সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

স্টাফ রিপোর্টার: অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিককে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন সাংবাদিক নেতারা। আগামীকালের মধ্যে তাঁকে মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।

বুধবার ২২ জুলাই রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাধারণ সাংবাদিক সমাজের আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন সাংবাদিক নেতারা।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ বলেন, শাহবাগ থানার ওসি যে মামলা নিয়েছেন, সেটি রক্ষা করতে পারবেন কি না, তা ভেবে দেখা উচিত ছিল। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কোন আইনে মামলাটি নেওয়া হয়েছে এবং সেটি কোনো চাপে করা হয়েছে কি না, সেটিও জানতে চান।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে এরফানুল হক নাহিদ বলেন, অতি উৎসাহী আচরণ না করে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল। তাঁর ভাষ্য, বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে তদন্ত হয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলে তখন গ্রেপ্তার করা যেত।

তিনি বলেন, তাঁরা কোনো অন্যায়ের প্রশ্রয় দিচ্ছেন না। হাফিজুর রহমান শফিক একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য পরিচিত সাংবাদিক। তাঁর প্রতিবেদনের সঙ্গে কারও দ্বিমত থাকলে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে জবাব দেওয়া বা আদালতে মানহানির মামলা করার সুযোগ ছিল। থানায় মামলা করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আগের পরিস্থিতি ভেবে কেউ যেন অন্যায় না করেন।

শাহবাগ থানার ওসি ও গ্রেপ্তারে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। অন্যথায় তাঁদের প্রত্যাহারের দাবি তোলা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিক নির্যাতনের আগে ২৪–এর আন্দোলনের আত্মত্যাগ স্মরণ রাখা উচিত।

এরফানুল হক নাহিদ আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসকে নিয়ে অতীতে নানা সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে প্রশাসনে যারা দায়িত্বে আছেন, তাঁদের মাথা ঠান্ডা রেখে সাংবাদিক সমাজকে উসকানি না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আগামীকালের মধ্যে হাফিজুর রহমান শফিককে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করা হবে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার বলেন, অধিকার রক্ষা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পরীক্ষিত সংবাদকর্মী হাফিজুর রহমান শফিককে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দিদারুল আলম দিদার বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে মামলা করার উপাদান আছে—এ কথা শাহবাগ থানার ওসিকে কে বলেছেন, সেটি জানতে চান তিনি।

তিনি বলেন, গত দেড় দশক ধরে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সংগঠনগুলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আবারও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা তাঁরা কল্পনাও করেননি।

দিদারুল আলম দিদারের অভিযোগ, এ ঘটনা প্রমাণ করে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশের মধ্যে এখনো ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা রয়েছে। তিনি তথ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা মামলা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে যে প্রতিবেদনের কারণে শফিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই প্রতিবেদনে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করে হাফিজুর রহমান শফিকের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনগুলো আরও তীব্র কর্মসূচি দেবে বলেও জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সঠিক সংবাদ প্রকাশ করতে হলে মাঠপর্যায়ে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু বর্তমানে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সামান্য ঘটনাতেই মানুষকে মারধর, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অপরাধ করলে বিচার হবে, তবে নিরপরাধ কাউকে মব সৃষ্টি করে হয়রানি বা মিথ্যা মামলায় জড়ানো কাম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।

বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের বাঁচাতে হলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকেও টিকিয়ে রাখতে হবে।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কাউন্সিলর ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সদস্য নিজামুদ্দিন দরবেশ, রাজু আহমেদ, তালুকদার রুমি, ফখরুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য এইচএম আল-আমিন, জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য তাপস, রাসেল, জিয়াউর রহমান, বিএফইউজের কাউন্সিলর নুরুল আবছার, ডিইউজের সদস্য আকাশ মনি সহ প্রমুখ।




মিরপুর প্রেসক্লাবে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি চূড়ান্ত নাম ঘোষণা- সভাপতি হিসেবে এস এম বদরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ শিহাব উদ্দিন নির্বাচিত এবং তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্মদিন উদযাপন

