হাঁটুর সমস্যায় বিরতি—বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নেইমার

খেলাধুলা ডেস্কঃ নেইমারের মাঠে ফেরার পর যেন বদলে গেল সান্তোস। টানা তিন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন তিনি। আগের দুই ম্যাচে গোল, একটিতে হ্যাটট্রিক; শেষ ম্যাচে গোল না পেলেও খেলার ছন্দ পুরো নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

ব্রাজিলিয়ার সেরি আতে মৌসুমের শেষ ম্যাচে ক্রুজেইরোকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয় সান্তোস। দুর্দান্ত জয়ে লিগ শেষ করল দল। টানা তিন ম্যাচে চোট নিয়ে খেলে দলকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করার পর এই তারকা নিশ্চিত করলেন, অস্ত্রোপচনা হবে তার হাঁটুতে।

নেইমার বলেন, “আমি এখানে এসেছিলাম এটার জন্যই, দলকে সম্ভাব্য সেরা উপায়ে সহায়তা করতে। আমার জন্য সপ্তাহগুলি ছিল খুবই কঠিন। আমাকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করে গেছেন যারা, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তারা না থাকলে এমন চোট নিয়ে, হাঁটুর এত সমস্যা নিয়ে ম্যাচগুলি খেলতে পারতাম না। এখন আমার কিছুটা বিশ্রাম প্রয়োজন, এরপর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করাব।”

হাঁটুর চোটের ধরন বা কোন ধরনের অস্ত্রোপচার হবে তার, বিস্তারিত সেসব জানা যায়নি। তবে বিশ্বকাপের ছয় মাস আগে অস্ত্রোপচার মানে বিশ্ব আসরে তার খেলার সম্ভাবনায় আরেকটি বড় আঘাত অবশ্যই। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি জাতীয় দলে নেই। গত মে মাসে কার্লো আনচেলত্তি কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কবারই বলেছেন, কেবল পুরো ফিট হলেই নেইমারকে নেওয়া হবে জাতীয় দলে।

নেইমার নিজে অবশ্য চোট পাওয়ার পরও বলেছেন, বিশ্বকাপে খেলতে তিনি আশাবাদী। সেখান থেকে ধারণা করা যায়, তার হাঁটুর চোট হয়তো গুরুতর নয়। তার পরও শঙ্কা থাকছে প্রবলভাবেই।

ক্রুজেইরোর বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে নেইমারের জন্য ছিল ছোট একটি সম্মাননা অনুষ্ঠান। শৈশবের ক্লাবটির হয়ে ১৫০ ম্যাচ পূর্ণ করায় তাকে দেওয়া হয় বিশেষ স্মারক। পাশে ছিলেন তার স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা। এরপর মাঠেও খেললেন প্রাণবন্ত ফুটবল, দলের জয়ে রাখেন বড় ভূমিকা। তিন ম্যাচ আগেও অবনমনের ভয় ছিল সান্তোসের সামনে। ঠিক সেই সময় হাঁটুর ব্যথা নিয়েই ম্যাচে নেমেছিলেন নেইমার। প্রতিটি ম্যাচে দলকে বাঁচাতে অবদান রাখেন তিনি। আগের ম্যাচে করেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক, তার আগের ম্যাচেও গোল। শেষ ম্যাচে গোল না পেলেও আক্রমণ সাজানো ও সুযোগ তৈরি করে দলের ৩-০ ব্যবধানে জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।




ভেন্যু না পাওয়ায় বদল সূচি—৯ দিন দেরিতে জাতীয় টেবিল টেনিস

খেলাধুলা ডেস্কঃ ভেন্যু সংকটের কারণে জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৫ পিছিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা। সাত দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার ভেন্যু ছিল পল্টনের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম।

সেখানে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা থাকায় টেবিল টেনিসের প্রস্তুতি ও অনুশীলন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় টুর্নামেন্টটি ৯ দিন পিছিয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী প্রতিযোগিতা শুরু হবে ৯ জানুয়ারি।

