নিজের শান্তির জন্য অন্যকে ক্ষমা করুন

ইসলামিক ডেস্কঃ মহান আল্লাহর যত গুণাবলি রয়েছে, ক্ষমার গুণ তার অন্যতম। কোরআন-হাদিসের পাতায় পাতায় আল্লাহর ক্ষমা ও মহানুভবতার পরিচয় মুক্তার মতো ছড়িয়ে আছে। আল্লাহ বলেছেন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ও না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করেন  (জুমার)। এ আয়াত থেকে আমরা জানতে পারলাম, পৃথিবীতে এমন কোনো গুনাহ নেই, যার ক্ষমা নেই। তবে এর জন্য তওবা আবশ্যক। অর্থাৎ আল্লাহর হকসম্পৃক্ত সব গুনাহই যথাযথ তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আর বান্দার হকসম্পৃক্ত গুনাহের ক্ষেত্রে তওবার পাশাপাশি বান্দার কাছ থেকে ক্ষমা চাওয়াও আবশ্যক। মুত্তাকিদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে সুরা আলে ইমরানে মহান আল্লাহ বলেছেন, (মুত্তাকি তারাই) যারা সুখে ও দুঃখে দান করে, ক্রোধ দমন করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।

এ আয়াতে মুত্তাকিদের তিনটি গুণের কথা বলা হয়েছে। সবই আমাদের হৃদয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কৃপণতা না করে সুখে-দুঃখে আল্লাহর রাস্তায় দান করা, ক্রোধ দমন করা, ক্ষমা করা-এগুলো মুত্তাকিদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ বলেন, ক্রোধ না থাকা মুত্তাকিদের বৈশিষ্ট্য। বরং তিনি ক্রোধ দমনের কথা বলেছেন। সৃষ্টির নিয়মে আমাদের ভিতর ক্রোধ থাকবে। তবে সেই ক্রোধ কে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারল, আল্লাহ সেটাই দেখবেন। আবার ক্ষমা এমন গুণ, বান্দা যদি ক্ষমা করে, আল্লাহও তাকে ক্ষমা করেন। ক্ষমা করা বড় হৃদয়ের পরিচয়। যারা ক্ষমা করতে পারে না, তাদের হৃদয় ছোট। সমুদ্রের ভিতর যদি ময়লা পড়ে, মুহূর্তে ময়লার টুকরো সমুদ্রের গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু ময়লার ওই টুকরো যদি কুয়ার ভিতর পড়ে, তবে ময়লাটি হারিয়ে যায় না। বরং চোখের সামনে দৃশ্যমান হয়ে থাকে। আমাদেরকে সমুদ্রের মতো বড় হৃদয়ের অধিকারী হতে হবে। জীবন চলার পথে নানা আঘাত, দুঃখ-বেদনা আসবে। কিন্তু সেগুলো মনে পুষে রাখা যাবে না। বরং সমুদ্রের মতো সেসব দুঃখ-বেদনা বিলীন করে দিতে হবে। এক চাকর বারবার ভুল করে আর ক্ষমা চায়। মালিক একসময় বিরক্ত হয়ে বলে, আর কত ক্ষমা করব! তোমার কাজই তো সব সময় ভুল করা। তখন চাকর বলে, আপনি আল্লাহর কাছে যতবার ক্ষমার আশা করেন, আমাকেও ততবার ক্ষমা করুন। এটি একটি শিক্ষণীয় গল্প। আমরা অধীনস্থদের সামান্য ভুলেই বিরক্ত হই, দুর্ব্যবহার করি। স্ত্রী- সন্তানদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করি। তাদের সামান্য ভুলে ত্যক্ত হয়ে উঠি। তাদের ক্ষমা করি না। কিন্তু আমাদের ভাবা উচিত, আমরা আল্লাহর কাছেও বারবার ভুল করি এবং প্রত্যাশা রাখি, প্রত্যেকবারই আল্লাহ যেন আমাদের ক্ষমা করেন। আমরা যতক্ষণ না ক্ষমা করব, ততক্ষণ আমাদের হৃদয় ভারী হয়ে থাকবে। ধীরে ধীরে এই ভারত্ব বাড়তেই থাকবে। আধা লিটার পানির একটি বোতল হাতে ধরে রাখা খুব সহজ। কিন্তু এই বোতলটাই যদি আমরা পাঁচ-সাত ঘণ্টা ধরে রাখি, তবে এটাই আধামণ ভারী হয়ে উঠবে। ক্ষোভ পুষে রাখার ব্যাপারটাও তাই।

আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই অন্যকে ক্ষমা করা উচিত। কারণ আমরা যত ক্ষমা করব, তত নির্ভার থাকব। আমরা যতক্ষণ ক্ষমা না করব, ততক্ষণ কুয়ার ময়লার মতো আমাদের হৃদয় ময়লা হয়ে থাকবে। এ ময়লা নিয়ে কেউ ভালো থাকতে পারে না। তাই নিজেদের ভালো থাকার স্বার্থেই আমাদের ক্ষমার গুণ অর্জন করা উচিত। হাদিসের একটি ঘটনা বলি। হাদিসটি মুসনাদে আহমাদে এসেছে। একবার রসুল (সা.) সাহাবিদের সঙ্গে বসেছিলেন। হঠাৎ তিনি বললেন, এখন এমন এক ব্যক্তি আমাদের মাঝে উপস্থিত হবেন, যিনি জান্নাতি। দেখা গেল, একটু পর একজন আনসার সাহাবি এলেন, যার মুখমণ্ডল দিয়ে অজুর পানি ঝরছে এবং তার বাম হাতে জুতা। পরপর তিন দিন একই ঘটনা ঘটল। তখন ওই জান্নাতি সাহাবির গোপন আমলের ব্যাপারে আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.)-এর কৌতূহল হলো। আমাদের সমাজে কেউ হঠাৎ বড়লোক হয়ে গেলে তার ব্যাপারে আমাদের কৌতূহল হয়। ধনী হওয়ার রহস্য উন্মোচন করে আমরাও তার মতো ধনী হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু সাহাবিদের ধ্যানজ্ঞান ছিল পরকাল, জান্নাত। তাই আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) ওই সাহাবির গোপন আমল অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিলেন। তিন দিনের জন্য তিনি তাঁর মেহমান হলেন। কিন্তু এই তিন দিনে নিয়মিত আমলের বাইরে বিশেষ কোনো আমল দেখা গেল না। অবশেষে ওই সাহাবিকে তাঁর মেহমান হওয়ার গোপন উদ্দেশ্য খুলে বললেন। তখন সাহাবি বললেন, আমার তেমন বিশেষ কোনো আমল নেই। তবে একটা কাজ আমি নিয়মিত করি। সেটা হলো, প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে সবাইকে ক্ষমা করে দিই। কারও প্রতি কোনো ধরনের বিদ্বেষ রাখি না। হাদিসের এ ঘটনায় আমাদের জন্য অনেক বড় শিক্ষা রয়েছে। এ থেকে আমরা বুঝতে পারলাম, নিয়মিত ক্ষমা করতে থাকা, কারও প্রতি রাগ-ঘৃণা-বিদ্বেষ পুষে না রাখা জান্নাতি মানুষের আলামত। তাই আসুন, আমরা হৃদয়টাকে কোমল করি, সবাইকে ক্ষমা করার গুণ অর্জন করি। তাহলে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাত শান্তিময় হয়ে উঠবে।




খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিকেলে ব্রিফ করবেন ডা. জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সবশেষ অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শুক্রবার রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের সামনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ আপডেট নিয়ে সাংবাদিক সঙ্গে কথা বলবেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন।




কম্বোডিয়ায় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা থাইল্যান্ডের

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কম্বোডিয়ায় নতুন করে ‘এফ-১৬’ যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ড। কম্বোডিয়া জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের বাহিনী বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) প্রিয়াহ ভিহিয়ার প্রদেশে ‘এফ-১৬’ যুদ্ধবিমান দিয়ে নতুন করে হামলা চালিয়েছে।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রেশ নিউজ জানিয়েছে, সকালের দিকে থাই বিমানগুলো নম কমোচ এবং পিক স্বিক এলাকায় বোমাবর্ষণ করে। গত ১২ দিন আগে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫৫ জন নিহত হয়েছেন।

