আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ, তদন্তে এফবিআই

ক্রীড়া ডেস্ক : মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিতর্কিত জয়ের অভিযোগ উঠেছে। সেটা নিয়ে সারা বিশ্বে তোলপাড় চলছে। এ অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ উঠলো।

যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে দেশটির ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।  আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র লা নাসিওনের বরাত দিয়ে এনডিটিভি স্পোর্টস ও স্পোর্টস মেক্সিকো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

অর্থ পাচারের অভিযোগে প্রেসিডেন্ট ক্লদিও ‘চিকি’ তাপিয়ার নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টাইন ফেডারেশনের বিরুদ্ধে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। ফেডারেল কৌঁসুলি ও এফবিআইয়ের এজেন্টরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন।

তদন্তকারীরা বুঝতে চাইছেন, এএফএ কীভাবে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার সরিয়েছে এবং এসব লেনদেন যুক্তরাষ্ট্রের আওতায় কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্ম দিয়েছে কি না।

লা নাসিওন জানিয়েছে, অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যটি দিয়েছেন ব্যবসায়ী গিয়েরমো টোফোনি। তিনি ওয়াশিংটন ও মিয়ামিতে অবস্থিত কৌঁসুলি ও এফবিআই এজেন্টদের উপস্থিতিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিন ঘণ্টার সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তাপিয়া ও পাবলো টোভিগ্গিনোর নেতৃত্বে এএফএর কার্যক্রমের পাশাপাশি ফ্লোরিডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসিও তদন্তের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। প্রযোজক হাভিয়ের ফারনির মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠান বিদেশে এএফএর বাণিজ্যিক চুক্তির অর্থ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করে।

লা নাসিওন আরও জানায়, বিচার বিভাগের তদন্তকারীরা আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই সরকারের সেসব সাবেক কর্মকর্তাকেও ডাকার কথা ভাবছেন, যারা এএফএর কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য জানতেন অথবা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংগঠনটির কার্যক্রম তদারকিতে অংশ নিয়েছেন। ২০২৫ সালে এই প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয় বলে সংবাদপত্রটি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বিগত কয়েক মাসে সংগৃহীত ও বিশ্লেষণ করা এবং ২০২৫ সালের শেষে ও চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, হাভিয়ের ফারনি এবং তার স্ত্রী এরিকা গিলেট সিটিব্যাংক, সিনোভাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগান ও পিএনসি ব্যাংক এই পাঁচটি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অন্তত কয়েকশো মিলিয়ন ডলার সরিয়েছেন।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ট্যুরপ্রডএন্টার এলএলসি এএফএ থেকে পাওয়া অন্তত ২৬ কোটি মার্কিন ডলার পরিচালনা করেছে। তবে ব্যাংকের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাপিয়ার নেতৃত্বাধীন এই সংগঠনের সুনির্দিষ্ট পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে এর একটি অংশকেই সরাসরি সংযুক্ত করা যায়। আরও ৫ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বিভিন্ন কোম্পানি ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, যাদের অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা স্পষ্ট নয়। এসব স্থানান্তরের মধ্যে এমন কিছু কোম্পানিতে কয়েক কোটি ডলারের ওয়্যার ট্রান্সফার রয়েছে, যেগুলো কোনো শনাক্তযোগ্য সেবা দেয় না। এসব কোম্পানি এমন ব্যক্তিদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো যারা সরকারি নথি অনুযায়ী সামাজিক কল্যাণ ভাতা পেতেন এবং বারিলোচে বা বুয়েনস এইরেসে বসবাস করতেন।’

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তাপিয়া এমন এক সংকটের কেন্দ্রে ছিলেন, যা আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। দুর্নীতির তদন্ত, দেশিয় লিগে অজনপ্রিয় পরিবর্তন এবং র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে জনমত তাপিয়া ও এএফএর বিপক্ষে চলে যায়।

