দুই বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৪৭ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজ : দুই বছর ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন ৪৭ বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ৪৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ।

দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিরা জানায়, পুরুষদের অধিকাংশ জেলে সম্প্রদায়ের। বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গেলে গভীর সমুদ্র থেকে ভারতীয় নৌবাহিনী তাদের আটক করে তামিলনাড়ুর একটি জেলে আটকিয়ে রাখে। অন্যরা ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালের মাধ্যমে ভারতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়। প্রায় আড়াই বছর সাজার মেয়াদ শেষে তাদের সেল্টার হোমে রাখা হয়।

পরে উয়য়ে দেশের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে সন্ধ্যায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ সময় দুই দেশের পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও মানবাধিকার সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৪৭ জন নারী পুরুষের একটি দলকে বিএসএফ তাদের নিকট হস্তান্তর করেছে। ইমিগ্রেশনের কাজকর্ম শেষে তাদেরকে বেনাপোল বন্দর থানায় পাঠানো হবে। থানা পুলিশ জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার এবং রাইটস যশোরের মাধ্যমে তাদেরকে নিজ নিজ পরিবারের প্রতিনিধিদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।




রাজধানীর মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

রাজধানীর মহাখালী রেলগেট এলাকায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানির একটি পরিত্যক্ত সাত তলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে এই আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকালের দিকে মহাখালীর এস কে টাওয়ারের পার্শ্ববর্তী ভবনে হঠাৎ আগুন লাগার খবর পান তারা। সংবাদ পাওয়া মাত্রই আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল রওনা দেয়।

সূত্র আরও জানায়- তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না তা জানা যায়নি।




রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেইজে আগুনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ : রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাইওনিয়ার বেইজে অস্থায়ী একটি ভবনে আগুন লাগার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানান, অগ্নিকাণ্ডের স্থানটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল স্থাপনার বাইরে হওয়ায় এর প্রভাব পড়েনি প্রকল্পের মূল নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বিএইসি) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (তথ্য) ও প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট সৈকত আহমেদ।

তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করে। এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তি হতাহত হননি।
অগ্নিকাণ্ডে অস্থায়ী ভবনের দুটি কক্ষের অফিস আসবাবপত্র, নথিপত্র, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত কিছু সরঞ্জাম আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত নথিপত্রের প্রয়োজনীয় ব্যাকআপ কপি প্রকল্প কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত থাকায় তথ্য সংরক্ষণ বা কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
প্রাথমিকভাবে স্প্লিট-টাইপ এসির ইনডোর ইউনিটের ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে প্রকল্পের নির্ধারিত ফায়ার সেফটি প্রসিডিউর অনুসরণ করে একটি ইনভেস্টিগেশন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্ত শেষে কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। নির্ধারিত অগ্নিনিরাপত্তা পদ্ধতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে বিষয়টি জানানো হয়েছে হয়েছে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল স্থাপনাসমূহের বাইরে থাকা একটি অস্থায়ী ভবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত রয়েছে।




উত্তরায় শপিং মলের রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

রাজধানীর উত্তরায় বিমানবন্দরের পাশে একটি শপিং মলের ছয়তলা ভবনের পাঁচতলায় থাকা একটি রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। বুধবার ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাজধানীর উত্তরা এলাকার বিমানবন্দরের পাশে একটি ছয়তলা ভবনের পাঁচতলায় রেস্টুরেন্টে দুপুর পৌনে ১টার দিকে আগুন লাগে। উত্তরা এবং বিমানবন্দর ফায়ার স্টেশনের ছয়টি ইউনিটের চেষ্টায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।




সকালে ২০ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রোরেল চলাচল

ঢাকা মেট্রোরেলের সচিবালয় স্টেশনে ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের (ওসিএস) ক্যাবলের ওপর একটি অতিরিক্ত তার ঝুলে থাকায় সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০ মিনিট ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এতে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

পরে ঝুলে থাকা তারটি অপসারণের পর পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয় স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এমআরটি পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ মহসিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে সচিবালয় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ওসিএস ক্যাবলের ওপর একটি অচেনা তার ঝুলে থাকতে দেখা যায়। বিদ্যুতায়িত মূল লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়। এরপর সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২০ মিনিটের চেষ্টায় ঝুলে থাকা তারটি সরিয়ে ফেলা হয়।

তারটি সফলভাবে অপসারণের পর সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে মেট্রোরেল চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।

বর্তমানে মেট্রোরেল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল করছে।




নড়াইলে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, নারীসহ আহত ৫

নড়াইলের লোহাগড়ায় মিসকান সরদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। নিহত মিসকান মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের লোকমান সরদারের ছেলে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

চোর বলাকে কেন্দ্র করে মোল্যা ও মুন্সী বংশের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হলে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ সময় এক নারীসহ ছয়জন আহত হন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতে তুহিন নামে একজনকে প্রতিপক্ষের লোকজন চোর আখ্যায়িত করায় গৃহবধূ সারফিনা প্রতিবাদ করেন। পরে ওই গৃহবধূকে মারধর করে আহত করে মোল্যা বংশের লোকজন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে মোল্যা ও মুন্সী বংশের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

