শীতের তীব্রতা ফের বাড়ার আভাস

ডেস্ক নিউজঃ দেশে গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম। তবে ফের বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ৫ দিন দেশজুড়ে তাপমাত্রা কখনো কমবে, কখনো অপরিবর্তিত থাকতে পারে আবার কখনো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়েছে, আগামী ৫ দিনই অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ের মধ্যে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এছাড়া আজ শনিবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও দিনের প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে গতকাল আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। রোববার সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সোমবার সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

পরদিন মঙ্গলবার সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই।

এদিকে আজ সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেডর্ক করা হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।




২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের চরম উষ্ণ ৬ দেশের একটি হবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির শিকার বিশ্বের শীর্ষ ছয়টি দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মর্যাদাপূর্ণ ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির বর্তমান ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ বা প্রায় ৩৭৯ কোটি মানুষ অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে বসবাস করবে।

গবেষণাটি ‘কুলিং ডিগ্রি ডেইজ’ (সিডিডি) নামক একটি সূচকের মাধ্যমে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিরূপণ করেছে, যেখানে বছরে ৩ হাজারের বেশি সিডিডি থাকা অঞ্চলগুলোকে ‘চরম তাপপ্রবণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সূচক মূলত ঘরের ভেতরের তাপমাত্রাকে নিরাপদ স্তরে রাখতে কী পরিমাণ শীতলীকরণের প্রয়োজন, তার মানদণ্ড নির্ধারণ করে।

এই গবেষণার মানদণ্ড অনুযায়ী, চরম তাপে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশের তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে আরও রয়েছে ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন। অক্সফোর্ডের গবেষক ও এই গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা সতর্ক করে বলেছেন যে, বাংলাদেশের জাতীয় গড় তাপমাত্রা অনেক সময় প্রকৃত ঝুঁকিকে আড়াল করে রাখে, কারণ দেশের বিশাল একটি অংশ ইতিমধ্যেই বিপজ্জনক তাপমাত্রার মধ্যে জীবনযাপন করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে বাংলাদেশে হিটস্ট্রোক, হৃদরোগ এবং কিডনি সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু এবং নিম্ন আয়ের মানুষ, যাদের এয়ার কন্ডিশন বা উন্নত শীতলীকরণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার সীমিত, তারা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকবেন।

এতদিন বাংলাদেশের জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বা ঘূর্ণিঝড়কে প্রধান হুমকি মনে করা হলেও, এখন এই চরম তাপমাত্রা একটি নীরব কিন্তু সমান প্রাণঘাতী বিপদ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে, গরম বৃদ্ধির কারণে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শীতলীকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত ‘কুলিং ট্র্যাপ’ তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ এয়ার কন্ডিশনের ব্যবহার বাড়লে জ্বালানি খরচ বাড়বে, আর সেই জ্বালানি যদি জীবাশ্মভিত্তিক হয়, তবে তা জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

অক্সফোর্ডের এই গবেষণাটি বিশ্বনেতাদের জন্য একটি জরুরি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হলে প্রাণঘাতী তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যেতে পারে। তবে সেই সুযোগ দ্রুত সংকুচিত হয়ে আসছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ‘অত্যন্ত শীতল’ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের অনুপাত বর্তমানের ১৪ শতাংশ থেকে কমে ৭ শতাংশে নেমে আসবে। বিপরীতে ব্রাজিল, লাওস ও দক্ষিণ সুদানের মতো দেশে মাথাপিছু শীতলীকরণের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।




ঠাকুরগাঁওয়ে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশের উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটের তিকে রিকটার স্কেলে ৩ দশমিক ৪ মাত্রায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
জেলার ৩৩ কিলোমিটার পূর্বে আটঘরিয়া এলাকায় এর উৎপত্তিস্থল।

আবহাওয়া অধিদফতরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের অফিস সহকারী গোলাম মোস্তফা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের আটঘরিয়া এলাকায় ৩ দশমিক ৪ মাত্রায় ভূমিকম্প হয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন স্থান মৃদু কেঁপে ওঠে। তবে এর ভায়াবহতা নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক বাসিন্দা ভূমিকম্পের কথা জানান। বিশেষ করে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈলের বাসিন্দারা এটি সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছেন বলে জানান।

এর আগে, গত ৫ জানুয়ারি সিলেট ও আশপাশের এলাকায় ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটের দিকে কম্পন অনুভূত হয়।




