১২ হাজার বছর ধরে ঘুমিয়ে থাকা আগ্নেয়গিরিতে আকস্মিক অগ্ন্যুৎপাত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইথিওপিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ১২ হাজার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি ঘুমিয়ে থাকা বা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছে। এর ফলে আকাশে ১৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে। 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রোববার (২৩ নভেম্বর) উত্তর-পূর্বে ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে অবস্থিত হায়লি গুব্বি আগ্নেয়গিরিতে কয়েক ঘণ্টা ধরে অগ্নুৎপাত হয়।

প্রায় ৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরিটি রিফ্ট ভ্যালির মধ্যে অবস্থিত। এখানে দুটি টেকটোনিক প্লেট মিলিত হয়ে তীব্র ভূতাত্ত্বিক কার্যকলাপ দেখা যায়।

দেশটির আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরি থেকে ছাইয়ের মেঘ ইয়েমেন, ওমান, ভারত এবং উত্তর পাকিস্তানের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ভিডিওগুলোতে সাদা ধোঁয়ার ঘন স্তম্ভ উঠতে দেখা গেছে।

স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশনের গ্লোবাল আগ্নেয়গিরি প্রোগ্রাম বলেছে, হলোসিন উপযুগের সময় হেইলি গুব্বির কোনো অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটেনি। এই যুগ প্রায় ১২ হাজার বছর আগে শেষ বরফ যুগের শেষে শুরু হয়েছিল।

মিশিগান টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির একজন আগ্নেয়গিরিবিদ এবং অধ্যাপক সাইমন কার্ন ব্লুস্কিতে নিশ্চিত করেছেন, এই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের কোনো পূর্ব রেকর্ড নেই।




৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উত্তর মালুকু প্রদেশের হালমাহেরা অঞ্চলে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রোববার (২৩ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ বরাবর অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অংশে প্রায়শই ভূমিকম্প হয়। কারণ, সেখানে একাধিক টেকটোনিক প্লেট মিলিত হয়েছে। এর ফলে বারবার আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত এবং ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে।

এদিকে মিয়ানমার উপকূলে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটে এই ভূকম্পন আঘাত হানে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের দাওয়েই শহর থেকে ২৬৭ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে আন্দামান সাগরে। কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, মিয়ানমারের পাশাপাশি ভূমিকম্পের প্রভাব প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পের কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। নরসিংদীর মাধবদীতে উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৫। এতে ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।




যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজার একাধিক স্থানে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ২৮

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) হামলা চালিয়েছে, এতে অন্তত ‘২৮ জন’ নিহত এবং কমপক্ষে ‘৭৭ জন’ আহত হয়েছেন। 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার গাজা প্রতিনিধি হানি মাহমুদ জানিয়েছেন, বুধবার (১৯ নভেম্বর) গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকার তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে এবং গাজার প্রধান শহর গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা শুজাইয়া ও জয়তুনে যথাক্রমে একটি করে ভবনে আইডিএফের বোমা আঘাত হেনেছে। এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

আলজাজিরাকে হানি মাহমুদ জানান, আইডিএফের বোমার আঘাতে একটি ভবনে এক পরিবারের বাবা, মা এবং তিন সন্তানসহ পরিবারের সব সদস্য নিহত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গাজার ফিলিস্তিনিরা ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কারণ গাজায় এখনও যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে এবং আইডিএফের নিত্যদিনের সহিংসতায় ফিলিস্তিনিরা নিহত হচ্ছেন।

সূত্র: আল জাজিরা




কিয়েভের আক্রমণে রাশিয়ার বন্দরনগরীতে জরুরি অবস্থা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের কৃষ্ণসাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ এক বন্দরনগরীতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। মেয়র আন্দ্রেই ক্রাভচেঙ্কো জানিয়েছেন, রাতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর ১৪ নভেম্বর সকালে নোভোরোসিয়েস্ক বন্দরনগরীতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

ক্রাভচেঙ্কো জানিয়েছেন, কিয়েভের রাতের হামলায় ‘অরোরা রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্স’ ও ‘সুভোরোভস্কায়া স্ট্রিট’-এর আবাসিক ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনও ধ্বংস হয়ে গেছে। জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে। প্রয়োজনে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হবে।

