মোঃ শিহাব উদ্দিনের জন্মদিন উপলক্ষে মিরপুর প্রেস ক্লাবে আনন্দঘন আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিনের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

জন্মদিনের কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা মোঃ শিহাব উদ্দিনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, “শিহাব উদ্দিন শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি একজন মানবিক মানুষ। সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে তাঁর অবদান প্রশংসার দাবিদার। তাঁর জন্মদিনে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।”

মিরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শিহাব উদ্দিন সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সুপরিচিত। আমরা তাঁর সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে আবেগঘন বক্তব্যে মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “আজ কেউ সাংবাদিক নয়, আজ সবাই আমার ভাই-বোন। আমি এমন ভালোবাসা আগে কখনও পাইনি। আপনাদের এই ভালোবাসা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন আমার এই প্রিয় ভাই-বোনদের হৃদয়ে ধারণ করে রাখব।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষের ভালোবাসাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আজকের এই আয়োজন আমাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ও দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মেসেজ স্টুডেন্ট সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ঢাকার আলোর সম্পাদক সাংবাদিক সুমন খান, ডিএস টিভির সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ডা. খোরশেদ আলম শাকিল, সারোয়ার আলম, রিয়া মনি, শানু আক্তার, ডালিয়া মির্জা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ, মিরপুর কেপটা ক্লাবের সহ-সভাপতি ও গ্রিন টিভির সিনিয়র রিপোর্টার খাইরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক এম এ গফফার, সহ-দপ্তর সম্পাদক এম এ মালিক, সদস্য ফিরোজ আল মামুন, মানজারুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দুলাল হোসেন, মিরপুর প্রেস ক্লাবের অন্যতম সদস্য সিরাজ উদ্দিন ভূঁইয়াসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী।

অনুষ্ঠান শেষে জন্মদিনের কেক কাটা হয় এবং উপস্থিত সকলের মাঝে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ভরপুর এই আয়োজন উপস্থিত সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন অতিথিরা।




জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মানবিকতায় মুগ্ধ সায়েম পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা সাভার হেমায়েতপুরে অবস্থিত জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের মানবিকতা এবং আন্তরিক ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়েছে সায়েম ইসলাম নাবিলের পরিবার।

গত ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে হঠাৎ বিদ্যালয়ের সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আহত হয় শিক্ষার্থী সায়েম ইসলাম নাবিল। দুর্ঘটনায় তার হাতের দুটি হাড় ভেঙে যায়। পরে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সায়েমের দুর্ঘটনার খবর জানতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টরা তার খোঁজখবর নিতে পরিবারের বাসায় যান। তাদের এই আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে সায়েমের পরিবার।

সায়েমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারা যে ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন, তা আমাদের মুগ্ধ করেছে। সবার এই দোয়া ও সহযোগিতায় সায়েম দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি।”

পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, সরকারি বিদ্যালয় সম্পর্কে অনেকের মাঝে ভুল ধারণা রয়েছে। বাস্তবে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ এবং কঠোর নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের এই ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

সায়েম পরিবারের পক্ষ থেকে জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এমন মানবিক সম্পর্ক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করে তুলবে। জাদুরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার বলেও তারা মন্তব্য করেন।




সেলিমুজ্জামান খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুর এলাকায়, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সহ- সভাপতি মোঃ সেলিমুজ্জামান খানের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, পূর্ব বিরোধ ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে জানা যায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। কল পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় সেলিমুজ্জামানকে উদ্ধার করে তার নিজ বাসার দোতলায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তীতে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবার দাবি করেছে, ঘটনার পর থেকেই তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার কারণে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ঘর থেকে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানা গেছে, মাথায় আঘাত ৬টায়। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, মিরপুর ১ নম্বর ব্লক, পাওয়ার পর তার চিকিৎসা করানো হয়েছে এবং সিটি | সি-বাড়ি নং ১ ও ৩, রোড নং ৯ এলাকার পার্শ্ববর্তী স্ক্যান করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে ভবনের বাসিন্দা জিতু, মিতু ও ফরহাদসহ কয়েকজনের রেখেছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য ফেলা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
এই ঘটনার পর আজ ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে মিরপুর প্রেসক্লাবে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা এবং তিনি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রথমে তাদেরকে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে রাস্তার পাশে রাখার বিষয়ে অনুরোধ করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি মারাত্মক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তরা তাকে লক্ষ্য করে কিল, ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি আরও জানান, প্রাণ বাঁচাতে তিনি দ্রুত নিজের বাসার বলেন, “আমি ন্যায়বিচার চাই, দোষীদের দ্রুত আইনের গেটের ভেতরে আশ্রয় নেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আওতায় আনা হোক। আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় সেখানে গিয়েও হামলাকারীরা থেমে থাকেনি। এক পর্যায়ে ভুগছে, আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না।”

