আশুলিয়ায় ৬ লাশ পোড়ানো মামলার রায় আজ

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন নিয়ে এ অঞ্চলে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। নির্বাচন খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ও ফলাফল নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই।

নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোট সাত দিন মাঠে থাকবে। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন।

উপদেষ্টা জানান, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তায় অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এক লাখেরও বেশি সেনা সদস্য, পাঁচ হাজার নৌবাহিনী, চার হাজার কোস্টগার্ড, সাড়ে তিন হাজার নেভি, প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্য, ৩৭ হাজার বিজিবি, ৯ হাজার র‍্যাব এবং সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে পাঁচ লাখেরও বেশি আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে থাকবে সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি।

গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় যেসব কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণমাধ্যমের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন সাংবাদিকরা যেন আগের মতোই সত্য ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ করেন। মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ কখনো কখনো পরিস্থিতি খারাপের দিকে নিয়ে যায়।




নির্বাচন উৎসবমুখর হবে, কোনো শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন নিয়ে এ অঞ্চলে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। নির্বাচন খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ও ফলাফল নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই।

নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মোট সাত দিন মাঠে থাকবে। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন।

উপদেষ্টা জানান, এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তায় অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এক লাখেরও বেশি সেনা সদস্য, পাঁচ হাজার নৌবাহিনী, চার হাজার কোস্টগার্ড, সাড়ে তিন হাজার নেভি, প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্য, ৩৭ হাজার বিজিবি, ৯ হাজার র‍্যাব এবং সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে পাঁচ লাখেরও বেশি আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে থাকবে সিসিটিভি, বডি ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি।

গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় যেসব কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণমাধ্যমের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন সাংবাদিকরা যেন আগের মতোই সত্য ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ করেন। মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ কখনো কখনো পরিস্থিতি খারাপের দিকে নিয়ে যায়।




ফেসবুক-ইউটিউবে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে ইসির জরুরি নির্দেশ

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এসংক্রান্ত একটি চিঠি সব রিটার্নি অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে— ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে। তবে সে ক্ষেত্রে— (ক) প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি উক্তরূপে প্রচার-প্রচারণা শুরুর পূর্বে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করবেন।’

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এ নির্বাচনী ব্যয়সীমা সম্পর্কে বিধি ২২-এর (২)-এ আরো উল্লেখ রয়েছে যে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচার-প্রচারণার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনী ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করবেন।’

এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং অফিসারকে দাখিল করার বিধান রয়েছে।

এমতাবস্থায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় উল্লিখিত বিষয়সমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো। একইসাথে রিটার্নিং অফিসারগণকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীগণ কোন কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে, সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জনসংযোগ শাখায় প্রেরণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।




কাজ না করেই কোটি টাকার বিল: সরকারি গেজেটে প্রকাশ দুর্নীতির নথি, বরখাস্ত নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামান

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে বেড়ানো অভিযোগ, গুঞ্জন আর নীরব প্রশ্নের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সরকারের নিজের প্রকাশিত গেজেটেই উঠে এলো ভয়াবহ এক দুর্নীতির চিত্র। লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. সাইফুজ্জামানকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা এই প্রজ্ঞাপন শুধু একটি প্রশাসনিক আদেশ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত এক দুর্নীতির লিখিত স্বীকারোক্তি।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ–৪ এ কর্মরত থাকাকালে মো. সাইফুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে গুরুতর অনিয়মে জড়ান। প্রকল্পটির W-1 প্যাকেজের আওতায় ‘অনাবাসিক ভবন’ সংক্রান্ত একটি কাজ অনুমোদিত ডিপিপি (DPP), সংশোধিত ডিপিপি (RDPP) কিংবা HOPE অনুমোদন ছাড়াই বেআইনিভাবে আটটি আলাদা প্যাকেজে ভাগ করা হয়। এরপর ই-জিপি পদ্ধতির মাধ্যমে এসব ভাঙা প্যাকেজে আলাদা আলাদা দরপত্র আহ্বান করা হয়।

এই কৃত্রিম প্যাকেজ বিভাজনের মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়। তদন্তে উঠে আসে, এটি কোনো প্রশাসনিক ভুল নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে অর্থ আত্মসাতের একটি পরিচিত কৌশল। গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে এই পদ্ধতিকে অনেকেই চেনেন “এক প্যাকেজ ভেঙে কমিশনের বন্যা” নামে।

সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্যটি হলো—এই আটটি প্যাকেজের বিপরীতে বাস্তবে কোনো কাজের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি, ব্যবহার হয়নি ইট, রড বা কংক্রিট। বাস্তব কাজ শূন্য, অথচ কোটি কোটি টাকার বিল অনুমোদন ও পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারি তদন্তে একে সরাসরি “কাজ না করেই বিল উত্তোলন” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও গুরুতর বিষয় হলো, প্রকল্পটির জন্য নির্ধারিত মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (NDEL)-কে পাশ কাটিয়ে ২০২৩–২৪ অর্থবছরে অন্য আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে বিল পরিশোধ করা হয়। এই অর্থ ছাড় দেওয়া হয়েছে প্রকৌশলীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে। তদন্ত প্রতিবেদনে এটিকে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, গুরুতর অনিয়ম এবং প্রশাসনিক বিশ্বাসভঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সরকারি গেজেটে প্রকাশিত আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সেই আইনের ভিত্তিতেই ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে মো. সাইফুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অর্থাৎ, এটি কোনো অভিযোগের গল্প নয়—সরকার নিজেই লিখিতভাবে স্বীকার করেছে যে এখানে দুর্নীতি হয়েছে।

তবুও প্রশ্ন থেকেই যায়। এই ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা কি একজন নির্বাহী প্রকৌশলী একাই আত্মসাৎ করেছেন? তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক, হিসাব শাখা এবং বিল অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তারা তাহলে কী করছিলেন? ই-জিপির মতো ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার হলেও এসব ভুয়া টেন্ডার কীভাবে যাচাই ছাড়াই অনুমোদন পেল—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও অজানা।

মাঠপর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা মনে করছেন, এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যতিক্রম নয়। বরং এটি গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে চলা একটি “সিস্টেমেটিক দুর্নীতি কাঠামো”-এর ছোট একটি অংশ। আজ একজন নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত হয়েছেন, কিন্তু যদি পুরো প্রকল্প, পুরো সার্কেল কিংবা পুরো সিন্ডিকেট খতিয়ে দেখা হয়, তাহলে সামনে আসতে পারে আরও বহু কাগুজে উন্নয়ন আর শত শত কোটি টাকার লুটপাটের তথ্য।

গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, টাকার অঙ্ক নির্দিষ্ট, অপরাধের বিবরণ পরিষ্কার। এখন দেখার বিষয় একটাই—এই বরখাস্তের পর সত্যিকারের তদন্ত, অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ এবং দায়ীদের শাস্তি হবে, নাকি সবকিছু আবার নীরবে ফাইলের ভেতর ঢুকে পড়বে?




রাজনীতিতে দয়া করে মিথ্যা কথা বলবেন না: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপি সব সময় কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেন, বর্তমানে একটি দল রাজনীতিতে সামনে আসছে—যাদের আমরা আগে কখনো দেখিনি। আমাদের সঙ্গেই ছিল, একসাথে চলেছে, এখন নির্বাচনে অংশ নিতে আসছে। এতে আপত্তি নেই, তবে রাজনীতিতে দয়া করে মিথ্যা কথা বলবেন না, গীবতকারীদের মতো গীবত গাইবেন না এবং অন্যের কুৎসা রটাবেন না।

তিনি বলেন, চরমোনাইসহ দেশের আলেম-ওলামারা বলেছেন জামায়াতে ইসলামী কোনো ইসলামিক দল নয়। তারা ইসলামের কথা বলে প্রতারণা করছে। জামায়াতে ইসলামী বলছে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে—নাউজুবিল্লাহ। কোনো প্রকৃত মুসলমান এমন কথা বিশ্বাস করতে পারে না। মুসলমান বিশ্বাস করে আমলের ওপর; আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাত দেবেন কি দেবেন না, তা আমলের ওপরই নির্ভর করে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, টেলিভিশন ও পত্রিকায় এসেছে—জামায়াতের আমীর সাহেব নারীদের নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। যে দলের একজন নেতা মা-বোনদের ইজ্জত ও সম্মান করতে পারে না, তাদের সম্পর্কে কটু কথা বলে—কখনো বেহেশতে যেতে পারবে? তারা কি ভালো কাজ করতে পারবে?

