বিপিএল নিলামে অংশ নিতে আসছে এই বিদেশি ক্রিকেটাররা

খেলাধুলা ডেস্কঃ কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম। কয়েক মৌসুম পর ফের আয়োজিত এই নিলামে অংশ নিতে প্রথমে নিবন্ধন করেছিলেন ৫০০ জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার; যাচাই-বাছাই শেষে ২৫০ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।

বিপিএল নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার এসেছে শ্রীলঙ্কা থেকে- মোট ৫০ জন। পাকিস্তান থেকে অংশ নিচ্ছেন ৪৫ জন খেলোয়াড়। ভারতের মাত্র ৩ জন ক্রিকেটার নিলামে নাম জমা দিয়েছেন, আর আয়ারল্যান্ডের রয়েছে ৬ প্রতিনিধি। আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের সংখ্যা ১৮। সবশেষে, যুক্তরাজ্য থেকে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ক্রিকেটার নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

একই সময়ে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি ও এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এমন সুযোগ করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। যার ফলে কয়েক ম্যাচের জন্য বিদেশি তারকাদের আনতে পারবে দলগুলো। বিপিএল নিলামে ২৫০ জন বিদেশিকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ডলার।

এ ছাড়া ‘বি’ ২৬ হাজার ডলার, ‘সি’ ২০ হাজার ডলার, ‘ডি’ ১৫ হাজার ডলার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ১৫ হাজার ডলার। ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার।

বিপিএল নিলামে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তারকা ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার যারা আছেন-

ক্যাটাগরি এ-

জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, কিমো পল, ডমিনিক ড্রেক্স, আব্দুল সামাদ, জামান খান, মোহাম্মদ হাসনাইন, উসামা মির, শোয়েব মালিক, অভিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মাহিশ থিকশানা, দুশমান্থ চামিরা, মাথিশা পথিরানা, চারিথ আসালাঙ্কা, জর্জ ডাকরেল, বাস ডি লিড, ওয়েইন পার্নেল, দীনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, লাহিরু কুমারা।

ক্যাটাগরি বি-

সন্দীপ লামিচানে, আসিফ আলী, রিচার্ড এনগারাভা, ওশেন থমাস, হ্যারি টেক্টর, আলি খান, হাশমতুল্লাহ শাহিদি, রবি বোপারা, সাউথ শাকিল, ইসুরু উদানা, নাজিবউল্লাহ জাদরান।

ক্যাটাগরি সি-

আলি রেজা, হায়দার আলী, শন উইলিয়ামস, টেরেন্স হিন্ডস, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শাহজাদ, দিলশান মুনাওয়েরা, অ্যাশেন বান্দারা, জশ লিটল, জুবায়ের হামজা, ডেন প্যাটারসন, রায়ান বার্ল, পল স্টার্লিং ও কারিমা গোর।

ক্যাটাগরি ডি-

মেহরান মুমতাজ, উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, দীপেন্দ্র সিং আইরে, শেভন ড্যানিয়েল, বাসিল হামিদ, কলাম পার্কিনসন, সালিম শাফি, ব্র্যাড ইভান্স, মার্ক ওয়াট ও জ্যাক হেইন্স।

ক্যাটাগরি ই-

সাঙ্গিথ কোরায়, থানুকা দাবারে, জশুয়া বিশপ, কাদিম অ্যালেন, কেমানি মেলিয়াস, র‍্যান্সফোর্ড বিটন, আশমীদ নেড, আসদ রাজা, তৈয়ব আব্বাস, মুহাম্মদ জিশান, রুম্মান রইস, খলিল গুরবাজ ও বাকার ইব্রাহিমজাই।




ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের দিকে মোড় নিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট

খেলাধুলা ডেস্কঃ নিউজিল্যান্ডে ব্যক্তি মালিকানায় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চালু হতে যাচ্ছে। এনজেড টুয়েন্টি২০ নামে প্রতিযোগিতা ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরুর পরিকল্পনা করছেন তারা।