শুরুর দুই দিন ৯ ও ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বয়সভিত্তিক বালক-বালিকাদের অনূর্ধ্ব ৯, ১১, ১৩, ১৫ ও ১৭ সিঙ্গেলস র‌্যাংকিং প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯-এর নিচে আর কোনো জাতীয় র‌্যাংকিং নেই। এরপর ১১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে মূল পর্ব, যেখানে অনূর্ধ্ব-১৯ এবং সিনিয়র বিভাগ মিলিয়ে মোট ১৪টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

সিনিয়রদের জন্য পুরুষ দলগত, পুরুষ একক, পুরুষ দ্বৈত, মহিলা দলগত, মহিলা একক, মহিলা দ্বৈত এবং মিশ্র দ্বৈত-এই সাতটি ইভেন্ট থাকবে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগেও একই সাতটি ইভেন্টে লড়বে বালক-বালিকারা। বিশেষ সুবিধা হিসেবে বালক বিভাগের র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট খেলোয়াড় সিনিয়র বিভাগেও খেলতে পারবেন। বালিকা বিভাগে বয়স বা র‌্যাংকিংয়ের কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

এবার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা পাবেন যাতায়াত ভাতা ও ফেডারেশন নির্ধারিত দৈনিক ভাতা। অংশ নিতে পারবে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা, শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেনাবাহিনী, আনসার, পুলিশ, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ বিভিন্ন সরকারি সার্ভিসেস দল।




অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নতুন মাঠে ইতিহাস গড়তে নামবে বাংলাদেশ

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২৩ বছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আগামী ২০২৬ সালের আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে টাইগাররা। আর এই সিরিজের অন্তত একটি ম্যাচ হতে পারে অজিদের একেবারে নতুন টেস্ট ভেন্যু ম্যাকাইয়ের ‘গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এরেনা’তে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কুইন্সল্যান্ডের এই নতুন ভেন্যুটিকে অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট মাঠ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নতুন স্টেডিয়ামটি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা দেখিয়েছে।

রাজ্য সরকারের অর্থায়নে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ হাজার আসনের গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড, আধুনিক সম্প্রচার এলাকা ও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ সুবিধা।

২০২৬ সালের আগস্টে সিরিজটি হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধান টেস্ট ভেন্যুগুলো ব্যবহারের সুযোগ নেই। তাই সারা বছর উষ্ণ আবহাওয়ার কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলের মাঠগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে সিএ।

ম্যাকাইয়ের পাশাপাশি কেয়ার্নস, ডারউইন ও টাউনসভিলও সম্ভাব্য ভেন্যুর তালিকায় রয়েছে। কেয়ার্নস ও ডারউইনে আগে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ।

ক্রিকেট নর্দার্ন টেরিটরির প্রধান নির্বাহী গ্যাভিন ডোভি জানান, ডারউইন কমপক্ষে একটি ম্যাচ আয়োজন করতে পারবে বলে তারা আশাবাদী।




মেসির বিশ্বাস—এই শিরোপার যোগ্য দল ছিলাম আমরা

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৩ সালে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন লিওনেল মেসি। প্রায় তিন বছর পর ক্লাবটির হয়ে প্রথমবার এমএলএস কাপ জিতলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

শনিবার রাতে ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে ভ্যাঙকুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করার পর প্রথমবার চ্যাম্পিয়নদের কাতারে নাম লেখালো ডেভিড বেকহামের মালিকানাধীন ক্লাবটির।

ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে মেসি স্বীকার করেছেন যে ট্রফিটি ছিল তার এবং দলের দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর চূড়ান্ত পরিণতি।

তিনি বলেন, ‌‘তিন বছর আগে, আমি এমএলএসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, এবং আজ আমরা চ্যাম্পিয়ন। দলের সবার অক্লান্ত প্রচেষ্টা ছিল। এটি একটি দীর্ঘ বছর, অনেক ম্যাচ ছিল। আমরা পুরো মৌসুম ধরে পরিশ্রম করেছি, চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি। এই মুহূর্তটির জন্যই আমি অপেক্ষা করছিলাম, এবং আমরা একটি দল হিসাবে যার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এটি আমাদের সকলের জন্য সুন্দর মুহূর্ত। আমরা এই শিরোপার যোগ্য ছিলাম।’