বুধবার (০৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী এলাকার নারগুণ ইউনিয়নের কিসমত দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পথসভায় তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান একেবারেই জিয়ার মতো হয়ে উঠেছেন। দেশে ফিরেই তারেক রহমান বলেছেন— ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, অর্থাৎ তার একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ১ কোটি ছেলে-মেয়ের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে। এছাড়া যারা এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব সরকার নেবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বপ্রথম ভুট্টা চাষের সূচনা করা হয়েছে বিএনপির হাত ধরেই। কাজী ফার্মস আনার মাধ্যমে জেলায় ভুট্টা চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে, কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শেষে তিনি আগামী ১২ তারিখ সকালে কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।




নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় পার্টি জিতবে: জিএম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগের তুলনায় লাঙ্গলের ভোট বেড়েছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলে জাতীয় পার্টি জিতবে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর জাহাজ কোম্পানি মোড় এলাকায় জনসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, যে যাই বলুক ইতোপূর্বেও পারেনি, ভবিষ্যতেও কেউ জাতীয় পার্টির কবর রচনা করতে পারবে না। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে কিন্তু জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না।

এ সময় জিএম কাদের বলেন, জাতীয় পার্টিকে রংপুরের মানুষ যেভাবে আগলে রেখেছে, সেভাবেই সারাজীবন আগলে রাখবে। জাতীয় পার্টি আগের চেয়ে আরও বেশি উজ্জীবিত ও সংগঠিত।




সেনা সদস্যদের সঙ্গে তর্ক: জামায়াত প্রার্থীকে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের আলটিমেটাম

ডেস্ক নিউজঃ ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গানম্যানসহ প্রবেশের চেষ্টা এবং দায়িত্বরত সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের সংগঠন ‘এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন’। অন্যথায় তাকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ‘পারসোনা নন গ্রেটা’ (পিএনজি) বা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে সংগঠনটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খান সাইফ (অব.) স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অস্ত্রসহ প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনা সদস্যরা তাকে বাধা দিলে তিনি তাঁদের উদ্দেশ্যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের আচরণ সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল, মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার ওপর সরাসরি আঘাত। রাজনৈতিক পরিচয় কাউকে সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করার অধিকার দেয় না। ক্যান্টনমেন্ট কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জায়গা নয়; এটি একটি সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এলাকা।

সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, অভিযুক্ত প্রার্থী যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ না করার অঙ্গীকার না করেন, তাহলে তাকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ‘পারসোনা নন গ্রেটা’ ঘোষণা করার দাবি জানানো হবে। রাষ্ট্রের আইন, সামরিক বাহিনীর মর্যাদা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সেনা সদস্যদের সঙ্গে তর্কের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার দুপুরে ডা. খালিদুজ্জামান ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বিষয়টিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘নিষ্পত্তি হওয়া ইস্যু’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তার সেই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এ কঠোর বিবৃতি ও আলটিমেটাম দেওয়া হয়।




ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা পাকিস্তানের, আইসিসির ক্ষতি ৬ হাজার কোটি টাকা

ক্রীড়া ডেস্কঃ একজন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত যে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অর্থনীতিতে বড়সড় ঢেউ তুলতে পারে- সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই বাস্তবতাই সামনে এনেছে। জাতীয় দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে আইপিএলের একটি সিদ্ধান্ত এখন কেবল ক্রিকেট নয়, কূটনীতি ও বাণিজ্যিক স্বার্থের আলোচনাতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নিলামে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স মোস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয়। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক চাপ ছিল- এমন আলোচনা বিভিন্ন মহলে রয়েছে। ফলে মোস্তাফিজের চুক্তির পুরো অর্থই কার্যত লোকসান হয়েছে বলে ধরা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি এখানেই থেমে থাকেনি।

এই ইস্যুকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ক্রিকেট সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা সামনে আসে। এর জেরে বাংলাদেশ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা দেয়—যে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন পাকিস্তানও প্রথমে বিশ্বকাপ বর্জনের হুমকি দেয়। যদিও পরে তারা জানায়, পুরো টুর্নামেন্ট নয়, কেবল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করবে।

মোস্তাফিজের ব্যক্তিগত আর্থিক ক্ষতি যেখানে ৯ কোটির কিছু বেশি, সেখানে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাণিজ্যিক কাঠামোয় অনেক বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। আধুনিক ক্রিকেট কেবল মাঠের লড়াই নয়; এটি এখন সম্প্রচার, বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং বৈশ্বিক দর্শকসংখ্যা নির্ভর বিশাল শিল্প।