প্রাথমিকভাবে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) অনুরূপ মডেলে টুর্নামেন্টটি পরিচালিত হবে বলে আশা করছেন তারা। এর অনুমোদন দিবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। যদিও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকবে ফ্র্যাঞ্চাইজির এর হাতে। মোট ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এ নিয়ে এখনও কিছু জানায়নি।

নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে সুপার স্ম্যাশ নামে ঘরোয়া টি-২০ টুর্নামেন্ট চালু আছে। এই টুর্নামেন্টে অকল্যান্ড অ্যাসেস, ক্যান্টারবেরি কিংস, সেন্ট্রাল স্ট্যাগস, নর্দার্ন ব্রেভ, ওটাগো ভলটস ও ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডস।

এনজেড টুয়েন্টি২০ এর প্রকল্পের সাথে জড়িত কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন লাইসেন্স নিশ্চিত হলে, তারা ঘরোয়াভাবে চালু হলে সুপার স্ম্যাশকে প্রতিস্থাপন করবে।

এনজেড টুয়েন্টি২০ এর প্রতিষ্ঠা কমিটির প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেন, এই ধারণাটি নিউজিল্যান্ডের সাবেক খেলোয়াড়দের একটি দল থেকে এসেছে, যার মধ্যে স্টিফেন ফ্লেমিংও ছিলেন। এরপর তারা ফ্র্যাঞ্চাইজি-ভিত্তিক লীগে আগ্রহ যাচাই করার জন্য নিউজিল্যান্ড প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনজেডপিএ) এর সাথে যোগাযোগ করে।

ম্যাককিনন উল্লেখ করেন, সুপার স্ম্যাশ ক্রমবর্ধমানভাবে একটি উন্নয়নমূলক প্রতিযোগিতা হিসেবে কাজ করছে এবং ভক্তদের আগ্রহ অর্জনের জন্য লড়াই করছে। তিনি বিশ্বাস করেন, বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এনজেড ঘরোয়া ক্রিকেটকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।




টেক্টরের তাণ্ডবে আয়ারল্যান্ডের বড় সংগ্রহ, চাপে বাংলাদেশ

খেলাধুলা ডেস্কঃ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টেক্টরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ১৮২ রানের রার্গেট দিয়েছে আয়ারল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আয়ারল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় লিটন দাস।

আগে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডের শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।

তিনে নেমে টিমের সাথে যোগ দেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টরের উইলোবাজিতে চলেছে আইরিশ ঝড়। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম থামেন দলের ৭১ রানের মাথাতে। চারে নেমে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি লরকান টাকার। ১৪ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন কার্টিস ক্যাম্ফার। চলেছে দুজনের তাণ্ডব। টেক্টর তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। এরপর টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন জর্জ ডকরেল। শেষের দিকে ঝড় তুলেছেন হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করিয়েছেন টেক্টর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৭ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন জর্জ ডকরেল। ৪৫ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন হ্যারি টেক্টর। শেষ ওভারে এসেছে ১৭ রান।




হার দিয়ে অভিযান শুরু, সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ

খেলাধুলা ডেস্কঃ ব্যাটিং বিপর্যয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয়ের লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরিতে ১৪২ রানে শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলতে পারে মাত্র ২০ রান। শুরুর এমন ধাক্কা সামাল দেন জাকের আলি ও তাওহিদ হৃদয়। দুজনই পরিস্থিতি সামলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে জাকের আলী ২০ রানে আউট হলেও একাই লড়াই চালিয়ে যান তাওহিদ হৃদয়। দলের বিপর্যয়ের মধ্যে তার লড়াকু ৫০ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার লোগ না থাকায় বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১৪২ রানে। এতে ৩৯ রানে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ফলে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় টাইগারদের।

এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডের শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।

তিনে নেমে টিমের সাথে যোগ দেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টরের উইলোবাজিতে চলেছে আইরিশ ঝড়। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম থামেন দলের ৭১ রানের মাথাতে। চারে নেমে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি লরকান টাকার। ১৪ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন কার্টিস ক্যাম্ফার। চলেছে দুজনের তাণ্ডব। টেক্টর তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। এরপর টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন জর্জ ডকরেল। শেষের দিকে ঝড় তুলেছেন হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করিয়েছেন টেক্টর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৭ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন জর্জ ডকরেল। ৪৫ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন হ্যারি টেক্টর। শেষ ওভারে এসেছে ১৭ রান।




