আজ বাজারে আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট, আসল-নকল চেনার উপায়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে প্রথমবারের মতো গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ৫০০ টাকা নোট আজ (৪ ডিসেম্বর) থেকে প্রচলন শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে নতুন নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে, পরে অন্যান্য অফিস থেকেও বিতরণ শুরু হবে।

নতুন নোটের ডিজাইন ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’-ভিত্তিক। নোটের সম্মুখভাগে ঢাকা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলা, পেছনের দিকে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের ছবি ছাপা আছে। জলছাপে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, ‘500’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম সংযুক্ত করা হয়েছে।

নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ১০ ধরনের, যাতে নকল নোট শনাক্ত করা সহজ হয়। এর মধ্যে রয়েছে: কোণায় রঙ পরিবর্তনশীল ‘500’ যা নাড়ালে সবুজ থেকে নীল রঙে পরিবর্তিত হয়; বামপাশে লাল ও স্বর্ণালী পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা, নাড়ালে রঙ পরিবর্তিত হয় ও ‘৫০০ টাকা’ লেখা দেখা যায়; দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটে স্পর্শে অনুভূত ৫টি ছোট বৃত্ত; ইন্টাগ্লিও কালিতে মুদ্রিত শহীদ মিনার, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’, নোটের মূল্যমান ইত্যাদি; মাইক্রোপ্রিন্ট ও See Through image ব্যবহার; UV fluorescence ও UV curing varnish প্রযুক্তি; কাগজে লাল, নীল ও সবুজ রঙের ফাইবার সংযুক্ত।

নতুন নোটের পাশাপাশি পূর্বের সব কাগজ ও ধাতব নোটও ব্যবহারযোগ্য থাকবে। মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য ৫০০ টাকার নমুনা নোটও (বিনিময়যোগ্য নয়) মিরপুরের টাকা জাদুঘর থেকে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।




আজ থেকে স্বর্ণের বাজারে নতুন দর, প্রতিভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা

ডেস্ক নিউজঃ স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের বাজারে মূল্যবান এ ধাতুটির দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে।

সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। ফলে এখন এক ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা।

রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। এতে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম হয় ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ এক হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৭১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম এক লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।




বসুন্ধরা গ্রুপের নামে ভুয়া ভিডিও ও প্রতারণা: সতর্ক থাকার পরামর্শ

বাণিজ্য ডেস্কঃ এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। জনসাধারণকে এ বিষয়ে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সাইলেন্ট স্ট্রিটস নামে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এআই দিয়ে তৈরি ওই ভুয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান বক্তব্য দিচ্ছেন এবং তিনি বিভিন্ন লোভনীয় প্যাকেজে বিনিয়োগ আহ্বান করছেন। বসুন্ধরা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং এর সকল তথ্য মিথ্যা ও বানোয়াট, যা মানুষের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারী ও জনগণকে ধোকা দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে এআই দিয়ে এই ভিডিও তৈরি করা হয়েছে।

এই ভিডিও দেখে কেউ যেন কোনোরকম আর্থিক বা অন্য কোনো ধরনের লেনদেন না করেন সেজন্য বসুন্ধরা গ্রপ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে




বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবারও ১১ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ

ডেস্ক নিউজঃ বিশ্ববাজারে সোনার দাম ১১ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) একদিনেই সোনার দাম আউন্সপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার বেড়েছে। 

গত এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১২৮ ডলার ০৪ সেন্ট। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানে বাজারে এই আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে যে ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আবার নীতি সুদহার কমাবে, সেই প্রত্যাশা থেকেই সোনার দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সংবাদে বলা হয়েছে, স্পট মার্কেটে সোনার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১৬১ ডলার ১০ সেন্টে উঠেছে, যা গত ১৪ নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ দর। তবে ডিসেম্বর মাসের জন্য সোনার আগাম দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ১৫৯ ডলারে নেমে এসেছে।

ব্রোকার প্রতিষ্ঠান ওএএনডিএর জ্যেষ্ঠ বাজারবিশ্লেষক কেলভিন ওয়ং বলেন, সোনার মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো ফেডের সুদহার হ্রাসের প্রত্যাশা। শেষ দুই সপ্তাহে বাজারে এই প্রত্যাশা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোনার দাম আবার বাড়ছে।

