সরকারি কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতায় বড় সুখবর

ডেস্ক নিউজঃ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বৈশাখ উদযাপন আরও আনন্দমুখর করতে বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর পথে হাঁটছে জাতীয় বেতন কমিশন। নবম পে স্কেলের আওতায় বৈশাখী ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুপারিশ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে।

নবম পে স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করতে যাচ্ছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে কমিশন)।

পে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। এই হার বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

পে কমিশনের এক সদস্য সাংবাদিকদের জানান, বৈশাখী ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি কমিশনের সুপারিশে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তবে ঈদ উপলক্ষে প্রদত্ত বোনাস আগের নিয়মেই বহাল থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।




চিকিৎসা নিতে থাইল্যান্ড যাওয়ার অনুমতি মেলেনি আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের

ডেস্ক নিউজঃ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেন স্পাইনাল কর্ডের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করলেও অনুমতি মেলেনি আদালতের।

মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ মোয়াজ্জেম হোসেনের আবেদন খারিজ করে দেন। এদিন তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. রায়হান। শুনানিকালে মোয়াজ্জেম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি কোনো প্রকার আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তিনি দৃঢ়ভাবে চ্যালেঞ্জ করছেন এবং আইনিভাবে তা মোকাবিলা করবেন। তাই তার জাতীয় পরিচয়পত্রের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়া জরুরি।

আবেদনে আরও বলা হয়, মোয়াজ্জেম হোসেন পড়ে গিয়ে স্পাইনাল কর্ডে আঘাত পান এবং সেখান থেকে ফ্লুইড বের হয়ে যায়। চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড থেকে মেডিকেল ভিসা ইনভাইটেশন লেটার পাঠানো হয়েছে এবং আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, গত বছরের ২৪ মে একই আদালত দুর্নীতির অভিযোগে মোয়াজ্জেম হোসেনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।

সে সময় আবেদনে বলা হয়, মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন-এমন আশঙ্কায় সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমন রহিত এবং এনআইডি ব্লক করা প্রয়োজন।




ক্ষমতার ছায়ায় এলজিইডির প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন: দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়

বিশেষ প্রতিবেদকঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী আব্দুস সামাদের স্বাক্ষর করা একটি লিখিত অভিযোগ দুর্নীতিদমন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের সূত্র ধরে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা চিত্র উঠে এসেছে।

মো: শাহাদাত হোসেন ১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৪ সালে এলজিইডিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পান। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করেই তিনি দ্রুত পদোন্নতি ও কাঙ্ক্ষিত পোস্টিং বাগিয়ে নেন।

বিশেষ করে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে শেখ হেলালের তদবিরে মো: শাহাদাত হোসেন বাগেরহাট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পান। সেখানে তিনি টানা প্রায় আট বছর দায়িত্ব পালন করেন। এই দীর্ঘ সময়ে স্থানীয় আওয়ামীপন্থী ঠিকাদারদের সঙ্গে তার গভীর সখ্যতা গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বাগেরহাটে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় সব উন্নয়ন কাজের টেন্ডারই অনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারের হাতে তুলে দেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার জানিয়েছেন, কোন কাজ কে পাবে—তা আগেই ঠিক হয়ে যেত। প্রকাশ্যে দরপত্র হলেও বাস্তবে সিদ্ধান্ত হতো গোপন আলোচনায়। শাহাদাত হোসেনের সময়ে টেন্ডার বাণিজ্য ছিল “ওপেন সিক্রেট”।

ঠিকাদারদের দাবি, প্রতিটি টেন্ডার অনুমোদনের সময় তিনি ৫ শতাংশ এবং কাজের বিল ছাড় করার সময় আরও ২ শতাংশ অর্থ আদায় করতেন। এই কারণেই অনেক ঠিকাদার তাকে নাম ধরে না ডেকে ‘৫ শতাংশ’ নামেই চিনতেন। শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বিল তুলে সেই টাকা ঠিকাদারদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