ঘরের মাঠে ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইন্টার মায়ামি। মেসি ও রদ্রিগো ডি পলের চমৎকার বিল্ড-আপের পর তাদেও আলেন্দের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে ভ্যাঙ্কুভারের ডিফেন্ডার এদিয়ের ওকাম্পোর গায়ে লেগে বল জালে ঢুকে পড়ে। ৬০ মিনিটে কানাডিয়ান তারকা আলী আহমেদের জোরালো শটে সমতায় ফিরে আসে ভ্যাঙ্কুভার। তবে মেসির সামনে প্রতিপক্ষের সেই আনন্দ বেশিক্ষণ টিকতে পারে না।

৭১তম মিনিটে প্রতিপক্ষের টার্নওভার থেকে বল কাড়েন মেসি এবং নিখুঁত পাসে আর্জেন্টাইন সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলকে দিয়ে গোল করান। যোগ করা সময়ের ৯৬তম মিনিটে আবারও মেসির বাঁ পায়ের জাদু। একটি অসাধারণ থ্রু-পাসে আলেন্দেকে গোলের সুযোগ করে দেন। নিচু শটে ফিনিশিং করে আলেন্দে নিশ্চিত করেন মায়ামির শিরোপা।




পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজের নিয়ন্ত্রণ নিল বাংলাদেশ

খেলাধুলা ডেস্কঃ হার দিয়ে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সহজ জয় তুলে নিল তারা। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে সফরকারীদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল জুনিয়র টাইগ্রেসরা। এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমেই বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের শুরুতেই কোনো বল না খেলেই রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার রাভাইল ফারহান। এরপর বাংলাদেশি বোলারদের তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা।

মাত্র ২৪ রানে ৩ উইকেট এবং ৩১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে কোনোমতে ৮৬ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে ইমান নাসির ২৩ ও মেমুনা খালিদ ১৯ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে হাবিবা ও অতশী ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

৮৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশেরও। দলীয় ৮ রানের মাথায় দুই ওপেনারকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল স্বাগতিকরা। তবে তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন জান্নাত ইমান্তা ও সাদিয়া ইসলাম। সাদিয়া ২৮ বলে ৩৫ রান করে ফিরলেও ইমান্তা ২৫ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ পর্যন্ত ৩৯ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

অধিনায়ক সাদিয়ার হাতে ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। একই মাঠে আগামী বুধবার (১০) সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।




বিজয় দিবসের প্রীতি ম্যাচে নেতৃত্বে মিরাজ–শান্ত

খেলাধুলা ডেস্কঃ চলছে মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বিজয় দিবসকে উৎযাপন করতে প্রতিবছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাবেক তারকাদের নিয়ে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে থাকে।

কিন্তু এবার সেই ধারায় এসেছে পরিবর্তন। আসছে বিজয় দিবসে জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে এক ব্যতিক্রমী বিশেষ ম্যাচের আয়োজন করেছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। বিসিবির সহযোগিতায় সন্ধ্যায় ছয়টায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

কোয়াব এর আয়োজনে  ম্যাচটির নাম দেয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ অল স্টার্স ম্যাচ’। যেখানে মূলত দেশের সেরা ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত দুটি দল ‘অদম্য’ ও ‘অপরাজেয়’ মাঠে নামবে।

বিজয় দিবসের এই হাই-ভোল্টেজ প্রীতি ম্যাচে দল দুটির নেতৃত্বভার দেয়া হয়েছে বর্তমান জাতীয় দলের দুই তরুণ অধিনায়কের হাতে। টেস্ট দলের কান্ডারি নাজমুল হোসেন শান্ত নেতৃত্ব দেবেন ‘অপরাজেয়’ দলকে। অন্যদিকে, ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ থাকছেন ‘অদম্য’ দলের নেতৃত্বে।

এই বিশেষ ম্যাচটি সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) কোয়াব আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। স্কোয়াডের মূল অংশজুড়ে রয়েছেন বর্তমানে জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটাররা। তবে পাশাপাশি দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এবং এমনকি জাতীয় দলে এখনও অভিষেক হয়নি এমন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণদেরও এই অল স্টার্স স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দুই দলের স্কোয়াড :
অপরাজেয় : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ মিথুন, মাহমুদুল হাসান জয়, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদি, জাকের আলী, শামীম হোসেন, নাসুম আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, নাহিদ রানা ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

