দেশ বাঁচাতে লাঙলে ভোট দিতে হবে: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, একটি দল দেশটাকে পাকিস্তান বানাতে চায়। তারা মা-বোনদের অসম্মান করছেন এবং আজকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক পরিবর্তন করছেন। এই দেশটাকে বাঁচাতে পারে একমাত্র জাতীয় পাটি। সেই সঙ্গে সুন্দরগঞ্জের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারবে জাতীয় পার্টি। তাই লাঙলে ভোট দিতে হবে। ধুবনী কঞ্চিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী সভায় প্রাধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই সরকার দেশ চালাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। মবের ভয়ে এই সরকার বিচার করতে পারছেন না। যারা ৭১ এর চেতনাকে ধুলিসাৎ করেছেন, তাদের বিচার এই দেশের মাটিতে হবে। দেশের জন্য সকল রাজনৈতিক দল আন্দোলন করেছে। সকল দলের ভুলত্রুটি আছে, সেজন্য কোনো দলকে নিষিদ্ধ করা রাজনৈতিক সমাধান হতে পারে না।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, দেশে সুশাসন নেই। দেশ একটি ক্লান্তি লগ্নে দাড়িয়ে আছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য জাতীয় পার্টিকে ভোট দিতে হবে। দেড় বছরে সরকার এই দেশকে নরকে পরিণত করেছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে মবকে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। সুন্দরগঞ্জের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য লাঙলে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাতে হবে। তাহলে সুন্দরগঞ্জের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবেন।

জাপা মহাসচিব বলেন, নির্বাচিত হলে ধুবনী কঞ্চিবাড়িকে একটি আলাদা উপজেলা করব। এটি আমার একটি অসমাপ্ত কাজ।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পাটির সাবেক এমপি মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা, উপজেলা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান মন্ডল প্রমুখ।




ওয়াংখেড়েতে জমকালো অনুষ্ঠান, অন্যান্য স্টেডিয়াম ফাঁকা

ক্রীড়া ডেস্কঃ মুম্বাইয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টি-টেয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধণী অনুষ্ঠান দেখে বুঝার উপায় নেই যে এবারের আসর কতোটা বিতর্কের মধ্য দিয়ে এসেছে। ওয়াংখেড়ের মাঠে উদ্বোধণী অনুষ্ঠান মাতিয়েছেন বলিউডের ডান্স কুইন খ্যাত নোরা ফাতেহি এবং র‍্যাপারখ্যাত বাদশা। নোরা ফাতেহির উদ্দাম নাচের ঝলকে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের দর্শক মুগ্ধ। আলোর ঝলকানি আর নাচের মঞ্চ কাঁপিয়ে বিশ্বকাপের দশম আসরের সুর বাজল।

তবে এবারের বিতর্কিত টি-টোয়োন্টি বিশ্বকাপের সুর সবার কানে শ্রুতিমধুর হয়নি। যেখানে ভারতই ছিল নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে। আইসিসি এখনও চেষ্টা করছে পাকিস্তান যেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা খেলতে নামে। নানা বিতর্ক ও অনিশ্চয়তা মাথায় নিয়ে গতকাল পর্দা উঠল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসিসির সভাপতি জয় শাহ ও ২০২৪ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক মাঠে ট্রফি নিয়ে আসেন। সন্ধ্যায় ওয়াংখেড়েতে মাঠে নেমেছে স্বাগতিক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। স্বাগতিক দলের ম্যাচ হওয়ায় গতকাল অনুষ্ঠিত হওয়া বাকি দুটি ম্যাচের তুলনায় ম্যাচটিতে ছিল দর্শকদের উপস্থিতি।

মূল উদ্বোধণী অনুষ্ঠান ওয়াংখেড়েওত হলেও প্রথম দিনে মাঠে গড়িয়েছে তিনটি ম্যাচ। কলম্বোতে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডের ম্যাচ গড়িয়েছে। যেখানে ডাচদের হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। এ ছাড়াও দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ‘সি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্কটল্যান্ড। ম্যাচটিতে স্কটিশদের ৩৫ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এবারের আসরে বাংলাদেশ না থাকায় টুর্নামেন্টে ডাক পায় স্কটল্যান্ড। তবে দর্শকদের ম্যাচটি নিয়ে ছিল না তেমন কোনো আগ্রহ। ইডেন গার্ডেন্সে দর্শকধারণ ক্ষমতা ৬৫ হাজার। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্কটল্যান্ডের খেলায় ছিল না ৩ হাজার দর্শকও। স্টেডিয়ামের বাইরে ছিল না বিশ্বকাপের আমেজ। স্কটল্যান্ডের জায়গা বাংলাদেশ থাকলে গল্পটা ভিন্ন হতে পারত। এর আগে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে কলকাতায় একাধিক ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। সে সময় গ্যালারিতে ছিল চোখে পড়ার মতো দর্শক-সমর্থক।

