অস্ট্রেলিয়ায় ১২ বছর পর সেঞ্চুরি করে দাপট দেখালেন জো রুট

খেলাধুলা ডেস্কঃ অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো জো রুটের। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১২ বছর ও ৩০ প্রচেষ্টার অপেক্ষা শেষে প্রথমবারের মতো পেলেন কাঙ্ক্ষিত টেস্ট সেঞ্চুরি।

বৃহস্পতিবার গাব্বায় অনুষ্ঠিত দিবা-রাত্রির টেস্টে ১৮১ বল খেলে পৌঁছান তিন অঙ্কে। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ৪০তম এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪৯তম সেঞ্চুরি।

এমন গুরুত্বপূর্ণ সেঞ্চুরি পেতে তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন সতীর্থ জ্যাক ক্রলি। যার সঙ্গে রুট গড়েছেন ১১৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজের এই সিরিজে রুটের ওপর ছিল অনেক চাপ। গত কয়েক বছর ধরে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতায় রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন তিনি। আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটার হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ায় সেঞ্চুরি। তা যেন ভাগ্য এড়িয়ে চলছিল। ১৬টি টেস্ট খেলে একবারও তিন অঙ্কে না পৌঁছানো, রুটের মতো মানের ব্যাটারের জন্য ছিল কিছুটা হতাশাজনকও।

আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে ইংল্যান্ড। সেই অবস্থায় ব্যাটিংয়ে নামতে হয়েছিল ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ককে। মিচেল স্টার্ক আবারও দুর্দান্ত শুরুর আঘাত হেনে ফেরান বেন ডাকেট ও অলি পোপকে শূন্য রানে। সেখান থেকে ক্রলিকে সঙ্গে নিয়ে ১১৭ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান রুট। ক্রলি যখন ৭৬ রানে আউট হয়ে যান, তারপরও রুট হ্যারি ব্রুক ও বেন স্টোকসকে সঙ্গে নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখেন এবং একাই হয়ে ওঠেন ইংল্যান্ড ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ।

অবশেষে, রুটের নামের পাশে যুক্ত হলো অস্ট্রেলিয়াতেও এক সেঞ্চুরি। আর সেই সঙ্গে ইতিহাসে আরেকটি রেকর্ডও। ১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে যে মাইলফলক তিনি স্পর্শ করলেন, তা নিঃসন্দেহে তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিশেষ অধ্যায়ের একটি হয়ে থাকবে।




ভারতীয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জার্সি প্রকাশে সামনে রোহিত শর্মা

খেলাধুলা ডেস্কঃ ভারতের আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন করেছেন রোহিত শর্মা। তিনি এই বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরও হয়েছেন। ভারতের গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রোহিতের নেতৃত্বে দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রোহিতের সঙ্গে ছিলেন তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা এবং বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ শইকিয়া।

রোহিত বলেন, আমরা ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলাম। তার পরের বিশ্বকাপ জিততে আমাদের ১৫ বছরেরও বেশি অপেক্ষা করতে হয়েছে। একটা দীর্ঘ যাত্রা ছিল আমাদের। যে পথে ছিল অনেক উত্থান-পতন। গত বার আবার ট্রফি জেতার অনুভূতি দুর্দান্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারতে। আশা করছি খুব উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিযোগিতা হবে। দলের জন্য আমার শুভকামনা সব সময় থাকবে। আমি নিশ্চিত সকলেই দলের পাশে থাকবেন, সমর্থন করবেন। আমাদের ক্রিকেটারেরাও নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেবে।

ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ভারতের ইনিংস শেষ হওয়ার পর মাঠেই হয় জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান। রোহিত এবং তিলকের হাতে বিশ্বকাপের জার্সি তুলে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের কিট স্পনসর সংস্থা। টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি খেলছেন মুম্বইয়ের হয়ে। ফলে তিনি যোগ দিতে পারেননি।




পাকিস্তানকে কম রানেই থামিয়েও জিততে পারলো না মেয়েরা

খেলাধুলা ডেস্কঃ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলকে মাত্র ৮৮ রানে আটকে দিয়ে ১৩ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল।

বুধবার কক্সবাজার একাডেমি মাঠে পাকিস্তানের দেয়া ৮৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে ৭৫ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ফলে হাতের নাগালে থাকা সহজ লক্ষ্যটা স্পর্শ করতে পারল না স্বাগতিকরা।