অদম্য : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, হাবিবুর রহমান সোহান, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আকবর আলী, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, তানভীর ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম।




টি–টোয়েন্টি সিরিজের আগে গিলকে ঘিরে ইতিবাচক খবর

খেলাধুলা ডেস্কঃ ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক শুভমান গিল চোটমুক্ত হয়ে অবশেষে মাঠে ফিরতে প্রস্তুত। বিসিসিআইয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্স (সিওই) শনিবার জানায়, ঘাড়ের ইনজুরি থেকে সেরে ওঠা গিলকে খেলায় ফেরার জন্য মেডিকেল ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ সবুজ সংকেত দিয়েছে। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে।

গত মাসে সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কলকাতা টেস্টের প্রথম ইনিংসে তিন বল খেলার পরেই ঘাড়ের সমস্যা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন শুভমান গিল। পরে দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটার। এমনকি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের স্কোয়াডেও রাখা হয়নি তাকে।

তবে গত ৩ ডিসেম্বর গিলকে সহ-অধিনায়ক করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করে বিসিসিআই। কিন্তু স্কোয়াডে রাখলেও কেবল ফিটনেসের ছাড়পত্র পেলেই তিনি খেলতে পারবেন বলে জানানো হয়।

অবশেষে বিসিসিআইয়ের মেডিকেল ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ গিলকে খেলার সবুজ সংকেত দিয়েছে। বিসিসিআইয়ের সিওই থেকে দল ব্যবস্থাপনার স্পোর্টস সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন টিমকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, শুভমান গিল সফলভাবে সব রিহ্যাব ধাপ সম্পন্ন করেছে এবং সব ফরম্যাটের ক্রিকেটে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করেছে।

উল্লেখ্য, আগামী ৯ ডিসেম্বর কুটাকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর চন্ডীগড়ে ১১, ধর্মশালায় ১৪, লখনৌতে ১৭ ও আহমেদাবাদে ১৯ তারিখ সিরিজের শেষ ম্যাচে লড়বে দুই দল।




মেসির সিদ্ধান্তেই দৃষ্টি স্কালোনির

খেলাধুলা ডেস্কঃ ঝমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর থেকেই আলোচনায় কোন গ্রুপ তুলনামূলক কঠিন এবং কোনটি সহজ। সেই সাথে দলগুলোর সম্ভাব্য খেলোয়াড় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে আগামী বছরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি খেলবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছেন, দল এখনো অপেক্ষা করছে মেসির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য। ৩৯ বছরে পা রাখতে যাওয়া মেসি এখনো নিশ্চিত করেননি। তিনি ষষ্ঠবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেবেন কি না।

কোচ স্কালোনি মনে করেন, মেসি না খেলা হবে ‘অবিশ্বাস্য এক ঘটনা’। ওয়াশিংটন ডিসির কেনেডি সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা এখনও তার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। নীতিগতভাবে সবকিছু ভালোই চলছে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, তিনি এখন প্রতিদিন বিষয়গুলো বিবেচনা করছেন। তার ভাষায়, ‘সৎ থেকে এবং নিজের অনুভূতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে চাই। এই বছর আমি খুব ভালো অনুভব করেছি। মেসির মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ তার জন্য কিছুটা স্বস্তির হবে, কারণ তিনি এখন ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন।

আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়া, জর্ডান ও আলজেরিয়ার সঙ্গে ‘জে’ গ্রুপে খেলবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনা হারিয়েছিল সৌদি আরব। তারপরও তারা শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়। সেই স্মৃতি মনে করিয়ে স্কালোনি বলেন, সৌদি আরবের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটা মনে আছে তো? প্রতিটি ম্যাচেই আমাদের সেরাটা দিতে হবে। বিশ্রামের কোনো সুযোগ নেই, আমরা সেটা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে জানি।’