ত্রিদেশীয় সিরিজ: বাংলাদেশ ঘোষণা করল ২৩ সদস্যের স্কোয়াড

খেলাধুলা ডেস্কঃ ত্রিদেশীয় নারী ফুটবল টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের জাতীয় দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগের মতোই দলের নেতৃত্বে থাকছেন আফঈদা খন্দকার। সিরিজে বাংলাদেশ ২৬ নভেম্বর মুখোমুখি হবে মালয়েশিয়ার এবং ২ ডিসেম্বর খেলবে আজারবাইজানের বিপক্ষে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানকে নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন জাতি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেন প্রধান কোচ পিটার জেমস বাটলার। প্রত্যাশা থাকলেও আলোচিত পাঁচ সিনিয়র সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা ইসলাম, সুমাইয়া মাতসুশিমা ও মাসুরা পারভীন জায়গা পাননি স্কোয়াডে। সাফ ২০২৪ শেষে তারা এখনো জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।

আগামী মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। এশিয়ার সর্বোচ্চ মঞ্চে এবারই প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে আফঈদারা।

সর্বশেষ অক্টোবরে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ নারী দল। সেই স্কোয়াডের ২৩ জনই জায়গা পেয়েছেন এই দলের মূল তালিকায়। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মামনি চাকমা, যিনি মূল স্কোয়াডে আছেন, এবং তনিমা বিশ্বাস, যিনি স্ট্যান্ডবাই তালিকায় রয়েছেন। তার সঙ্গে রুমা আক্তারও স্ট্যান্ডবাই হিসেবে স্কোয়াডে নাম লিখিয়েছেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল:
রুপনা চাকমা, মিলি আক্তার, স্বর্ণা রানী, নবীরন খাতুন, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মামনি চাকমা, শামসুন্নাহার সিনিয়র, হালিমা আক্তার, জয়নব বিবি, শিউলি আজিম, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, উমহেলা মারমা, শাহেদা আক্তার, মোসাম্মত সুলতানা, মোসাম্মত সাগরিকা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, ঋতুপর্ণা চাকমা, সিনহা জাহান, রুমা আক্তার ও তনিমা বিশ্বাস।




কোয়ার্টার ফাইনালে ইইইকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জেএমসি

খেলাধুলা ডেস্কঃ গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ক্লেমন ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-এ সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া কমিউনিকেশন (জেএমসি) বিভাগ। কোয়ার্টার ফাইনালে ইইই বিভাগের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জয় ছিনিয়ে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে জেএমসি দল।

২৫ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. অনুষ্ঠিত এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে জেএমসি দলের খেলোয়াড়রা শুরু থেকেই ছিল আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক। ব্যাটিং ও বোলিং—উভয় বিভাগেই তারা প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে। শেষ পর্যন্ত ইইই বিভাগকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে ওঠার গৌরব অর্জন করে জেএমসি।

জয়ের পর জেএমসি বিভাগের শিক্ষার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস। বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টরা দলটির এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যৎ ম্যাচগুলোতেও ধারাবাহিক সাফল্যের প্রত্যাশা করেন।

জেএমসি দলের এই অগ্রযাত্রা বিভাগীয় ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সকলের প্রত্যাশা, সেমিফাইনাল পেরিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফিও উঠবে জেএমসি বিভাগের হাতেই।

জেএমসি দলের জন্য রইল শুভকামনা। বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হোক—এই কামনাই সবার।




গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ক্লেমন ইউনিক্যাম্পাস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-এর উচ্ছ্বাসময় উদ্বোধনী