৮৯ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে ২২ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফেরেন শীর্ষ চার ব্যাটার। এরপর অরিত্র নির্জনা মণ্ডল (২০) এবং সাদিয়া আক্তার (১৬) বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

শেষদিকে ববি খাতুন ১৩ রান করে কিছুটা আশা জাগালেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। পাকিস্তানি বোলারদের দাপটে ১৮.৫ ওভারে ৭৫ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

পাকিস্তানের জয়ে বল হাতে বড় ভূমিকা রাখেন শাহর বানু ও রোজিনা আকরাম। শাহর বানু ৩টি উইকেট শিকার করেন। অন্যদিকে রোজিনা ৪ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে সফরকারীরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯.৪ ওভারে ৮৮ রানেই অলআউট হয় তারা। তবে দলের বিপর্যয়ের মুখে ঢাল হয়ে দাঁড়ান অধিনায়ক ইমা নাসির। তিনি ৪১ বলে ৩০ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন। এছাড়া আরিশা আনসারি ২৩ বলে ২২ রান করে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন জারিন তাসমিন লাবণ্য। ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন ২ উইকেট। সমানসংখ্যক উইকেট শিকার করেন হাবিবা ইসলাম পিংকিও।




হামজাদের তিন ম্যাচের আয় প্রকাশ করল বাফুফে

খেলাধুলা ডেস্কঃ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ তিনটি হোম ম্যাচ খেলেছে, যা থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) আয় করেছে ৪ কোটি টাকা।

বুধবার বাফুফের নির্বাহী সভা শেষে তিন ম্যাচের আয় প্রকাশ করলেও ব্যয় জানাতে পারেনি ফেডারেশন।

সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের ম্যাচে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা, বাংলাদেশ-হংকং ম্যাচে ১ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ৮৭৪ টাকা। বাংলাদেশ-ইন্ডিয়ার ম্যাচে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে। এরপরেও আরও কিছু হয়তো খরচ আছে, সেই খরচগুলো আমরা পরবর্তীতে জানাব।

আজকের সভার অন্যতম আলোচ্যসূচি ছিল এশিয়া কাপ বাছাইয়ের তিন ম্যাচের আয়-ব্যয়। আয় জানানো হলেও ব্যয় নয় কেন। ১০ জুন সিঙ্গাপুর ম্যাচ হয়েছিল। ৬ মাস হতে চললেও কেন ব্যয় জানা যাবে না-এই প্রশ্নের উত্তরে বাবু বলেন, ‘ব্যয় নিয়ে কাজ চলছে। আপনারা বলেছেন এজন্য আয় জানালাম।’

উল্লেখ্য, হামজা-শমিতরা আসায় দেশের ফুটবলে নতুন করে তৈরি হয়েছে জোয়ার। সেইসঙ্গে জাতীয় দলে যুক্ত হয়েছেন জায়ান আহমেদ, ফাহামেদুল ইসলাম, কিউবা মিচেলের মতো ফুটবলাররা। যে কারণে দেশের ফুটবলে ফিরেছে প্রাণ।




নারী আইপিএল নিলামে কোটি টাকার বৃষ্টি

খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৩ সালে শুরু হওয়া মেয়েদের আইপিএল বা ওমেন্স প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) প্রথম মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে লিগটির চতুর্থ আসর। এই আসরের জন্য পাঁচ ফ্র্যাঞ্চাইজি ৬৭ ক্রিকেটারকে দলে নিতে ব্যয় করেছে ৪০.৮ কোটি রুপি। কোটিপতি হয়েছেন বিভিন্ন দেশের মোট ১১ ক্রিকেটার।

এর আগে ডব্লিউপিএলে সর্বোচ্চ দামে দল পাওয়ার রেকর্ড ছিল ভারতের ব্যাটার স্মৃতি মান্দানার—৩.৪০ কোটি রুপি। এরপর ৩.২০ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশলে গার্ডনার এবং ইংল্যান্ডের ন্যাট-শাইভার ব্রান্ট। চলতি আসরেও তিনজনকে ৩.৫০ কোটি রুপিতে ধরে রেখেছে তাদের পুরোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। ফলে স্মৃতি খেলবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গার্ডনার গুজরাট জায়ান্টস এবং ন্যাট-শাইভার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে।

