যেভাবে ট্রাম্পকে বিশেষ বার্তা দিল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ এবার ইরানের রাজধানী তেহরানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কফিনে শায়িত একটি বিশালাকার পোস্টার উন্মোচন করা হয়েছে। সাবেক ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণার মাত্র কয়েকদিন পরই এই পদক্ষেপ নিল ইরান।

তেহরানের প্রাণকেন্দ্র এঙ্গেল্যাব স্কয়ারে টানানো এই বিশালাকার বিলবোর্ডটিতে দেখা যাচ্ছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিথর দেহ একটি কফিনে পড়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, গ্রাফিক্সের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা এই লাশের চারপাশে ‘কিল ট্রাম্প’স্লোগান সংবলিত বিভিন্ন বার্তা লেখা রয়েছে।

গত ৯ জুলাই ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় তিন মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এক যৌথ সামরিক হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ইরান। খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি এই হত্যাকাণ্ডের চরম প্রতিশোধ নেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।




কেন ইরানের ‘রহস্যময়’ পিকঅ্যাক্স পর্বত গুঁড়িয়ে দিতে চান ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা নতুন ও অনিশ্চিত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রহস্যময় পারমাণবিক স্থাপনা ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনায় এসেছে স্থাপনাটি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এটিকে ইরানের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও দুর্ভেদ্য পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

কোথায় অবস্থিত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন?
‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা, যেখানে পাহাড়ের গভীরে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি ভূগর্ভস্থ টানেল কমপ্লেক্স। স্থাপনাটি শত শত মিটার পুরু কঠিন গ্রানাইট শিলার নিচে অবস্থিত হওয়ায় প্রচলিত বাঙ্কার-ভেদী শক্তিশালী বোমা দিয়েও এটি পুরোপুরি ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, পাহাড়ের গভীরে এই স্থাপনা নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য সম্ভাব্য বিমান হামলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সুরক্ষা দেওয়া।

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা?
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-মনিটর-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সন্দেহ- ইরান এখানে একটি গোপন, ঘোষণাবহির্ভূত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে, যা দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য একটি কৌশলগত বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

তবে তেহরান শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ইরানের দাবি, ২০২০ সালে শুরু হওয়া নির্মাণকাজের উদ্দেশ্য কেবল উন্নতমানের সেন্ট্রিফিউজ সংযোজন ও উৎপাদনের জন্য একটি নিরাপদ শিল্প স্থাপনা তৈরি করা; সেখানে কোনও গোপন পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে না।

ট্রাম্পের হুমকি
মার্কিন রেডিও উপস্থাপক হিউ হিউইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমরা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন ধ্বংস করব। ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে বলুন।”

তিনি আরও দাবি করেন, “আমরা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের ওপর খুব নিবিড় নজর রাখছি। সেখানে এখন কোনও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম দেখছি না। তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যখনই আমরা কিছু শুনি, তখনই সেটি ধ্বংস করে দিই। তাই তারা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চায় না। খুব শিগগিরই পিকঅ্যাক্সেও হামলা হতে পারে।”

তবে ট্রাম্প তার দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ট্রাম্পের এই হুমকির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় সামরিক অভিযান চালায়।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, টানা তৃতীয় রাতের মতো পরিচালিত এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা।

সেন্টকমের দাবি, পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে ‘নির্ভুল নির্দেশিত’ অস্ত্র ব্যবহার করে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি এবং নৌ-সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের প্রতিক্রিয়া
অন্যদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
তেহরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে আবারও অস্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনছে।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

কোথায় কোথায় বিস্ফোরণের খবর?
ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে- কিশ দ্বীপ, কেশম দ্বীপ, আবু মুসা দ্বীপ, বন্দর আব্বাস ও জাম এলাকা।

বার্তা সংস্থা ফার্স স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এসব এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে।

মেহর নিউজ এজেন্সিও কিশ ও কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে।

এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, বন্দর আব্বাসে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন কিশ দ্বীপে দুটি বিস্ফোরণের কথা জানালেও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি।

