ভোটের দিন নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজঃ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে, জরুরি সেবা ও নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা-০২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত বোটের (নির্দিষ্ট রুটে চলাচলকারী ব্যতীত) ওপর এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের নির্বাচনী এজেন্ট এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য।

এ ছাড়া, নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে— নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সংশ্লিষ্টরা এবং ভোটার ও জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত নৌযান এবং দূরপাল্লার নৌযান।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে আরও কিছু নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।




ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, উপ-মুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি প্রধান অজিত পাওয়ার এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে পুনের বারামাতিতে তার ব্যক্তিগত বিমানটি অবতরণ করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানে থাকা অজিত পাওয়ারসহ মোট পাঁচজনই ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ডিজিসিএ)। 

নিহতদের মধ্যে দুইজন পাইলট এবং অজিত পাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মীরা রয়েছেন। স্থানীয় পৌরসভা নির্বাচনের আগে চারটি জনসভায় যোগ দেওয়ার জন্য তিনি মুম্বাই থেকে বারামাতি যাচ্ছিলেন। এই আকস্মিক মৃত্যুতে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, ভিএসআর নামক একটি কোম্পানির পরিচালিত ‘লিয়ারজেট ৪৫’ মডেলের ছোট বিমানটি সকাল ৮টায় মুম্বাই থেকে উড্ডয়ন করেছিল। যাত্রার প্রায় ৪৫ মিনিট পর বারামাতি বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের চেষ্টা করার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে যে, বিধ্বস্ত বিমান থেকে আগুনের শিখা ও কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং বিমানের ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করেন। উল্লেখ্য, এই একই মডেলের একটি বিমান ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুম্বাইয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল।

অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, শ্রী অজিত পাওয়ার জি ছিলেন তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা একজন জননেতা, যিনি মহারাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন।

প্রশাসনিক বিষয়ে তার প্রজ্ঞা এবং দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়নের প্রতি তার নিষ্ঠা ছিল অতুলনীয়। তার এই অকাল প্রয়াণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও তার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যেই পুনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।

৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার ছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ শারদ পাওয়ারের ভাতিজা। ২০২৩ সালে তিনি এনসিপিতে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়ে দলটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে এনডিএ জোটে যোগ দিয়ে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন।

তবে সম্প্রতি চাচার সঙ্গে তার পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল এবং পিম্পরি চিঞ্চওয়াড় পৌর নির্বাচনে দুই পক্ষ মিলেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল। সংসদ অধিবেশনের জন্য দিল্লিতে থাকা শারদ পাওয়ার এবং সুপ্রিয়া সুলে খবর পাওয়া মাত্রই পুনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এই দুর্ঘটনা ভারতের বিমান নিরাপত্তা নিয়ে পুনরায় বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

সূত্র: এনডিটিভি




বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু

ডেস্ক নিউজঃ প্রায় দেড় দশক পর আবারও পাকিস্তানে নামবে বিমানের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। ঢাকা-করাচি-ঢাকা নন-স্টপ ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে দুই দেশের আকাশপথ যোগাযোগ পুনরায় চালু হচ্ছে, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি)। ট্রানজিট ছাড়াই চলাচল সম্ভব হওয়ায় সময় কমবে এবং যাত্রীপ্রতি ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ সাশ্রয় হবে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

ঢাকা থেকে করাচি ১ হাজার ৪৭১ মাইল পথ পাড়ি দিতে ব্যবহার করা হবে ১৬২ আসনের বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ। প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতি ও শনিবার ফ্লাইট চলবে। প্রথম ফ্লাইটের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে এবং দ্বিতীয় ফ্লাইটের ৮০ শতাংশের বেশি আসন ইতোমধ্যে বুক হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম বলেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় যাত্রীরা তিন ঘণ্টার মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন এবং ট্রানজিটের ঝামেলা ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রুট চালু হওয়ায় শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, কার্গো পরিবহনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। দ্য বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম জানান, এর মাধ্যমে দুই দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

উল্লেখ্য, নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০১২ সালে ঢাকা-করাচি রুটে ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। এতদিন যাত্রীদের দুবাই, দোহাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ট্রানজিট হাব ব্যবহার করতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ছিল। নতুন ব্যবস্থায় রাউন্ড ট্রিপে ৩০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হয়ে সর্বনিম্ন ৫১ হাজার টাকায় যাতায়াত সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।




একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে- জি এম কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জি এম কাদের বলেছেন, সরকার একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। বরং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ভোটের মাঠে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বাক ভূমিকা পালন করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে অন্য দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কখনোই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, একটি পক্ষ থেকে জনগণের ওপর ‘হ্যাঁ ভোট’ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারি ক্ষমতা, প্রশাসনিক প্রভাব এবং নানামুখী ভয়ভীতি ব্যবহার করে মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে।