জিতু নামে একজন বেলচা হাতে নিয়ে গেটের সামনে এসে এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ তাকে মারার চেষ্টা করে এবং তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন করেন, ঘটনার পর থেকে তাকে ও তার পরিবারকে স্থানে এলোপাতাড়ি ঘুষি ও আঘাত করে বলে দাবি করা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনার দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটেজ যাচাই বা তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
হয়।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার পর তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরও হামলাকারীরা লাঠিসোটা নিয়ে গেটের সামনে ভাঙচুর ও আঘাত করতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।




ঢাকা মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলমের জন্মদিন উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলমের জন্মদিন উপলক্ষে বুধবার এক আন্তরিক, আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দোয়া মাহফিল এবং অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময়, আপ্যায়ন এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা এবং খবর বাংলাদেশের প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন। তিনি জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে এস এম বদরুল আলমের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত সাফল্য কামনা করেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ, সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার মাজহারুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুন্না খান, দপ্তর সম্পাদক এম এ গাফফার, সাংবাদিক তাবাসসুম রিয়া মনি, সদস্য মানজারুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নিপু আহমেদসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী।

অনুষ্ঠানে দেশের চলমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিকতা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ জাকির হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এস এম বদরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তার মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তির নেতৃত্বে মিরপুর প্রেসক্লাব আরও এগিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক সফলতা কামনা করছি।”

জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও শুভকামনায় আমি সত্যিই অভিভূত। সাংবাদিকতা একটি মহান দায়িত্বের পেশা। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমি সবসময় সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “এস এম বদরুল আলম একজন অভিজ্ঞ, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক সংগঠক। তার নেতৃত্বে মিরপুর প্রেসক্লাব আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়েছে। আমরা তার জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই এবং তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করি।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম ইসলাম উকিল বলেন, “বদরুল আলম ভাইয়ের নেতৃত্ব, সততা ও সাংগঠনিক দক্ষতা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি সবসময় সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছেন। তার জন্মদিনে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছি।”
সিনিয়র সহ-সভাপতি ডক্টর এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ বলেন, “মিরপুর প্রেসক্লাবকে একটি মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে বদরুল আলম ভাইয়ের অবদান অসামান্য। তিনি সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য ও পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।”

সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, “সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় এস এম বদরুল আলমের অবদান প্রশংসনীয়। তিনি সবসময় সত্য, ন্যায় ও গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার মতো নেতৃত্ব সাংবাদিক সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

অনুষ্ঠানের শেষে এস এম বদরুল আলমের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে জন্মদিনের কেক কেটে অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।




মিরপুর প্রেসক্লাবে ঈদ পুনর্মিলনী ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে মিরপুর প্রেসক্লাব, ঢাকা। আলোচনা সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্র গঠনে তাঁর অবদান এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান, মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম ইসলাম উকিল, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাহাত খান, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান, সাবেক মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এম জামান, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন, যুগ্ম সম্পাদক মনজুরুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক সুমন খান, দপ্তর সম্পাদক এমএ গাফফার, অর্থ সম্পাদক জিএস জয়, সহ অর্থ সম্পাদক আব্দুল মালেক, যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, সহ -সম্পাদক জাকির হোসেন মোল্লা,সহ- সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সহ- সম্পাদক দুলাল হোসেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সদস্য আলমগীর হোসেন, দুলাল হোসেন, রিয়া মনি, ডালিয়া আক্তার, মানিক মিয়া-সহ প্রায় ১০০ জন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময় মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও মাতৃ জগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যিনি দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য আজীবন কাজ করেছেন। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। জাতির জন্য তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