কম্বোডিয়ার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংকল্পের সঙ্গে দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষা করে চলবে তাদের বাহিনী। অপরদিকে রয়্যাল থাই আর্মি জানিয়েছে, ৭ ডিসেম্বর সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ক্যাসিনো এবং হোটেলসহ আন্তর্জাতিক জালিয়াতি নেটওয়ার্কের ব্যবহৃত ছয়টিরও বেশি ভবন ধ্বংস করেছে।

এছাড়া রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সীমান্ত সংঘাতে থাইল্যান্ড বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ করেছে কম্বোডিয়া। হাসপাতালে কম্বোডিয়ার এক সেনা এ হামলার বর্ণনা দিয়েছেন। কম্বোডীয় সেনা কুন ইয়ং বলেছেন, সম্প্রতি তিনি সীমান্তে তার অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। থাই বিমান থেকে হামলার পর শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় তাকে সরে যেতে হয়েছে বলে জানান এ সেনা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।’
ডিসেম্বরের শুরু থেকে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষে লিপ্ত। এ সংঘর্ষে দুই দেশে ৪০ জনেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। কয়েক দশকের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে এটিই সবচেয়ে তীব্র লড়াই। কম্বোডিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বান্টি মিঞ্চি প্রদেশে বেশ কয়েকজন সেনা ও পুলিশ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাই বিমান হামলার পর শ্বাসকষ্টে ভোগার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছে। তারা বলছেন, থাই বিমান থেকে বিষাক্ত পানি ছোড়া হয়েছিল। ওদিকে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় প্রতিদিনই দাবি করে আসছে যে, থাই সেনাবাহিনী ‘বিষাক্ত গ্যাস’ ব্যবহার করছে।

এদিকে কম্বোডিয়ার এ অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ভুয়া খবর’ বলে অভিহিত করেছে থাই কর্তৃপক্ষ। রয়টার্সকে থাই বিমানবাহিনীর মুখপাত্র এয়ার মার্শাল জ্যাকরিত থাম্মভিচাই বলেছেন, তারা কখনই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেননি।
এর আগে, গত জুলাইয়ে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষের সময় কম্বোডিয়া সাদা ফসফরাস গোলা ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিল থাই বাহিনীর বিরুদ্ধে। থাইল্যান্ড তাদের কাছে এ ধরনের অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করেছিল। তবে বলেছিল, আন্তর্জাতিক কনভেনশনের আওতায় এই অস্ত্র রাসায়নিক অস্ত্র হিসাবে গণ্য নয়।




ভুয়া তথ্য ও গুজব রোধে এনসিএসএর বিশেষ সেল গঠন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ভুয়া তথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের বিস্তার রোধে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত একটি বিশেষ সেল সক্রিয় করেছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য শনাক্ত, যাচাই-বাছাই এবং সত্যতা নিশ্চিত করার কাজ করবে এই সেল।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এনসিএসএ জানিয়েছে, বিশেষ সেলটি সার্বক্ষণিকভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে ভুয়া খবর, উসকানিমূলক তথ্য ও বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে এনসিএসএ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি), বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য বা কনটেন্ট শেয়ার করার আগে অবশ্যই এর উৎস যাচাই করার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্দেহজনক, উসকানিমূলক বা দেশবিরোধী কনটেন্ট চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে এনসিএসএ-কে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের সাইবার স্পেস নিরাপদ রাখা সবার দায়িত্ব। দেশবিরোধী চক্রের ফাঁদে পড়ে ভুয়া তথ্য, ফটোকার্ড বা ভিডিও ছড়িয়ে পড়া থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করার অনুরোধ জানিয়েছে এনসিএসএ।

সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের দ্রুত সহায়তার জন্য এনসিএসএ ২৪ ঘণ্টার হেলপলাইন সেবা চালু রেখেছে। নাগরিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত একাধিক ই-মেইল ঠিকানাও রয়েছে।

গুজব, misinformation বা disinformation সংক্রান্ত অভিযোগ পাঠানো যাবে report_misinfo@ncsa.gov.bd ঠিকানায়।