আর্জেন্টিনার ক্লাবগুলোর মালিকানা কাঠামো নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইর সঙ্গে ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছেন ৫৮ বছর বয়সী তাপিয়া। গত মার্চের শেষদিকে মিলেই সরকারের দায়ের করা এক অভিযোগের ভিত্তিতে তাপিয়ার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরই বুয়েনস এইরেসে মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচের আগে মাঠে একটি ফলক নেয়ার সময় দর্শকদের দুয়োধ্বনির শিকার হন এই ফুটবল কর্মকর্তা।




আফ্রিকান দলগুলো শেষ মুহূর্তে হেরে যাচ্ছে কেন

ক্রীড়া ডেস্ক : গত নভেম্বরের কথা। ইতালির তৎকালীন কোচ জেন্নারো গাত্তুসো বলেছিলেন, ‘একটা সময় আফ্রিকা থেকে মাত্র দুটি দল খেলত। এই বিশ্বকাপে খেলবে ৯টি! আমরা বাছাইপর্বে রানার্সআপ হয়েও প্লে-অফ খেলতে হচ্ছে, অথচ আফ্রিকানরা টিকিট পাচ্ছে বিশ্বকাপের।’

নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বিশ্বকাপে আফ্রিকা কোটা নিয়ে একপ্রকার ক্ষোভই ঝেড়েছিলেন গাত্তুসো। শেষ পর্যন্ত সেই ইতালি বিশ্বকাপের টিকিট পায়নি, কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠে আফ্রিকান দলগুলো দেখাচ্ছে চমক।

এবারের বিশ্বকাপে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল নতুন দলগুলো। কেপ ভার্দে ও কুরাসাও যেমন আলো ছড়িয়েছে, তেমনি চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে আফ্রিকার দলগুলোও। বিশ্বকাপে এবার দল বেড়েছে ১৬টি। ফলে ৫টির বদলে আফ্রিকা থেকে সুযোগ পেয়েছে ১০টি দল। তিউনিসিয়া বাদে বাকি সবাই পেরিয়েছে গ্রুপ পর্বের বাধা।

কিন্তু নকআউটে এসেই একে একে ঝরে পড়েছে আফ্রিকান দলগুলো। ১০ দল থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করতে পেরেছে শুধু মরক্কো। বাকি দলগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই বাদ পড়েছে শেষ মুহূর্তের গোল হজম করে।

মিসরের কথা দিয়েই শুরু করা যাক। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কী দুর্দান্ত শুরুই না করেছিল তারা! ২-০ গোলের লিড, লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিস—সব মিলিয়ে ম্যাচ ছিল তাদের মুঠোয়। রেফারির প্রভাব একপাশে সরিয়ে রাখলেও মিসর মূলত খেই হারানো শুরু করে ৭৮ মিনিটে। এরপর ১৩ মিনিটের জাদুতে মিসরের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা।

এই আর্জেন্টিনাই শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হয়েছিল কেপ ভার্দের। আফ্রিকার এই ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ স্পেন ও উরুগুয়ের পর আর্জেন্টিনাকেও প্রায় ধরাশায়ী করে ফেলেছিল। ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়েও স্কোরলাইন ছিল ২-২। অবশেষে আর্জেন্টিনার জয় আসে ১১১ মিনিটে দিনেই বোর্হেসের আত্মঘাতী গোলে। তা না হলে হয়তো আরেকটি ‘ভোজিনিয়া ম্যাজিক’ দেখার জন্য অপেক্ষা করছিল সবাই।

আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে করুণ গল্পটা বোধ হয় সেনেগালের। বেলজিয়ামের বিপক্ষে পুরো ৮৫ মিনিট আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছিল তারা। কিন্তু রোমেলু লুকাকু মাঠে নামার পরই বদলে গেল ম্যাচের চিত্র। শেষ ৫ মিনিটে ম্যাচে ফিরল সমতা। এরপর অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে পেনাল্টি হজম করে বসে সেনেগাল। সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করে শেষ ষোলোতে পা রাখে বেলজিয়াম, আর সেনেগাল বিদায় নেয় বিশ্বকাপ থেকে।