সভাপতির বক্তব্যে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম বদরুল আলম বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক সাহসী প্রতীক। তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম এবং গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। তাঁর আত্মত্যাগ জাতি আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।”

মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেবল একজন রাষ্ট্রনায়ক নন, তিনি ছিলেন জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের রূপকার। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাঁর অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম ইসলাম উকিল তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছিল দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা। তিনি বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

সিনিয়র সহ-সভাপতি রাহাত খান বলেন,
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। তাঁর নেতৃত্ব, সাহসিকতা এবং দেশপ্রেম আজও মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাইমন বলেন,
“বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সংকটময় সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। তাঁর সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা সাংবাদিক সমাজসহ সকল পেশাজীবীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর আদর্শ ধারণ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

অনুষ্ঠানের দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি পবিত্র সূরা ইয়াসিন থেকে তেলাওয়াত করেন এবং মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির মরহুম মায়ের জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, সে প্রার্থনা করেন উপস্থিত সবাই।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা ভবিষ্যতেও মিরপুর প্রেসক্লাবকে সাংবাদিকদের ঐক্য ও পেশাগত উন্নয়নের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




।শোক বিজ্ঞপ্তি। রহিমা বেগমের মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের শোক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জাতীয় পার্টি, কাফরুল থানা কমিটির আহবায়ক এস এম বদরুল আলমের মমতাময়ী মাতা রহিমা বেগম ( ৬৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে ২০মে ২০২৬, বুধবার রাত ৯ঃ০০টায় ঢাকার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি চার পুত্র এক কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহম্মদ কাদের, রহিমা বেগমের মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন। শোকবার্তায় পার্টি চেয়ারম্যান মরহুমার বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী রহিমা বেগমের মৃত্যুতে অনুরূপ এক শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন।

পার্টির প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরিফা কাদের, রহিমা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।




মিরপুর-১০ নম্বর ফুটপাতের চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি ব্যবসায়ীদের

স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকা মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাত ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে দাবি করেছেন স্থানীয় হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে এলাকাটি ঘুরে ব্যবসায়ী, পথচারী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে তারা তুলনামূলকভাবে স্বস্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে জোরপূর্বক অর্থ দিতে হচ্ছে না। দীর্ঘদিন পর তারা একটি স্থিতিশীল পরিবেশে ব্যবসা করতে পারছেন বলেও মন্তব্য করেন।
একজন ফল বিক্রেতা বলেন, “আমরা অনেকদিন পর একটু শান্তিতে ব্যবসা করছি। আগে নানা ধরনের ঝামেলা ছিল, এখন সেসব নেই। কেউ এসে আমাদের ভয়ভীতি দেখায় না।”

আরেকজন হকার বলেন, “বর্তমান সরকার আসার পর থেকে আমরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছি। আগে যেসব সমস্যা ছিল, এখন সেই পরিস্থিতি নেই। আমরা প্রতিদিন যা বিক্রি করি, সেটাই আমাদের আয়—এখানে কাউকে আলাদা করে কোনো টাকা দিতে হয় না।”
ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যার পর দোকানপ্রতি ৩০ টাকা করে বিদ্যুৎ বিল বাবদ অর্থ হকার সমিতির কাছে পরিশোধ করা হয়। এটি ফুটপাতের দোকানগুলোতে ব্যবহৃত লাইটের বিদ্যুৎ খরচ ও কিছু যৌথ ব্যবস্থাপনার জন্য নেওয়া হয় বলে তারা জানান।

একজন পোশাক বিক্রেতা বলেন, “আমরা শুধু ৩০ টাকা করে কারেন্টের লাইট বিল দিই। এটা সমিতির নিয়ম অনুযায়ী নেওয়া হয়। এর বাইরে কোনো ধরনের চাঁদা নেই।” হকার সমিতির এক সদস্য জানান, “সমিতি নিয়ম মেনে সীমিত পরিসরে কিছু যৌথ খরচের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। এতে আলো, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো দেখভাল করা হয়। এখানে অবৈধ কোনো অর্থ আদায়ের প্রশ্নই আসে না।”