এবারের নিলামে সর্বোচ্চ ৩.২০ কোটি রুপিতে দল পেয়েছেন ভারতের স্পিন অলরাউন্ডার দিপ্তী শর্মা। ডব্লিউপিএলের ইতিহাসে এটি নিলামে দল পাওয়া ক্রিকেটারদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্য। রাইট টু ম্যাচ পদ্ধতিতে তাকে আবারও দলে নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স।

এ ছাড়া নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার অ্যামেলিয়া কেরকে ৩ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। একই দল শিখা পান্ডেকে কিনেছে ২.৪০ কোটি রুপিতে।

মেগা নিলামে কোটিপতি হওয়া ক্রিকেটাররা (রুপি অনুযায়ী):

১. দিপ্তী শর্মা, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ৩.২০ কোটি
২. অ্যামেলিয়া কের, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স – ৩ কোটি
৩. শিখা পান্ডে, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ২.৪০ কোটি
৪. সোফি ডিভাইন, গুজরাট জায়ান্টস – ২ কোটি
৫. মেগ ল্যানিং, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ১.৯০ কোটি
৬. শ্রী চরণী, দিল্লি ক্যাপিটালস – ১.৩০ কোটি
৭. চিনেল হেনরি, দিল্লি ক্যাপিটালস – ১.৩০ কোটি
৮. ফোবে লিচফিল্ড, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ১.৩০ কোটি
৯. লরা উলভার্ট, দিল্লি ক্যাপিটালস – ১.১০ কোটি
১০. আশা সোবহানা, উত্তরপ্রদেশ ওয়ারিয়র্স – ১.১০ কোটি
১১. জর্জিয়া ওয়ারহ্যাম, গুজরাট জায়ান্টস – ১ কোটি

নারী আইপিএলের নিলামে সবচেয়ে বড় চমক অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক অ্যালিসা হিলির দল না পাওয়া। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় আছে যে, এবার ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ব্যাটার নয়, অলরাউন্ডারদের প্রতিই বেশি ঝুঁকেছে। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের হিদার নাইট, অ্যামি জোনসও দল পাননি।

বাংলাদেশ থেকে নিলামে উঠেছিলেন দুই ক্রিকেটার। সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পেসার মারুফা আক্তারও অবিক্রিত থেকে গেছেন।




বিপিএল নিলামে অংশ নিতে আসছে এই বিদেশি ক্রিকেটাররা

খেলাধুলা ডেস্কঃ কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম। কয়েক মৌসুম পর ফের আয়োজিত এই নিলামে অংশ নিতে প্রথমে নিবন্ধন করেছিলেন ৫০০ জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার; যাচাই-বাছাই শেষে ২৫০ জনকে চূড়ান্ত করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।

বিপিএল নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার এসেছে শ্রীলঙ্কা থেকে- মোট ৫০ জন। পাকিস্তান থেকে অংশ নিচ্ছেন ৪৫ জন খেলোয়াড়। ভারতের মাত্র ৩ জন ক্রিকেটার নিলামে নাম জমা দিয়েছেন, আর আয়ারল্যান্ডের রয়েছে ৬ প্রতিনিধি। আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের সংখ্যা ১৮। সবশেষে, যুক্তরাজ্য থেকে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ক্রিকেটার নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

একই সময়ে ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি ও এসএ টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এমন সুযোগ করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। যার ফলে কয়েক ম্যাচের জন্য বিদেশি তারকাদের আনতে পারবে দলগুলো। বিপিএল নিলামে ২৫০ জন বিদেশিকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ডলার।

এ ছাড়া ‘বি’ ২৬ হাজার ডলার, ‘সি’ ২০ হাজার ডলার, ‘ডি’ ১৫ হাজার ডলার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ১৫ হাজার ডলার। ক্যাটাগরি অনুসারে যথাক্রমে প্রতি ডাকে বাড়বে ৫ হাজার ডলার, ৩ হাজার ডলার, ২ হাজার ডলার, ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং ১ হাজার ডলার।

বিপিএল নিলামে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তারকা ও প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেটার যারা আছেন-

ক্যাটাগরি এ-

জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, কিমো পল, ডমিনিক ড্রেক্স, আব্দুল সামাদ, জামান খান, মোহাম্মদ হাসনাইন, উসামা মির, শোয়েব মালিক, অভিষ্কা ফার্নান্দো, দাসুন শানাকা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মাহিশ থিকশানা, দুশমান্থ চামিরা, মাথিশা পথিরানা, চারিথ আসালাঙ্কা, জর্জ ডাকরেল, বাস ডি লিড, ওয়েইন পার্নেল, দীনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, লাহিরু কুমারা।