এসএম বদরুল আলমঃ রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী মিরপুর প্রেসক্লাবে জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করা হয়। এবং কমিটি গঠন শেষে ক্লাবের সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমী, সম্মানিত উপদেষ্টা মোঃ সালমান ফারসি এবং সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টুটুলের জন্মদিন একসঙ্গে উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও খবর বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা, উপদেষ্টা ও মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান এবং উপদেষ্টা মোঃ মাহবুবুর রহমান খান সর্বসম্মতিক্রমে গঠিত মিরপুর প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করেন।

ঘোষিত কমিটিতে *সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন এস এম বদরুল আলম* , *সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ শিহাব উদ্দিন* এবং *সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মোঃ শফিকুল ইসলাম সাইমন*। এছাড়া কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মোঃ রাহাত খান, এস এম ইসলাম উকিল ও মাইনুল ইসলাম পলাশ; সহ-সভাপতি হিসেবে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম টুটুল, মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, শাহিনুজ্জামান ও শফিকুল ইসলাম রাজু; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোঃ সাইফুল ইসলাম, সুমন খান, মুন্না, মঞ্জুর আহমেদ ও জিএস জয়সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে এম এ গাফফার, এম এ মালেক, ডালিয়া মির্জা, রিয়া মনি, দুলাল হোসেনসহ অসংখ্য সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম। তিনি বলেন,
“মিরপুর প্রেসক্লাব শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি সাংবাদিকদের ঐক্য, পেশাগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। আমাদের সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা তালুকদার রুমী, উপদেষ্টা সালমান ফারসি এবং সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টুটুলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করছি। একই সঙ্গে নবগঠিত কমিটির সবাইকে নিয়ে আমরা মিরপুর প্রেসক্লাবকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।”

সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন,
“আমাদের প্রধান উপদেষ্টা তালুকদার রুমী সবসময় সাংবাদিকদের অভিভাবক হিসেবে পাশে থেকেছেন। তাঁর দিকনির্দেশনা মিরপুর প্রেসক্লাবকে আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে উপদেষ্টা সালমান ফারসি ও সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টুটুলের অবদানও অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁদের জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই এবং নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে সাংবাদিকদের কল্যাণে আরও কার্যকরভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।”

উপদেষ্টা মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা বলেন,
“তালুকদার রুমীর নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা সাংবাদিক সমাজের জন্য অনুকরণীয়। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মময় জীবন কামনা করছি। পাশাপাশি সালমান ফারসি ও নজরুল ইসলাম টুটুলের প্রতিও রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

উপদেষ্টা খান সেলিম রহমান বলেন,
“মিরপুর প্রেসক্লাব আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তার পেছনে সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা তালুকদার রুমীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। আমরা তিনজনেরই সুস্থ, সুন্দর ও সফল জীবন কামনা করি।”

উপদেষ্টা মোঃ মাহবুবুর রহমান খান বলেন,
“এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করে। একই সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আমরা আশা করছি।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার মোঃ রাহাত খান বলেন,
“তালুকদার রুমী সাংবাদিকদের জন্য একজন অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব। তাঁর মতো অভিজ্ঞ মানুষের পরামর্শ আমাদের চলার পথে অনুপ্রেরণা জোগায়।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম পলাশ বলেন,
“আজকের এই আয়োজন আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের প্রতীক। জন্মদিনের তিনজন গুণী ব্যক্তিত্বের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।”

সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টুটুল জন্মদিনের শুভেচ্ছার জন্য উপস্থিত সকল সাংবাদিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
“আপনাদের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মিরপুর প্রেসক্লাব পরিবার সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকুক—এটাই আমার প্রত্যাশা।”

অনুষ্ঠানে মিরপুর এলাকার প্রায় দেড়শ থেকে দুই শতাধিক সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। কেক কাটা, ফুলেল শুভেচ্ছা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। বিশেষ করে মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা তালুকদার রুমী দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে তাঁর অবদান, দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বের জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত সফলতা কামনা করেন উপস্থিত সবাই।

একই সঙ্গে সম্মানিত উপদেষ্টা মোঃ সালমান ফারসি এবং সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টুটুলের জন্মদিনও আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করা হয়। উপস্থিত সাংবাদিকরা তাঁদের সাংবাদিকতা, সংগঠন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান।

সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টুটুল জন্মদিনের শুভেচ্ছার জন্য উপস্থিত সকল সাংবাদিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
“আপনাদের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মিরপুর প্রেসক্লাব পরিবার সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকুক—এটাই আমার প্রত্যাশা।”