কমেছে তাপমাত্রা তিন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

আবহাওয়া ডেস্কঃ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার তাপমাত্রা কমেছে। এ দিন দেশের তিন জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামীকাল রবিবার থেকে আবার বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে গোপালগঞ্জে, ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ও চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তিন জেলাতেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, সার্বিকভাবেই দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমে গেছে। এর মধ্যে তিনটি স্থানে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। শনিবার তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানীতেও গতকাল তাপমাত্রা কমেছে।




সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আবহাওয়া ডেস্কঃ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দিনের বাকিটা সময় আকাশ পরিষ্কার ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ। গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩৬ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪৩ মিনিটে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।




ঢাকার সকালের তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রিতে নামলেও দিন থাকবে শুষ্ক

আবহাওয়া ডেস্কঃ রাজধানী ঢাকায় শীতের তীব্রতা গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কম অনুভূত হলেও বৃহস্পতিবার সকালে তাপমাত্রার পারদ ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ ১৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে দিনভর আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং দিনের তাপমাত্রায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের আভাস নেই।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে যে, বর্তমানে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও রাজধানীতে এখনই হাড়কাঁপানো শীত ফেরার সম্ভাবনা কম।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, আজ ভোর ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ। বৃহস্পতিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে হালকা বাতাস প্রবাহিত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি, যা শুষ্ক আবহাওয়ার ধারা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

সারাদেশের সামগ্রিক আবহাওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে যে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের বিস্তৃতি ঘটতে পারে, যার ফলে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল শুক্রবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪৪ মিনিটে। কুয়াশার কারণে সকালে দৃষ্টিসীমা কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।




ঢাকাসহ উত্তরের জেলাগুলোতে শৈত্যপ্রবাহ আবার বাড়ার সম্ভাবনা

আবহাওয়া ডেস্কঃ দেশে আজ বুধবার মাত্র এক জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। উত্তরের সেই জেলা হলো পঞ্চগড়। ১০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহ আজই সবচেয়ে কম অঞ্চলে বিস্তৃত হয়েছে। আজ অবশ্য রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে খানিকটা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শৈত্যপ্রবাহ আবার বাড়তে পারে। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে আবার নতুন করে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র আজ সকালে জানিয়েছে, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এই তেঁতুলিয়াতেই, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা সাত দিন ধরে তেঁতুলিয়াতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে। গত সোমবার এখানেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর চলতি মাসের শুরুতে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলেছিল, এ মাসে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। এর মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। চলতি জানুয়ারি মাসের প্রায় শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহ বইছে। চার দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ কমে আসছে।




আংশিক মেঘলা ঢাকার আকাশ, অপরিবর্তিত থাকবে তাপমাত্রা

আবহাওয়া ডেস্কঃ রাজধানী ঢাকার আকাশ বুধবার সকাল থেকেই আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

 বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

শীতের এই মৌসুমে দেশের উত্তরাঞ্চলে ঠান্ডার প্রকোপ থাকলেও রাজধানীতে এখনই বড় ধরনের তাপমাত্রা হ্রাসের সম্ভাবনা নেই বলে আবহাওয়া অফিস নিশ্চিত করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৬টার দিকে তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি এবং গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বায়ুপ্রবাহের দিক বিশ্লেষণ করে জানানো হয়েছে যে, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।

সারাদেশের সামগ্রিক আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তের আবহাওয়াও প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে শৈত্যপ্রবাহ কবলিত জেলাগুলো ছাড়া সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩২ মিনিটে এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪৪ মিনিটে। শীতের এই সময়ে আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।




আগামী ৫ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর

ডেস্ক নিউজঃ দেশের তিন জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও নীলফামারী জেলাসমূহের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আরও পড়ুন: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২ লাখ কোটি টাকা সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ বিস্তার লাভ করতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।




আবারও বাড়তে পারে শীতের দাপট

আবহাওয়া ডেস্কঃ কনকনে শীতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখনও ৮ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। পাশাপাশি মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার দাপট অব্যাহত আছে। এর মধ্যেই নতুন করে শীত বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, বর্তমানে যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোর উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী দু’দিনও দেশের কোথাও কোথাও শৈত্যপ্রবাহের এমন দাপট অব্যাহত থাকতে পারে।

এই আবহাওয়াবিদ আরও জানিয়েছেন, রোববার ও সোমবার (১১-১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এই সময়ে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এরমধ্যে রোববার ও সোমবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে প্রথম দিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও পরদিন সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এদিকে মঙ্গলবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে বুধ ও বৃহস্পতিবার (১৪–১৫ জানুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা আরও সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব দিনে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে এবং কুয়াশার প্রবণতা বজায় থাকতে পারে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ও চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনে দেশের আবহাওয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।