জি এম কাদের বলেন, “এই গণভোট সংবিধানসম্মত নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট পাস করানো হয়, তাহলে সংসদ আর সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকবে না।

সংসদ পরিণত হবে একটি নির্দিষ্ট শক্তির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র বাঁচাতে জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “দেশ বাঁচানোর জন্য যেকোনো মূল্যে ‘না’ ভোটকে পাস করাতে হবে। দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোট বয়কট করে জনগণকে ‘না’ ভোট দিতে হবে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরনের অদ্ভুতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাঠের বাস্তবতা বলছে—মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির দিকেই তাকিয়ে আছে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ বুঝে গেছে, দেশকে স্থিতিশীল রাখতে জাতীয় পার্টির বিকল্প নেই। আমরা ক্ষমতার জন্য নয়, দেশের জন্য রাজনীতি করি। জনগণের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলা আহ্বায়ক মো. আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও রংপুর জেলা সদস্যসচিব হাজী আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. লোকমান হোসেন, রংপুর মহানগর সহসভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিমসহ জাতীয় পার্টির জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ায় আইসিসির কড়া সমালোচনায় পাকিস্তানি কিংবদন্তি ইউসুফ

ক্রীড়া ডেস্কঃ নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এ ঘটনায় আইসিসির কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এক্স হ্যান্ডলে করা পোস্টে ইউসুফ লেখেন, ‘নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তানের মিলিত ক্রিকেট দর্শকসংখ্যার প্রায় সমান দর্শক রয়েছে বাংলাদেশের একারই। ১০টি দেশ মিলে: ১৭ কোটি ৮০ লাখ (দর্শক)। বাংলাদেশ: ১৭ কোটি ৬০ লাখ (দর্শক)।’

তিনি আরও লেখেন, ‘একটি খেলা যা বৈশ্বিকভাবে দর্শকদের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে বাংলাদেশের নিরাপত্তাজনিত ন্যায়সংগত উদ্বেগকে উপেক্ষা করা (আইসিসির) ধারাবাহিকতা ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। যখন বেছে বেছে সুবিধা দেওয়া হয়, তখন ন্যায়পরায়ণতা হারিয়ে যায়। ক্রিকেটকে প্রভাব নয়, নীতি অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে।’

উল্লেখ্য, কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হুমকির মুখে গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় বিসিসিআই। ওই ঘটনার পরই নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বলে জানায় বিসিবি।

এরপর একাধিকবার বৈঠক করে আইসিসি-বিসিবি। গত বুধবার আইসিসির সভা শেষে বাংলাদেশকে ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেধে দেয়। এরপর বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠক শেষে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা জানান তিনি।

এরপর বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয় আইসিসি। টাইগারদের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।




দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দিলেন মৎস্যজীবী দল নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীর বাউফলে এক কলস দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দল নেতা মো. জালাল হাওলাদার। তিনি বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মোশারফ হোসেন লিটন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পটুয়াখালী-২ আসনে দশ দলীয় ঐক্য জোটের দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের উঠান বৈঠকে দুধ দিয়ে গোসল করে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তিনি।

যোগদান অনুষ্ঠানে মো. জালাল হাওলাদার বলেন, দলের নেতাদের অবহেলা ও মানসিক কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, “বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম এখন একজন অভিভাবক পাব, যার আশ্রয়ে রাজনীতি করব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তিনি সে ধরনের অভিভাবক নন। তিনি আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে ব্যস্ত। আমাদের খোঁজখবর নেন না, বরং যারা বিগত ১৭ বছর আমাদের ওপর হামলা-মামলা ও নির্যাতন চালিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেই চলাফেরা করছেন। এ কারণেই আমি জামায়াতে যোগ দিয়েছি। আগামী দিনে জামায়াতের পক্ষে কাজ করব।”

এ সময় বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস এম আমিনুল ইসলাম, বগা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান, বগা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ প্রায় তিন শতাধিক বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থক জামায়াতে যোগ দেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী-২ আসনের দশ দলীয় জোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবীতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার : জ্বালানি উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

মঙ্গলবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো নিয়ে পে-কমিশনের প্রতিবেদনটাই শুধু জমা দেয়া হয়েছে। পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার।

নির্বাচিত সরকার চাইলে এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন বা বাতিল যে কোনোটাই করতে পারবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত পে-স্কেল নির্বাচিত সরকারের জন্য চাপ হবে না।




ময়মনসিংহের পথে তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সফরে তিনি ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও রাজধানীর উত্তরার জনসভায় ভাষণ দেবেন।

তারেক রহমান গাড়ি বহর নিয়ে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৪ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে তিনি রওনা হন।

সফর সূচী অনুযায়ী, আজ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন।

ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর জেলা শহরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন।

কর্মসূচি শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন বলে বিএনপির মিডিয়া উইং থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।