দুর্নীতির বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসতে শুরু করলে পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি তৎকালীন মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাগেরহাট থেকে সুনামগঞ্জে বদলি নেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে আরও বড় অঙ্কের ঘুষ দিয়ে তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী আলী আকতারের সহায়তায় রাজশাহী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদে পদায়ন হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমানে রাজশাহী অঞ্চলেও একই কৌশলে তিনি অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিল প্রত্যয়ন দিতে ২ শতাংশ এবং তদন্ত কার্যক্রমে ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ আদায় করার প্রমাণ মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে।

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো—সরকার পরিবর্তনের পর তিনি হঠাৎ রাজনৈতিক অবস্থান বদলে ফেলেছেন। আগে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রী তাজুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত থাকলেও এখন নিজেকে বিএনপির কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করে পুরোনো অপরাধগুলো আড়াল করার চেষ্টা করছেন বলে এলজিইডির একাধিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া এলজিইডির এমএমটি (মেকানিক্যাল মেইনটেন্যান্স ট্রেনিং) ও যান্ত্রিক শাখার বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তদন্তে আরও জানা গেছে, বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন সম্পদের মালিক তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, তার নামে ও বেনামে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে দুটি প্লট, কল্যাণপুরে সাততলা ভবন, চট্টগ্রামে ছয়তলা একটি ভবন, চাঁদপুরে একটি বাড়ি এবং বিভিন্ন ব্যাংকে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় শত কোটি টাকার কাছাকাছি।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো: শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আইনি দিক থেকেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাইকোর্ট একাধিক রায়ে স্পষ্টভাবে বলেছেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে কর্তৃপক্ষ চাইলে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রেখে তদন্ত করতে পারে এবং সেটাই সঠিক পদ্ধতি। একাধিক মামলার রায়ে বলা হয়েছে, দায়িত্বে রেখে তদন্ত করলে তা সুষ্ঠু তদন্তের পরিপন্থী এবং ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

দুর্নীতিদমন কমিশন আইন ২০০৪ অনুযায়ী, দুদক অভিযোগ পেলেই অথবা স্বপ্রণোদিত হয়েও তদন্ত শুরু করতে পারে। এলজিইডির ভেতরের মহলে এখন একটাই প্রশ্ন—এতসব গুরুতর অভিযোগের পর মো: শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়।




ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ নয় : মার্কিন দূতাবাস

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশের নাগরিক যারা পর্যটন বা ব্যবসার উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান তাদের জন্য বুধবার থেকে ভিসা বন্ড নীতি কার্যকর হবে। তবে ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে কোনোভাবেই বন্ড পরিশোধ না করার জন্য আবেদনকারীদের স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। সোমবার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটন ভিসা (বি-১/বি-২) আবেদন করে অনুমোদন পাবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি-১/বি-২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভিসা সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসা পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। এ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে। সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থ ফেরতযোগ্য নয়। তবে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে পরবর্তীতে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

এর আগে, ৬ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশের নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।




চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল

ডেস্ক নিউজঃ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানীর চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পিছিয়েছে। নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৬ জানুয়ারি। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের এ নতুন তারিখ ধার্য করেন।

এদিকে, আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত ছিল। জুলাই-আগস্ট হত্যাযজ্ঞ মামলার এটি ছিল দ্বিতীয় রায়।

সাবেক ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ এই মামলায় অভিযুক্ত ৮ পুলিশ সদস্যের সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা প্রসিকিউশনের।

জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন ভুক্তভোগী হুম্মাম কাদের চৌধুরী। সাক্ষ্যপ্রদান শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গুমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।

এ ছাড়া, সোমবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যা মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।




নিরাপদ দেশ গড়তে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিন : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম বলেছেন, ন্যায় বিচার, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নিরাপদ দেশ রেখে যেতে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিন।

সোমবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কালেক্টরেট চত্বরে গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ভোটের গাড়ি ক্যারাভানের মাধ্যমে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচিতে তিনি এ  কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের একটা সুযোগ এসেছে। এই সুযোগে যদি সঠিকভাবে ভোটটা না দিতে পারি, তাহলে অতীতের সব কিছুই আরো কঠোর হয়ে বীরদর্পে ফিরে আসবে। মনে রাখবেন আমরা একেবারে খাদের কিনারায় অবস্থান করছি। আমাদের যেন খাদে পড়ে যেতে না হয়, সেজন্য হ্যাঁ ভোট দিতে হবে।

তিনি বলেন, ন্যায্যতার ভিত্তিতে বিচার ও সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইলে সবাইকে হ্যাঁ ভোট দিতে হবে। কোন জেলার মানুষ কত হ্যাঁ ভোট দিলেন আমরা কিন্তু সেটাও মনিটরিং করব।
এ ছাড়াও দেশব্যাপী স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতের অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে আগামী সংসদ সদস্য নির্বাচনে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে যে ভালো করতে পারবে সেই রকম সৎ ও ভালো মানুষদের ভোট দেওয়ারও আহ্বান জানান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

সভায় সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




দুর্নীতির অভিযোগের মাঝেই বালিশকান্ডের অন্যতম হোতা আশরাফুল ইসলামক ই/এম সার্কেল–২ এ পদায়ন

এসএম বদরুল আলমঃ গণপূর্ত অধিদপ্তর দীর্ঘদিন ধরে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানে অনেক সৎ, মেধাবী ও দক্ষ প্রকৌশলী কাজ করছেন। তবে কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কারণে পুরো দপ্তরের সুনাম আজ প্রশ্নের মুখে। সেই বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেক্ট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল বিভাগের প্রকৌশলী ডক্টর আশরাফুল ইসলাম।

অভিযোগ রয়েছে, ডক্টর আশরাফুল ইসলাম প্রায় আট বছর ধরে ঢাকায় একই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল আছেন, যা সরকারি বদলি নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। নিয়ম অনুযায়ী কোনো নির্বাহী প্রকৌশলীর তিন বছরের বেশি একই কর্মস্থলে থাকার কথা নয়। ২০২১ সালের ৫ আগস্ট গণপূর্ত উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনেও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, দীর্ঘদিন একই জায়গায় থাকা প্রকৌশলীদের বদলি করতে হবে, যাতে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ কমে। কিন্তু সেই নির্দেশ আশরাফুল ইসলামের ক্ষেত্রে কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বরং অভিযোগ আছে, নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা আলোচনায় থাকার পরও ২০২৩ সালের ১২ আগস্ট তাকে ভূতাপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তাসমিন ফারহানা। পরে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি তাকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ই/এম) হিসেবে গণপূর্ত ই/এম সার্কেল–২ এ পদায়ন করা হয়। নির্বাচন কমিশনের সম্মতি নিয়ে এই পদায়ন হওয়ায় দপ্তরের ভেতরে-বাইরে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা আরও বেড়ে যায়।যার স্বারক নং ২৫.০০.০০০০.১৩০.১২.০০৩.১৮.১০৮, তারিখ: ১১ ডিসেম্বর ২০২৫। এদিকে ১৫ জানুয়ারি উক্ত দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিপ্রাপ্ত) ডক্টর আশরাফুল ইসলামকে তত্ত্বাধায়ক প্রকৌশলী (ই/এম) গণপূর্ত ই/এম সার্কেল-২ এ পদায়ন করা হয়েছে। যার স্মারক নং ২৫.০০.০০০০.১৩০.১২.০০৩.১৮-০৬, তারিখ: ১৫/০১/২০২৬ ইং। নির্বাচন কমিশনের সম্মতি নিয়ে উপরোক্ত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ডক্টর আশরাফুল ইসলামের পদায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। যা নিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে-বাইরে চলছে ব্যাপক আলোচনা। নানামুখী প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ, আশরাফুল ইসলামের অধীনে কাজ করতে গেলে নিয়মের চেয়ে ‘ম্যানেজমেন্ট’ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। অভিযোগ আছে, অনেক ক্ষেত্রে দরপত্র ছাড়াই কাজ শুরু করা হয়, পরে কাগজে-কলমে প্রাক্কলন ও টেন্ডার দেখানো হয়। ঠিকাদারদের নিয়ে একটি শক্ত সিন্ডিকেট গড়ে তুলে কমিশন আদায়ের ব্যবস্থাও চালু ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আলোচিত দুর্নীতির ঘটনায় ডক্টর আশরাফুল ইসলামের নাম জড়িত ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। তিনি দুদকের একটি মামলার আসামি ছিলেন বলে জানা যায়। একই ঘটনায় অন্য কর্মকর্তারা শাস্তির মুখে পড়লেও রহস্যজনকভাবে তিনি বিভাগীয় ও দুদকের মামলায় অব্যাহতি পান। ওই ঘটনায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান পদাবনতি পেলেও আশরাফুল ইসলাম বহাল থাকেন, যা বৈষম্যের অভিযোগকে আরও জোরালো করে।

