আরব অঞ্চলে দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আরব অঞ্চলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সাম্প্রতিক দশকগুলোতে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালকে এ অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে উল্লেখ করেছে ওয়ার্ল্ড মেটোরোলজিকাল অরগানাইজেশন (ডব্লিউএমও)। সংস্থাটির প্রকাশিত স্টেট অব দ্য ক্লাইমেট ইন দ্য আরব রিজিয়ন ২০২৪ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র।

ডব্লিউএমও জানায়, ২০২৪ সালে আরব অঞ্চলের গড় তাপমাত্রা ছিল ১৯৯১ থেকে ২০২০ সময়কালের গড়ের চেয়ে ১ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। উত্তর আফ্রিকা ও নিকটপ্রাচ্যে তাপপ্রবাহের সময়কাল ও তীব্রতা বেড়েছে। কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি ডব্লিউএমও, ইউনাইটেড ন্যাশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর ওয়েস্টার্ন এশিয়া, লিগ অব আরব স্টেটস যৌথভাবে প্রস্তুত করেছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের ১৫টি সবচেয়ে পানি স্বল্প দেশের অবস্থান আরব অঞ্চলে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এখানে আরও গভীর।

ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্টে সাউলো বলেন, তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ মানবস্বাস্থ্য, পরিবেশ, অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। খরা ঘনঘন ও তীব্র হচ্ছে। আবার কিছু দেশে আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।

২০২৪ সালে চরম আবহাওয়া প্রায় ৩৮ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৮০ থেকে ১৯৯৯ সময়কালের তুলনায় ২০০০ থেকে ২০১৯ সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরব অঞ্চলের প্রায় ৬০ শতাংশ দেশে বহুমাত্রিক আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা রয়েছে, যা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি। তবে জীবন ও জীবিকা রক্ষায় এসব ব্যবস্থায় আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মনে করছে ডব্লিউএমও।

পানি সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ, বর্জ্যপানি পুনর্ব্যবহার, বাঁধ নির্মাণ, উন্নত সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে।

ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের জলবায়ু পূর্বাভাস সংযুক্ত করে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, উচ্চ নিঃসরণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শতাব্দীর শেষে আরব অঞ্চলে গড় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় শহরগুলোর জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খাদ্য উৎপাদন ও পানি নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়ছে।

ডব্লিউএমও বলছে, প্রতিবেদনটি নীতিনির্ধারকদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবে এবং জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

সোর্সঃ ডব্লিউএমও




ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ অংশ নেবে না ভ্যাটিকান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত ‘বোর্ড অফ পিস’ উদ্যোগে অংশ নেবে না ভ্যাটিকান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভ্যাটিকানের শীর্ষ কূটনৈতিক কর্মকর্তা কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পিয়েত্রো পারোলিন বলেন, যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির কড়া সমালোচক এবং ইতিহাসের প্রথম মার্কিন পোপ হিসেবে পরিচিত পোপ লিও-কে গত জানুয়ারিতে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

গত অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বোর্ড গঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীতে গাজার সাময়িক শাসন তদারকি করার জন্য ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তার সভাপতিত্বে এই বোর্ডের পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হবে যাতে এটি বৈশ্বিক সংঘাতগুলো নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে এই বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে মূল আলোচ্য বিষয় হবে গাজার পুনর্গঠন।

পবিত্র ভ্যাটিকান সিটি বা হোলি সি কেন এই উদ্যোগে থাকছে না, তার ব্যাখ্যায় কার্ডিনাল পারোলিন বলেন, ‘বোর্ড অফ পিস’-এর বিশেষ প্রকৃতির কারণেই ভ্যাটিকান এতে অংশ নেবে না, কারণ আমাদের অবস্থান অন্যান্য রাষ্ট্রের মতো নয়।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অন্যতম উদ্বেগের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক স্তরে যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বাগ্রে জাতিসংঘকেই দায়িত্ব নিতে হবে। এটি এমন একটি পয়েন্ট যেটির ওপর আমরা বরাবরই জোর দিয়ে আসছি।’