সিএমই ফেডওয়াচ নামের এক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে ফেডের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা ৮১ শতাংশ, যা আগের সপ্তাহে ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ। এদিকে ফেড গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার সোমবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি ভালো নয়, ফলে বাজারে চাঙাভাব আনতে, অর্থাৎ অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি করতে ডিসেম্বর মাসে সুদহার আবার কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় কম হারে বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া বছরে প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (পিপিআই) বা উৎপাদক মূল্যসূচক বৃদ্ধির হার আগের মাস আগস্টের মতোই ২ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। এই পরিসংখ্যানের কারণেই ফেডের নীতিনির্ধারকেরা সম্প্রতি সুর কিছুটা নরম করেছেন। এদিকে বিশ্ববাজারে ডলারের দামও এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ফেডের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে যিনি এগিয়ে আছেন, তিনি অতটা আগ্রাসী নীতি নেবেন না, অর্থাৎ নীতিসুদ হ্রাসের ক্ষেত্রে তিনি অতটা আগ্রাসী হবেন না। এতে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য ডলারে সোনার দাম তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে উঠবে। অন্যদিকে ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহার এক মাসের মধ্যে নিম্নমুখী অবস্থার কাছাকাছি আছে।

মঙ্গলবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, সুদের হার ব্যবস্থাপনায় ফেডের বর্তমান কাঠামো ঠিকঠাক কাজ করছে না, ফলে এ ব্যবস্থা আরও সহজ করা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের সাপ্তাহিক বেকারত্ব ভাতার জন্য আবেদনের তথ্য আজ বুধবার প্রকাশিত হবে, তখন ফেডের অবস্থান আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।

অন্যান্য ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫১ ডলার ৮৭ সেন্টে পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৫০ ডলার ৪০ সেন্ট। সেই সঙ্গে প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে হয়েছে ১ হাজার ৩৯০ ডলার ৬৬ সেন্ট।

সোনার সবচেয়ে বড় ক্রেতা হচ্ছে চীন, কিন্তু হংকং হয়ে অক্টোবর মাসে তারা যে নিট সোনা আমদানি করেছে, তা সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় ৬৪ শতাংশ কম। গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্যানুসারে, গত ছয় মাসে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে ৭৯৩ ডলার ৯৭ সেন্ট, এক বছরে বেড়েছে ১ হাজার ৪৫৪ ডলার ৭৮ সেন্ট এবং ৫ বছরে বেড়েছে ২ হাজার ৩০৮ ডলার ৬০ সেন্ট।




রমজান সামনে রেখে ছয় নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সয়াবিন তেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা, মটর ডাল ও খেজুরের চাহিদা রমজানে বেশি থাকে। এজন্য বেশি পরিমাণে আমদানি করতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে খঋণপত্র (এলসি) খোলা অনেকটাই বেড়েছে।

আমদানির তথ্য বলছে, এ সময় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সয়াবিন তেল আমদানি ৩৬ শতাংশ, চিনি ১১ শতাংশ, মসুর ডাল ৮৭ শতাংশ, ছোলা ২৭ শতাংশ, মটর ডাল ২৯৪ শতাংশ ও খেজুরের আমদানি ২৩১ শতাংশ বেড়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে।

রমজানে তেল ও চিনির চাহিদা সবসময় বেশি থাকে। তাই শীর্ষ গ্রুপগুলো সেপ্টেম্বর-অক্টোবর এ দুই মাসেই তেল ও চিনির এলসি খোলাও বাড়িয়েছে। তাছাড়া আগে থেকেই রমজানের প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য প্রচুর পরিমাণে ত্রয় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধারা নভেম্বর-ডিসেম্বরেও থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বেশির ভাগ পণ্য আগে আনা হলেও অবশিষ্ট যা বাকি রয়েছে, তা রোজা শুরু হওয়ার এক মাস আগপর্যন্ত আসতে থাকবে। তবে সেপ্টেম্বরেই রমজানের জন্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের এলসি খোলা হয়েছে বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে মোট ৬.২৯ বিলিয়ন ডলার ও অক্টোবরে ৫.৬৪ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। এ বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৫ টন সয়াবিন তেল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪ টন।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ২ লাখ ৯২ হাজার ৫৭২ টনের চিনি আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪৪৬ টন। অন্যান্য নিত্যপণ্যের আমদানিও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। চলতি বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ডাল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে ৫০ হাজার ৩৫৫ টনের, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৬,৯১২ টন। ছোলার এলসি ৪২ হাজার ৮৯১ টন থেকে বেড়ে ৫৪ হাজার ৫১৬ টনে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছর এ দুই মাসে ১০ হাজার ১৬৫ টন খেজুরের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের একই সময়ে ছিল ৩ হাজার ৬৩ টন। চলতি বছর ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১০ টন মটর আমদানির এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪১ হাজার ৮১৫ টন।