মেহরের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের ওমিদিয়েহ শহরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

এছাড়া নূর নিউজ জানিয়েছে, সোমবার রাতের হামলার পর কিশ দ্বীপের বন্দরে তিনটি নৌযানে আগুন ধরে যায়।

কূটনীতির পথ কি এখনও খোলা?
সামরিক উত্তেজনা বাড়লেও ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা ‘অবশ্যই সম্ভব’। তবে একই সময়ে ওয়াশিংটন একদিকে নতুন সামরিক হামলা অব্যাহত রেখেছে, অন্যদিকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধও পুনর্বহাল করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে সামরিক চাপ বাড়ানো এবং অন্যদিকে আলোচনার দরজা খোলা রাখার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ‘চাপ সৃষ্টি করে সমঝোতায় বাধ্য করার’ কৌশল অনুসরণ করছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাই বেশি বলে মনে করছেন তারা। 




বিশ্বকাপ সেমিতে হারের পর ফ্রান্সে উত্তেজনা, গ্রেফতার ১৬০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ম্যাচ শেষ হতেই প্যারিস, লিওসহ কয়েকটি এলাকায় সমর্থকদের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের অভিযানে দুই শহর মিলিয়ে অন্তত ১৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভি জানিয়েছে, শুধু রাজধানী প্যারিসেই গ্রেফতার হয়েছেন ১৪১ জন। পুলিশ প্রিফেকচারের তথ্য অনুসারে, অধিকাংশ গ্রেফতারের কারণ ছিল পুলিশ সদস্য ও জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে আতশবাজির মর্টার ছোড়া।

অন্যদিকে লিওর প্লাস বেলকুর চত্বরে বড় পর্দায় ম্যাচ দেখতে জড়ো হয়েছিলেন শত শত সমর্থক। খেলা শেষের পরও অনেকে সেখানে অবস্থান নেন। পরে কয়েকটি ছোট দল পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু ও আতশবাজি ছুড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে দাঙ্গা দমন ইউনিট সিআরএস ৮৩-কে ডাকা হয়। যৌথ অভিযানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয় এবং প্রায় ২০ জনকে আটক করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশই ২০০২ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া তরুণ।

তবে স্বস্তির বিষয় হলো, সংঘর্ষে কেউ গুরুতর আহত হননি। সরকারি বা বেসরকারি কোনো সম্পত্তির বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।




পদত্যাগ করছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অনুরোধে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক বছর পর পদত্যাগ করেছেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেনকো। আকস্মিকভাবে নেওয়া বড় ধরনের রদবদলের সুনির্দিষ্ট কোনও কারণ জেলেনস্কি ব্যাখ্যা না করলেও মঙ্গলবার ইউক্রেনের পার্লামেন্ট সভিরিদেনকোর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪০ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদের পদত্যাগপত্র গ্রহণের প্রস্তাবটি মঙ্গলবার পার্লামেন্টে পাস হয়েছে। তবে এমন আকস্মিক পরিবর্তনে দেশটির কয়েকজন আইনপ্রণেতা অসন্তোষ ও অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

বিদায়ী ভাষণে সভিরিদেনকো বলেন, এই বছরের প্রতিটি দিনই কঠিন সিদ্ধান্ত এবং জোরালো পদক্ষেপের দাবি রেখেছিল। যে বিশ্বাস ও সমর্থন আমি পেয়েছি, তার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আপনারা জানেন, আমি সবসময় ফলাফলেই সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করেছি।
দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের জড়িয়ে বড় ধরনের দুর্নীতির একটি মামলা জনসমক্ষে আসার পর এক বছর আগে সভিরিদেনকোকে মন্ত্রিসভার দায়িত্বে আনা হয়েছিল। তবে এরপর থেকে দুর্নীতি দূর বা প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান চালাতে তিনি যথেষ্ট পরিমাণ দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে সমালোচকরা অভিযোগ করে আসছিলেন।