ক্যাটাগরি বি-

সন্দীপ লামিচানে, আসিফ আলী, রিচার্ড এনগারাভা, ওশেন থমাস, হ্যারি টেক্টর, আলি খান, হাশমতুল্লাহ শাহিদি, রবি বোপারা, সাউথ শাকিল, ইসুরু উদানা, নাজিবউল্লাহ জাদরান।

ক্যাটাগরি সি-

আলি রেজা, হায়দার আলী, শন উইলিয়ামস, টেরেন্স হিন্ডস, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শাহজাদ, দিলশান মুনাওয়েরা, অ্যাশেন বান্দারা, জশ লিটল, জুবায়ের হামজা, ডেন প্যাটারসন, রায়ান বার্ল, পল স্টার্লিং ও কারিমা গোর।

ক্যাটাগরি ডি-

মেহরান মুমতাজ, উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, দীপেন্দ্র সিং আইরে, শেভন ড্যানিয়েল, বাসিল হামিদ, কলাম পার্কিনসন, সালিম শাফি, ব্র্যাড ইভান্স, মার্ক ওয়াট ও জ্যাক হেইন্স।

ক্যাটাগরি ই-

সাঙ্গিথ কোরায়, থানুকা দাবারে, জশুয়া বিশপ, কাদিম অ্যালেন, কেমানি মেলিয়াস, র‍্যান্সফোর্ড বিটন, আশমীদ নেড, আসদ রাজা, তৈয়ব আব্বাস, মুহাম্মদ জিশান, রুম্মান রইস, খলিল গুরবাজ ও বাকার ইব্রাহিমজাই।




ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলের দিকে মোড় নিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট

খেলাধুলা ডেস্কঃ নিউজিল্যান্ডে ব্যক্তি মালিকানায় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চালু হতে যাচ্ছে। এনজেড টুয়েন্টি২০ নামে প্রতিযোগিতা ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরুর পরিকল্পনা করছেন তারা।

প্রাথমিকভাবে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) অনুরূপ মডেলে টুর্নামেন্টটি পরিচালিত হবে বলে আশা করছেন তারা। এর অনুমোদন দিবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। যদিও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকবে ফ্র্যাঞ্চাইজির এর হাতে। মোট ৬টি ফ্র্যাঞ্চাইজি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এ নিয়ে এখনও কিছু জানায়নি।

নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে সুপার স্ম্যাশ নামে ঘরোয়া টি-২০ টুর্নামেন্ট চালু আছে। এই টুর্নামেন্টে অকল্যান্ড অ্যাসেস, ক্যান্টারবেরি কিংস, সেন্ট্রাল স্ট্যাগস, নর্দার্ন ব্রেভ, ওটাগো ভলটস ও ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডস।

এনজেড টুয়েন্টি২০ এর প্রকল্পের সাথে জড়িত কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন লাইসেন্স নিশ্চিত হলে, তারা ঘরোয়াভাবে চালু হলে সুপার স্ম্যাশকে প্রতিস্থাপন করবে।

এনজেড টুয়েন্টি২০ এর প্রতিষ্ঠা কমিটির প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেন, এই ধারণাটি নিউজিল্যান্ডের সাবেক খেলোয়াড়দের একটি দল থেকে এসেছে, যার মধ্যে স্টিফেন ফ্লেমিংও ছিলেন। এরপর তারা ফ্র্যাঞ্চাইজি-ভিত্তিক লীগে আগ্রহ যাচাই করার জন্য নিউজিল্যান্ড প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনজেডপিএ) এর সাথে যোগাযোগ করে।

ম্যাককিনন উল্লেখ করেন, সুপার স্ম্যাশ ক্রমবর্ধমানভাবে একটি উন্নয়নমূলক প্রতিযোগিতা হিসেবে কাজ করছে এবং ভক্তদের আগ্রহ অর্জনের জন্য লড়াই করছে। তিনি বিশ্বাস করেন, বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এনজেড ঘরোয়া ক্রিকেটকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।