আমদানিকারকরা বলেন, ব্যাংকগুলোতে ডলারের সংকট না থাকায় এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে এক ধরনের ডলার সংকট দেখা দেয়। ফলে আমদানি সীমিত হয়ে গিয়েছিল। তবে সেই সমস্যা এখন সমাধান হয়েছে। তাছাড়া এলসি খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন রাখারও বাধ্যবাধকতা নেই। রমজানে ভোগ্য পণ্য আমদানি নির্বিঘ্ন করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এলসি মার্জিনে ছাড় দিয়ে থাকে।




আত্মকর্মী থেকে উদ্যোক্তা যুব উন্নয়ন দিনের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন।

পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ প্রযুক্তি নির্ভর যুব শক্তি গড়ে তোলা ও বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বের  মাধ্যমে অগ্রগতির লক্ষ্য সামনে রেখে পটুয়াখালীতে শুরু হয়েছে “আত্মকর্মী থেকে উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্ব স্ব উদ্যোগে নিয়োজিত ৩২জন তরুণদের নিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ ১৬ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে, যার মূল উদ্দেশ্য তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, সুযোগ সৃষ্টি এবং নিজস্ব কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করা। “কর্মই জীবন” এই মূলনীতিকে ধারণ করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে।
রোববার (১৬ নভেম্বর) সকালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের হলরুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে সীড ফাইন্যান্সিং শাখার উপপরিচালক ইকবাল বিন মতিন।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর উপপরিচালক (অঃদাঃ) আব্দুর রশীদ খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক (পি.আর.এল) ওবায়েদুল ইসলাম।
এসময় পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক জহিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, প্রযুক্তি-নির্ভর বর্তমান যুগে তরুণদের দক্ষতা বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আত্মকর্মী থেকে সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ, হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবরা শুধু আত্মনির্ভরশীলই হবে না, বরং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালী জেলার আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে শুরু হওয়া এ আয়োজনে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেশন, ব্যবসায় পরিকল্পনা, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উদ্যোক্তা তৈরি এবং সীড ফান্ডিং–সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের দক্ষতা অনুযায়ী উদ্যোগ গ্রহণে সক্ষম হবে বলে আয়োজকরা জানান।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।



বাংলাদেশ স্পেশালাইজড টেক্সেটাইল মিলস্ এন্ড পাওয়ার লুম ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের ২০২৫ -২০২৬ নির্বাচনে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আলহামদুলিল্লাহ
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর,
বাংলাদেশ স্পেশালাইজড টেক্সেটাইল মিলস্ এন্ড পাওয়ার লুম ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের ২০২৫ -২০২৬ নির্বাচনে গোলাম মোহাম্মদ ফারুক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। মাহবুবুর রহমান মনির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পরিচালকসহ ২৫ জন নির্বাচিত হন। সাবেক প্রেসিডেন্ট মানবিক মানুষ মোহাম্মদ হামিদুল হক খোকন নতুন কমিটিকে বরণ করে নেন। সুন্দর সুষ্ঠুভাবে দু মাস যাবত নির্বাচন কমিশনারের কাজ করেছি… নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ মাহতাব উদ্দিন এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই অভিনন্দন শুভেচ্ছা।



পাঁচ ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত

ডেস্ক নিউজঃ একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর আগেই বিনিয়োগকারীদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় বলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। বিএসইসি-র এই সিদ্ধান্তের ফলে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক—এই পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন আজ থেকে বন্ধ থাকবে।

বুধবার এই পাঁচটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তাদের দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংকগুলোতে প্রশাসকও নিয়োগ দেয়। গতকাল আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকগুলোর শেয়ারের মূল্য ‘শূন্য’ ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ব্যাংকগুলোর বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতিতে শেয়ারধারীরা কোনো অর্থ পাবেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের এই ঘোষণার পর গতকাল বিকেল থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। আজ লেনদেন শুরুর আগেই বিএসইসি ব্যাংক পাঁচটির লেনদেন স্থগিতের কথা জানালো।

তবে শেয়ারবাজার–সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএসইসি বেশ বিলম্ব করেছে, ফলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মত, সরকারের পক্ষ থেকে যখন এসব ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তখন বিএসইসি ব্যাংকগুলোর লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিলে নতুন করে কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতেন না।




ভুয়া অ্যাকাউন্টে সাড়ে ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: দুদকের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকসহ তিন ব্যাংকের ১২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে সঞ্চয়পত্রের বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর ঘটনা উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ঘটনায় মোট ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেছে সংস্থাটি, যাদের মধ্যে ১০ জনই ব্যাংক কর্মকর্তা।

