২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী

ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধান বিচারপতির শপথ বাক্য পাঠ করান।

এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ১৯৮৭ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।

শিক্ষাজীবনে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনে এলএলএম সম্পন্ন করেন।




সৌদির গ্রান্ড মসজিদে আত্মহত্যা চেষ্টাকারীকে বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন নিরাপত্তারক্ষী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র কাবা শরীফ সংলগ্ন গ্রান্ড মসজিদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টাকারীকে বাঁচিয়ে প্রসংশায় ভাসছেন নিরাপত্তারক্ষী রায়ান বিন সাঈদ বিন ইয়াহিয়া আল-আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তখন নিচে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন রায়ান।

ওই ব্যক্তি যখন মসজিদের ওপরের তলা থেকে লাফ দেন তখন তাকে ধরে ফেলার চেষ্টা করেন রায়ান। এতে তিনি আহত হন। ওই সময় আত্মহত্যা চেষ্টাকারী ও তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এই নিরাপত্তারক্ষীকে দেখতে শুক্রবার হাসপাতালে যান সৌদির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সউদ বিন নাঈফ। সেখানে তার উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেন তিনি।

সামাজিকমাধ্যম এক্সে ওই ব্যক্তিকে বাঁচানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, লাফ দেওয়া ব্যক্তিকে ধরার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষী রায়ানও মাটিতে পড়ে গেছেন। যদি তিনি তার হাত দিয়ে তাকে না আটকাতেন তাহলে ওই ব্যক্তি সেখানেই হয়তো মারা যেতেন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও; তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

এদিকে আত্মহত্যা চেষ্টাকারীর পরিচয় বা তিনি কোন দেশের নাগরিক এবং তার অবস্থা কেমন আছে এর কিছুই আর জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আরব নিউজ




ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সারলেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুর ১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আসেন তারেক রহমান।

নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে ভোটার তালিকায় নাম লেখান তিনি। সেখানে আইরিশের প্রতিচ্ছবি, আঙ্গুলের ছাপসহ যাবতীয় বায়োমেট্রিক তথ্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তার এনআইডি পেতে ‘সর্বোচ্চ একদিন লাগবে’ বলে জানিয়েছেন এনআইডি উইংয়ের ডিজি এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দেশের যেকোনো নির্বাচনি এলাকার ভোটার হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের (গুলশান এলাকা) ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন।




ক্ষমতার ছায়ায় গড়ে ওঠা টেন্ডার চক্র: গণপূর্তে মনিরুল ইসলামকে ঘিরে পুরনো অভিযোগ নতুন করে আলোচনায়

এসএম বদরুল আলমঃ গণপূর্ত অধিদপ্তর দেশের সরকারি অবকাঠামো উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানেই কি দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী টেন্ডারচক্র সক্রিয় ছিল—এমন প্রশ্ন এখন জোরালোভাবে উঠছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলামকে কেন্দ্র করে ওঠা নানা অভিযোগ আবারও প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই বিতর্ক নতুন নয়, তবে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি বদলি আদেশ পুরনো অভিযোগগুলোকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে। ওই আদেশে মো. মনিরুল ইসলামকে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-১ এ পুনরায় দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পরপরই অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন দেখা দেয়—যাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ, তাঁর ক্ষেত্রে কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আবার দেওয়া হলো?

অধিদপ্তরের ভেতরের একাধিক কর্মকর্তার দাবি, এই বদলিকে তাঁরা স্বাভাবিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না। বরং অনেকের মতে, এটি যেন একধরনের পুরস্কার। কারণ যেখানে নিয়ম ভাঙার অভিযোগে তদন্ত হওয়ার কথা, সেখানে দায়িত্ব আরও শক্ত করা হয়েছে। এই বদলির মাধ্যমেই পুরনো অনিয়মের গল্পগুলো নতুন করে আলোচনায় আসে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মো. মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ১৬ বছর ধরে একই ধরনের অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। তিনি যেখানেই বদলি হয়েছেন—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি বা ঢাকা—সেখানেই টেন্ডার সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই দীর্ঘ সময়ে তিনি একটি শক্তিশালী ঠিকাদারি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন, যা স্থান বদলালেও কার্যত ভাঙেনি।

এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে গ্যালাক্সী অ্যাসোসিয়েটস, ডেল্টা কনস্ট্রাকশন এবং ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম বারবার উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা হতো। চট্টগ্রামে কর্মরত এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই সময় কমিশন লেনদেন ছিল অনেকটাই প্রকাশ্য বিষয়, কিন্তু কেউ মুখ খুলতে সাহস করত না।

ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার পর অভিযোগ আরও ঘনীভূত হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের টেন্ডার নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অস্বাভাবিক হারে OTM (ওপেন টেন্ডার মেথড) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। বিভাগ-১ এ প্রায় ৭০ শতাংশ এবং বিভাগ-২ ও নগর বিভাগে ৮০ শতাংশের বেশি টেন্ডার এই পদ্ধতিতে হয়েছে বলে অভিযোগ। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা করে দেওয়া হতো এবং এখান থেকেই নিয়মিত কমিশন আদায় করা হয়েছে।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু নির্দিষ্ট টেন্ডার আইডি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যেমন—1102004, 1091460 থেকে 1091462, 1091815 থেকে 1091819, 1089451 থেকে 1089464, 1112907 থেকে 1112912 সহ আরও বহু টেন্ডার। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব টেন্ডারে গড়ে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়া হয়েছে, যা মোট অঙ্কে কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগটি হলো ‘উচ্চপর্যায়ের আস্থা’। অধিদপ্তরের ভেতরে অনেকেই মনে করছেন, প্রভাবশালী মহলের সমর্থন থাকার কারণেই মনিরুল ইসলাম এত অভিযোগের পরও টিকে আছেন। এক কর্মকর্তা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, একই অপরাধে কেউ শাস্তি পান, আবার কেউ পদোন্নতি বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব—এটাই এখনকার বাস্তবতা।

এছাড়াও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ সামনে এসেছে। দাবি করা হচ্ছে, সুবিধাজনক জায়গায় নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি করিয়ে দিতে প্রভাব খাটানো হতো এবং এর বিনিময়ে আর্থিক লেনদেন চলত। কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি ছিল আরেকটি গোপন আয়ের উৎস।

সম্পদের বিষয়টিও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মনিরুল ইসলাম বা তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, মোহাম্মদপুরে ১০ কাঠা জমির ওপর ৮ তলা ভবন, খুলনায় আলিশান বাড়ি, খুলনার ডুমুরিয়ায় ৫ একর জমি এবং কক্সবাজারে একটি হোটেল রয়েছে। অনেকের প্রশ্ন—একজন সরকারি কর্মকর্তার আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের কি কোনো সামঞ্জস্য আছে?

তবে এটাও সত্য, এই প্রতিবেদনভুক্ত কোনো অভিযোগই এখনো আদালতে প্রমাণিত নয়। সবই অভিযোগ ও বক্তব্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে। কিন্তু একটি বদলি আদেশকে ঘিরে যেভাবে পুরনো ও নতুন অভিযোগ একসঙ্গে সামনে এসেছে, তাতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভবিষ্যৎ ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এখন অনেকেই বলছেন, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত ছাড়া এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব নয়।




রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও যৌথ কাব্যগ্রন্থ ‘চাঁদের হাসি’র মোড়ক উন্মোচন

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ ২৫ ডিসেম্বর(বৃহস্পতিবার) রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো রাঙ্গুনিয়া সাহিত্য পরিষদের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় পরিষদের প্রকাশিত যৌথ কাব্যগ্রন্থ ‘চাঁদের হাসি’র মোড়ক উন্মোচন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো. নাজমুল হাসান।
পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইয়িদ তালুকদারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি কবি পারভীন আকতারের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি মোরশেদ আলম ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম-এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি নানাবিধ আয়োজনের মাধ্যমে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে নান্দনিক সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহী মোহাম্মদ ইলিয়াছ।আলোচনা পর্বে বক্তব্য উপস্থাপন করেন পরিষদের সহ-সভাপতি কবি আলী আজগর, আবু নাসের, মিসেস নাছিমা আকতার। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা মো. মজিবুর রহমান।
এছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ইলিয়াছ তালুকদার, সহ সভাপতি জনাব আব্বাস হোসাইন আফতাব, সাধারণ সম্পাদক জনাব নুরুল আবচার চৌধুরী, শিক্ষক নেতা ইউসুফ মাস্টার, উপদেষ্টা মাস্টার মোহাম্মদ সেলিম, অর্পণ বড়ুয়া, নোমান জাভিদ তালুকদার, আজাদ শাহ, মো জাহেদুর রহমান, মোহাম্মদ ইকবাল, বেলাল হোসেন, রাসেল আহমেদ, তুহিন, সানজিদা আকতার লিজা, জেসি আকতার, সায়মা আলম, রবিউল মোস্তফা মুন্না, জুয়েলসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে কবিদের স্বরচিত কবিতা পাঠে পুরো মিলনায়তন হয়ে ওঠে কবিতার আলোয় আলোকিত ও নন্দিত। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিনিবার জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে ট্রফি প্রদান এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।
সমগ্র আয়োজনটি ছিল সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার এক অনন্য মিলনমেলা, যা উপস্থিত সকলকে গভীর অনুপ্রেরণা ও  আনন্দ প্রদান করে।