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিন গুণী ব্যক্তিত্বের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপস্থিত সাংবাদিকরা করতালির মাধ্যমে তাঁদের সম্মান জানান এবং সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

সবশেষে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে মিরপুর প্রেসক্লাবকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সাংবাদিকবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বক্তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত নৈতিকতা ও ঐক্যের মাধ্যমে মিরপুর প্রেসক্লাব ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।




কুড়িলে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল যুবকের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ছাতা মাথায় রেললাইন পার হওয়ার সময়ে ট্রেনের ধাক্কায় মো. রাকিবুল ইসলাম (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পেশায় তিনি গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন। রবিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী আবু রায়হান জানিয়েছেন, সকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল সে সময়ে রাকিব মাথায় ছাতা দিয়ে অসতর্কভাবে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। মাথায় ছাতা থাকার কারণে সম্ভবত তিনি ট্রেনের হর্ন বা শব্দ শুনতে পাননি। সে সময় বিমানবন্দরগামী একটি ট্রেনের ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে পথচারী ওই আরও বলেন, মৃত রাকিব অনার্স (স্নাতক) সম্পন্ন করেছিলেন, ঢাকায় এসে গতকাল থেকে গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসে চাকরি শুরু করেন। আজ ছিল তার চাকরির দ্বিতীয় দিন সকালে কর্মস্থল গাজীপুরের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানায় অবগত করা হয়েছে। মৃত রাকিব ভোলা জেলার দৌলতখান থানার চর খলিফা গ্রামের প্রাইভেটকার চালক মো. মফিজুল ইসলামের ছেলে। তিনি কুড়াতলী এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতেন তিন ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল বড়।




কাফরুলে এক হাজার মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিল আব্বাস আলী ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন কাফরুল থানার ১৬ নং ওয়ার্ড এর সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষের মাঝে আব্বাস আলী ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক দলের সদস্য ডাঃ নিবিড়ের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক ১৬ নং ওয়ার্ডের উত্তর কাফরুল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

চিকিৎসক দল সকাল ৯ টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত প্রায় ১০০০ এর মত রোগী দেখেন এবং ফ্রি ওষুধ বিতরণ করেন। সেই সাথে আব্বাস আলী ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য পানি, বিস্কুট, শরবত, খাবার স্যালাইন দিয়ে সেবা করতে দেখা যায়।

সমাজের সাধারণ মানুষের মাঝে আব্বাস আলী ফাউন্ডেশনের এই মহতী কাজকে তারা ধন্যবাদ জানান এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ইউটিউব গণমাধ্যম কর্মীদের ভিডিও নিউজ কভার করতে দেখা যায়।

মানবিক এই কাজকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গও সাধুবাদ জানাচ্ছে। আব্বাস আলী ফাউন্ডেশন এর সভাপতি রহমত এলাহী সোহাগের নেতৃত্বে আব্বাস আলী ফাউন্ডেশন এর সকল নেতৃবৃন্দ সময় উপস্থিত ছিলেন। তারা আব্বাস আলী ফাউন্ডেশন এর আব্বাস আলী একজন  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।




মোঃ শিহাব উদ্দিনের জন্মদিন উপলক্ষে মিরপুর প্রেস ক্লাবে আনন্দঘন আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

জন্মদিনের কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা মোঃ শিহাব উদ্দিনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, “শিহাব উদ্দিন শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি একজন মানবিক মানুষ। সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে তাঁর অবদান প্রশংসার দাবিদার। তাঁর জন্মদিনে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।”

মিরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শিহাব উদ্দিন সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সুপরিচিত। আমরা তাঁর সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে আবেগঘন বক্তব্যে মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “আজ কেউ সাংবাদিক নয়, আজ সবাই আমার ভাই-বোন। আমি এমন ভালোবাসা আগে কখনও পাইনি। আপনাদের এই ভালোবাসা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন আমার এই প্রিয় ভাই-বোনদের হৃদয়ে ধারণ করে রাখব।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষের ভালোবাসাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আজকের এই আয়োজন আমাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মেসেজ স্টুডেন্ট সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ঢাকার আলোর সম্পাদক সাংবাদিক সুমন খান, ডিএস টিভির সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ডা. খোরশেদ আলম শাকিল, সারোয়ার আলম, রিয়া মনি, শানু আক্তার, ডালিয়া মির্জা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, মিরপুর কেপটা ক্লাবের সহ-সভাপতি ও গ্রিন টিভির সিনিয়র রিপোর্টার খাইরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এম এ গফফার, সহ-দপ্তর সম্পাদক এম এ মালিক, সদস্য ফিরোজ আল মামুন, মানজারুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দুলাল হোসেন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের অন্যতম সদস্য সিরাজ উদ্দিন ভূঁইয়াসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী।