ফেইক প্রোফাইল, ছবি, অডিও-ভিডিও বা ক্ষতিকর কনটেন্টের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হয়রানি সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করা হবে report_harassment@ncsa.gov.bd-এ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (CII) সংশ্লিষ্ট সাইবার হামলার অভিযোগ পাঠানো যাবে report_cii@ncsa.gov.bd ঠিকানায়।

সব ধরনের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও অভিযোগের জন্য রয়েছে notifz@ncsa.gov.bd, আর অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত অভিযোগ পাঠানো যাবে report_betting@ncsa.gov.bd-এ।

এছাড়া সরাসরি যোগাযোগের জন্য এনসিএসএর হেলপলাইন নম্বর +৮৮০২৪১০২৪০৬০ চালু রয়েছে।

সবাই মিলে যেন দেশের ডিজিটাল পরিসরকে নিরাপদ, সচেতন ও দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা যায় এ লক্ষ্যেই নাগরিকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে এনসিএসএ।




সিঙ্গাপুরে ওসমান হাদির জানাজা হচ্ছে না, হাইকমিশনের দুঃখ প্রকাশ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। সে কারণে দুঃখ প্রকাশ করছে সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে হাইকমিশন।

সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের উদ্দেশে বার্তায় উল্লেখ করা হয়, গতকাল রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ওসমান হাদি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ায় তার জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এ জন্য হাইকমিশন দুঃখ প্রকাশ করছে। সিঙ্গাপুর প্রবাসী ভাইদের সিঙ্গাপুরের আইনের প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা যার যার অবস্থান থেকে বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া ও মাগফিরাত কামনা করি।




সারা দেশে মসজিদে মসজিদে হাদির জন্য দোয়া আয়োজন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে তার জন্য দোয়া করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে হাদি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লড়াকু যোদ্ধা হাদির মৃত্যুতে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল রাতে সিঙ্গাপুরে হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ ঘোষণা দেন।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে হাদির মরদেহ দেশে পৌঁছানোর কথা। আগামীকাল বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জানাজা হবে। তবে দাফন কোথায়, সে সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।




শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরছে হাদির মরদেহ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ শুক্রবার সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আনা হবে।

এনসিপির স্বাস্থ্য সেলের প্রধান ও হাদির চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকা ডা. আব্দুল আহাদ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ওসমান হাদির মরদেহ শুক্রবার বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৩টা ৫০মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে রওয়ানা হয়ে সম্ভাব্য সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবে।’

বাংলাদেশ সময় বৃহষ্পতিবার রাত ৯টা ৪৫মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি।

গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল এবং পরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।




দেশবাসীকে কাঁদিয়ে মারা গেলেন ওসমান হাদি

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।




তদন্ত নয় কেন মানববন্ধন? গণপূর্ত নিয়ে উঠছে কঠিন প্রশ্ন

এসএম বদরুল আলমঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ যখন ক্রমেই জনসমক্ষে আসছে, ঠিক সেই সময়েই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হঠাৎ করে আয়োজন করা হলো এক ‘প্রতিবাদী মানববন্ধন’। ব্যানারে লেখা ছিল—গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগ’-এর প্রতিবাদ। তবে অনুসন্ধানে উঠে আসা তথ্য বলছে, এই মানববন্ধন আদতে কোনো প্রতিবাদ নয়; বরং এটি একটি প্রভাবশালী ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সুসংগঠিত আত্মরক্ষামূলক শক্তি প্রদর্শন।

বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন ঘিরে সাধারণ ঠিকাদার ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাদের ভাষায়, যাঁরা বছরের পর বছর ধরে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন, ঠিকাদারি কাজ বণ্টনে প্রভাব বিস্তার করেছেন, আজ তারাই নিজেদের ‘নির্দোষ’ দাবি করে রাজপথে দাঁড়ানো কতটা যৌক্তিক—সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা দাবি করেন, বাংলাদেশ ঠিকাদার সমিতির নাম ব্যবহার করে কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগকারীরা প্রকৃত ঠিকাদার নন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এসব তথ্য ছড়াচ্ছেন। কিন্তু মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে দেখা যায়, মানববন্ধনে উপস্থিত অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রভাবশালী নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীদের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী।