কলম্বোতে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচেও ছিল একই চিত্র। সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ক্রিকেট গ্রাউন্ডের দর্শকধারণ ক্ষমতা মাত্র ১০ হাজার। তবুও গ্যালারির সিংহভাগ আসনই ছিল ফাঁকা। মাঠে দর্শক টানতে পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডের ম্যাচ ফ্রিতে খেলা দেখানোর ঘোষণা নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। মাঠে ছিল না তেমন দর্শক।

এবারের আসরে পাঁচ গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে ২০টি দল। যার মধ্যে ১১টি আইসিসির পূর্ণ সদস্যের দল এবং ৯টি আইসিসির সহযোগী সদস্য। ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ বাদ দিলে টুর্নামেন্টে থাকে ৪৪টি ম্যাচ। দর্শকদের মাঠে টানতে দরকার হাইভোল্টেজ ম্যাচ। ২০ দলের লড়াইয়ে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের খেলাগুলোতে চার ভাগের তিন ভাগ ম্যাচের ফলাফল আগে থেকে আঁচ করা যাচ্ছে, যদি না কোনো অঘটন ঘটে। ফলে মাঠে বসে খেলা উপভোগ করতে তেমন আগ্রহ নেই সমর্থকদের।

এছাড়াও টুর্নামেন্টে দর্শক খরার আরো একটি কারণ, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ! প্রতিবেশী দেশগুলোদের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক খুব একটা ভালো না হওয়ায় মাঠে বসে খেলা উপভোগ করতে আগ্রহী দর্শকদের পড়তে হয় ভিসা জটিলতায়। এই তালিকায় বাদ যান না ক্রিকেটারাও।




আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ করতে আজ রোববার থেকে মাঠে নামছেন সেনা বাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এসময় মাঠে থাকবেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে। রোববার থেকে আরও যুক্ত হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে-পরে সাত দিন থাকবে।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইসির কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেলও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে, সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তথ্যও পাবে ইসি।

শঙ্কাহীন নির্বিঘ্ন ভোটের পরিবেশের জন্য যা যা দরকার, সব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা সবাই বলেছে যে মাঠের অবস্থা, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক আছে।’

এ নির্বাচন কমিশনার জানান, সব ব্যালট বাক্স জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছে। রিটার্নিং অফিসাররা সেগুলা গ্রহণ করছেন। এখন সবাই ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

ভোটের কয়েকদিন আগে বিভিন্ন ধরনের দাবি দেওয়া নিয়ে রাজধানীতে আন্দোলনও চলছে। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা ধরনের দাবি আপাতত পরিহার করার পরামর্শ দেন এই নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের যেহেতু আর চার দিন বাকি আছে। আমরাও প্রস্তুত, ভোটাররা প্রচার শেষে উৎসবের ভোটের প্রস্তুতিতে আছেন। কমিশন মনে করে, নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো আছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে।’

১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের আগে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় প্রচার শেষ করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে। স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৫ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হবে।

পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক কাজ করবে। আর উপকূলীয় এলাকার জন্য কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। সকল বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করবে, তার নির্দেশ এবং পরামর্শ অনুসারে দায়িত্ব পালন করবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী, এ নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সারাদেশে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন নিরাপত্তা সদস্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন মোতায়েন থাকবে। আর মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারন ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন থাকবেন। দুর্গম ঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৮ জন করে সদস্য মোতায়েন হবে। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুদিন আগ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

এবারের সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে দুই হাজার ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে। এরমধ্যে আড়াই শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে, বাকিরা ৫১টি দলের প্রার্থী।

>> এবার প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জন্য ৩০০ আসনে প্রায় ৪২ হাজার ৭৭৯ ভোটকেন্দ্র।

>> আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে ৭ দিনের জন্য।

>> ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ঘিরে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকছে।

>> নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনি আচরণবিধি দেখার পাশাপাশি সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করবেন।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্ট্রাইকিং ফোর্স বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে দায়িত্বপালন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।




রমেশ চন্দ্র সেনকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে গেলেন মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজঃ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুতে জেলাজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে। তার প্রয়াণে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনের সহকর্মীকে শেষবারের মতো দেখতে ছুটে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার রুহিয়ার বাসায় যান মির্জা ফখরুল। তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দেন এবং কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন। পরে তিনি সেখান থেকে বিদায় নেন।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব সংবাদমাধ্যমকে কোনো বক্তব্য না দিলেও এর আগে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক শোকবার্তায় রমেশ চন্দ্র সেনের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন।

রমেশ চন্দ্র সেনের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

এর আগে, শনিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে রমেশ চন্দ্র সেনকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঘুম থেকে উঠে দৈনন্দিন কাজ শেষে নাস্তা করার পর তিনি ওয়ার্ডের ওয়াশরুমে যান। সেখানে গোসলের প্রস্তুতিকালে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গেলে কারাগারের দায়িত্বরত সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে ১৬ আগস্ট রাতে সদর উপজেলার রুহিয়া সেনপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের মাধ্যমে প্রথমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয় এবং পরদিন তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

রমেশ চন্দ্র সেন ১৯৪০ সালের ৩০ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের কশালগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ক্ষিতীন্দ্র মোহন সেন এবং মায়ের নাম বালাশ্বরী সেন। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে পড়াশোনা করেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ ২০২৪ সালে দলটির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হলে তার সংসদ সদস্য পদ শেষ হয়।




নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধান উপদেষ্টা: প্রেস সচিব

ডেস্ক নিউজঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। এখন সুষ্ঠু নির্বাচন করা বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

প্রেস সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, পরবর্তী এক সপ্তাহ খুবই ক্রুশিয়াল। তিনি বলেছেন, ভোট উৎসবমুখর হবে এবং সেইফ হবে। নারীরা আনন্দের সাথে ভোট দিবেন, পুরো পরিবার একসাথে ভোট উৎসবে যোগ দিবেন। আমি আশা করি এই ভোট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রেস সচিব জানান, বডি অন ক্যামেরা কীভাবে কাজ করছে সেটা জানতে যারা বডি অন ক্যামেরা ক্যারি করছিলেন তাদের প্রধান উপদেষ্টা কথা বলেছেন।




ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি বা পারিশ্রমিক গ্রহণ নিষিদ্ধ: মার্কিন দূতাবাস

ডেস্ক নিউজঃ ভিজিটর ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোনো ধরনের চাকরি করা বা পারিশ্রমিক গ্রহণের অনুমতি নেই বলে সতর্ক করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, বি১ ও বি২—অর্থাৎ ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কিছু সীমিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা গেলেও চাকরি করা বা অর্থ গ্রহণ আইনত নিষিদ্ধ।

দূতাবাসের তথ্যে বলা হয়, বি১/বি২ ভিসার আওতায় চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা, দরকষাকষি কিংবা বিভিন্ন সম্মেলনে অংশ নেওয়া যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে কোনো মার্কিন নিয়োগকর্তার জন্য কাজ করা বা সেখান থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা অনুমোদিত নয়।

বার্তায় আরও বলা হয়, ভিসার শর্ত যথাযথভাবে মেনে চলা ভিসাধারীর ব্যক্তিগত দায়িত্ব। ভিসার শর্ত লঙ্ঘিত হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।




নির্বাচনে ২৪ ঘণ্টা যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, প্রবাসী যাত্রীদের ছাড়

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১ ফেব্রুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুসারে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত, অর্থাৎ টানা ২৪ ঘণ্টা।

এর পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত, মোট ৭২ ঘণ্টা সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

তবে জরুরি প্রয়োজন ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ শিথিল রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া জরুরি সেবা, ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী ও অনুরূপ দ্রব্য পরিবহন এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাবে।

বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্যও বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চলাচলেও শিথিলতা থাকবে।

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের জন্যও বিশেষ সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রার্থী ও এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।

সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন থাকলে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহনও এই বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। এছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা সচল রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার আওতায় চলাচল করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা এবং আন্তজেলা বা মহানগরে প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন না হয়।