অনুষ্ঠান শেষে জন্মদিনের কেক কাটা হয় এবং উপস্থিত সকলের মাঝে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ভরপুর এই আয়োজন উপস্থিত সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন অতিথিরা।




জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানবিকতায় মুগ্ধ সায়েম পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা সাভার হেমায়েতপুরে অবস্থিত জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের মানবিকতা এবং আন্তরিক ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়েছে সায়েম ইসলাম নাবিলের পরিবার।

গত ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে হঠাৎ বিদ্যালয়ের সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আহত হয় শিক্ষার্থী সায়েম ইসলাম নাবিল। দুর্ঘটনায় তার হাতের দুটি হাড় ভেঙে যায়। পরে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সায়েমের দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টরা তার খোঁজখবর নিতে পরিবারের বাসায় যান। তাদের এই আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে সায়েমের পরিবার।

সায়েমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারা যে ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা আমাদের মুগ্ধ করেছে। সবার এই দোয়া ও সহযোগিতায় সায়েম দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি।”

পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, সরকারি বিদ্যালয় সম্পর্কে অনেকের মাঝে ভুল ধারণা রয়েছে। বাস্তবে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ এবং কঠোর নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের এই ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

সায়েম পরিবারের পক্ষ থেকে জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এমন মানবিক সম্পর্ক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলবে। জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার বলেও তারা মন্তব্য করেন।




সেলিমুজ্জামান খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুর এলাকায়, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সহ- সভাপতি মোঃ সেলিমুজ্জামান খানের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, পূর্ব বিরোধ ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে জানা যায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। কল পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় সেলিমুজ্জামানকে উদ্ধার করে তার নিজ বাসার দোতলায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তীতে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবার দাবি করেছে, ঘটনার পর থেকেই তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার কারণে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ঘর থেকে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানা গেছে, মাথায় আঘাত ৬টায়। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, মিরপুর ১ নম্বর ব্লক, পাওয়ার পর তার চিকিৎসা করানো হয়েছে এবং সিটি | সি-বাড়ি নং ১ ও ৩, রোড নং ৯ এলাকার পার্শ্ববর্তী স্ক্যান করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে ভবনের বাসিন্দা জিতু, মিতু ও ফরহাদসহ কয়েকজনের রেখেছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য ফেলা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
এই ঘটনার পর আজ ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে মিরপুর প্রেসক্লাবে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা এবং তিনি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রথমে তাদেরকে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে রাস্তার পাশে রাখার বিষয়ে অনুরোধ করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি মারাত্মক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তরা তাকে লক্ষ্য করে কিল, ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি আরও জানান, প্রাণ বাঁচাতে তিনি দ্রুত নিজের বাসার বলেন, “আমি ন্যায়বিচার চাই, দোষীদের দ্রুত আইনের গেটের ভেতরে আশ্রয় নেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আওতায় আনা হোক। আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় সেখানে গিয়েও হামলাকারীরা থেমে থাকেনি। এক পর্যায়ে ভুগছে, আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না।”

জিতু নামে একজন বেলচা হাতে নিয়ে গেটের সামনে এসে এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ তাকে মারার চেষ্টা করে এবং তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন করেন, ঘটনার পর থেকে তাকে ও তার পরিবারকে স্থানে এলোপাতাড়ি ঘুষি ও আঘাত করে বলে দাবি করা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনার দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটেজ যাচাই বা তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
হয়।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার পর তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরও হামলাকারীরা লাঠিসোটা নিয়ে গেটের সামনে ভাঙচুর ও আঘাত করতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।




ঢাকা মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলমের জন্মদিন উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলমের জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার এক আন্তরিক, আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দোয়া মাহফিল এবং অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময়, আপ্যায়ন এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এবং খবর বাংলাদেশের প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন। তিনি জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে এস এম বদরুল আলমের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত সাফল্য কামনা করেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ, সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার মাজহারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুন্না খান, দপ্তর সম্পাদক এম এ গাফফার, সাংবাদিক তাবাসসুম রিয়া মনি, সদস্য মানজারুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নিপু আহমেদসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী।

অনুষ্ঠানে দেশের চলমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিকতা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ জাকির হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এস এম বদরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তার মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তির নেতৃত্বে মিরপুর প্রেসক্লাব আরও এগিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক সফলতা কামনা করছি।”

জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও শুভকামনায় আমি সত্যিই অভিভূত। সাংবাদিকতা একটি মহান দায়িত্বের পেশা। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমি সবসময় সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “এস এম বদরুল আলম একজন অভিজ্ঞ, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক সংগঠক। তার নেতৃত্বে মিরপুর প্রেসক্লাব আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়েছে। আমরা তার জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করি।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল বলেন, “বদরুল আলম ভাইয়ের নেতৃত্ব, সততা ও সাংগঠনিক দক্ষতা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি সবসময় সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছেন। তার জন্মদিনে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।”
সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ বলেন, “মিরপুর প্রেসক্লাবকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে বদরুল আলম ভাইয়ের অবদান অসামান্য। তিনি সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।”

সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় এস এম বদরুল আলমের অবদান প্রশংসনীয়। তিনি সবসময় সত্য, ন্যায় ও গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার মতো নেতৃত্ব সাংবাদিক সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

অনুষ্ঠানের শেষে এস এম বদরুল আলমের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে জন্মদিনের কেক কেটে অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।




মিরপুর প্রেসক্লাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মিরপুর প্রেসক্লাব, ঢাকা। আলোচনা সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র গঠনে তাঁর অবদান এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান, মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম ইসলাম উকিল, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাহাত খান, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান, সাবেক মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম জামান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন, যুগ্ম সম্পাদক মনজুরুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক সুমন খান, দপ্তর সম্পাদক এমএ গাফফার, অর্থ সম্পাদক জিএস জয়, সহ অর্থ সম্পাদক আব্দুল মালেক, যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, সহ -সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা,সহ- সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সহ- সম্পাদক দুলাল হোসেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সদস্য আলমগীর হোসেন, দুলাল হোসেন, রিয়া মনি, ডালিয়া আক্তার, মানিক মিয়া-সহ প্রায় ১০০ জন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময় মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যিনি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য আজীবন কাজ করেছেন। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। জাতির জন্য তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

সভাপতির বক্তব্যে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক সাহসী প্রতীক। তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম এবং গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। তাঁর আত্মত্যাগ জাতি আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।”

মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেবল একজন রাষ্ট্রনায়ক নন, তিনি ছিলেন জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের রূপকার। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাঁর অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম ইসলাম উকিল তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা। তিনি বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি রাহাত খান বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। তাঁর নেতৃত্ব, সাহসিকতা এবং দেশপ্রেম আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন বলেন,
“বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সংকটময় সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তাঁর সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা সাংবাদিক সমাজসহ সকল পেশাজীবীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর আদর্শ ধারণ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

অনুষ্ঠানের দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি পবিত্র সূরা ইয়াসিন থেকে তেলাওয়াত করেন এবং মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির মরহুম মায়ের জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, সে প্রার্থনা করেন উপস্থিত সবাই।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা ভবিষ্যতেও মিরপুর প্রেসক্লাবকে সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত উন্নয়নের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




।শোক বিজ্ঞপ্তি। রহিমা বেগমের মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের শোক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টি, কাফরুল থানা কমিটির আহবায়ক এস এম বদরুল আলমের মমতাময়ী মাতা রহিমা বেগম ( ৬৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে ২০মে ২০২৬, বুধবার রাত ৯ঃ০০টায় ঢাকার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র এক কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহম্মদ কাদের, রহিমা বেগমের মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন। শোকবার্তায় পার্টি চেয়ারম্যান মরহুমার বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী রহিমা বেগমের মৃত্যুতে অনুরূপ এক শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন।

পার্টির প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরিফা কাদের, রহিমা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।