অভিযোগ রয়েছে, এই ঠিকাদার সিন্ডিকেটই বছরের পর বছর ধরে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, কাজ ভাগাভাগি, বিল ছাড় এবং প্রকল্প বণ্টনে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে। নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো ঠিকাদারের পক্ষে নিয়ম মেনে কাজ পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই মানববন্ধনের উদ্দেশ্য কি সত্যিই গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি রক্ষা, নাকি নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার কৌশল?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সাধারণ ঠিকাদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা নিয়ম মেনে দরপত্রে অংশ নিলেও নানা অদৃশ্য বাধার মুখে পড়েন। অধিকাংশ কাজই চলে যায় একটি নির্দিষ্ট বলয়ের হাতে। তাদের ভাষায়, “যারা সব সুযোগ নিজেরা নেয়, তারাই আজ প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে চাইছে—এটা আমাদের জন্য চরম হতাশাজনক।”

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও একই ধরনের অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। তারা বলছেন, প্রকৃত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত না করে বরং যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের ‘ভুয়া’ বা ‘অসৎ’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এতে প্রকৃত সত্য আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিক হাওলাদার। তিনি বলেন, গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতি একটি সারাদেশব্যাপী সংগঠিত প্রতিষ্ঠান এবং এর নেতৃত্বে রয়েছেন তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদাররা। তার দাবি অনুযায়ী, যারা আজ গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন, তারা কেউই প্রকৃত ঠিকাদার নন।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কেউ মানববন্ধনের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করলে গণমাধ্যমকর্মীদের উচিত হবে তাদের পরিচয় যাচাই করা। প্রয়োজনে সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করারও আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে উল্লেখ করেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরে তাদের নিজস্ব অফিস রয়েছে। তবে সমালোচকদের প্রশ্ন—যদি সবকিছুই স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক হয়, তাহলে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তে আপত্তির কারণ কী?

এই মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সহ-সভাপতি আবু রায়হান, সিটি ডিভিশনের ঠিকাদার সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান খোকন এবং ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের ২ নম্বর ডিভিশনের সভাপতি আশরাফসহ আরও কয়েকজন নেতা। তবে উপস্থিত অনেকের প্রকৃত পরিচয় ও ভূমিকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সাধারণ ঠিকাদারদের দাবি, এদের বড় একটি অংশ নিয়মিত কাজ পাওয়া সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

সব মিলিয়ে প্রশ্নটা এখন স্পষ্ট—গণপূর্ত অধিদপ্তরকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ যদি সত্যিই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন হয়, তাহলে তার জবাব কি মানববন্ধন? নাকি একটি নিরপেক্ষ তদন্তই হতে পারে প্রকৃত সমাধান? কেন বারবার একই গোষ্ঠী সব কাজ পায়, কেন অভিযোগ তুললেই ‘ভুয়া ঠিকাদার’ তকমা দেওয়া হয়, আর কেন দুর্নীতির তদন্তের বদলে প্রেসক্লাবে শক্তি প্রদর্শনের আয়োজন—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অধরাই।

এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট জবাব না আসা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনকে অনেকেই দেখছেন একটি প্রভাবশালী ঠিকাদার সিন্ডিকেট রক্ষার নাটকীয় আয়োজন হিসেবে। গণপূর্ত অধিদপ্তর নিয়ে চলমান অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর মানববন্ধনের এই সংঘাতে শেষ পর্যন্ত কারা জবাবদিহির মুখোমুখি হবে—সেদিকেই এখন তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষ।




হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন

ডেস্ক নিউজঃ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

বুধবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান আজ দেশটিতে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে দেখতে গিয়েছিলেন।

রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে ফোন করেন এবং হাদির চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। তিনি জানান, হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে হাদির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিজ্ঞপ্তিতে।

এর আগে, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় মোটরসাইকেলে এসে দুই যুবক শরিফ ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে ওসমান হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক সার্জারি (অস্ত্রোপচার) করেন চিকিৎসকরা।

এরপর তাকে পরিবারের সিদ্ধান্তে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিলেন উসমান হাদি। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।