দক্ষিণ আফ্রিকা, আইভরিকোস্ট আর ডিআর কঙ্গোও যেন একই দুর্ভাগ্যের শিকার। কানাডার বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল হজম করে বাদ পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। নরওয়ের বিপক্ষে আইভরিকোস্ট দ্বিতীয় গোলটি হজম করে ৮৬ মিনিটে। এমনকি ইংল্যান্ডও কঙ্গোর বিপক্ষে পুরো ম্যাচ পিছিয়ে ছিল। ৭৫ মিনিটের পর হ্যারি কেইনের একক নৈপুণ্যে উদ্ধার পায় তারা।

প্রতিটি ম্যাচের গল্পই যেন একই সুতোয় গাঁথা। ম্যাচের শুরু থেকে চালকের আসনে থাকছে আফ্রিকান দলগুলোই। কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোল সব ভেস্তে দিচ্ছে। শেষ মুহূর্তের চাপ সামলানো কিংবা রক্ষণ ঠিক রেখে খেলার সময় আসলেই যেন তালগোল পাকিয়ে ফেলছে দলগুলো। তারা স্বাভাবিক খেলা হারিয়ে ছন্নছাড়া হয়ে পড়লেই সেই সুবর্ণ সুযোগ লুফে নিচ্ছে প্রতিপক্ষ। চাপের মুখে স্নায়ু ধরে রাখতে না পারায় ভালো খেলেও জয়টা তুলে নেওয়া হচ্ছে না তাদের। ফলে নকআউটে একঝাঁক দল নিয়ে এসেও কোয়ার্টার ফাইনালে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করছে কেবল মরক্কো।




আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর শাস্তির মুখে মিশর কোচ

ক্রীড়া ডেস্কঃ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় এবং তাদের দিকে থুতু ছিটানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে ফিফা।

ম্যাচে দীর্ঘ সময় এগিয়ে ছিল মিশর। ইয়াসের ইব্রাহিম ও মোস্তফা জিকোর গোলে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল আফ্রিকার দলটি। তবে শেষ ১৪ মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

ম্যাচজুড়ে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল মিশর। বিশেষ করে পেনাল্টির দুটি আবেদন নাকচ হওয়ায় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে এক ভিএআর বিশেষজ্ঞও দাবি করেন, অন্তত একটি ঘটনায় মিশরের পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।

ম্যাচ চলাকালেই ডাগআউটে আচরণের কারণে হলুদ কার্ড দেখেন হোসাম হাসান। এরপর শেষ বাঁশি বাজার পর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সঙ্গে তার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তেজনার একপর্যায়ে তিনি সমর্থকদের দিকে থুতু ছিটান। ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, কারও দিকে থুতু ছিটানো গুরুতর অসদাচরণ এবং এটি শারীরিক আক্রমণের পর্যায়ে বিবেচিত হয়। এমন অপরাধে অন্তত তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাসহ আরও কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারিং নিয়ে প্রশ্নের জবাবে হোসাম হাসান সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। পাশাপাশি ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে মানবিক অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ফুটবল মানবতার বার্তা বহন করুক।’

সূত্র: টি-স্পোর্টস




অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক : ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। এরপর  অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে জয় তুলে নিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। সেইসঙ্গে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরুর ১০ মিনিট বেশ এলোমেলো খেলেছে আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে বারবার বল হারিয়েছে। অন্যদিকে, ম্যাচের ১৫ মিনিটে গোলের দেখা পায় মিশর। মারওয়ান আত্তিয়ার ক্রস থেকে হেড করে বল জালে পাঠান ইয়াসের ইব্রাহিম।

এরপর ম্যাচের ১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। তবে স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি অধিনায়ক মেসি। ডান দিকের নিচু কোণ ঘেঁষে তার নেওয়া শটটি দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দিলেন মিসরীয় গোলকিপার মোস্তফা শোবের।

ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ২৮ মিনিটে ম্যাক আলিস্টারের দারুণ হেড রুখে দেন মিশরীয় গোলকিপার। এরপর ম্যাচের ৩৯ মিনিটে আলভারেজকেও হতাশ করেন মিশরের গোলরক্ষক শোবের। এতে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

এরপর ম্যাচের ৬৭ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় মিশর। দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে দলের লিড দ্বিগুণ করেন মোস্তাফা জিকো।

ম্যাচের ৭৯ মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান কমান ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। এর ৪ মিনিট পর গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মেসি।

এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে প্রথবারের মতো লিড এনে দেন এনজো ফার্নান্দেজ। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।




মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা দলে তিন পরিবর্তন

ক্রীড়া ডেস্ক : বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হবে ম্যাচটি। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

ইনজুরি কাটিয়ে ডিফেন্ডার নিকোলাস তালিয়াফিকো ফিরছেন শুরুর একাদশে। গত ম্যাচে তার জায়গায় খেলা ফাকুন্দো মেদিনা পেশিতে টান পড়ায় আজ বেঞ্চে থাকছেন।

আক্রমণভাগেও বড় বদল। প্রথম চার ম্যাচে মূল একাদশে থাকা লাওতারো মার্টিনেজ জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন হুলিয়ান আলভারেজের জন্য। জর্ডানের বিপক্ষে পেনাল্টিতে গোল করলেও শেষ ৩২-এর ম্যাচে চেনা ছন্দে ছিলেন না লাওতারো। অন্যদিকে বাঁ পায়ের গোড়ালির চোট কাটিয়ে ফিরেই আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন তরুণ আলভারেজ।

তৃতীয় পরিবর্তনটি এসেছে মাঝমাঠে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে মিডফিল্ডে ছন্দের অভাব থাকায় আজ শুরু থেকেই খেলবেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। গত ম্যাচে বদলি নেমে দারুণ খেলেছিলেন বোকা জুনিয়র্সের এই মিডফিল্ডার। তার অন্তর্ভুক্তিতে একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন থিয়াগো আলমাদা।

আর্জেন্টিনার একাদশ: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (গোলরক্ষক), নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকো, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ।




মিশরের বিপক্ষে নেই গরমের দুশ্চিন্তা, স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্কঃ শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে স্বস্তির খবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে তীব্র গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে খেলতে হলেও এবার তুলনামূলক আরামদায়ক পরিবেশেই খেলবে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও মিশর। নকআউট পর্বের এই লড়াই কঠিন হলেও আবহাওয়া এবার আলবিসেলেস্তেদের জন্য বাড়তি বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এয়ার-কন্ডিশন্ড) হওয়ায় বাইরের তাপমাত্রার প্রভাব মাঠের খেলায় পড়বে না। এছাড়া স্টেডিয়ামটিতে প্রয়োজন অনুযায়ী ছাদ খোলা ও বন্ধ করার সুবিধাও রয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচের দিন বাইরের তাপমাত্রা প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও স্টেডিয়ামের ভেতরে খেলোয়াড়দের জন্য পরিবেশ থাকবে স্বস্তিদায়ক।

এর আগে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ৩-২ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে তীব্র গরম ও আর্দ্রতার কারণে বেশ ভুগতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচ চলাকালে দলের একাধিক খেলোয়াড় ক্র্যাম্পে আক্রান্ত হন। বিশেষ করে ফাকুন্দো মেদিনা ও এনজো ফার্নান্দেজ শারীরিকভাবে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন।

সেই অভিজ্ঞতার পর মিশরের বিপক্ষে তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত আবহাওয়ায় খেলার সুযোগ আর্জেন্টিনার জন্য বড় স্বস্তির খবর হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এখন আবহাওয়ার চিন্তা নয়, বরং কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করাই থাকবে লিওনেল স্কালোনির দলের মূল লক্ষ্য।




পর্তুগালকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টারে স্পেন

ক্রীড়া ডেস্কঃ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়েছে স্পেন। এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রেখেছে স্প্যানিশরা। শুধু তাই নয়, অনন্য এক রেকর্ডও গড়েছে স্প্যানিশরা।  

পর্তুগালের বিপক্ষে কোনো গোল হজম করেনি স্পেন। এটি ছিল বিশ্বকাপে টানা ষষ্ঠ ম্যাচ, যেখানে স্পেন কোনো গোল হজম করেনি। এবারের আসরে গ্রুপ পর্বে কেপ ভার্দে, উরুগুয়ে ও সৌদি আরব, শেষ বত্রিশে অস্ট্রিয়া এবং শেষ ষোলোয় পর্তুগাল তাদের জালে বল পাঠাতে পারেনি।