খেলাধুলা ডেস্কঃ গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (GUB)-এ গতকাল যথাযথ মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হলো আন্তঃবিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা “Clemon Uni Campus Cricket Tournament 2025” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। Clemon Sports এবং GUB-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে প্রাণবন্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও আয়োজনের বর্ণনা
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা নিজেদের দলীয় চেতনা, উদ্যম ও খেলাধুলার মনোভাব প্রদর্শন করে খেলার সূচনা করেন। অনুষ্ঠানটি ছিল উচ্ছ্বাসময় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত বন্ধুত্ব, সমন্বয় ও ক্রীড়া মনোভাবকে আরও উৎসাহিত করেছে।
উদ্বোধনীতে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয় খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সম্ভাবনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বের দিকে।
ক্রীড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিকাশ
টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র খেলা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ, দলবদ্ধভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। মাঠে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস, সংগীত ও উজ্জ্বল ব্যানারগুলো পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য
GUB-এর ক্রীড়া বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য এমন ক্রীড়া আয়োজন নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাবে। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, মননশীলতা ও সৃজনশীল মনোভাবের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও রোমাঞ্চকর মুহূর্ত বয়ে আনবে।



ইন্টারকে হারিয়ে লিগ টেবিলের দুইয়ে উঠে এলো এসি মিলান

খেলাধুলা ডেস্কঃ দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন এবং গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁর অসাধারণ নৈপুণ্যে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইন্টার মিলানকে হারিয়ে সেরি আ’য় গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে এসি মিলান। সান সিরোয় রবিবার রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ১–০ গোলের জয় পায় রসোনেরিরা।

প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকলেও বিরতির পর ছন্দ ফিরে পায় এসি মিলান। ৫৪তম মিনিটে আলেক্সিসের নিচু শট ইন্টার গোলরক্ষক ইয়ান সমার ঠেকিয়ে দিলে রিবাউন্ড বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক।

৭৪তম মিনিটে ম্যাচে ফিরতে সুবর্ণ সুযোগ পায় ইন্টার মিলান। বক্সে মার্কাস থুরামকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু হাকান কালহানোগলুর নেওয়া স্পট কিক ঝাঁপিয়ে দারুণভাবে রুখে দেন গোলরক্ষক মিয়াঁ। এই সেভই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়।

বল দখল ও আক্রমণে প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল ইন্টার। ১০টি শট নিয়ে ২টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় তারা। মার্কাস থুরামের হেড এবং লাউতারো মার্তিনেসের শট ঠেকিয়ে দেন মিয়াঁ।
অপরদিকে, এসি মিলানের চারটি শটই ছিল লক্ষ্যভ্রষ্ট।

এই জয়ে লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বর থেকে দুইয়ে উঠে এসেছে এসি মিলান। ১২ ম্যাচে ৭ জয়, ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ২৫। সমান পয়েন্ট নিয়ে নাপোলি আছে তিনে।

অপরদিকে, মৌসুমের চতুর্থ হার দিয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে নেমে গেছে ইন্টার মিলান। শীর্ষে থাকা রোমার পয়েন্ট ২৭।




অবিশ্বাস্য কীর্তি—এখনও একক রেকর্ডের মালিক মেসি

খেলাধুলা ডেস্কঃ বয়স যেন তার কাছে কেবলই একটি সংখ্যা। গোল ও অ্যাসিস্টের সূচকে লিওনেল মেসির উর্ধ্বগতির ছুটে চলা থামার মতো নয়। তা কোথায় গিয়ে থামবে—এখনই বলা কঠিন। আজ আবারও প্রমাণ মিলল কেন তিনি এখনও ফুটবলের সবচেয়ে বড় নামগুলোর একজন। এক ম্যাচে হ্যাটট্রিক অ্যাসিস্টের সঙ্গে করেছেন এক মনোমুগ্ধকর গোল। আর সেই নৈপুণ্যেই মেজর লিগ সকার (এমএলএস) প্লে-অফে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠেছে ইন্টার মায়ামি। এই সাফল্যের নায়ক যে মেসি—সন্দেহ নেই!