দেশটির প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করছে এবং এ জন্য নতুন মুখের প্রয়োজন। তবে এর বাইরে নতুন করে মন্ত্রিসভায় রদবদল আনার আর কোনও কারণ স্পষ্ট করেননি তিনি।

ইউক্রেনের বিরোধী দল হলোসের আইনপ্রণেতা ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াক বিদায়ী সরকারের সমালোচনা ও উপহাস করে বলেন, ‌‌আমাদের প্রতিদিন ফলাফলের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সরকার সেই প্রতিশ্রুতি রেখেছে। প্রতিদিন শুধু প্রেজেন্টেশন হয়েছে, প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন হয়েছে এবং প্রতিদিন আমরা দুর্নীতির মামলায় নতুন একজন করে সন্দেহভাজন পেয়েছি।

সভিরিদেনকোর এই বিদায়ে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী পুরো সরকারের পদত্যাগ নিশ্চিত হয়েছে। আইনপ্রণেতারা বলেছেন, দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি নাফতোগাজের প্রধান সের্হি কোরেতস্কি নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সভিরিদেনকোর পূর্বসূরি ডেনিস শমিহাল কিংবা বর্তমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভও রয়েছেন।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মস্কোর জ্বালানি অবকাঠামো এবং অন্যান্য স্থাপনা লক্ষ্য করে দূরপাল্লার হামলা চালিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী মূলত দেশটির অভ্যন্তরীণ নীতি ও অর্থনীতি সচল রাখা এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর রাশিয়ার অবিরাম হামলার ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের কাজ তদারকি করে থাকেন।

বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সভিরিদেনকো বলেন, আসন্ন নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে শীতকালের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। কারণ শীতকালে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড এবং গ্যাস লাইনে রাশিয়ার হামলার তীব্রতা দ্বিগুণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




আগ্রাসন চালিয়ে হরমুজ কখনোই উন্মুক্ত করা যাবে না, ইরানের হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসনের মুখে চাপে পড়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে না বলে ওয়াশিংটনকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ করার সিদ্ধান্তের পর সোমবার এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই হুঁশিয়ারি দেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া।

জেনারেল আকরামি-নিয়া বলেন, আমেরিকার আগ্রাসী ও নীতিভ্রষ্ট প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন, অন্যান্য দেশের অধিকার এবং জনগণের মর্যাদাকে সম্মান করতে শিখতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ, বৈরিতা কিংবা কোনো ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি কখনোই উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়। এটি পুনরায় সচল করার একমাত্র উপায় হলো যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি জাতির অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।

এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসনের পর উদ্ভূত সংঘাতের অবসান ঘটাতে গত মাসে দুই পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল। এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অধীনে ইরান ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে শুল্কমুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী, এই সংকীর্ণ জলপথ অতিক্রম করার জন্য একটি বিশেষ নৌপথ তৈরি করে দিয়েছিল ইরান এবং নির্ধারিত এই রুট ছাড়া অন্য কোনো অবৈধ পথ ব্যবহার না করার জন্য জাহাজগুলোকে সতর্ক করা হয়েছিল।




প্রথমবারের মতো সি-ড্রোন ব্যবহার করে ইরানের নৌঘাঁটিতে হামলা করল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সোমবার (১৩ জুলাই) ঘোষণা করেছে তারা যুদ্ধকালীন অভিযানে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন নৌযান (সি-ড্রোন) ব্যবহার করে ইরানের একটি সাবমেরিন ও জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, একাধিক একমুখী আত্মঘাতী চালকবিহীন নৌযান ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে সফল আঘাত হেনেছে।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘কোরসেয়ার’ মডেলের তিনটি সি-ড্রোন বন্দর আব্বাস নৌঘাঁটিতে আঘাত করেছে। এটাই যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনীর প্রথম সি-ড্রোন ব্যবহার।

সেন্টকমের দাবি, এই হামলার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর ইরানের নিয়মিত হামলা চালানোর সক্ষমতা অনেকাংশে নষ্ট হয়ে গেছে। হামলার একটি ভিডিও ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছে তারা।