সর্বশেষ ২০২২ বিশ্বকাপে খেলা সর্বশেষ ম্যাচেও মরক্কোর বিপক্ষে ক্লিনশিট রেখেছিল স্পেন (শেষে টাইব্রেকারে হেরেছিল)। সব মিলিয়ে টানা ৬ ম্যাচ ও ১০ ঘণ্টা ৯ মিনিট ধরে স্পেন বিশ্বকাপে গোল হজম করেনি। এমন কীর্তি আর কারও নেই।

পর্তুগাল ম্যাচে স্পেনের রক্ষণভাগের এই দৃঢ়তা শুধু তাদের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে দেয়নি, বরং বিশ্বকাপের পাতায় নিজেদের নাম খোদাই করে দিল এক অনন্য উচ্চতায়।




মিশরকে হারালে আর্জেন্টিনার সামনে প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড বা কলম্বিয়া

ডেস্ক নিউজঃ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর নকআউট পর্বে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাউন্ড অব ১৬ এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মিশরের মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করতে জয় ছাড়া বিকল্প নেই লিওনেল মেসিদের সামনে। 

আজকের ম্যাচে জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে সুইজারল্যান্ড অথবা কলম্বিয়া। টুর্নামেন্টের নকআউট সূচি অনুযায়ী, রাউন্ড অব ১৬-এ এই দুই দলের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলই শেষ আটে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হবে।

তবে কোয়ার্টার ফাইনালের সমীকরণে যাওয়ার আগে মিশরের চ্যালেঞ্জই এখন আর্জেন্টিনার মূল লক্ষ্য। মিশরকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই, কারণ যেকোনো বড় দলকে চমকে দেওয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে। 

গ্রুপ পর্বে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে নকআউটে ওঠা আর্জেন্টিনা আজ জয় পেলে শেষ আটে আরেকটি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হবে। সেক্ষেত্রে সুইজারল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করবে তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ।

এখন দেখার বিষয়, মিশরের বাধা পেরিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে পারে কি না আর্জেন্টিনা।




২৩ বছর ধরে কারা রোনালদোকে ‘হত্যা’ করার চেষ্টা করছে?

ক্রীড়া ডেস্ক : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বিকেলে দাঁড়িয়ে ফুটবল বিশ্ব এখন এক বড় বিতর্কের মুখোমুখি। ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা ২০২৬ বিশ্বকাপেই যে নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন, তা তিনি আগেই নিশ্চিত করেছিলেন। তবে মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে চলমান সমালোচনার মুখে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কবে ফুটবল ছাড়বেন সেটি কেবল তিনিই ঠিক করবেন, বাইরের কেউ নয়। স্পেনের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে রোনালদো বরাবরের মতোই আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে কথা বলেছেন।

গত ২৩ বছর ধরে সমালোচকরা তাকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন রোনালদো। তিনি বলেন, এতদিন ধরে সমালোচনার তীর ধেয়ে এলেও তা তার ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি বরং এসব সমালোচনা তাকে আরও পরিপক্ক হতে সাহায্য করেছে। দেশের হয়ে নিজের শেষ বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কোনো আক্ষেপ রাখতে চান না। মাঠে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, ফলাফল যাই হোক না কেন, পূর্ণ তৃপ্তি নিয়েই মাঠ ছাড়তে চান এই পর্তুগিজ আইকন।

দলীয় কোচ রবার্তো মার্তিনেজের অধীনে রোনালদো তার সামর্থ্য প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। এবারের বিশ্বকাপে তিনি তিনটি গোল করলেও তার খেলার ধরনে গতি কমেছে এবং বলের স্পর্শও আগের তুলনায় অনেক কম। বিশেষ করে নকআউট পর্যায়ে গোল করার জন্য তিনি পেনাল্টির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, যা দলের কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। মার্টিনেজ অবশ্য তার অধিনায়কত্বের প্রশংসা করে তাকে দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই দেখছেন।