২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিটে প্রথম এই জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর সম্প্রতি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক ইমরান হোসেন বরিশাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—বাংলাদেশ ব্যাংকের বরখাস্তকৃত ক্যাশ অফিসার মো. সিকদার লিয়াকত, রূপালী ব্যাংকের সাবেক জুনিয়র অফিসার (বর্তমানে বরখাস্ত) শিবলী সাদিক ফয়সাল, প্রিন্সিপাল অফিসার মাহবুবুর রহমান, জোনাল অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন খান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (অব.) সঞ্জয় কুমার সরকার, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (অব.) মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার, প্রিন্সিপাল অফিসার রওশন রহমান ও সহকারী অফিসার শিফাইন মোস্তারী।
এছাড়া উত্তরা ব্যাংকের বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত সাবেক অফিসার মেহেদী হাসান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মেহেদী হাসান, এবং দুই গ্রাহক মো. সালাউদ্দিন ও সামসুল আহসান বিল্টুকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে তিন ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা—বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল শাখা, উত্তরা ব্যাংকের বরিশাল শাখা এবং রূপালী ব্যাংকের সদর রোড কর্পোরেট ও সেন্ট্রাল বাসটার্মিনাল শাখা ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্রের ৫ কোটি ৫০ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৯ টাকা আত্মসাৎ করেন।

তদন্তে জানা যায়, তিন দফায় এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়—প্রথম দফায় ৪ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার ৭২৭ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ১৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৮ টাকা, এবং তৃতীয় দফায় ৪৬ লাখ ৮২ হাজার ৩৪ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনাটি প্রথম ধরা পড়ে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে, যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসের প্রাইজবন্ড ও সঞ্চয়পত্র শাখা এবং সরকারি হিসাব বিভাগের (পিএডি) মাসিক বিবরণী যাচাইয়ের সময় অসঙ্গতি চোখে পড়ে। এরপর ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বরিশালের কোতয়ালী থানায় এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করে। পরে তদন্তের স্বার্থে পুরো বিষয়টি দুদকের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

দুদক এখন মামলাটি বিস্তারিতভাবে তদন্ত করছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।




টানা কমছে দেশের রপ্তানি আয়, সামনে আরও কমার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ টানা তৃতীয় মাসের মতো অক্টোবরেও কমেছে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয়। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই হ্রাসের হার ৭.৪৩ শতাংশ। রপ্তানিকারকরা আশঙ্কা করছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক এবং ব্যাংক খাতের চলমান সংকটের কারণে সামনের মাসগুলোতেও রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাবে না।

এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ ৩.৬৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ৪.১৩ বিলিয়ন ডলারের ছিল। তবে সেপ্টেম্বারের তুলনায় অক্টোবরে রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত শুল্ক এবং ইউরোপের প্রধান বাজারে চীনের সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের অর্ডারও কমছে। এছাড়া সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার জটিলতাও রপ্তানি কমার একটি কারণ।

ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এম.এ. রহিম ফিরোজ বলেন, “আমাদের অর্ডার আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। বড় ক্রেতারাও অর্ডার কমিয়েছে। এর ফলে নিটিং ও ডাইং ইউনিটের কাজও কমে গেছে। আগামী নির্বাচনের আগে অর্ডারের প্রবাহ বাড়ার সম্ভাবনা নেই।”

বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এর মধ্যে অর্ধেক পণ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে এবং একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রে, যা মোট রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৮.৩৯ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী বলেন, “পোশাক রপ্তানি কমার তিনটি প্রধান কারণ—নির্বাচনকালীন অস্থিরতার আশঙ্কায় ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্কের কারণে চীনা রপ্তানিকারকরা ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করার ফলে বাংলাদেশের অর্ডার কমে যাওয়া, এবং সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের কারণে ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খুলতে না পারা।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঘিরে ক্রেতারা ঝুঁকি নিতে চাইছে না, ফলে অর্ডার কমানো হয়েছে। চীনের রপ্তানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে, যা আমাদের বাজারকে কিছুটা সঙ্কুচিত করছে।”

অন্যান্য রপ্তানিকারকও জানিয়েছেন, সরকারের ঘোষণার পর অনেক আমানতকারী সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন। এতে গার্মেন্টস মালিকরা ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খুলতে পারছেন না। ব্যাংক পরিবর্তন করাও সহজ নয়।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসে কেবল জুলাইয়েই রপ্তানি বেড়েছিল, পরের তিন মাসে টানা হ্রাস দেখা গেছে। তবে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় ২.২২ শতাংশ বেড়েছে। এই চার মাসে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি হয়েছে ১৬.১৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৫.৭৯ বিলিয়ন ডলার।

অক্টোবর মাসে কেবল তৈরি পোশাক নয়, হিমায়িত ও জীবিত মাছের রপ্তানি কমেছে ১৩ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্য ১২ শতাংশ এবং কৃষিপণ্য ১০ শতাংশ। একই সময়ে রপ্তানি বেড়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ১৩ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্য ৭ শতাংশ এবং হোম টেক্সটাইল ১৪ শতাংশ।