আঞ্চলিক গভর্নর ভেনিয়ামিন কন্দ্রাতিয়েভ জানান, নোভোরোসিয়েস্কে তিনটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে দুজন শিশুও আছে।

ইউক্রোনের ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে শস্য টার্মিনালের তিনটি ট্যাংকারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ড্রোনের ধংসাবশেষ তেমরিউকস্কি জেলার তামান গ্রামে এবং আনাপার কাছের ইউরোভকা ও সিবানোবালকা গ্রামেও পড়ে।

এদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়ে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত রাতে তাদের দুই শতাধিক ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত ও জব্দ করেছে।

নোভোরোসিয়েস্ক রাশিয়ার অন্যতম প্রধান উষ্ণ পানির বন্দর। এই বন্দর দিয়েই দেশটির তেল ও শস্যের বড় অংশ রপ্তানি করা হয়। বন্দরটি রাশিয়ার কৌশলগত সামরিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।




নেপালে তুষারধসে ৭ পর্বতারোহীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নেপালের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে হিমালয়ের ইয়ালুং রি পর্বতের বেস ক্যাম্পের কাছে ভয়াবহ তুষারধসে অন্তত সাত পর্বতারোহীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বিদেশি ও দুজন নেপালি গাইড বলে জানিয়েছে অভিযান সংস্থা সেভেন সামিট ট্রেকস। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

এতে বলা হয়, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকর্মীরা এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন। বাকি পাঁচজন এখনো বরফের নিচে চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আহত আটজনকে উদ্ধার করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জেলা পুলিশ প্রধান বিবিসি নেপালিকে জানিয়েছেন, তুষারধসের সময় তারা বেস ক্যাম্পের দিক থেকে আরোহণ শুরু করেছিলেন। সেভেন সামিট ট্রেকসের চেয়ারম্যান মিংমা শেরপা বলেন, বাকি পাঁচজনের দেহ বরফের ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীরে থাকতে পারে। তাদের খুঁজে বের করতে সময় লাগবে। নিহতদের মধ্যে আছেন দুই ইতালীয়, একজন কানাডীয়, একজন জার্মান, একজন ফরাসি এবং দুই নেপালি গাইড।

ডোলাখা জেলার উপপুলিশ পরিদর্শক গ্যান কুমার মহাতো জানান, উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় খারাপ আবহাওয়া ও দুরূহ ভৌগোলিক পরিস্থিতির কারণে হেলিকপ্টার নামাতে ও হেঁটে পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে। একজন আহত পর্বতারোহী দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট-কে বলেন, আমরা বারবার সাহায্যের জন্য ফোন করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। যদি উদ্ধার দল সময়মতো আসত, আরও অনেক প্রাণ বাঁচানো যেত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দলটি মূলত ৬৩৩২ মিটার উচ্চতার ডোলমা খাং শৃঙ্গ আরোহণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। অভিযানের অংশ হিসেবে তারা ৫৬৩০ মিটার উচ্চতার ইয়ালুং রি পর্বতে অভিযানে গিয়েছিল অভিযোজন অনুশীলনের জন্য। অন্যদিকে পশ্চিম নেপালের পানবারি পর্বতে নিখোঁজ দুই ইতালীয় পর্বতারোহী- স্টেফানো ফারোনাটো ও আলেসান্দ্রো কাপুটোকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তাদের সঙ্গী ভেলটার পার্লিনো (৬৫)-কে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রতিবছরের শরতে নেপালে পর্বতারোহণের জনপ্রিয় মৌসুম। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘূর্ণিঝড় মন্থা’র প্রভাবে তুষারপাত ও প্রবল বর্ষণে হিমালয়ের বিভিন্ন অঞ্চলে দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহেই দুই বৃটিশ ও এক আইরিশ নারীসহ কয়েকজন পর্বতারোহী পশ্চিমাঞ্চলীয় মুস্তাং এলাকায় আটকা পড়েছিলেন, যাদের পরবর্তীতে উদ্ধার করা হয়। অক্টোবরে খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাউন্ট এভারেস্টের কাছেও শতাধিক পর্বতারোহী আটকা পড়েছিলেন।