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বেড়ে চলার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। একই সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর জন্য দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চলছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনা উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর




ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত, ইরানি উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করল নয়াদিল্লি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ওমান উপকূলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নয়াদিল্লি। এই ঘটনার পর ভারতে নিযুক্ত ইরানের উপ-রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কর্মরত হাজার হাজার ভারতীয় নাবিকের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার ওমানের জলসীমায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ শিপিং লেনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আক্রান্ত জাহাজ দুটির একটি হলো জ্বালানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ‘মম্বাসা’ এবং অন্যটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহী ‘আল বাহিয়াহ’। দুটি জাহাজেই ইরান থেকে ছোড়া ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলার পরপরই জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়, তবে পরবর্তীতে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ওমান সাগরে ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। একই সাথে এই আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।

এদিকে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মম্বাসা জাহাজে থাকা এক ভারতীয় ক্রু সদস্য প্রাণ হারান। এ ছাড়া হামলায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় এবং দুজন ইউক্রেনের নাগরিক। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানি কূটনীতিককে তলব করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি এই অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালীতে ইরানের এমন আগ্রাসী আচরণের ফলে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।




ইরানি বিমান রুখতে সানা বিমানবন্দরের রানওয়ে উড়িয়ে দিল ইয়েমেন সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার। একটি ইরানি উড়োজাহাজকে অবতরণ করতে না দেওয়ার জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

সানা বর্তমানে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেন থেকে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, হুথি মিলিশিয়ারা ইয়েমেনের নিজস্ব একটি বিমানকে সানা বিমানবন্দরে নামতে বাধা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা একটি ইরানি বিমানকে জোর করে সেখানে অবতরণের চেষ্টা করছিল। এ কারণেই রানওয়ে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
এর আগে ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সাধারণ নাগরিক, বিমানবন্দর কর্মী, কূটনৈতিক কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার লোকজনকে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে সতর্কবার্তা জারি করে।

হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে এবং উপযুক্ত জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, এই আগ্রাসনের যথাযথ জবাব দেওয়া হবে। কোনোভাবেই এটা শাস্তিহীন থাকবে না। হুথিরা প্রমাণ ছাড়াই এই হামলার জন্য সরাসরি সৌদি আরবকে দায়ী করেছে।




কয়েক মাস না যেতেই মোহভঙ্গ, নেপালে নতুন সরকারের বিরুদ্ধে ‘জেন-জি’ বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর রাস্তায় আবারও নেমেছে ক্ষুব্ধ তরুণসমাজ। যে সরকারকে মাত্র কয়েক মাস আগে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিল দেশের ‘জেন-জি’ বা নতুন প্রজন্ম, আজ সেই সরকারের বিরুদ্ধেই শুরু হয়েছে তীব্র জনরোষ। কাঠমান্ডুর সিংদরবার সচিবালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে শত শত মানুষ ‘গরিবের ওপর অত্যাচার বন্ধ করো’ এবং ‘মানবাধিকার রক্ষা করো’ স্লোগানে উত্তাল করে তুলেছে রাজপথ।

সাম্প্রতিক এই গণবিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে ২৫ বছর বয়সী এক রাইড-শেয়ারিং চালকের মর্মান্তিক আত্মাহুতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে। গত সপ্তাহে কাঠমান্ডুর রাস্তায় এক মক্কেলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন গণেশ নেপালি নামের ওই যুবক। সে সময় পৌর পুলিশ এসে আকস্মিকভাবে তার মোটরসাইকেলের চাকায় লক লাগিয়ে দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এই হয়রানির প্রতিবাদে এবং চরম হতাশায় গণেশ নিজের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই ট্র্যাজেডিই মেয়রের প্রশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভকে বিস্ফোরিত করেছে।