এ সময় মুন্সী বংশের পক্ষের মিসকান সরদারসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। ধারালো অস্ত্রের কোপে মিসকান গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথিমধ্যেই তার মৃত্যু হয়। অন্য আহতদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের হয়নি।




গাজীপুরের জুয়েলারি দোকানিকে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার আসামিদের

ডেস্ক নিউজ : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানা এলাকায় জুয়েলারি দোকানের মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার আসামিদের গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার চৈতট গ্রামের মো. নাছির উদ্দিন (৩২) এবং একই জেলার মধুপুর থানার জলছত্র গ্রামের মো. সুজন মিয়া (২৭)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণালংকার, নিহতের ব্যবহৃত মুঠোফোন এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৩ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে তিনটা থেকে ভোর সোয়া পাঁচটার মধ্যে যেকোনো সময় সিটি করপোরেশনের গাছা থানাধীন ভূষিরমিল রোড এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ নামের স্বর্ণের দোকানে ঢুকে এর মালিক আবুল কালাম আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে দোকানে থাকা বিভিন্ন অলংকার লুট করে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল আউয়াল সরদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত রবিবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাছির ও সুজনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া মালামাল ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের নিয়ে ঘটনাস্থলের পাশে অভিযান চালিয়ে হত্যাণ্ডে কাব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়। এছাড়া উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, পাথরসহ রূপার আংটি ১৭টি, রূপার কানের টপ এক জোড়া, ইমিটেশনের বালা ফিতাসহ দুই জোড়া, ইমিটেশনের হার ফিতাসহ দুই পিস।

জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ, দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে, তারা স্বেচ্ছায় আদালতে হত্যাকান্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত ও জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট, কমেছে হ্রদের পানির উচ্চতা

ডেস্ক নিউজ : কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমে যাওয়ায় আট দিন পর রাঙামাটির কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে সব কটি জলকপাট বন্ধ করা হয়। এ সময় হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৪ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, এর আগে গত ২৯ আগস্ট কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের ওপর চাপ কমাতে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। ওইদিন রাত ৮টার দিকে প্রতিটি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হয়।

পরবর্তী সময়ে হ্রদের পানি আরও বাড়তে থাকলে ধাপে ধাপে গেট খোলার পরিমাণ বাড়ানো হয়। একপর্যায়ে প্রতিটি জলকপাট সর্বোচ্চ ৩ ফুট পর্যন্ত খোলা রাখা হয়। এর মাধ্যমে অতিরিক্ত বিপুল পরিমাণ পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হয়।

কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট দুপুর ২টায় হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল। টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে দ্রুত পানি বাড়তে থাকায় সেদিন স্পিলওয়ের গেট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বর্তমানে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় টারবাইনের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত কয়েকদিনে হ্রদের পানির উচ্চতা ধারাবাহিকভাবে কমে আসায় রোববার রাতে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাটই বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে স্পিলওয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় টারবাইনের মাধ্যমে নিয়মিত পানি নিষ্কাশন অব্যাহত থাকবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ও আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে স্পিলওয়ের জলকপাট আবার খোলা বা বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




নারায়ণগঞ্জে বিশেষ অভিযানে শতাধিক গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ : নারায়ণগঞ্জে মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে জেলা পুলিশ। তারই অংশ হিসেবে শুক্রবার থেকে শুরু করে শনিবার পর্যন্ত জেলার সাতটি থানায় ১০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবিবুর রহমান।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ৫৪ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ ২০ জন, বন্দর ১১ জন, সোনারগাঁ ৮ জন, রূপগঞ্জ ৬ জন ও আড়াইহাজার থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ জন।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, নারায়ণগঞ্জে মাদকের বিস্তার, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অবৈধ অস্ত্রের আধিক্যের বিষয়ে পুলিশ তথ্য পেয়েছে। এসব অপরাধ দমনে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য সাধারণ অপরাধের বিরুদ্ধেও পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলবে। এটি আমাদের নিয়মিত প্রক্রিয়া।

তিনি আরও বলেন, সাতটি থানায় অভিযানে মোট ১০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মাদক-সংক্রান্ত মামলার আসামির সংখ্যাই বেশি। এর সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী : আব্দুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সবকিছু একসঙ্গে সমাধান করে দেওয়ার মতো কোনো ‘আলাদিনের চেরাগ’ নেই।

শনিবার দুপুরে কামরাঙ্গীরচরে বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবিতে লংমার্চ করে কোনো লাভ নেই। বরং এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে যে পেট্রোল বা গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও অপচয় হচ্ছে।

আব্দুস সালাম আরও বলেন, ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসেই সরকার রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করেছে। এজন্য বিরোধী দলের এই সরকারকে ধন্যবাদ দেওয়া প্রয়োজন।