ফুটবল ও ক্রিকেট বিশ্বকাপে যে দেশগুলো খেলবে

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৬ সালে অল্প সময়ের ব্যবধানে বসছে দুই দুটি মহাযজ্ঞ। ক্রিকেট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ফুটবল বিশ্বকাপ। দর্শকের মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে কোন কোন দেশ এবারের ক্রিকেট ও ফুটবল দুই বিশ্বকাপেই খেলবে? সেই সংখ্যাটা অবশ্য খুব বেশি নয়। মাত্র ৭টি দেশ ২০২৬ ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করা সাত দেশ হলো- দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের।

ক্রিকেট ও ফুটবল দুই বিশ্বকাপে খেলবে এমন দেশের সংখ্যাটা আরও বাড়তেও পারে। ফুটবল বিশ্বকাপের ৪৮ দলের মধ্যে ৪২টি দলের বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়েছে। বাকি ৬ দলের প্লে-অফের লড়াই শেষে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে হবে তাদের। এই প্লে-অফের লড়াইয়ে আছে ইতালি, নর্দান আয়ারল্যান্ড ও জ্যামাইকা।

ইতালি এবার প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে। আয়ারল্যান্ডও আছে বিশ্বকাপে। জ্যামাইকা সরাসরি ক্রিকেট বিশ্বকাপে নেই, তবে তাদের প্রতিনিধি হয়ে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মানে এরা বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলে ক্রিকেট ও ফুটবল দুই বিশ্বকাপে খেলা দেশের সংখ্যা বাড়বে। তবে ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা দেশের সংখ্যা ৯টির বেশি অবশ্য হওয়ার সুযোগ নেই।




বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও নিজের যোগ্যতা প্রমাণে মুখিয়ে মার্তিনেস

খেলাধুলা ডেস্কঃ ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ বিশ্বকাপে ফের আলো ছড়াতে চান এমিলিয়ানো মার্তিনেসের। আর্জেন্টিনার এই গোলরক্ষক বলেছেন, গতবারের চেয়ে এবার আরও বেশি রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠেয় ২০২৬ বিশ্বকাপের বাকি এখনও ৬ মাস। তবে বাছাই পর্ব প্রায় শেষ পর্যায়ে। ৪২টি দল চূড়ান্ত হয়েছে এর মধ‍্যে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ১১টায় হবে ড্র। এর আগে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ‍্যাসোসিয়েশনের একটা অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় ৩৩ বছর মার্তিনেস বললেন, চূড়ান্ত পর্বের জন‍্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন তিনি।

অ‍্যাস্টন ভিলার মার্তিনেস এখনও আর্জেন্টিনার পোস্টে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনার তিনটি বড় শিরোপা জয়েই আছে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে টাইব্রেকারে দলকে জেতানোর আগে-পরে দুটি কোপা আমেরিকার ফাইনালেও দুর্দান্ত সব সেভ করে দলের শিরোপা জয়ের রাখেন অবদান।

২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতে শিরোপা ধরে রাখে আর্জেন্টিনা। সেই ম‍্যাচে পাঁচটি সেভ করেন তিনি। ক্লাব ফুটবলেও নিয়মিত দুর্দান্ত সব সেভ করেন মার্তিনেস, তবে জাতীয় দলে তিনি যেন প্রায় অপরাজেয়।

এর আগে ২০২২ বিশ্বকাপে শেষ আটে নেদারল‍্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে বীরত্ব দেখান মার্তিনেস। ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালেও করেন এর পুনরাবৃত্তি। সেই ম‍্যাচের অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে রান্দাল কোলো মুয়ানির শট ঠেকিয়ে দলকে ম‍্যাচে রাখেন তিনি। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপালেই যেন পাল্টে যান মার্তিনেস। তিনি জানান, যখন জাতীয় দলে খেলি, আমার মনে হয় যে, বল জালে যাবে না। আমার পেছনে থাকে পুরো দেশ এবং আমার পরিবার।

অ‍্যাস্টন ভিলার হয়ে চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ১১ ম‍্যাচের চারটিতে জাল অক্ষত রেখেছেন মার্তিনেস। সব মিলিয়ে ভীষণ ব‍্যস্ত সূচি হলেও বিশেষ শারীরিক সুবিধা থাকায় বিশ্বকাপে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।