এছাড়া তৎকালীন গণভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মেরামত ও সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন তার অধীনে থাকায় তিনি দপ্তরের ভেতরে এক ধরনের অদৃশ্য প্রভাব তৈরি করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে একটি শক্তিশালী দুর্নীতিচক্র গড়ে উঠেছে বলে তারা মনে করছেন।

সোহবানবাগ মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে সিভিল বিভাগের এক নির্বাহী প্রকৌশলীকে বদলি করা হলেও একই প্রকল্পে যুক্ত থাকার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আশরাফুল ইসলামকে বহাল রাখা হয়। অনেকের মতে, আঞ্চলিক কোটা, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ের কারণেই তিনি বারবার বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন।

গণপূর্তের এক জুনিয়র প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দপ্তরে টিকে থাকতে হলে কেবল নিয়ম মানলেই হয় না, অন্য পথও জানতে হয়। তার ভাষায়, আশরাফুল ইসলাম সবাইকে ‘ম্যানেজ’ করতে জানেন বলেই তিনি এতদিন প্রভাব ধরে রাখতে পেরেছেন।

এত অভিযোগ, বিতর্ক ও মামলার পরও তার পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন নিয়ে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তাদের মতে, এটি শুধু একজন কর্মকর্তার বিষয় নয়; বরং পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার জবাবদিহির অভাবের প্রতিফলন। এই ধারা চলতে থাকলে গণপূর্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও কার্যক্রম আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ডক্টর আশরাফুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।




প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক

ডেস্ক নিউজঃ প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল।

সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এতে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।

এসময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন উদ্বেগ জানান এনসিপি নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচারণা করছেন।

এনসিপির নেতৃবৃন্দ নির্বাচন সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং নির্বাচনে যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে সরকারকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।’

অধিকাংশ কেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতাধীন আনা হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া ঝুঁকির আশঙ্কা আছে এমন কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে এগুলো সব মনিটর করা হবে বলেও জানান তিনি।

গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকার আইনসম্মতভাবেই প্রচারণা করছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট কেন দেওয়া প্রয়োজন, “হ্যাঁ” ভোট দিলে কী হবে আমরা তা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলকেও আহ্বান জানিয়েছি। এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সকলের-সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল-আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।




সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আবহাওয়া ডেস্কঃ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দিনের বাকিটা সময় আকাশ পরিষ্কার ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩৬ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪৩ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মাহাদি আমিন উপস্থিত ছিলেন।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের একাধিক কর্মকর্তাও রয়েছেন।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ওয়াশিংটন ডিসিতে শপথ গ্রহণের দুই দিন পর গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছান।