ধেয়ে আসছে টাইফুন নউল, ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিলো চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : উপকূলের দিকে এগোচ্ছে টাইফুন নউল। এতে চীনের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইতোমধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেল চলাচলও স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার সকালের মধ্যে হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশ পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে। শনিবারও আবহাওয়া কেন্দ্র চার স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তর বহাল রেখেছে। এর আগে তারা জানিয়েছিল, গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের কিছু অংশে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, শুক্রবার রাত পর্যন্ত গুয়াংডং প্রদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাগরে থাকা মাছধরার নৌকাগুলোও ঝড় এড়াতে বন্দরে ফিরে এসেছে। শনিবার সকালে গুয়াংডংয়ের কয়েকটি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। রোববার পুরো প্রদেশে ট্রেন পরিষেবা স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গুয়াংডংয়ের চাওঝৌ শহরের স্কুলগুলোতে সব ধরনের শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ মাসেই চীনের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে চরম আবহাওয়া ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। গুয়াংশি অঞ্চলে টাইফুন মায়সাকের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। মায়সাকের প্রভাবে হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় ও প্রবল বাতাসে আরও ১১ জন নিহত এবং ৩৩১ জন আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বাড়তে থাকায় পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। চীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ হলেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এটি অন্যতম শীর্ষ শক্তি। ২০৬০ সালের মধ্যে অর্থনীতিকে কার্বন-নিরপেক্ষ করার লক্ষ্য নিয়েছে বেইজিং।




ভারতের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে।

মূলত প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মুখে শনিবার (২৫ জুলাই) পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।

এদিকে প্রহ্লাদ জোশী বর্তমানে দেশটির খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় এখন থেকে তিনি একই সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলাবেন।

সম্প্রতি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে চরম অসন্তোষ তৈরি হয় ভারতে। ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। বিশেষ করে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা দীর্ঘ বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

আন্দোলনকারীদের টানা অনড় অবস্থানের পর পরিস্থিতি শান্ত করতেই সাবেক মন্ত্রীর পদত্যাগ গ্রহণ এবং নতুন মন্ত্রী নিয়োগের এই বড় পদক্ষেপ নিতে হলো কেন্দ্রীয় সরকারকে।




পদত্যাগ করছেন না ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিট এর প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দেশজুড়ে বিতর্ক ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যেও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সরকারের মতে, ‘পদত্যাগ করানো সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্ত হতে পারে, তবে সরকার এ বিষয়ে মন্ত্রীর পাশেই রয়েছে।’

এদিকে ইন্ডিয়া জোট ও বিভিন্ন শিক্ষার্থী সংগঠনের নেতৃত্বে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি, ৫৫ বছর বয়সী শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, জনগণ সরকারকে কাজ করার দায়িত্ব দিয়েছে এবং সরকার সেটিই করবে। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত একাধিক চক্রকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পোস্ট পুনঃশেয়ার করেছেন, যেখানে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ওড়িশার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা নিয়ে বৈঠক করেছেন তিনি এবং ‘বাহুড়া যাত্রা’ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। গত ২২ জুলাই বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত দুই দিনের এক সম্মেলনেও বক্তব্য দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।




পারমাণবিক চুক্তির জন্য ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে হবে সৌদি আরবকে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিলেই কেবল দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি কার্যকর হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে এই কর্মসূচির আওতায় সৌদি আরবের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই)  ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি শুধুমাত্র বেসামরিক উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের জন্য। বর্তমানে ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশের এ ধরনের সুবিধা রয়েছে। তবে সৌদি আরবের ক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার ওপর।

ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির বিরোধী নয়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে একটি সমঝোতা হয়। এর আওতায় আমেরিকান প্রযুক্তি ব্যবহার করে সৌদি আরব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ করতে পারবে। ইরানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যে কঠোর জাতিসংঘ পরিদর্শনের শর্ত দিয়েছিল, সৌদি আরবের ক্ষেত্রে সেই শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

তবে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটি গ্রহণযোগ্য রূপরেখা না পেলে তারা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে না।