মুসলিম কমিউনিটিতে আনন্দের বন্যা, মামদানির বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিশাল ভোটের ব্যবধানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু ক্যুমোকে পরাজিত করে ডেমক্র্যাট জোহরান মামদানি (৩৪) নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত হলেন। মামদানির বিজয়ে নিউইয়র্ক সিটির সীমানা পেরিয়ে সারা আমেরিকায় মুসলিম কমিউনিটিতে আনন্দের জোয়ার বইছে।

নিউইয়র্ক সিটির বহুল আলোচিত এই নির্বাচনে সর্বাধিকসংখ্যক ভোটার অংশ নিয়েছেন। ২০ লাখ ভোটের ৪৯ দশমিক ৬ শতাংশ পেয়েছেন মামদানি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যুমো পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ। অপরদিকে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়া পেয়েছেন ৭ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নানা হুমকি-ধমকি পাত্তা না দিয়ে মুসলিম ভোটারসহ তরুণ ভোটারেরা শেষ পর্যন্ত সরব থাকায় মামদানির বিজয় নিশ্চিত হয়েছে বলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মন্তব্য করেছেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় মামদানি নিউইয়র্কবাসীর জন্য ভাড়াবৃদ্ধি স্থগিত, বিনামূল্যে গণপরিবহন এবং সব শিশুর জন্য সেবা চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। এই কর্মসূচিগুলো অর্থায়নের জন্য তিনি ধনীদের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের প্রস্তাব করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ১ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের পরই ১১১তম মেয়র হিসেবে অধিষ্ঠিত হবেন জোহরান মামদানি। একইসঙ্গে মামদানি হবেন এই সিটির প্রথম মুসলিম এবং দক্ষিণ এশিয়ান ইমিগ্র্যান্ট মেয়র।




মামদানিকে ঠেকাতে তৎপর ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র পদে বামপন্থি প্রার্থী জোহরান মামদানিকে নির্বাচিত না করতে ভোটারদের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি, মামদানি মেয়র নির্বাচিত হলে কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ নিউ ইয়র্কে আসতে দিতে চাইবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

একই সাথে, নিজে রিপাবলিকান দলের হলেও ডেমোক্র্যাট পার্টির সদস্য যিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন, সেই অ্যান্ড্রু কুওমোকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

“আপনি ব্যক্তিগতভাবে অ্যান্ড্রু কুওমোকে পছন্দ করুন বা না করুন, আপনার আসলে কোনো বিকল্প নেই। আপনাকে অবশ্যই তাকে ভোট দিতে হবে এবং আশা করি তিনি দুর্দান্ত কাজ করবেন,” সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এমন একটি পোস্ট করেছেন ট্রাম্প।

তিনি আরো লিখেছেন, তিনি এটি করতে সক্ষম, মামদানি নন!

বহুল আলোচিত নির্বাচনের মাত্র কদিন আগে ট্রাম্পের এই সমর্থন এলো, যিনি এক সময় নিউ ইয়র্কের গভর্নর ছিলেন।

এর আগে রোরবার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন, মামদানি নির্বাচিত হলে তিনি তার শহর নিউইয়র্কে ফেডারেল তহবিল পাঠানো বন্ধ করবেন।

ট্রাম্প বলেছেন, আপনার নিউইয়র্ক পরিচালনাকারী যদি একজন কমিউনিস্ট হয়, তাহলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার জন্য নিউইয়র্কে প্রচুর অর্থ দেওয়া কঠিন হবে, কারণ আপনি সেখানে পাঠানো অর্থ কেবল নষ্টই করছেন।

এদিকে জনমত জরিপে, ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী মামদানি কুওমোর চেয়ে এগিয়ে। ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানির কাছে হেরে যাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কুওমো। তাদের দুইজনের চেয়েই পিছিয়ে আছেন রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়াও।

ট্রাম্প, যিনি নিজেও একজন রিপাবলিকান, তার পোস্টে স্লিওয়াকে সমর্থন করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিলেন, কার্টিস স্লিওয়ার পক্ষে ভোট মানে মামদানির পক্ষেই ভোট।