বিদেশি ভূখণ্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয় তদারকির জন্য ট্রাম্পের অধীনে এমন একটি বোর্ড গঠনকে অনেক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞই ‘ঔপনিবেশিক কাঠামো’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। গত মাসে চালু হওয়া এই বোর্ডটিতে কোনো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি না রাখায় এটি শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।

ট্রাম্পের এই আমন্ত্রণে বিভিন্ন দেশ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই বোর্ড গঠনের ফলে জাতিসংঘের কার্যকারিতা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। তাই ওয়াশিংটনের মধ্যপ্রাচ্যের কিছু মিত্র রাষ্ট্র এই উদ্যোগে যোগ দিলেও পশ্চিমা মিত্ররা এখন পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রেখেছে।

এদিকে, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতি বারবার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে শত শত ফিলিস্তিনি এবং চারজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।




হাতির আক্রমণে একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ জনের প্রাণহানি

ডেস্ক নিউজঃ বন্য হাতির পালের আক্রমণে ভারতের ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ জেলায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে একজন বন কর্মকর্তা। স্থানীয় সময় শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে।

গত কয়েকদিন ধরে বেশ কয়েকজনকে আক্রমণ করেছে একই হাতির দল। গত বৃহস্পতিবার রাতে চুরচু ব্লকের গোন্ডোয়ার গ্রামে প্রবেশ করে শুক্রবার ভোরে ছয়জনকে পদদলিত করে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন হাজারিবাগ পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বিকাশ কুমার উজ্জ্বল।

উজ্জ্বল বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন সদস্য রয়েছেন। একটি শিশুও গুরুতর আহত হয়েছে।’ শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাজারিবাগের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

গত কয়েকদিন ধরে বোকারো, রামগড় এবং হাজারিবাগ জেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল হাতির দলটি। এর আগে বোকারোতেও তাদের আক্রমণে প্রাণহানি ঘটনা ঘটেছে বলে উজ্জ্বল আরো জানান। সূত্র: এনডিটিভি




মাঝ আকাশ থেকে মহাসড়কে আছড়ে পড়লো বিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ জরুরি অবতরণের সময় যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের এক ব্যস্ত মহাসড়কে একটি উড়োজাহাজ আছড়ে পড়েছে। এতে রাস্তায় থাকা কয়েকটি যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিমানটির। স্থানীয় সময় সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দেশটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর এনডিটিভির। 

মার্কিন পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একক ইঞ্জিনের প্রশিক্ষণ বিমানটির পাইলট এটিকে মহাসড়কেই জরুরি অবতরণ করাতে বাধ্য হন। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরে ফিরে যাওয়ার মতো সক্ষমতা ছিল না বিমানটির।

ইতোমধ্যে বিমান সড়কে আছড়ে পড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছডিয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, ছোট বিমানটি ব্যস্ত সড়কে জরুরি অবতরণের পর বেশ কয়েকটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটিতে বেশ কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবতরণের পর বিমানটির ডান দিকের ডানা একটি গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে উড়োজাহাজের জ্বালানি ট্যাংক আলগা হয়ে ছিটকে একটি এসইউভির পেছনের অংশে ঢুকে যায়।

বিমান দুর্ঘটনার পর ইতোমধ্যে সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘ যানজটের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, বিমানটি জর্জিয়ার গেইনসভিলের লি গিলমার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে ক্যান্টনের চেরোকি কাউন্টি রিজিওনাল বিমানবন্দরে যাচ্ছিল।

উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই পাইলট ইঞ্জিনে ত্রুটি অনুভব করেন, তিনি গেইনসভিলে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর মতো যথেষ্ট সক্ষমতা না থাকায় পাইলট রাস্তায় জরুরি অবতরণ করেন এবং বিমানটি তিনটি গাড়িতে আঘাত হানে বলে জানায় এনটিএসবি।