ফুটপাতের এক চা বিক্রেতা বলেন, “ফুটপাতে আমরা সবাই মিলেমিশে ব্যবসা করি। কেউ কোনো ধরনের চাপ বা জোরজবরদস্তি করছে—এমন কিছু আমরা দেখিনি।” আরেকজন হকার বলেন, “যদি কোথাও সমস্যা থাকত, আমরা নিজেরাই আগে বলতাম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভালো। তাই এসব অভিযোগ শুনে আমরা অবাক হয়েছি।”

কয়েকজন দোকানদার জানান, সম্প্রতি তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিরপুর-১০ ফুটপাতে চাঁদা তোলা হচ্ছে—এমন কিছু পোস্ট দেখেছেন। তবে বাস্তবে তাদের কাছে কেউ কখনও চাঁদা দাবি করেনি।

একজন দোকানদার বলেন, “আমরা কিছুদিন ধরে শুনতে পাচ্ছি চাঁদা তোলা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের কাছে কেউ কখনও চাঁদা চাইতে আসেনি। এটা সম্পূর্ণ গুজব।” আরেকজন ব্যবসায়ী মন্তব্য করেন, “গুজব ছড়ালে আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হয়। মানুষ ভুল ধারণা পোষণ করলে ক্রেতারাও ভয়ে আসতে চায় না।” একজন ভ্যানগাড়ি চালক বলেন, “আমরা সারাদিন কষ্ট করে রোজগার করি। আমাদের নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হলে সেটা আমাদের জন্য খুব কষ্টের।” ফুটপাতের এক পুরনো ব্যবসায়ী বলেন, “আগে বিশৃঙ্খলা বেশি ছিল। এখন সবাই নিজ নিজ জায়গায় বসে নিয়ম মেনে ব্যবসা করছে। পরিবেশ অনেক ভালো।”

স্থানীয় পথচারীদের সঙ্গেও কথা বলে জানা যায়, আগের তুলনায় ফুটপাত দিয়ে হাঁটা এখন সহজ হয়েছে। একজন পথচারী বলেন,
“আগে হাঁটতে কষ্ট হতো, এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। পরিবেশ আগের চেয়ে ভালো মনে হচ্ছে।” আরেকজন বলেন, “ফুটপাত এখন তুলনামূলকভাবে গোছানো। সন্ধ্যার পর আলো থাকায় চলাচলও নিরাপদ মনে হয়।”

স্থানীয়দের মতে, গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি সাধারণ মানুষও ভুল ধারণার শিকার হন।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, “আমাদের অনুরোধ—যাচাই ছাড়া যেন কেউ কোনো তথ্য প্রচার না করেন। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়।”

হকাররা প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন, এ ধরনের গুজব ছড়ানো বন্ধে নজরদারি জোরদার করার জন্য। তারা বলেন,
“যদি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ায়, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা স্বস্তিতে থাকতে পারবে।”

স্থানীয়দের আশা, ভবিষ্যতেও মিরপুর-১০ ফুটপাতে বর্তমান স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকবে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।




কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উত্তরবঙ্গের কৃষি শিক্ষার মডেল হিসাবে তৈরি করাতে চান উপাচার্য

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুড়িকৃবি) শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম উপাচার্য হিসেবে যোগদানের পর গত ১৬ মাসে প্রতিষ্ঠানটি উত্তরবঙ্গের কৃষি শিক্ষার মডেলে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে চলছে। জনবল সংকট থাকলেও মেধা, স্বচ্ছতা আর নিরলস প্রচেষ্টায় একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের ছাপ রাখছে এই নবীন বিশ্ববিদ্যালয়।

উপাচার্য ড. রাশেদুল ইসলাম ২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোয় ফেরাতে কাজ শুরু করেন। অন্যান্য সমসাময়িক বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরুতেই ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নিয়োগের সংস্কৃতি থাকলেও কুড়িকৃবি সেই পথে হাঁটেনি। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি আগে পূর্ণাঙ্গ নিয়োগ বোর্ড, একাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটি ও সিন্ডিকেট গঠনের জন্য অপেক্ষা করেন।

গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় সিন্ডিকেট সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় একাডেমিক কাউন্সিলের সভা। উপাচার্য স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, “নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো লবিং বা অসদুপায় সহ্য করা হবে না। প্রতিটি নিয়োগ হবে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়।”

বর্তমান উপাচার্যের দক্ষ নেতৃত্বে কুড়িকৃবি ২০২৫ সাল থেকেই কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর হার ছিল ৯৪.৬৯%, যা দেশের ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন।

ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের (লেভেল-১, সেমিস্টার-১) চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের মিড-টার্ম পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ এপ্রিলের মধ্যে তৃতীয় ব্যাচের ভর্তি কার্যক্রমও সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অভিজ্ঞ খণ্ডকালীন ও অতিথি শিক্ষকদের মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণ করায় শিক্ষার্থীরা সেশনজটমুক্ত শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন। তাত্ত্বিক শিক্ষার চেয়ে ব্যবহারিক ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাকে (Outcome Based Education) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে কুড়িকৃবি। অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময় শুরু হয়েছে। কৃষি গবেষণার পথ প্রশস্ত করতে সাউথইস্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষ অনুদান প্রদান করেছে।

গত সিন্ডিকেট সভায় কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে ৪টি বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো— চর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ফ্রেশওয়াটার ফিসারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ভেজিটেবলস এন্ড ফ্রুটস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ছাত্র ও ছাত্রীদের আলাদা দুটি হলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে রোভার স্কাউট, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব ও ডিবেটিং সোসাইটির মতো কার্যক্রমও চালু করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, উপাচার্য মহোদয়ের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কুড়িকৃবি অচিরেই একটি বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। যথাযথ সরকারি অনুদান ও সহযোগিতা পেলে এই বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও কৃষি বিপ্লবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।




প্রয়াত কমিউনিস্ট বিপ্লবীনেতা কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শোকসভা আয়োজিত করলো জাতীয় কমিটি

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জাতীয় কমিটির শোকসভায় বক্তারা কমিউনিস্ট বিপ্লবীনেতা কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-আত্মত্যাগ ও তাত্ত্বিক নেতৃত্ব প্রদানে অনন্য উদাহরণ।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের আপসহীন বিপ্লবী নেতা কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুুল) দীর্ঘ ৫৫ বছর চলৎ শক্তিহীন অবস্থায় এদেশের বিপ্লবী আন্দোলন অগ্রসর করার ক্ষেত্রে মাকর্সবাদ-লেনিনবাদ প্রতিষ্ঠায় তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদান করে যে উদাহরণ তৈরি গেছেন তা শুধু এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনেই নয় কমিউনিস্ট আন্দোলনেই অনন্য।

১৭ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রয়াত কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শোকসভা আয়োজক জাতীয় কমিটি আয়োজিত শোকসভায় বক্তারা এ কথা বলেন। শোকসভা আয়োজক জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ডাঃ এম. জাহাঙ্গীর হোসেন। শুরুতে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ও তার জীবনী পাঠ করেন তফাজ্জল হোসেন। শোকসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী বিডি রহমত উল্লাহ, সাপ্তাহিক সেবা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এ্যাডঃ মনসুর হাবীব, ভাসানী পরিষদের আহ্বায়ক ডা. হারুন অর রশিদ, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও দেশপ্রেমিক স্মৃতি সংসদ-এর আহ্বায়ক হাসান ফখরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আশিকুল আলম, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, ধ্রুবতারা সাংস্কৃতিক সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শ্যামল কুমার ভৌমিক, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক রহিমা জামাল, কন্ঠশিল্পী কৃষ্ণকলি, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেন, প্রয়াতে বোন জেবুন্নেছা, কবি মোজাফ্ফর আহমেদ বাবু, জাতীয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা এডভোকেট মনসুরুল হাই সোহান প্রমুখ। সভাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন শাহজাহান কবির ও প্রকাশ দত্ত।

 

WhatsApp Image 2026 04 17 at 10.29.45 PM

 

শোকসভায় বক্তাগণ বলেন, আজ বিশ্বব্যাপি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সাথে সাম্রাজ্যবাদী চীন-রাশিয়ার প্রতিযোগিতা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাজার ও প্রভাব বলয় নিয়ে ইউক্রেনযুদ্ধ, প্যালেস্টাইনে ইসরায়েলের আগ্রাসন, ইরানে আমেরিকা-ইসরায়েলের যুদ্ধ যা আঞ্চলিকযুদ্ধের ধারায় পারমাণবিকযুদ্ধের বিপদ বৃদ্ধি করছে। এই বিরুদ্ধে বিশে^র দেশে দেশে জনগণের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাতীয় ক্ষেত্রে সম্ভাব্যযুদ্ধে সম্পৃক্ত করার বিপদ যেমন বাড়ছে তেমনি আমাদের দেশে অর্থনীতির সঙ্কট ঘনীভূত হয়ে দ্রব্যমূল্য লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি, জ¦ালানী সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ, বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে জনগণের ক্ষোভ-বিক্ষোভকে সকল সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের দালালদের বিরুদ্ধে শ্রমিক-কৃষক জনগণের রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অগ্রসর করতে আহ্বান জানানো হয়।

কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর জীবনের উপর আলোকপাত করে বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিটব্যুরোর সদস্য। তিনি ১৯৫১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার পদ্মাপাড়ের ফারাকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দৌলতপুর মহসিন স্কুল থেকে ১৯৬৭ সালে মেট্রিক এবং ১৯৬৯ সালে বিএল কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন। ১৯৬৯-৭০ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবস্থায় পার্টি বিপ্লব অগ্রসর করার লক্ষ্যে ব্যক্তিগত সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য এবং আত্মপ্রতিষ্ঠার মোহ ত্যাগ করে সার্বক্ষণিক কর্মি হিসেবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন।

সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৫৩ সালে কমরেড স্ট্যালিনের মৃত্যু এবং ১৯৫৪ সালে সংশোধনবাদী ক্রুশ্চেভচক্র ক্ষমতাসীন হয়ে ১৯৫৬-এর ধারাবাহিকতায় ১৯৬০-এর দশকে ক্রুশ্চেভ-ব্রেজনেভ সংশোধনবাদ-এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক এই মহাবিতর্কে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর বিকল্প বিপ্লবী ধারা অগ্রসর করে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে খুলনায় মন্ত্রী সবুর খানের বাড়ী ঘেরাও কর্মসূচির রূপকার ও নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে পার্টির সভ্যপদ লাভ করেন।

১৯৭০-৭১ সালে পার্টির খুলনা জেলা কমিটির নবীন ও সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ১৯৭১ সালের বিপ্লবী যুদ্ধে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। এ সময়ে ২৬ নভেম্বর ১৯৭১ সালে কমরেড রউফ গুলিতে আহত হন। আহত হয়ে প্যারালাইজড অবস্থায় তাঁকে স্ট্রেচারে করে চলাচল করতে হতো। বাংলাদেশ হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কমরেড রউফকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়। চিকিৎসায় কমরেড আব্দুর রউফ জীবনে বেঁচে গেলেও তাঁর নিম্নাঙ্গ অর্থাৎ মেরুদ-ের নীচের অংশ দুই পা অকার্যকর হয়ে যায়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং ক্রাচে ভর দিয়ে চলাফেরা করতেন। দেশে ফিরে আসার পর প্রথমে তিনি খুলনা জেলা পার্টির সাথে যুক্ত হন।

বাংলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনে মতাদর্শিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামে তিনি উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর আন্তর্জাতিকতাবাদী লাইনের পক্ষে কমরেড রউফ দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন। তিনি ‘তিন বিশ্ব তত্ত্ব’-এর বিরুদ্ধে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পার্টির তুলে ধরা মার্কসবাদ-লেনিনবাদী লাইনকে প্রতিষ্ঠায় তিনি নেতৃত্বকারী ভূমিকা রাখেন। তিনি কমরেড আবদুল হক-এর জীবদ্দশায় কমরেড আব্দুর রউফ পার্টির ৮ম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ৯ম কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে অব্যাহত থাকেন। শারীরিক কারণে ২০০৬ এবং ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দশম ও একাদশ কংগ্রেসে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে না থাকলেও কার্যত তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর তাত্ত্বিক নেতা।

দীর্ঘ দিন বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগে অবশেষে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গতকাল ৫ ফেব্রুয়ারি ’২৬ সকাল ৯টা ৪০মিনিটে ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রয়াত নেতার মরদেহে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে খুলনায় তাঁকে সমাহিত করা হয়।




জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জিয়া শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঘোষিত হয়েছে। সংগঠনের এক জরুরী সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মেয়াদোর্ত্তীন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। সাংগঠনিক বিধি মোতাবেক সভায় উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দের সম্মতিতে নতুন কমিটি গঠিত হয়। সভায় পুনরায় প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর শিকদারকে সভাপতি ও আশরাফুল আমিনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৪৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিটি বিভাগে আলাদা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচন করা হয়েছে।