২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের চরম উষ্ণ ৬ দেশের একটি হবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির শিকার বিশ্বের শীর্ষ ছয়টি দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মর্যাদাপূর্ণ ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির বর্তমান ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ বা প্রায় ৩৭৯ কোটি মানুষ অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে বসবাস করবে।

গবেষণাটি ‘কুলিং ডিগ্রি ডেইজ’ (সিডিডি) নামক একটি সূচকের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিরূপণ করেছে, যেখানে বছরে ৩ হাজারের বেশি সিডিডি থাকা অঞ্চলগুলোকে ‘চরম তাপপ্রবণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সূচক মূলত ঘরের ভেতরের তাপমাত্রাকে নিরাপদ স্তরে রাখতে কী পরিমাণ শীতলীকরণের প্রয়োজন, তার মানদণ্ড নির্ধারণ করে।

এই গবেষণার মানদণ্ড অনুযায়ী, চরম তাপে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশের তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে আরও রয়েছে ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। অক্সফোর্ডের গবেষক ও এই গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা সতর্ক করে বলেছেন যে, বাংলাদেশের জাতীয় গড় তাপমাত্রা অনেক সময় প্রকৃত ঝুঁকিকে আড়াল করে রাখে, কারণ দেশের বিশাল একটি অংশ ইতিমধ্যেই বিপজ্জনক তাপমাত্রার মধ্যে জীবনযাপন করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে বাংলাদেশে হিটস্ট্রোক, হৃদরোগ এবং কিডনি সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু এবং নিম্ন আয়ের মানুষ, যাদের এয়ার কন্ডিশন বা উন্নত শীতলীকরণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার সীমিত, তারা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকবেন।

এতদিন বাংলাদেশের জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বা ঘূর্ণিঝড়কে প্রধান হুমকি মনে করা হলেও, এখন এই চরম তাপমাত্রা একটি নীরব কিন্তু সমান প্রাণঘাতী বিপদ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে, গরম বৃদ্ধির কারণে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শীতলীকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত ‘কুলিং ট্র্যাপ’ তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ এয়ার কন্ডিশনের ব্যবহার বাড়লে জ্বালানি খরচ বাড়বে, আর সেই জ্বালানি যদি জীবাশ্মভিত্তিক হয়, তবে তা জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

অক্সফোর্ডের এই গবেষণাটি বিশ্বনেতাদের জন্য একটি জরুরি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হলে প্রাণঘাতী তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যেতে পারে। তবে সেই সুযোগ দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ‘অত্যন্ত শীতল’ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের অনুপাত বর্তমানের ১৪ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশে নেমে আসবে। বিপরীতে ব্রাজিল, লাওস ও দক্ষিণ সুদানের মতো দেশে মাথাপিছু শীতলীকরণের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।




টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন মোড়, ডাক পেতে পারে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজঃ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে চলমান নাটক নতুন মোড় নিতে শরু করেছে। নিরাপত্তা উদ্বেগের ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে গত শনিবার বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের বদলে এবারের বিশ্বকাপে জায়গা পেয়েছে স্কটল্যান্ড।

তবে এখন নতুন করে ক্ষীণ আশা জেগেছে, আইসিসি হয়তো বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে ফেরাতে পারে। তবে সেটা নির্ভর করছে পাকিস্তানের ওপর।

বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করার কথা ভাবছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আগামী শুক্রবার বা সোমবার তারা এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেহবাজের সঙ্গে বৈঠক শেষে জানান বোর্ড প্রধান মহসিন নাকভি। আর পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ায় তাহলেই বাংলাদেশকে ফেরানো হবে।

পাকিস্তান ‘এ’ গ্রুপের দল হিসেবে সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে। আর তারা বাদ পড়লে পরিবর্তিত দল হিসেবে ওই গ্রুপে বাংলাদেশ খেললে তাদের দাবি অনুযায়ী সব ম্যাচই হবে শ্রীলঙ্কায়।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান যদি বয়কট করে তাহলে বাংলাদেশকে দেওয়া হবে প্রথম সুযোগ।

এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, বাংলাদেশকে ‘এ’ গ্রুপে তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হবে। তখন বিসিবির দাবি অনুযায়ী তারা সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে। সেটা হলে লজিস্টিকাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।’

এমন প্রতিবেদনে পাকিস্তান হয়তো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের ব্যাপারে নতুন করে ভাববে। কারণ যে বাংলাদেশের জন্য তারা বিশ্বকাপ বর্জন করবে, তারাই যদি তাদের জায়গায় খেলার সুযোগ পায় সেটা হবে পাকিস্তানের জন্য বোকার মতো কাজ। আর সেই বোকামি যেন পাকিস্তান না করতে পারে, সেজন্যই হয়তো এমন চতুর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাখছে আইসিসি। এখন দেখার অপেক্ষা, পাকিস্তান কী সিদ্ধান্ত নেয়!