এই ঘটনার তদন্ত করা হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।




যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সংযোগ সেতু বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার নবনির্মিত সংযোগ সেতুর উদ্বোধন আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন তার উত্তরের প্রতিবেশী রাষ্ট্রটিকে যা কিছু দিয়েছে, তার জন্য ‘পূর্ণ ক্ষতিপূরণ’ না পাওয়া পর্যন্ত এই পদক্ষেপ বহাল থাকবে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয, সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “কানাডার অন্টারিও প্রদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সংযোগকারী গর্ডি হাউ আন্তর্জাতিক সেতুটি ততক্ষণ পর্যন্ত খুলবে না, যতক্ষণ না অটোয়া ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সেই ন্যায্য ও সম্মানজনক আচরণ করছে, যার দাবিদার আমরা’।”

প্রকল্পের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, সেতুটির নির্মাণ ব্যয় সম্পূর্ণ বহন করছে কানাডা সরকার, তবে এটি কানাডা ও মিশিগান উভয় পক্ষের সরকারি মালিকানাধীন হবে।

ট্রাম্প ঠিক কীভাবে এই উদ্বোধন আটকে দেবেন তা স্পষ্ট নয়। তবে তিনি জানান, এ বিষয়ে অবিলম্বে আলোচনা শুরু হবে। তবে তিনি এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি।

ডেট্রয়েট নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি ২০২৬ সালের শুরুর দিকে আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা ও অনুমোদনের পর যানচলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৮ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হলেও দীর্ঘ দিন ধরে প্রকল্পটি দুই দেশের মধ্যে বিতর্কের বিষয় হয়ে রয়েছে। কানাডিয়ান সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজের তথ্যমতে, এই প্রকল্পে আনুমানিক ৬৪০ কোটি কানাডিয়ান ডলার খরচ হয়েছে।

সোমবার ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, এই সম্পদের ‘অন্তত অর্ধেক মালিকানা’ যুক্তরাষ্ট্রের থাকা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কানাডা সেতুর উভয় পাশ নিয়ন্ত্রণ করছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, “কানাডা সরকার আশা করে যে, আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের কেবল ‘আমেরিকার সুবিধা নেওয়ার’ অনুমতি দেব! আমি এই সেতুটি খুলতে দেব না যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রকে সবকিছুর জন্য পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।”

ট্রাম্প সোমবার দুই দেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য বিরোধের কথা উল্লেখ করে বলেন, “কানাডা আমাদের দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর অনেক বছর ধরে যে শুল্ক আরোপ করে রেখেছে, তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীনের সঙ্গে গত মাসে কানাডার স্বাক্ষরিত একটি বাণিজ্য চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি অটোয়ার জন্য ‘চরম বিপদ ডেকে আনবে’। তিনি বিদ্রূপ করে বলেন, চীন কানাডায় প্রভাব খাটিয়ে তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ‘আইস হকি’ বন্ধ করে দেবে এবং বিখ্যাত ‘স্ট্যানলি কাপ’ টুর্নামেন্ট চিরতরে মুছে ফেলবে।

গর্ডি হাউ আন্তর্জাতিক সেতুর পার্শ্ববর্তী অ্যাম্বাসেডর সেতুর মালিক মার্কিন মোরউন পরিবার ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই নতুন সেতুর নির্মাণ বন্ধ করার আবেদন করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল, এটি তাদের টোল আদায়ের একচেটিয়া অধিকারে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে সে সময় ট্রাম্প এবং কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছিলেন, এই সেতুটি দুই দেশের মধ্যে একটি ‘অপরিহার্য অর্থনৈতিক যোগসূত্র’।

বিবিসি জানায়, ট্রাম্পের বর্তমান হুমকির বিষয়ে কানাডার সেতু কর্তৃপক্ষ, অন্টারিওর প্রিমিয়ারের কার্যালয় বা ডেট্রয়েটের মেয়রের কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসিসিএনএন




কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে বাংলাদেশের আইসিডিডিআরবি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত লাখ লাখ নতুন ফাইল শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এতে নতুন করে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে। এরপরেই বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এপস্টেইন ফাইলে পাওয়া একটি ই-মেইলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি নামও উঠে এসেছে।

ই-মেইলে আইসিডিডিআরবি’কে বাংলাদেশে একটি ‘অতি সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং এই প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদী প্রোবায়োটিক গবেষণায় বিনিয়োগের প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে।

ওই ই-মেইলের বিষয় ‘আন্ত্রিক জীবাণুবিদ্যা-আইসিডিডিআরবি’ ছিল বলে প্রকাশিত নথির বরাতে জানা গেছে। ২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল ই-মেইলটি কুখ্যাত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনকে তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর পক্ষ থেকে পাঠানো হয়।

ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবিকে কেন্দ্র করে একটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে গবেষণা উদ্যোগ গড়ে তোলা যেতে পারে। এই প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ভবিষ্যতে উৎপাদিত যেকোনো প্রোবায়োটিক বা সংশ্লিষ্ট পণ্যের মুনাফা থেকে ৩ শতাংশ নিশ্চিত লাভ পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে ই-মেইলে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া আইসিডিডিআরবি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাপ্রাপ্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০১(সি)(৩) কাঠামোর আওতায় এ ধরনের বিনিয়োগ করছাড়ের সুবিধাও পেতে পারে বলে ই-মেইলে বলা হয়েছে।

কুখ্যাত যৌন অপরাধী এপস্টেইন ফাইলে অন্তর্ভুক্ত আরেক ই-মেইলে দেখা যায়, এপস্টেইনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ও ভারতে ভ্রমণ করেছিলেন।

তবে ওই সফরের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কার্যক্রম সম্পর্কে নথিতে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।




ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রবিবার এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা সতর্ক করেছিলেন, ইরানে যেকোনো মার্কিন হামলা আঞ্চলিক সংঘাত উসকে দেবে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গতকাল এক ভাষণে সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে একটি ‘অভ্যুত্থান’চেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জানা উচিত, তারা যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে এবার তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে।’ তিনি জনগণকে ট্রাম্পের হুমকিতে ভীত না হওয়ার আহ্বান জানান।

খামেনি বলেন, তারা (বিক্ষোভকারী) পুলিশ, সরকারি কেন্দ্র, আইআরজিসি কেন্দ্র, ব্যাংক ও মসজিদে হামলা করেছে। তারা পবিত্র কোরআন পুড়িয়েছে। এটি একটি অভ্যুত্থানের মতো, যা শেষ পর্যন্ত দমন করা হয়েছে।

খামেনির এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনি তো এমন কথা বলবেনই। দেখা যাক কী হয়। আশা করছি, আমাদের একটি চুক্তি হবে। আর যদি না হয়, তবে তিনি (খামেনি) ঠিক না ভুল, তা সময়ই বলে দেবে।’

গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রশাসনের কঠোর দমন–পীড়নের জেরে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই অংশ হিসেবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী একটি রণতরি পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিক্ষোভকে ইরান সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে। সরকার স্বীকার করেছে, বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, নিহত ব্যক্তিদের বড় অংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। অন্যদিকে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, নিহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা ৬ হাজার ৮৪২–এর বেশি, যাদের অধিকাংশই বিক্ষোভকারী।

এত উত্তেজনার মধ্যেও আলোচনার ক্ষীণ আলো দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প যদি ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে পারেন, তবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে একটি ‘সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ’ চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, অঞ্চলের কিছু দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারি জানিও বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের প্রচারণার আড়ালে আলোচনার পরিকাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। ট্রাম্পও আলোচনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। সূত্র: এএফপি