২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শুরু হয় এই চুক্তি। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েকটি আরব দেশের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নেওয়া হয়। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয় ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে।

এ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান এই অ্যাকর্ডসে যোগ দিয়েছে। সৌদি আরব অবশ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে তারা এতে অংশ নেবে না।




শুক্রবার ভারতজুড়ে বড় বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার গোটা ভারতে বড় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদের বিক্ষোভে ‘পুলিশি বর্বরতার’ প্রতিবাদে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।

দলটি তাদের সমর্থক, ছাত্র সংসদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতিটি শহরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে।

দিল্লিতে সিজেপি’র ‘চলো সংসদ’ মার্চের সময় সংঘর্ষ এবং বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দলটির মতে, এই ঘটনাগুলো রাজধানীর বাইরেও আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে।

বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুললেও দিল্লি পুলিশের দাবি- মার্চ চলাকালীন বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠে। তারা পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে।

দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে সংগঠনটি স্থানীয় আয়োজকদের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি), প্রচারসামগ্রী এবং স্মারকলিপির একটি টেমপ্লেট প্রচার করেছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো জনসমক্ষে পাঠ, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় তথাকথিত পুলিশি বর্বরতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানানো এবং জেলা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জবাবদিহিতার দাবিতে গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক বিক্ষোভে যোগ দিয়ে আমরণ অনশন শুরু করার পর এই আন্দোলন আরও গতি লাভ করে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে




ইরানের পিকঅ্যাক্স পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের পিকঅ্যাক্স পর্বতে নির্মীয়মাণ কথিত পারমাণবিক কেন্দ্রে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। হরমুজ প্রণালিতে দুই দেশের সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এই নতুন ঘোষণা এল। ‘কুহ-এ কোলং গাজ লা’ নামে পরিচিত এই কেন্দ্রটি তেহরান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণে নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রের পাশে পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত। ২০২৫ সালে ইরান ও ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধের সময় মার্কিন হামলায় নাতাঞ্জ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পিকঅ্যাক্স পর্বতের এই গভীর কেন্দ্রটি অক্ষত ছিল।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, ইরান হয়ত পাহাড়ের অত গভীরে সেনট্রিফিউজ সরিয়ে নিয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী বোমার ধ্বংসক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। তা সত্ত্বেও খুব শীঘ্রই সেই এলাকায় হামলা চালানো হবে বলে দাবি করেন তিনি। তবে পিকঅ্যাক্স পর্বতের কেন্দ্রটিতে আসলে কী রাখা হয়েছে তা এখনও অস্পষ্ট, কারণ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এখনও সেখানে প্রবেশের সুযোগ পায়নি।

প্রায় ২.৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনাটি ঘিরে রয়েছে বিমান বিধ্বংসী কামান, নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর। উপগ্রহ চিত্রে দেখা একাধিক প্রবেশপথ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই সুবিধাজনক কেন্দ্রটি মাটির অন্তত ১০০ মিটার গভীরে অবস্থিত। ২০২০ সালে নাতাঞ্জ কেন্দ্রে বিস্ফোরণের পর ইরান পাহাড়ের গভীরে এই আধুনিক ও বিশাল কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শুরু করে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভূগর্ভস্থ এই সুরক্ষার সুযোগ নিয়ে ইরান সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং সেনট্রিফিউজ তৈরির কাজ চালাতে পারে।

ইরানের এই ধরনের গভীর ভূগর্ভস্থ সামরিক ও পারমাণবিক আস্তানাগুলো ধ্বংস করতেই যুক্তরাষ্ট্র তৈরি করেছিল ‘জিবিইউ-ফিফ্টি সেভেন’ বোমা, যা মাটির অন্তত ৬০ মিটার গভীরে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। মার্কিন কর্মকর্তারা আগে পর পর দুটি এমন বোমা ফেলে গভীর লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করলেও পিকঅ্যাক্স পর্বতের মতো গভীর কোনো কেন্দ্র আদৌ এই বোমায় ধ্বংস করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকে যাচ্ছে।




সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের দিল্লিতে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ‘চলো সংসদ’ মিছিলের কারণে সরকার আংশিক ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছিল বলে জানিয়েছে টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো। অপরদিকে এই সাময়িক স্থগিতাদেশের কোনো কপি সরকারের পক্ষ থেকে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, সকাল ১০টার দিকেই মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ারটেল, জিও এবং ভি (Vi)-সহ বিভিন্ন টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে (TSP) এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দুটি বড় টেলিকম সংস্থার কর্মকর্তারা সরকারি নির্দেশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিষেবা পুনরায় চালু করা হয়। তবে, কোন সরকারি কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশ জারি করেছিল, তা জানা যায়নি।

ডিজিটাল অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশন’ (IFF) ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে টেলিকম পরিষেবা স্থগিত করার প্রতিটি আদেশ অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে। এর কারণ লিখিতভাবে নথিবদ্ধ করতে হবে। বিধিনিষেধটি আনুপাতিক হতে হবে এবং সম্ভাব্য সবচেয়ে কম কঠোর পদক্ষেপটিই গ্রহণ করতে হবে। এটি অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে পারে না। এটি বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা এবং একটি পর্যালোচনা কমিটির দ্বারা যাচাই-বাছাইয়ের আওতাভুক্ত। আজকের এই ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনাটিকে যদি আমরা আইনি কাঠামোর নিরিখে বিচার করি, তবে দেখা যায়—আদেশটি অপ্রকাশিত রাখা হয়েছে, যা ‘অনুরাধা ভাসিন বনাম ভারত সরকার’ মামলা এবং ‘সাসপেনশন রুলস, ২০২৪’-এর লঙ্ঘন।

সংগঠনটি আরও উল্লেখ করেছে যে, সরকার যদি আদেশটি জনসমক্ষে প্রকাশ না করে, তবে কোনো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ আদেশটি জারি করেছে কি না এবং পর্যালোচনা কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা খতিয়ে দেখবে কি না—তা যাচাই করা সম্ভব নয়।

আইএফএফ (IFF)-এর মতে, অপ্রকাশিত আদেশ মানেই জবাবদিহিহীন আদেশ। আদালতের সামনে একে চ্যালেঞ্জ করা যায় না এবং সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক নিশ্চিত করা বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার বিষয়টি তখন অর্থহীন বা অলীক হয়ে পড়ে।

ভারতে ইন্টারনেট বন্ধের ইতিহাস-

আইএফএফ (IFF)জানায়, নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দিল্লির বেশ কিছু এলাকায়—যেমন জামিয়া নগর, সিলমপুর এবং মান্ডি হাউসে মোবাইল সেবা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। সেটাই ছিল দেশের রাজধানীতে ইন্টারনেট বন্ধের তখনই প্রথম ঘটে।

এরপর একইভাবে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে কৃষকদের আন্দোলনের সময় গাজিপুর, টিকরি, সিংঘু,  মুকারবা চক, নাংলোই এবং এর আশেপাশের এলাকায় অনুরূপ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

হ্যাশট্যাগ কিপইটঅন (#KeepItOn) জোটের ২০২৬ সালের মার্চ মাসের একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালে ভারতে ৬৫ বার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের ঘটনা ঘটেছে এবং ২০১৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে নথিভুক্ত ২,১০২টি ইন্টারনেট বিভ্রাটের ঘটনার মধ্যে ৯২০টির জন্যই দায়ী ভারত।




জেন-জি আন্দোলনের মধ্যে ৫ দফা দাবি পেশ করলেন রাহুল গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতে শিক্ষার্থীদের ‘জেন-জি’ আন্দোলন ও পুলিশি অভিযানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আন্দোলনের সমর্থনে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার সময় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেসের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরে রাতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আটক অবস্থায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিকে দমন না করে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তার দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
  • সোমবার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার।
  • শিক্ষার্থীদের ওপর অভিযানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা।
  • বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনা।
  • দ্রুত শিক্ষা ও পরীক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিলে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও কংগ্রেসের কয়েকজন নেতাকে আটক করা হয়। রাহুলকে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে এবং প্রিয়াঙ্কাকে মন্দির মার্গ থানায় নেওয়া হয়। পরে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধী থানায় গিয়ে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাতের দিকে দুই নেতাকেই মুক্তি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকার অন্যায় আচরণ করছে। নিট (এনইইটি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করেন।

শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাহুল বলেন, ‘ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা কেন ভেঙে পড়ছে? কেন বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে? ভারতে শিক্ষা এত ব্যয়বহুল কেন? সন্তানদের পড়াতে গিয়ে কেন পরিবারগুলো আর্থিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে? এগুলো ন্যায্য প্রশ্ন, আর এসব প্রশ্ন করায় কোনো ভুল নেই।’

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের সবাই চান, বুধবার লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা হোক।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির পক্ষে যারা লড়াই করছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। নিটসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় লাখো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী সংসদে আলোচনার অবস্থান থেকে সরে এসে এখন মন্ত্রীদের পদত্যাগের দাবি তুলছেন। তার ভাষায়, এ ধরনের অবস্থান পরিবর্তন গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও কংগ্রেসের সমালোচনা করে বলেন, সরকার এ বিষয়ে সংসদে আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও বিরোধী দল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ব্যবহার করছে। তার দাবি, সমস্যার সমাধানের চেয়ে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনই কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য।




মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে গিয়ে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ দলের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এসময় রাহুল গান্ধীর নাক দিয়ে রক্ত ​​ঝরতে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন কংগ্রেস নেতারা। তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করছিলেন।

ককরোচ জনতা পার্টি’র নেতৃত্বে সংসদ অভিমুখে মিছিলের একদিন পর কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের সামনে একটি বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন।

রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে রাতভর বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ তাকে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ অন্যান্য নেতাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

এ সময় লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা গান্ধী রাস্তায় বসে পড়েন। তিনি সরতে অস্বীকার করলে অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য তাকে ঘিরে ধরে। পরে তাকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তখন তার নাক দিয়ে রক্ত ​​ঝরতে দেখা গেছে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেছেন, সোমবার তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, তার জবাব চাইতেই আমরা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে এসেছি। দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।




৪০ বছরের মধ্যে বড় পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিলেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সোমবার (২০ জুলাই) ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের প্রথম ভাষণ দিয়েছেন। বাকিংহাম প্যালেসে রাজার কাছ থেকে আমন্ত্রণ গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি এই ভাষণ দেন।

ভাষণে বার্নহাম স্পষ্টভাবে বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে তার সরকার। তিনি স্বীকার করেন, গত এক দশকে বারবার প্রধানমন্ত্রী বদল হওয়ায় জনগণ রাজনীতির প্রতি ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এতদিন যথেষ্ট ভালো করতে পারিনি। এবার আমাদের আরও অনেক ভালো হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্ষমতা আর শুধু লন্ডনকেন্দ্রিক রাখা হবে না। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ক্ষমতা পৌঁছে দেওয়া হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

তরুণদের কর্মসংস্থান, মানসিক স্বাস্থ্য সেবা এবং সরকারি আবাসন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বার্নহাম। এছাড়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশের জন্য ১০ বছর মেয়াদি একটি মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন। তবে জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় আগামীকাল থেকেই জরুরি কিছু পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম কাজ হিসেবে দেশ থেকে গৃহহীনতা ও রাস্তায় ঘুমানোর সমস্যার পুরোপুরি অবসান ঘটানোর ঘোষণা দিয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম।

ডাউনিং স্ট্রিটের কার্যালয়ে প্রবেশের আগে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, সব বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করি। এই মুহূর্ত থেকেই ব্রিটেনকে আবার বিশ্বাস করতে শেখাই এবং দেশে নতুন আশার আলো ফিরিয়ে আনি।

এই ভাষণে তিনি বারবার জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের ওপর জোর দিয়েছেন।