এদিকে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী এ বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।




আগামী নির্বাচন হবে মতলববাজ রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন: জামায়াত আমির

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত সরকার গঠন করলে সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

একই সঙ্গে তিস্তাকে জীবন্ত নদীতে রূপ দিয়ে উত্তরবঙ্গকে কৃষি ও শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বুধবার লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই জনসভায় তিনি বলেন, তিস্তা উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হওয়ার কথা থাকলেও ভুল পরিকল্পনা ও অবহেলার কারণে এটি আজ এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচন হবে মতলববাজ রাজনীতির কবর রচনার নির্বাচন। মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের মাধ্যম হতে পারে ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি।

জনসভায় তিনি লালমনিরহাট ও নীলফামারীর সাতটি আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং আসন্ন নির্বাচনে এ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জনসভা শুরুর আগেই তিস্তা ব্যারাজ এলাকার হেলিপ্যাড মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দুপুর একটার দিকে জামায়াত আমির মঞ্চে ওঠেন।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা জামায়াতের আমির ও লালমনিরহাট-০৩ আসনের প্রার্থী মোঃ আবু তাহের।

সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফিরোজ হায়দার লাভলু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লালমনিরহাট-০১ আসনের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর ও নীলফামারী-০১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-০২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল-ফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-০৩ আসনের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফী এবং নীলফামারী-০৪ আসনের প্রার্থী আব্দুল মুনতাকিম।




টাঙ্গাইল পৌরকৃষক দলের উদ্যোগে আলহাজ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা সভায়

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধ: টাঙ্গাইল পৌরকৃষক দলের উদ্যোগে আলহাজ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের ধানের শীষের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব দিপু হায়দার খান। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব জনাব শামীমুর রহমান খান ভিপি শামীম।

এতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভাইয়ের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন তার সহধর্মিনী জনাব ছিম্মি ভাবী। আরো উপস্থিত ছিলেন পৌর কৃষকদের আহবায়ক জনাব সাইফুল ইসলাম লিটন ভাই।

সকল বক্তারা উন্নয়নের স্বার্থে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।




এবার কন্যাসন্তানের বাবা হলেন অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ

বিনোদন ডেস্কঃ জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হয়েছেন। তার স্ত্রী নাফিসা একটি সুস্থ ও সুন্দর কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। নতুন অতিথির আগমনে পলাশের পরিবারে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

হাসপাতাল থেকে পলাশ জানান, ‘বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় রাজধানীর পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আমাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, মা ও সন্তান দুজনেই ভালো আছেন। আমরা সবাই এখনো হাসপাতালে আছি। সবার কাছে দোয়া চাই—আমার ছেলে ও মেয়ে যেন দোয়া ও ভালোবাসায় বড় হতে পারে।’

টেলিভিশন পর্দায় জিয়াউল হক পলাশের জনপ্রিয়তার উত্থান ঘটে কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত আলোচিত ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’–এ কাবিলা চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এই চরিত্রটি তাকে দেশ-বিদেশের দর্শকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

ব্যক্তিগত জীবনে ২০২২ সালে পারিবারিকভাবে নাফিসা রুম্মান মেহনাজের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পলাশ। পরের বছর জুলাইয়ে তিনি প্রথমবারের মতো বাবা হন। তার পুত্র সন্তানের নাম রাখা হয় মোহাইমিনুল হক আহান। এবার সেই পরিবারে যুক্ত হলো নতুন আনন্দ—কন্যাসন্তানের আগমনে আরও পূর্ণতা পেল পলাশের সংসার।

ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১৩ সালে ‘ছবিয়াল’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ শুরু করেন জিয়াউল হক পলাশ। দীর্ঘ সময় তিনি খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে ইশতিয়াক আহমেদ রোমেলের সহকারী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে তিনি কাজল আরেফিন অমির সঙ্গে সহযোগী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

একপর্যায়ে অভিনয়ে মনোযোগী হয়ে ওঠেন পলাশ। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর সাফল্যের পর তার ক্যারিয়ার নতুন মোড় নেয়। বর্তমানে নিয়মিত অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নাটক ও টিভিসি নির্মাণ করতেও দেখা যায় এই অভিনেতা–নির্মাতাকে।