণা, প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিংয়ের চিত্র একরকম হলেও গোপন ব্যালটে ভিন্ন ফল দেখা যেতে পারে।

সব মিলিয়ে হবিগঞ্জ-০৪ আসনের নির্বাচন এবার শুধু ভোটের লড়াই নয়, বরং অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, ইতিহাস আর নতুন সমীকরণের এক জটিল চিত্র হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সই ঠিক করবে—এই উত্তাল মাঠে কে হাসবে শেষ হাসি।




সময় হলে সব আমি সব বলব: বুবলী

বিনোদন ডেস্কঃ ঢালিউডে জোর গুঞ্জন চলছে, ফের মা হতে হচ্ছেন অভিনেত্রী শবনম বুবলী। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি এবং শারীরিক পরিবর্তন এই আলোচনাকে উসকে দিয়েছে। তবে বরাবরের মতো এবারও বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা রেখেছেন এই নায়িকা। 

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি শপিং কমপ্লেক্সে একটি ব্র্যান্ডের গ্র্যান্ড ওপেনিং অনুষ্ঠানে হাজির হন বুবলী। অনুষ্ঠানে একটি সাদা ফ্লোর টাচ গাউন পরেছিলেন।

তার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে নেটিজেনরা দাবি করেন, ক্যামেরায় তার বেবিবাম্প স্পষ্ট ধরা পড়েছে। এছাড়াও সেই ইভেন্টে উপস্থিত সাংবাদিকদের মনেও কৌতূহল জাগে।

বিশেষ করে, তার হাঁটাচলা এবং শারীরিক ভঙ্গি দেখে উপস্থিত অনেকেরই মনে হয়েছে তিনি মা হতে চলেছেন।

সেই অনুষ্ঠানে মা হওয়ার গুঞ্জন নিয়ে বুবলী সরাসরি অস্বীকার না করলেও স্বীকারও করেননি। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কৌশলী উত্তর দেন।

বুবলী বলেন, আপনাদেরকে আমি কখনই সেই দোষটা দেই না, কারণ আপনারা নিউজ করবেন এটাই খুব স্বাভাবিক। এবং অডিয়েন্সের জায়গা থেকে আগ্রহ থাকবে। তবে সবকিছুরই তো একটা সময় আছে, একটা স্থান-কাল-পাত্র আছে যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই।

বুবলী বলেন, আজকে যেহেতু আমরা একটা গ্র্যান্ড লঞ্চিংয়ে এসেছি, সো আমি চাই যে ন্যাচারাল বাই রাখিতে আমরা থাকি আপাতত। যেদিন আমার প্রোগ্রাম হবে সেদিন আমি সব বলব।

এদিকে শোনা যাচ্ছে, বুবলী খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাবেন।

গুঞ্জন রয়েছে, শাকিব খানের পরামর্শেই তিনি মার্কিন মুলুকে সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সে সময় শাকিব খানও তার পাশে থাকতে পারেন।

দীর্ঘদিন ধরে শাকিব ও বুবলীর সম্পর্কের দূরত্বের কথা শোনা গেলেও তাদের পুনরায় বাবা-মা হওয়ার গুঞ্জন নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়লে বরাবরের মতো কৌশলী উত্তর দিয়ে গেছেন নায়িকা। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

গুঞ্জনের সূত্রপাত, গত বছর নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে সন্তান শেহজাদ খান বীরসহ এই জুটিকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছিল। তখন থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় যে তারা হয়তো আবারও এক হচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছে- বুবলীর সম্ভাব্য সন্তানের বাবা কি তবে শাকিব খানই?