লালমনিরহাটের নবাবেরহাট পরিত্যক্ত হোলসেল মার্কেট: সুফলের বদলে কুফলই বেশি

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নবাবেরহাট এর প্রাণকেন্দ্রে নির্মিত এনসিডিপি হোলসেল কৃষিপণ্য মার্কেট এখন এক পরিত্যক্ত ভবনে রূপ নিয়েছে।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এর পরিচালনায় এই হোলসেল মার্কেটটি নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে এখানে কোনো কার্যক্রম নেই। ভিতরে নেই কোন কৃষিপণ্য, নেই বিক্রেতা কিংবা ক্রেতার পদচারণা সবমিলিয়ে এটি যেন এক ভুতুড়ে বাড়ি। সরকারি অর্থে নির্মিত এ মার্কেটের উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের উৎপাদিত কাঁচামাল ও কৃষিপণ্য যেন সরাসরি পাইকারি দরে বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টো চিত্র, শুরু থেকেই এর ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনার অভাব প্রকট।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হাটে আগত বিক্রেতারা জানান, হাটের মাঝখানে এই মার্কেট অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করায় হাটের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
একজন সিনিয়র ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই মার্কেট হাটের উপকারে আসেনি বরং হাটের সৌন্দর্য আর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এটা সরিয়ে নিলে হাটের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরত।
নবাবেরহাট একসময় ছিল প্রাণবন্ত, ঐতিহ্যবাহী হাট। কিন্তু হোলসেল মার্কেটটির কারণে বর্তমানে হাট তার পুরনো গতি হারাচ্ছে, ধীরে ধীরে কমছে মানুষের উপস্থিতি। অথচ এই মার্কেট ঘিরে কৃষকদের জন্য উপকারের আশ্বাস ছিল।
স্থানীয়দের দাবি, যদি মার্কেটটি বাস্তব পরিকল্পনায় চালু করা সম্ভব হয়, তবে তা কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে। অন্যথায় এটি সরিয়ে নেওয়া বা অন্যত্র স্থানান্তর করে হাটের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানাচ্ছেন তারা।
প্রশ্ন থেকে যায় সরকারি অর্থ ব্যয়ে গড়ে তোলা এ স্থাপনার দায়ভার কে নেবে…? এবং কবে ফিরবে নবাবেরহাটের সেই প্রাণচঞ্চল পরিবেশ..?
হাটের ইজারাদার জানান, যথাযথ ব্যবস্হাপনার মাধ্যমে হোলসেল মার্কেটটি চালু করা হোক, নাহলে এটি অপসারণ করে হাটের মূল কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা হোক।
এই বিষয়ে কৃষি বিপণন কর্মকর্তা জানান, চলতি অর্থবছরে নবাবেরহাট হোলসেল মার্কেটটি সংস্কার করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।



সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে আগুন

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ যাত্রী ওঠার ঠিক আগমুহূর্তে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ ‘দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাহাজের এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় জাহাজের ক্রুসহ ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট সংলগ্ন বাঁকখালী নদীতে অবস্থানরত জাহাজটিতে আগুন লাগে বলে নিশ্চিত করেছেন সি ক্রুজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, নিহত কর্মচারীর নাম নূর কামাল (২৫)। তিনি টেকনাফের বাসিন্দা ও জাহাজটির কর্মচারি ছিলেন।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুনে পুড়ে জাহাজের এক কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের চার ঘণ্টা পার হলেও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।

জানা গেছে, সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের তুলতে জাহাজটি বাঁকখালী নদীর বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে ভেড়ার ঠিক আগমুহূর্তে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে জাহাজটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। এ সময় স্থানীয়রা ট্রলার ও স্পিডবোটের সহায়তায় জাহাজের ক্রুসহ ১৫ জনকে উদ্ধার করেন।

