বৃষ্টি থাকতে পারে টানা ৫ দিন

আবহাওয়া ডেস্কঃ সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চার বিভাগে হতে পারে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ। এতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন ওড়িশা এলাকায় মৌসুমি স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, মৌসুমি স্থল নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ও শুক্রবার (১০ জুলাই) সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




চার বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির আভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা

আবহাওয়া ডেস্কঃ সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চার বিভাগে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ২টায় দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারী বৃষ্টিপাতসংক্রান্ত সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (১৮৮ মিলিমিটার বা তার বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ি অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভারী বর্ষণের কারণে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।




দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

আবহাওয়া ডেস্কঃ উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (৬ জুলাই) আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের সই করা সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে মৌসুমি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে যেতে পারে।

নিম্নচাপটির প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে এবং সতর্কতার সঙ্গে অবস্থান করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




দুপুরের মধ্যে দেশের ৯ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। 

রোববার (৫ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।




বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

আবহাওয়া ডেস্কঃ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (৪ জুলাই) সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানার স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

সতর্কবার্তায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকতে পারে। তাই উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।




দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা নদীবন্দরে সতর্কতা

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশের ৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে শনিবার দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

শনিবার (৪ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে।

বৈরী আবহাওয়ার সম্ভাবনার কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




জুলাইয়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, বঙ্গোপসাগরে তিন মাসে ৬টি লঘুচাপের শঙ্কা

আবহাওয়া ডেস্কঃ বিদায়ী জুন মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে চলতি মাসে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারী বর্ষণের কারণে নদ-নদীর পানি বেড়ে দেশের তিন অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে আগামী তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে চার থেকে ছয়টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 

বুধবার (১ জুলাই) আধুনিক প্রযুক্তি, আবহাওয়া বিন্যাস ও বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের আবহাওয়া মানচিত্র এবং জলবায়ু মডেল অনুসরণ করে আগামী তিন মাসের এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, জুলাই মাসে সারাদেশের অন্যান্য বিভাগে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হবে চট্টগ্রাম বিভাগে। জুলাইয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের প্রধান নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়া অফিস জানায়, জুলাইয়ে মৌসুমি ভারী বর্ষণের কারণে নদীগুলোর পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু নিচু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এতে উল্লেখ করা হয়, জুলাই মাসে সবচেয়ে কম বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে রাজশাহী বিভাগে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, জুলাইয়ে রাজশাহীতে ৩১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া লঘুচাপগুলোর মধ্যে এক থেকে তিনটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই সময়ে দেশে অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন বজ্রপাত হতে পারে।

এর আগে, গত মাসে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১২ জুন নেত্রকোনায়, ১৭৮ মিলিমিটার। ৪ জুন যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ১৯ জুন নরসিংদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার কারণে জুলাই মাসজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত, বজ্রঝড় ও আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।




বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ছে, ১৫ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে শুরু করেছে। আষাঢ়ের শুরুতে কয়েকটি অঞ্চলে তাপপ্রবাহ ও তীব্র গরম থাকলেও মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

বুধবার (১ জুলাই) এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বুধবার দুপুরের মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বুধবার সকালেও ঢাকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। এতে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বুধবার সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে।




দেশের ২০ অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি এবং বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সোমবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর নৌযান চালকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার পাশাপাশি ঝড়ো আবহাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে।




দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

আবহাওয়া ডেস্কঃ রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রংপুর ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া সর্বোচ্চ বৃষ্টি ঝরেছে সিলেটে ৭৩ মিলিমিটার।