সভাপতি- জাহাঙ্গীর শিকদার
সিনিয়র সহ-সভাপতি- কে.এস. হোসেন টমাস
সহ-সভাপতি- হায়দার আলী বাবলা
সহ-সভাপতি- জসীম উদ্দিন খান খোকন
সহ-সভাপতি- কাওসার মজুমদার
সহ-সভাপতি- হাসান মুকুল
সহ-সভাপতি- হাজী আক্তার হোসেন
সহ-সভাপতি- শেখ মহসিন
সহ-সভাপতি- তানিয়া ইসলাম
সহ-সভাপতি- নিয়ামুল বাশার মনকা
সহ-সভাপতি- কাজী আলমগীর হোসেন
সহ-সভাপতি- সাখাওয়াত হোসেন তুহিন
সহ-সভাপতি- আব্দুল আলীম
সহ-সভাপতি- শরীফুল ইসলাম রাকিব
সহ-সভাপতি- মীর আদনান তুহিন
সহ-সভাপতি- মাসুদ পারভেজ মানিক
সহ-সভাপতি- আলমগীর কবির বাবু
সাধারণ সম্পাদক- মোঃ আশরাফুল আমিন খান
সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- দ্বীন মোহাম্মদ দুলু
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কাজী আনোয়ার হোসেন
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- তারেক কবির
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কাউসার আহমেদ মিয়া
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মীর নূর উস শামস্
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- হাজী মোহাম্মদ সজল
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- হামিদুল হক চৌধুরী
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- নাসিমুল গনি খান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- মিন্টু আলম
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কামরুল ইসলাম চৌধুরী
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- উমর ফারুক
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- কামরুল হাসান
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- জিয়া উদ্দিন জিয়া
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক- এ্যাড. মজিবুর রহমান প্রধানীয়া
সহ-সাধারণ সম্পাদক- কেরামত আলী রাজু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান বাবু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- ওবায়দুল্লাহ মাসুম
সহ-সাধারণ সম্পাদক- জহিরুল ইসলাম বুলবুল
সহ-সাধারণ সম্পাদক- মজিবুর রহমান দীপু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- নাসির উদ্দিন শাহ মামুন
সহ-সাধারণ সম্পাদক- তাজুল ইসলাম তাজু
সহ-সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ মাসুদ
সহ-সাধারণ সম্পাদক- রফিক মৃধা
সহ-সাধারণ সম্পাদক- আমিনুল হোসেন সুমন
বিশেষ সম্পাদক- এস. এম ফরিদ
বিশেষ সম্পাদক- মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রিজভী
বিশেষ সম্পাদক- আ.ন.ম. আব্দুল হামিদ
বিশেষ সম্পাদক- রুকাইয়া হক রুকু
বিশেষ সম্পাদক- বিপুল আহমেদ
বিশেষ সম্পাদক- কিরণ শেখ
বিশেষ সম্পাদক- আব্দুল মান্নান বাবুল
বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক
সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা- নাহিদুল ইসলাম নাহিদ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা- কামরুল হাসান
সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম- জহিরুল ইসলাম
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম- জাহাঙ্গীর আলম
সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল- ফেরদৌস আহমেদ
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল- শামীম আহমেদ মৃধা
সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট- সোলেমান আহমেদ সিদ্দিক
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট- নাজমুল ইসলাম চৌধুরী
সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুর- মুহাম্মাদ আরিফুজ্জামান (অপু)
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুর- মোঃ সাহিদুল ইসলাম নান্নু
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদপুর- মোহাম্মেদ শরিফ আহম্মেদ
সাংগঠনিক সম্পাদক, খুলনা- রঞ্জু আহমেদ
সাংগঠনিক সম্পাদক ময়মনসিংহ- মোঃ আকরাম হোসেন
দপ্তর সম্পাদক (সহ-সাধারণ সম্পাদক পদ মর্যাদা)- মোঃ মোরশেদ আলম (চঞ্চল)
সহ-দপ্তর সম্পাদক- মোঃ নূর নবী
সহ-দপ্তর সম্পাদক- মোঃ আহসান হাবীব সবুজ
প্রচার সম্পাদক- মাহির আহমেদ রানা
সহ-প্রচার সম্পাদক- নজরুল ইসলাম
সহ-প্রচার সম্পাদক- মোঃ মাসুম ফরায়েজি
কোষাধ্যক্ষ- মাসুদ রানা
সহ-কোষাধ্যক্ষ- মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- দিলদার হোসেন শামীম
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- ইমরান জাহান সম্রাট
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- জহির রায়হান
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- আজিজুন নাহার মালা
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- জামান ফারুক
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- সুজন ঢালী
সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- মাহমুদুল হাসান
সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- শফিকুল ইসলাম লাভলু
সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- সৈয়দ মামুন হোসেন
সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক- হাবিবুর রহমান (রুবেল)
সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক- গোলাম আশরাফ খান উজ্জল
সহ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক- কল্যানী ঘোষ
প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক- জাহাঙ্গীর আলম
সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ ইকরামুল হাসান
সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক- হাফিজ আল আসাদ
সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুল আউয়াল
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- শাহীন বিশ্বাস
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- এস. এম পান্না
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- আনোয়ার সরদার
সহ-সংগীত বিষয়ক সম্পাদক- আফরোজা আক্তার এ্যানী
সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক- রুুহুল আমিন
সহ-সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ আলমগীর হোসেন
সহ-সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ শাহাদাত হোসেন স্বপন
সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক- সাবদার মাহমুদ অতুল
সহ-সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ আব্দুল গফুর ভূঁইয়া
মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- রুপা খান
সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক- সালমা খানম পুতুল
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক- সাইদুর রহমান
লোকজ সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক- সেলিম রেজা
সহ-লোকজ সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক- আফসানা ইমা
আবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)- শফিকুল ইসলাম ডাবলু
নৃত্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- রুবি মজুমদার
সহ-নৃত্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- ওয়াহিদ উদ্দিন নঈম
সহ-নৃত্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ রুহুল কুদ্দুস (সুমন)
নাট্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- মোহাম্মদ নেসার
সহ-নাট্যকলা বিষয়ক সম্পাদক- শেখ ইসরাফিল ইসরাইল (অপু)
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক- দেওয়ান নূর ইসলাম উজ্জল
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ ইমরান হোসেন
সহ-ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মামুন হোসেন
গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক- হাফিজুর রহমান শফিক
সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক- মাহমুদুল হাসান বিপ্লব
সহ-গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক- মুস্তাক আহমেদ
আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. আওলাদ হোসেন
সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মোঃ সাইফুল আলম সাব্বির
সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. ফারুক গাজী
সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. মোঃ শরীফ পাঠান
মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. রেহানা পারভীন
সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- এ্যাড. রোজিয়া বেগম
সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক- মাসুদা আক্তার
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক – হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহিম
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- মুফতি গোফরান ফরিদী
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- হাফেজ মাওলানা আব্দুল বাসেত
সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক- মাওলানা আব্দুল্লাহ হাসান
ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- আবুল হোসেন পাপ্পু
সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক- সালাহউদ্দিন ইমন
সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মনিরুল ইসলাম মনির
সহ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক- মোঃ মোস্তফা কামাল
স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুর রহিম তালুকদার
আলোকচিত্র বিষয়ক সম্পাদক- মীর্জা সম্রাট রেজা
আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক- আব্দুস সালাম খান
সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক- ফিরোজ শিকদার
লাইব্রেরী বিষয়ক সম্পাদক- শামীম হাসান
সদস্য- জাকির হোসেন আখের
সদস্য- মোঃ মাহবুবুল আলম
সদস্য- মোঃ শহিদুল্লাহ
সদস্য- শরীফ মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া
সদস্য- মোঃ নাহিদ হাসান
সদস্য- ফরিদ আলম অপু
সদস্য- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিঠু
সদস্য- আলাল খাঁন
সদস্য- শফিকুল ইসলাম জীবন
সদস্য- খাইরুদ্দিন ভূট্টো
সদস্য- মোঃ আযম আল ফয়সাল শিমুল
সদস্য- জসীম উদ্দিন
সদস্য- আব্দুল মান্নান
সদস্য- জাকিয়া সুলতানা স্বর্না
সদস্য- রাউফি খন্দকার শুভ
সদস্য- সোনিয়া নেহা
সদস্য- সুইটি মাহমুদ