স্কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকাল ৭টার দিকে পর্যটক তুলতে ঘাটে আসছিল দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ। হঠাৎ জাহাজের ভেতর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নেভানোর চেষ্টা এখনো চলছে।’

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট। তবে দীর্ঘ সময় চেষ্টার পরও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এদিকে আগুন লাগার ঘটনায় সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জাহাজটিতে প্রায় ২০০ জন যাত্রী ওঠার কথা থাকলেও তাদের মধ্যে ১২০ জনকে তিনটি বিকল্প জাহাজে তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি যাত্রীরা রোববার সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণে দুটি জাহাজ ছাড়তে দেরি হওয়ায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘জাহাজে আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিকেলে জাহাজ মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার–সেন্টমার্টিন নৌপথে প্রতিদিন ছয়টি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করে।




শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার কিছু আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে অবস্থিত ওসমান হাদির কবরে পৌঁছে জিয়ারত করেন।

ওসমান হাদির কবরে ফুল দিয়ে সেখানে হাদিসহ সকল জুলাই শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান।

এর আগে বেলা পৌনে ১১টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, তিনি ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

এদিন আগের দুই দিনের মতো লাল–সবুজ রঙে সাজানো বাস ব্যবহার না করে সাদা রঙের একটি গাড়িতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান তারেক রহমান। গাড়িটি ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। এ সময় রাস্তার দুপাশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। টিএসসি থেকে হাদির কবর পর্যন্ত দুই স্তরের ব্যারিকেড বসানো হয়। শাহবাগ দিকেও পুলিশের ব্যারিকেড ও নজরদারি ছিল।

এর আগে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে টিএসসি এলাকায় অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নেতৃত্বে তারা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান করেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের এক ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের কোনো আহত ব্যক্তি বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি না থাকায় সেখানে যাওয়ার কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। হাদির কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের জন্য যাবেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘিরে ঢাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা সমাবেশে সারা দেশ থেকে দলের মনোনীত প্রার্থীরা অংশ নেন।




ঘন কুয়াশায় ঢাকায় নামতে পারলো না আন্তর্জাতিক ১০ ফ্লাইট

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর আকাশে ঘন কুয়াশার চাদর জেঁকে বসায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। 

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দৃষ্টিসীমা বা ভিজিবিলিটি অনেক কমে যাওয়ায় রানওয়েতে নিরাপদ অবতরণ অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতির কারণে ঢাকা অভিমুখী ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প হিসেবে পার্শ্ববর্তী চট্টগ্রাম, ভারতের কলকাতা এবং থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করা হয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে হঠাৎ এই সূচি বিপর্যয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন এসব ফ্লাইটের কয়েক হাজার যাত্রী। বিমানবন্দর সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, কুয়াশার তীব্রতা না কমা পর্যন্ত বিমান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র বর্তমানে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বিরাজমান থাকায় শীতের তীব্রতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকলেও মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত অনেক স্থানে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এই কুয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতির কারণে কেবল বিমান চলাচলই নয়, বরং অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগও সাময়িকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা দুর্ঘটনা বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, আগামী পাঁচ দিনে সারা দেশের তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেতে পারে এবং শৈত্যপ্রবাহ জেঁকে বসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় কুয়াশার প্রকোপ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কপথে চালকদের হেডলাইট জ্বালিয়ে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং নৌপথে চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, কুয়াশার ঘনত্ব কমে দৃশ্যমানতা ৮০০ থেকে ১০০০ মিটারের ওপরে গেলেই কেবল রানওয়েতে বিমান ওঠানামা শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।

ফ্লাইট ডাইভার্ট হওয়ার ফলে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় ও ভোগান্তির বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের আত্মীয়-স্বজনরা বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষায় থাকায় টার্মিনাল এলাকায় ভিড় ও অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, জানুয়ারির শুরুতে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে, যা বিমান চলাচলের সূচিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে বিমানবন্দরগুলোতে পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে যাতে কুয়াশা কাটার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা যায়।




সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

আবহাওয়া ডেস্কঃ ঢাকাসহ সারা দেশেই জেঁকে বসেছে তীব্র শীত।কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগও সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৯ ডিগ্রি ও ঢাকায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা অব্যাহত থাকবে আরও কয়েক দিন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় বেড়েছে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা। এতে সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক রয়েছে।

তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশাসহ কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।