আন্দোলনকারীরা কেবল এই হত্যাকাণ্ডের বিচারই চাচ্ছেন না, বরং দরিদ্র ও বস্তিবাসীদের ওপর চলমান রাষ্ট্রীয় জুলুম বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন। বিশেষ করে নদীতীরের সুকুমবাসী বা ভূমিহীনদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং ফুটপাতের হকারদের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।

২০২২ সালে কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে বালেন্দ্র (বালেন) শাহ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সেখানকার নগর পুলিশের এমন আগ্রাসী মনোভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। ফুটপাত পরিষ্কার এবং অনানুষ্ঠানিক বাজার উচ্ছেদে মেয়রের কঠোর ও আপসহীন নীতি প্রায়ই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহিংস সংঘর্ষের রূপ নিয়েছে। সমালোচকদের মতে, শহরের দরিদ্রতম মানুষদের প্রতি প্রশাসনের ন্যূনতম সহানুভূতিও অবশিষ্ট নেই।

আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় প্রশাসন সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাদের সাংবিধানিক সীমার বাইরে গিয়ে কাজ করছে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মতে, আইন অনুযায়ী পৌর পুলিশ কোনোভাবেই শারীরিক বলপ্রয়োগ বা দাঙ্গা দমনের মতো ক্ষমতা রাখে না। তাদের মূল কাজ হলো নাগরিক সহযোগিতা, পরিচ্ছন্নতা তদারকি এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা। ট্রাফিক বা রাস্তা অবরোধের মতো বিষয়গুলো সরাসরি ট্রাফিক পুলিশের কাছে পাঠানোর নিয়ম থাকলেও, পৌর পুলিশ নিজেরা গিয়ে হকারদের ধাওয়া করছে, ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে এবং সাধারণ মানুষকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করছে।

অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারাও স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কোনো পরিস্থিতি যদি জনশৃঙ্খলার পরিপন্থী হয়ে দাঁড়ায়, তবে পৌর পুলিশ আইনগতভাবে নেপাল পুলিশের সাহায্য নিতে বাধ্য, নিজেরা বলপ্রয়োগ করতে পারে না। তা সত্ত্বেও দিনের পর দিন দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল মানুষদের ওপর এমন জুলুম চালানো হচ্ছে, যার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে মাত্র কয়েক মাসের মাথায় যে তরুণরা বুক ভরা আশা নিয়ে এই সরকারকে ক্ষমতায় এনেছিল, আজ তারাই জবাবদিহিতা আর অধিকার আদায়ের দাবিতে আবার রাজপথে নেমে এসেছে।




বিধ্বস্ত গাজার জন্য এক বিলিয়ন ডলারের ইউরোপীয় কমিশনের সহায়তা উদ্যোগ চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ‍উপত্যকার জন্য ১৫টি অংশীদারের সাথে মিলে ৮৮৩.৬ মিলিয়ন ইউরো (এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সহায়তা প্রদানের একটি উদ্যোগ চালু করেছে ইউরোপীয় কমিশন।

সোমবার ব্রাসেলসে ফিলিস্তিন দাতা গোষ্ঠীর বৈঠকে ‌‘টিম গাজা ইনিশিয়েটিভ’ নামের এই উদ্যোগটি চালু করা হয়। এটি যুদ্ধের আঘাতে জর্জরিত গাজা উপত্যকার মানুষের জন্য চলমান এবং পরিকল্পিত প্রাথমিক পুনরুদ্ধার প্রকল্পগুলোতে সহায়তা করবে।

কমিশন জানিয়েছে, বিশ্বব্যাংক এবং ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের পাশাপাশি ইউরোপের ১২টি দেশ এবং জাপান এই উদ্যোগে যোগ দিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কালাস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ইইউ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘মৌলিক চাহিদা পূরণ, ঘুরে দাঁড়ানো এবং জীবন পুনর্গঠনের জন্য গাজার মানুষের টেকসই আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। চূড়ান্তভাবে, একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি ফিলিস্তিনি জনগণের নিজস্ব মালিকানাধীন ও তাদের নেতৃত্বেই হতে হবে, তবে এর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন প্রয়োজন।’

সূত্র: আল-জাজিরা।