ক্যাচটা ধরলেই ইতিহাস বদলে যেত, কী হয়েছিল পাকিস্তান ভারত ম্যাচে

ক্রীড়া ডেস্কঃ বিশ্বকাপের প্রথম দিন। আলাদা দুই মাঠ, আলাদা দুই প্রতিপক্ষ। অথচ আশ্চর্য মিল নিয়ে একই গল্প লিখল পাকিস্তান ভারত। রাজনৈতিক বৈরিতার বাইরে গিয়ে ক্রিকেটের মাঠে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী যেন হয়ে উঠল একই বৃন্তে দুটি ফুল। নেদারল্যান্ডস আর যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হারের শঙ্কা থেকে ফিরে এসে জয় তুলে নেওয়ার পথে দুই দলকে এক ছাতার নিচে এনে দিল মাত্র দুটি ঘটনা, দুটি ক্যাচ মিস।

পাকিস্তান ভারতের সম্পর্ক বহু বছর ধরেই উত্তপ্ত। তবে মাঠে সেই উত্তাপ কিছুদিন আগেও এতটা চোখে পড়েনি। বাবর আজম মোহাম্মদ রিজওয়ানদের সঙ্গে বিরাট কোহলি রোহিত শর্মাদের হাসিমুখের ছবি একসময় নিয়মিত দেখা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই দৃশ্য বদলেছে। এশিয়া কাপে তিনবার মুখোমুখি হলেও সালমান আলী আগা সূর্যকুমার যাদব একবারও হাত মেলাননি। বাইরে সাবেক ক্রিকেটারদের কথার লড়াইও চলছে। এমন আবহেই বিশ্বকাপের প্রথম দিনে মাঠে নামে দুই দল।

সূচির মিল ছিল আগেই। বিশ্বকাপের শুরুতেই খেলতে নামে পাকিস্তান ভারত। প্রতিপক্ষও প্রায় একই মানের, সহযোগী সদস্য নেদারল্যান্ডস-যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ম্যাচের ভেতরের চিত্র অবাক করার মতো কাছাকাছি হয়ে যায়।

কলম্বোয় নেদারল্যান্ডসকে ১৪৭ রানে আটকে দিয়ে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান শুরুটা করেছিল দুর্দান্তভাবে। ৬ ওভারে ৬১, ১০ ওভারে ৯০ রান। মনে হচ্ছিল বড় জয় আসছে। ঠিক তখনই ধস। ৯৮ রানে দুই উইকেট থেকে মাত্র ১৬ রানের মধ্যে পড়ে যায় আরও পাঁচটি উইকেট। ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়।

সেখান থেকে পাকিস্তানকে টেনে তোলেন ফাহিম আশরাফ। ১১ বলে ২৯ রানের ক্যামিওতে তিন উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় পায় তারা। তবে এই ইনিংসের মোড় ঘুরে যায় ১৯তম ওভারে। তখন ফাহিমের ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন ম্যাক্স ও’ডাউড। ক্যাচটি মিস হয়। আগের বলে ছক্কা হাঁকানো ফাহিম এরপর আরও দুটি ছক্কা মারেন। ওই ওভারেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় পাকিস্তানের জয়।

ভারতের গল্পও প্রায় একই। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৭৭ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তখন দলের ভরসা হয়ে দাঁড়ান অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৪৯ বলে ৮৪ রানের ইনিংসে ভারত পৌঁছে যায় ১৬১ রানে, পরে জিতে নেয় ২৯ রানে।

সূর্যকুমারও পেয়েছিলেন এক জীবন। তখন তার রান ছিল ১৫। শুভম রাঞ্জানের বলে ফিরতি ক্যাচ তুলেছিলেন, কিন্তু রাঞ্জান ধরতে পারেননি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরের ৩২ বলে যোগ করেন আরও ৬৯ রান। ওই ইনিংসই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়।

দুটি ম্যাচে দুটি ক্যাচ মিস। দুটি নায়কোচিত ইনিংস। আর তাতেই বিশ্বকাপের প্রথম দিনেই এক সুতোয় গাঁথা পড়ে গেল পাকিস্তান ভারত। মাঠের ভিন্নতা থাকলেও গল্পটা হয়ে উঠল প্রায় এক।