বিশেষ করে বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে কিছু ম্যাচ থাকে ‘হাই ভ্যালু ইভেন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত। এর মধ্যে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচকে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বৈরথ ধরা হয়। বাজার বিশ্লেষকদের রক্ষণশীল অনুমান অনুযায়ী, সম্প্রচার স্বত্ব, বিজ্ঞাপন, টিকিট, স্পনসরশিপ ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড মিলিয়ে একটি ভারত–পাকিস্তান ম্যাচের বাজারমূল্য প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটির বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, ভারত–পাকিস্তান ম্যাচের সময় মাত্র ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপন স্লট বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৪০ লাখ ভারতীয় রুপিতে। একটি ম্যাচ থেকেই বিজ্ঞাপন বাবদ প্রায় ৩০০ কোটি রুপি আয় হয়- এমন ধারণা রয়েছে।

এই ধরনের ম্যাচ না হলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা আগেই বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে আইসিসির কাছ থেকে টুর্নামেন্টের স্বত্ব নেয়। সেই বিনিয়োগের বড় অংশই ওঠে উচ্চ দর্শকসংখ্যার ম্যাচ থেকে। ফলে নির্ধারিত ম্যাচ বাতিল বা বর্জন হলে রাজস্ব কাঠামোয় চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি জিওস্টার আগেই আর্থিক ক্ষতির প্রসঙ্গ তুলেছে বলে জানা গেছে। বড় ম্যাচ বাতিল হলে আইসিসির ওপর ক্ষতিপূরণ বা চুক্তিগত চাপ বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের একটি গড় বাণিজ্যিক মূল্য নির্ধারিত থাকে, যা শত কোটি রুপির ঘরে। কিন্তু সব ম্যাচ সমান নয়—কিছু ম্যাচের মূল্য অন্যগুলোর তুলনায় বহুগুণ বেশি। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এই ম্যাচ না হলে শুধু তাৎক্ষণিক আয় নয়, স্পনসরদের ব্র্যান্ড এক্সপোজার ও চুক্তিভিত্তিক লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে আইসিসি, সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও সম্প্রচার অংশীদারদের মধ্যে জটিল আর্থিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলে তাদেরও আর্থিক ক্ষতি কম নয়। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ ফি, সম্প্রচার আয়ের ভাগ, স্পনসর উপস্থিতি ও বৈশ্বিক প্রচারণা- সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ জড়িত থাকে। একটি বড় টুর্নামেন্ট মিস করা মানে কয়েক কোটি ডলারের সম্ভাব্য আয় হারানো।

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দেখাচ্ছে, আধুনিক ক্রিকেট কেবল ব্যাট-বলের লড়াই নয়; এটি কূটনৈতিক সম্পর্ক, করপোরেট বিনিয়োগ এবং বৈশ্বিক দর্শকবাজারের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। একজন খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সিদ্ধান্তও তাই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্থিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।




বিমানের এমডি সাফিকুরের নিয়োগ বাতিল

ডেস্ক নিউজঃ শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি ও সিইও পদ থেকে মো. সাফিকুর রহমানকে সরানো হয়েছে। তার স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. হুমায়রা সুলতানা।

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি ও সিইও পদ থেকে মো. সাফিকুর রহমানকে সরানো হয়েছে। তার স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. হুমায়রা সুলতানা।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জারি করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানায়।

এতে বলা হয়, মো. সাফিকুর রহমান ফৌজদারি অভিযোগে কারাবন্দি হওয়ায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করেছে।

এ অবস্থায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের দক্ষ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার স্বার্থে উক্ত পদে পরবর্তী পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত সচিব ড. হুমায়রা সুলতানাকে (বিমান ও সিএ) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি নতুন দায়িত্ব পালন করবেন বলেও অফিস আদেশে জানানো হয়।

শিশু গৃহকর্মীকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে রোববার রাত ৩টায় উত্তরার এক বাসা থেকে সাফিকুর রহমান, স্ত্রী ও দুই কাজের মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।




এক দিনে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশকের সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ও ৯টা ৫১ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুটো ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষেণ কেন্দ্রের সূত্র জানিয়েছে, দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, আমেরিকান ভূত্বাত্তিক অধিদপ্তর ইউএসজিএসের প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে ভূমিকম্পটির মান ছিল ৫ দশমিক ৯ মাত্রার। ভূ-পৃষ্ট থেকে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। এই ভূমিকম্পটি একই ফল্টের ওপরে সংঘটিত হয়েছে, যে ফল্টে ২০২৪ সালে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। ফল্টটি খুবই সক্রিয়। ফলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে।

এর আগে, ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।