রোনালদোকে নিয়ে পর্তুগাল সমর্থকদের আবেগের কোনো কমতি নেই। তাকে ছাড়া পর্তুগিজ ফুটবলের ইতিহাস কল্পনা করা কঠিন। সমর্থকদের বড় একটি অংশ মনে করেন, রোনালদো যতক্ষণ চাইবেন, ততক্ষণই তার দলে থাকা উচিত। কারণ, পর্তুগালকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি এনে দেওয়ার পেছনে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি অনেক ভক্তই মেনে নিতে পারছেন না বরং তার শেষ বিশ্বকাপ স্মরণীয় হয়ে থাকুক এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তারা।

অন্যদিকে, সমালোচকদের যুক্তি রোনালদো এখন দলের সম্মিলিত খেলার চেয়ে নিজের ব্যক্তিগত রেকর্ডের দিকেই বেশি মনোযোগী। অতীতে রোনালদোকে ছাড়া খেলা কয়েকটি ম্যাচে পর্তুগাল বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল, যা পরোক্ষভাবে দলের কৌশলের ওপর প্রভাব ফেলে। অনেকেই মনে করেন, বর্তমান পর্তুগাল দল তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর ভিত্তি করে সাজানো উচিত, যেখানে রোনালদোর ভূমিকা হতে পারে একজন সুপার সাব হিসেবে।

স্পেনের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি রোনালদোর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। দল তাকে মূল একাদশে রাখবে নাকি গোঞ্জালো রামোসের মতো তরুণ তুর্কিকে সুযোগ দেবে; তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক জল্পনা চলছে। গত ম্যাচে রামোসের বদলি হিসেবে নেমে গোল করার পর তরুণ এই স্ট্রাইকারের দাবি আরও জোরালো হয়েছে, যা কোচ মার্তিনেজের জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে পর্তুগালের হয়ে এটিই কি রোনালদোর শেষ প্রদর্শনী? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন স্বয়ং রোনালদো নিজেই। তিনি মনে করেন, খেলোয়াড় হিসেবে তার দায়িত্ব তিনি পালন করেছেন এবং কোনো ট্রফি তাকে বড় কিংবা ছোট বানাতে পারবে না। ভক্তদের ভালোবাসা আর সমালোচকদের কটু কথা; সব মিলিয়ে রোনালদো এখন এক অনন্য উচ্চতায়, যেখানে তিনি কেবল নিজের ইচ্ছায় বিদায় নিতে চান।

পরিসংখ্যান বা সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে রোনালদো আজ মাঠে নামবেন স্পেনের বিপক্ষে। পর্তুগালের কোটি ভক্তের চোখ থাকবে তাদের প্রিয় তারকার দিকে, যিনি গত দুই দশকে পর্তুগিজ ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আজকের ম্যাচটি যদি সত্যিই রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ হয়, তবে তার বিদায়টা হবে এক মিশ্র অনুভূতির সাক্ষী, যেখানে ফুটবল বিশ্ব দেখবে এক কিংবদন্তির সূর্য ডোবার দৃশ্য।




নাহিদ রানার রেকর্ডের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ২৫ রানে হারল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক : ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২৫ রানের লজ্জাজনক হার দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন নুরুল হাসান সোহান। একমাত্র টেস্টে উড়িয়ে দেয়ার পর এবার ওয়ানডের প্রথম ম্যাচেও টাইগারদের লজ্জায় ফেলল জিম্বাবুয়ে। ১৪২ রান তাড়া করতে নেমে লক্ষে পৌঁছাতে পারেনি টাইগাররা।হারারেতে আজ সোমবার শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নাহিদ রানার তোপে কেবল ১৪১ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। জবাব দিতে নেমে ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ১৭ রানে প্রথম ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। বাজে শুরুর পর তাওহীদ হৃদয় এবং নুরুল হাসান সোহানের ৪৯ রানের জুটিতে আবারও চালকের আসনে বসে টাইগাররা। পরপর দুই ওভারে হৃদয় এবং মোসাদেক হোসেনকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরান।

জিম্বাবুয়ের পেসারদের বোলিং নৈপুণ্যে ৪২ রানের ব্যবধানে শেষ ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন রিচার্ড এনগারাভা এবং ব্রাড ইভান্স। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন নিয়ামহুরি এবং মুজারাবানি।