এপস্টেইন কেলেঙ্কারি: দল থেকে ইস্তফা সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত লাখ লাখ নতুন ফাইল প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। এরপরেই বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কুখ্যাত এই যৌন অপরাধীর সঙ্গে সম্পর্ককে ঘিরে নতুন বিতর্কের মুখে লেবার পার্টির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন। খবর বিবিসির। 

খবরে বলা হয়েছে, এপস্টেইন কেলেঙ্কারি ইস্যুতে লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন তিনি কোনোভাবেই আর লেবার পার্টিকে ‘বিব্রত’ করতে চান না বলে উল্লেখ করেছেন। গত শুক্রবার প্রকাশিত নতুন এপস্টেইন ফাইলে নিজের নাম থাকায় দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন।

এর আগে গত বছর সাবেক এই ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এপস্টেইনের সঙ্গে তার অতীত সম্পর্কের কারণেই তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এপস্টেইন নথিতে দাবি করা হয়েছে, লর্ড ম্যান্ডেলসনকে ২০০৩-২০০৪ সালে এপস্টেইন তিন দফায় ২৫ হাজার ডলার করে মোট ৭৫ হাজার ডলার (প্রায় ৫৫ হাজার পাউন্ড)  দিয়েছিলেন।

লেবার পার্টির মহাসচিবকে লেখা চিঠিতে লর্ড ম্যান্ডেলসন বলেন, এই সপ্তাহান্তে এপস্টেইনকে ঘিরে সৃষ্ট স্বাভাবিক ক্ষোভের সঙ্গে আমাকে আবারও যুক্ত করা হয়েছে। এতে আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত।

তিনি দাবি করেছেন, ২০ বছর আগে এপস্টেইন আমার সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করেছিলেন; এমন অভিযোগ মিথ্যা এবং যার কোনো নথি বা স্মৃতি আমার নেই। আমার পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। আমি লেবার পার্টিকে এই প্রক্রিয়ায় আর কোনো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চাই না। তাই আমি দলটির সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।




যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, ৮২ মেট্রো স্টেশনকে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কা ঘিরে ইরানের রাজধানী তেহরানে নেয়া হচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে শহরজুড়ে মেট্রো স্টেশন, পার্কিং এলাকা ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।  এ সব স্থানে খাদ্য মজুতসহ অন্যান্য সুবিধা ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং ২৫ লাখ মানুষের আশ্রয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য যুদ্ধের জল্পনা জোরালো হওয়ায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছে না তেহরান। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীজুড়ে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করছে ইরানের সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। শনিবার তেহরানে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান তেহরান সংকট ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান আলী নাসিরি।

সাধারণভাবে তেহরানের জনসংখ্যা এক থেকে এক কোটি ২০ লাখের মধ্যে ধরা হয়। তবে বৃহত্তর মহানগর এলাকা যুক্ত করলে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় এক কোটি ৫০ থেকে এক কোটি ৬০ লাখে। গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের সরাসরি সামরিক সংঘাতের সময় তেহরানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয় নিতে মেট্রো স্টেশনগুলোতে ছুটে গিয়েছিলেন।

প্রাণঘাতী সেই সংঘাতের পর থেকেই তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় মেট্রো স্টেশন, পার্কিং সুবিধা ও অন্যান্য স্থাপনাকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে উন্নত করার উদ্যোগ নেয় ইরানের সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

মূলত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দিকে বিশাল নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়েছে।

অন্যদিকে ইরান সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশটির ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে তার জবাব দেয়া হবে অত্যন্ত কঠোর ও শক্তভাবে।

সূত্র: টিআরটি




ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশের মোহরে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৮টা ১১ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। মাটি থেকে ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

জার্মানির ভূবিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি অনেকেই এটি অনুভব করেছেন। তবে এটির আঘাতে বড় ধরনের কোনও ভূমিকম্প হয়নি। বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পটি যে মাত্রার ছিল এটির প্রভাবে শেলফ থেকে জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া, ঘরের জানালা ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পটি ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া এটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। সূত্র: খালিজ টাইমসসিজিটিএনভলকানো ডিসকভারি