ফেডারেল তহবিল সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, মামদানি নির্বাচিত হলে, প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিমাণ ছাড়া, আমার ফেডারেল তহবিলের অবদান রাখার সম্ভাবনা খুবই কম।

ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ডেমোক্র্যাট-শাসিত এলাকায় অবস্থিত প্রকল্পগুলোর জন্য ফেডারেল অনুদান এবং তহবিল হ্রাস করার চেষ্টা করেছে। নিউ ইয়র্ক সিটি এই অর্থবছরে ৭.৪ বিলিয়ন ডলার ফেডারেল তহবিল পেয়েছে।

রোববার সিবিএসের সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানের সঙ্গে এক বিস্তৃত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মেয়র মামদানি নিউ ইয়র্ক সিটির সাবেক বামপন্থি মেয়র বিল ডি ব্লাসিওর মতোই হবেন, চমৎকার দেখাবে।

আমি ডি ব্লাসিওকে দেখেছি তিনি কতটা খারাপ মেয়র ছিলেন এবং এই লোকটি ডি ব্লাসিওর চেয়েও খারাপ কাজ করবে, মামদানি সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন।

ট্রাম্প নিউ ইয়র্কের কুইন্স বরোতে বেড়ে উঠেছেন এবং এখনো ওই শহরে তার সম্পত্তি রয়েছে।

“আমি কোনোভাবেই কুওমোর ভক্ত নই। তবে যদি এটি একজন খারাপ ডেমোক্র্যাট এবং একজন কমিউনিস্টের মধ্যে হয়, তাহলে আপনার সাথে সৎ হতে, আমি সর্বদা খারাপ ডেমোক্র্যাটকেই বেছে নেব, রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন সিবিএসকে।

মামদানি, যিনি নির্বাচিত হলে একটি বিশ্ব আর্থিক কেন্দ্র পরিচালনা করবেন, তিনি একজন স্ব-ঘোষিত গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক, যদিও তিনি নিজেকে কমিউনিস্ট বলে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে রসিকতা করে বলেছেন যে তিনি “একটু স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাজনীতিকের মতো” কেবল আরেকটু স্পষ্টবাদী।

মামদানি ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জিতেছেন, আর কুওমো দ্বিতীয় হয়েছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই নেতা নিউ ইয়র্কের সাবেক গভর্নরকে ট্রাম্পের ‘পুতুল’ এবং ‘তোতাপাখি’ বলে অভিহিত করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি মানেই সিটি হলে তার প্রতিচ্ছবি তৈরি করা নয়, সোমবার মামদানি বলেন।

তিনি আরও বলেছেন, এটি এমন একটি বিকল্প তৈরি করা যেখানে নিউ ইয়র্কবাসী তাদের নিজস্ব শহরে যা দেখতে চায় এবং তারা প্রতিদিন নিজেদের ও তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যে যা খুঁজে পায় তার সাথে কথা বলতে পারে – এমন একটি শহর যা এই জায়গাটিকে যারা বাড়ি বলে তাদের প্রত্যেকের মর্যাদায় বিশ্বাস করে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট অভিজ্ঞ একমাত্র প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন কুওমো। এমনকি সেই আক্রমণাত্মক ধারাকে প্রতিহত করার চেষ্টার কথাও বলছেন তিনি।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় তিনি নিউ ইয়র্কের গভর্নর ছিলেন, যখন অনেক রাজ্য ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল। যদিও রাজ্য তদন্তকারীরা যখন আবিষ্কার করেছিলেন যে প্রাদুর্ভাবের সময় নার্সিং হোমে মৃত্যু উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা হয়েছিল, তখন কুওমো নিজেও তদন্তের মুখোমুখি হন।

“আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে লড়াই করেছি,” কুওমো একটি বিতর্কের সময় বলেছিলেন। তিনি আরও বলেন, যখন আমি নিউ ইয়র্কের জন্য লড়াই করছি, তখন আমি থামব না।

অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন শহরগুলোতে ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েন করেছেন ট্রাম্প, একই সঙ্গে সহযোগিতা সীমিত করে ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাদের বিচারব্যবস্থার তহবিলও ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।