মায়ামিকে তিন গোলে সহায়তা করে মেসির সব মিলিয়ে অ্যাসিস্টের সংখ্যা হলো ৪০৪টি। হাঙ্গেরিয়ান কিংবদন্তি ফ্রেঞ্চ পুসকাসের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট এখন মেসির। পেশাদার ফুটবলে সব মিলিয়ে মেসির গোল হলো ৮৯৬টি।

মেসির গোল-অ্যাসিস্ট মিলিয়ে সংখ্যাটা ১৩০০। ফুটবল ইতিহাসে এই অবিশ্বাস্য রেকর্ডটি শুধুই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি মেসির। মেসির পরে থাকা পর্তুগাল কিংবদন্তি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর গোল ও অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১২১৩টি।

১৩শ গোল করতে মেসির লেগেছে ১১৩৫ ম্যাচ। রোনালদোর এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১২৯৮ ম্যাচ। তাঁর চেয়ে ১৬৩ ম্যাচ কম খেলে ১৩০০ গোল অবদানের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। প্রত্যেক ম্যাচে মেসির গড় গোল অবদান ১.১৪৫, রোনালদোর ০.৯৩৪।

মেসির ১২টি গোলে অবদান এক এমএলএস পোস্টসিজনে নতুন রেকর্ড। ১৯৯৯ সালে আন্টে রাজভেরে করা ১০ গোল অবদানকে ভেঙে দিয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী মেসি।




তাইপেকে হারিয়ে ভারতের টানা দ্বিতীয় শিরোপা

খেলাধুলা ডেস্কঃ নারী কাবাডি বিশ্বকাপের ফাইনালে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা নিজেদের কাছেই রাখল ভারত।

সোমবার ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ৩৫-২৮ পয়েন্টের জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো কাবাডি বিশ্বের এই পরাশক্তিরা।

এর আগে ২০১২ সালে প্রথম নারী কাবাডি বিশ্বকাপে ইরানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। দীর্ঘ বিরতির পর এবারের আসরেও সেই আধিপত্য বজায় রাখল তারা।

২০১২ সালের মতো এবারের আসরেও খেলা ৬টি ম্যাচের সবকটিতে জিতে শতভাগ সাফল্যের অনন্য রেকর্ড গড়ল ভারতীয় নারী দল।

ম্যাচের নাটকীয়তা ও সাঞ্জু দেবীর ম্যাজিক ফাইনালের আগে টস করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। টস জিতে ভারতকে প্রথমে রেইড করার আমন্ত্রণ জানায় চাইনিজ তাইপে। সাঞ্জু দেবী প্রথম রেইডেই পয়েন্ট আনেন, জবাবে চুয়াং ইয়া-হান বোনাস পয়েন্ট নিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলেন। এক পর্যায়ে স্কোরলাইন ৭-৭ সমতায় দাঁড়ায়। এরপর পূজাকে সুপার ট্যাকল করে ৯-৭ পয়েন্টে এগিয়ে যায় তাইপে।

তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ১২তম মিনিটে। ভারতীয় তারকা সাঞ্জু দেবী একাই প্রতিপক্ষের ৪ খেলোয়াড়কে আউট করে দলকে ১৩-১২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এরপর দ্রুতই তাইপেকে অলআউট করে ১৭-১৪ পয়েন্টের লিড নেয় ভারত। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২০-১৬ পয়েন্টে ভারতের এগিয়ে থাকার মধ্য দিয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে পুষ্পা রেইডে তিন পয়েন্ট তুলে ভারতের লিড আরও বাড়ান। তবে চাইনিজ তাইপে হাল ছাড়েনি। ব্যবধান কমিয়ে ২৫-২২ এ নিয়ে আসে তারা। ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র চার মিনিট আগে সুপার ট্যাকল করে স্কোরলাইন ৩০-২৬ এ নামিয়ে আনে তাইপে, যা ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনে। কিন্তু শেষলগ্নে অভিজ্ঞতার কাছে হার মানতে হয় তাদের। তাইপেকে দ্বিতীয়বার অলআউট করে ৩৫-২৮ পয়েন্টের নিশ্চিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত।

মেজর কোনো আসরে এ নিয়ে চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচে অপরাজিত থাকল ভারত। এর আগে ২০২৩ এশিয়ান গেমসের গ্রুপ পর্বে দুই দলের ম্যাচ ড্র হয়েছিল এবং ফাইনালে মাত্র ১ পয়েন্টের ব্যবধানে (২৬-২৫) জিতেছিল ভারত।