রেকর্ড শাটডাউনে কর্মী সংকট, যুক্তরাষ্ট্রে বিমান চলাচলে বিপর্যয়

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান পরিবহন ব্যবস্থা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। সরকারি তহবিল বন্ধ থাকায় প্রশাসনের আংশিক বা সম্পূর্ণ কার্যক্রম স্থগিত বা ‘শাটডাউনে’র কারণে দেশটি এমন অবস্থার মুখে পড়েছে।

ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানায়, বিমান নিয়ন্ত্রণকারীদের অনুপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে ফ্লাইট বিলম্ব ও বাতিলের সংখ্যা বেড়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, চলমান শাটডাউনের কারণে বিমান নিয়ন্ত্রণকারীরা অত্যন্ত চাপে রয়েছেন। তাদের অনেকেই বেতন ছাড়াই কাজ করছেন, কারণ প্রায় ১৩,০০০ নিয়ন্ত্রণকারীকে ‘প্রয়োজনীয় কর্মী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যার অর্থ, ওই কর্মীদের শাটডাউন চলাকালেও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

রিয়েল-টাইম ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইট অ্যাওয়ার’ জানিয়েছে, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত তিন দিনে যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ হাজার ৭০০টিরও বেশি ফ্লাইট চলাচলে দেরির সম্মুখীন হয়েছে। এসময় ২ হাজার ২৮২টি ফ্লাইট সম্পূর্ণ বাতিল হয়েছে।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্তও পরিস্থিতি উন্নত হয়নি। শিকাগো ওহেয়ার, ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ, ডেনভার ও নিউইয়র্কের মতো প্রধান বিমানবন্দরে চার হাজারের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত ও ৬০০টি বাতিল হয়েছে।

এফএএ বলছে, বর্তমানে অধিকাংশ বিমানবন্দরে কর্মীসংকট দেখা দিয়েছে। নিউইয়র্ক এলাকার বিমানবন্দরগুলোতে অনুপস্থিতির হার ৮০ শতাংশ।

এ অবস্থায় কর্মীর ঘাটতি দেখা দিলে, তখন নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিমান চলাচলের প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে সামগ্রিক ফ্লাইট বিলম্ব ও বাতিলের সংখ্যা আরও বেড়ে যাচ্ছে।

সংস্থাটি সতর্ক করেছে, শাটডাউন অব্যাহত থাকলে বিমান চলাচল আরও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। শাটডাউন শেষ না হলে যাত্রীদের বিঘ্ন ও বিলম্ব থেকে রেহাই পাওয়া কঠিন।

ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ জানিয়েছে, বিমান খাতে কর্মরতদের প্রাপ্য বেতন বুঝিয়ে দিতে এবং যাত্রীদের সমস্যা নিরসনে শাটডাউন অবশ্যই শেষ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত বিল পাস না হওয়ায় গত ১০ অক্টোবর থেকে শাটডাউন চলছে। যার ফলে সরকারের অনেক কার্যক্রম বন্ধ ও জরুরি সেবা বিঘ্নিত হয়ে অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।




যে কারণে ৭৫ শতাংশ ভারতীয় শিক্ষার্থীর ভিসা আবেদন বাতিল কানাডার

ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদন বাতিল করে দিচ্ছে কানাডা। জানা গেছে, পড়াশোনার জন্য আবেদনকারী প্রায় ৭৫ শতাংশ ভারতীয় শিক্ষার্থীর আবেদনই প্রত্যাখ্যান করেছে কানাডা প্রশাসন।

গেল আগস্টের তথ্য তুলে ধরে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, একসময় ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য শীর্ষ গন্তব্যস্থল কানাডা হলেও এখন আবেদন সংখ্যা অনেক কম। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর দেশটির বিধিনিষেধ আর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করার কারণে আবেদনে আগ্রহ হারাচ্ছে ভিসাপ্রত্যাশীরা।

এর আগে অস্থায়ী অভিবাসন রোধ এবং শিক্ষার্থী ভিসা জালিয়াতি মোকাবেলার পদক্ষেপের অংশ হিসেবে কানাডা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে টানা দ্বিতীয় বছরের জন্য আন্তর্জাতিক ছাত্র পারমিটের সংখ্যা কমায়।

সরকারি তথ্য উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৩ সালের আগস্টে ভিসা আবেদন বাতিলের হার যেখানে ৩২ শতাংশ ছিল সেখানে চলতি বছরের আগস্টে প্রায় ৭৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ভারতীয় আবেদনকারীর পারমিট প্রত্যাখ্যান করেছে কানাডা সরকার।

তথ্যানুযায়ী, স্টাডি পারমিটের জন্য আবেদনকারী ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্টে এ সংখ্যা ছিল ২০ হাজার ৯০০, এ থেকে কমে ২০২৫ সালের আগস্টে ৪ হাজার ৫১৫-তে দাঁড়িয়েছে।

বিগত কয়েক বছর ধরে কানাডার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শীর্ষ উৎস ছিল ভারত। অটোয়ার ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ভারতীয় শিক্ষার্থীদের আবেদনের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাখ্যানের হার সম্পর্কে তারা সচেতন থাকলেও, পারমিট প্রদান সম্পূর্ণরূপে কানাডার কর্তৃত্বের মধ্যে রয়েছে।

বিবৃতিতে দূতাবাস আরও জানায়, “আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই যে বিশ্বের সেরা মানের কিছু শিক্ষার্থী ভারত থেকে এসেছে এবং কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলো অতীতে এই শিক্ষার্থীদের প্রতিভা এবং একাডেমিক উৎকর্ষতা থেকে ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে।”

এর আগে কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সময় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কূটনৈতিক উত্তেজনা চলে দু’দেশের মধ্যে। ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে এরও প্রভাব পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ২০২৩ সালে প্রায় ১৫৫০টি স্টাডি পারমিটের আবেদনে জাল স্বীকৃতিপত্র পায় কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষ। এছাড়া নতুন আপগ্রেড করা যাচাইকরণ ব্যবস্থা গত বছর প্রাপ্ত আবেদনগুলো থেকে ১৪ হাজারের বেশি জাল স্বীকৃতিপত্র চিহ্নিত করেছে।

বিভাগের একজন মুখপাত্র স্পষ্ট করেছেন, দেশটি এখন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কঠোর করেছে যাচাইকরণ প্রক্রিয়া এবং আবেদনকারীদের জন্য বৃদ্ধি করেছে আর্থিক প্রয়োজনীয়তা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস




মেক্সিকোতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১৩

মেক্সিকোর রাজ্য সিনালোয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা সবাই হামলাকারী গ্রুপের সদস্য। সশস্ত্র ওই গ্রুপটি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।

দেশটির নিরাপত্তামন্ত্রী ওমার গারসিয়া হারফুচ জানিয়েছেন, সোমবার দুপুরে (স্থানীয় সময়) এ ঘটনাটি ঘটেছে।

হারফুচ জানিয়েছেন, নয়জনকে অপহরণ করা হয়েছিল, অভিযানের মাধ্যমে তাদের মুক্ত করা হয়েছে। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়।

সিনালোয়া রাজ্যটি মাদক চোরাকারবারিদের কুখ্যাত চক্র সিনালোয়া কার্টেলের প্রভাবাধীন। কর্তৃপক্ষ অঞ্চলটিকে তাদের নিয়ন্ত্রণ মুক্ত করার জন্য অভিযান চালাচ্ছে। আর এসব অভিযান ঘিরে প্রায়ই প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

রাজ্যটিতে সিনালোয়া কার্টেলের উপদলগুলোর মধ্যে আগে থেকেই আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য নিয়ে সংঘাত চলছে। এর মধ্যে সরকারি বাহিনীর অভিযানের কারণে পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। এই রাজ্যটিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে মেক্সিকো সরকার।

প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ক্যারিবীয় সাগরে ও প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় সন্দেহভাজন মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী আক্রমণ পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে এই দুই জলসীমায় মার্কিন বাহিনীর আক্রমণে অন্তত ১৫টি কথিত মাদকবাহী নৌযান ধ্বংস এবং ৬৪ জন নিহত হয়েছেন। সূত্র: গালফ নিউজ, এফপি