টেক্টরের তাণ্ডবে আয়ারল্যান্ডের বড় সংগ্রহ, চাপে বাংলাদেশ

খেলাধুলা ডেস্কঃ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে টেক্টরের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ১৮২ রানের রার্গেট দিয়েছে আয়ারল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আয়ারল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় লিটন দাস।

আগে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডের শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।

তিনে নেমে টিমের সাথে যোগ দেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টরের উইলোবাজিতে চলেছে আইরিশ ঝড়। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম থামেন দলের ৭১ রানের মাথাতে। চারে নেমে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি লরকান টাকার। ১৪ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন কার্টিস ক্যাম্ফার। চলেছে দুজনের তাণ্ডব। টেক্টর তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। এরপর টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন জর্জ ডকরেল। শেষের দিকে ঝড় তুলেছেন হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করিয়েছেন টেক্টর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৭ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন জর্জ ডকরেল। ৪৫ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন হ্যারি টেক্টর। শেষ ওভারে এসেছে ১৭ রান।




হার দিয়ে অভিযান শুরু, সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ

খেলাধুলা ডেস্কঃ ব্যাটিং বিপর্যয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। তাওহিদ হৃদয়ের লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরিতে ১৪২ রানে শেষ হয় টাইগারদের ইনিংস।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলতে পারে মাত্র ২০ রান। শুরুর এমন ধাক্কা সামাল দেন জাকের আলি ও তাওহিদ হৃদয়। দুজনই পরিস্থিতি সামলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে জাকের আলী ২০ রানে আউট হলেও একাই লড়াই চালিয়ে যান তাওহিদ হৃদয়। দলের বিপর্যয়ের মধ্যে তার লড়াকু ৫০ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার লোগ না থাকায় বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১৪২ রানে। এতে ৩৯ রানে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ফলে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় টাইগারদের।

এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডের শুরুটা খারাপ হয়নি। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে আয়ারল্যান্ড।

তিনে নেমে টিমের সাথে যোগ দেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টরের উইলোবাজিতে চলেছে আইরিশ ঝড়। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম থামেন দলের ৭১ রানের মাথাতে। চারে নেমে বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি লরকান টাকার। ১৪ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন কার্টিস ক্যাম্ফার। চলেছে দুজনের তাণ্ডব। টেক্টর তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেছেন। এরপর টেক্টরের সাথে যোগ দিয়েছেন জর্জ ডকরেল। শেষের দিকে ঝড় তুলেছেন হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করিয়েছেন টেক্টর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৭ বলে ১২ রান করে টিকে ছিলেন জর্জ ডকরেল। ৪৫ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন হ্যারি টেক্টর। শেষ ওভারে এসেছে ১৭ রান।




ত্রিদেশীয় সিরিজ: বাংলাদেশ ঘোষণা করল ২৩ সদস্যের স্কোয়াড

খেলাধুলা ডেস্কঃ ত্রিদেশীয় নারী ফুটবল টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের জাতীয় দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগের মতোই দলের নেতৃত্বে থাকছেন আফঈদা খন্দকার। সিরিজে বাংলাদেশ ২৬ নভেম্বর মুখোমুখি হবে মালয়েশিয়ার এবং ২ ডিসেম্বর খেলবে আজারবাইজানের বিপক্ষে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানকে নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন জাতি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেন প্রধান কোচ পিটার জেমস বাটলার। প্রত্যাশা থাকলেও আলোচিত পাঁচ সিনিয়র সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা ইসলাম, সুমাইয়া মাতসুশিমা ও মাসুরা পারভীন জায়গা পাননি স্কোয়াডে। সাফ ২০২৪ শেষে তারা এখনো জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।

আগামী মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। এশিয়ার সর্বোচ্চ মঞ্চে এবারই প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে আফঈদারা।

সর্বশেষ অক্টোবরে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ নারী দল। সেই স্কোয়াডের ২৩ জনই জায়গা পেয়েছেন এই দলের মূল তালিকায়। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মামনি চাকমা, যিনি মূল স্কোয়াডে আছেন, এবং তনিমা বিশ্বাস, যিনি স্ট্যান্ডবাই তালিকায় রয়েছেন। তার সঙ্গে রুমা আক্তারও স্ট্যান্ডবাই হিসেবে স্কোয়াডে নাম লিখিয়েছেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য বাংলাদেশের দল:
রুপনা চাকমা, মিলি আক্তার, স্বর্ণা রানী, নবীরন খাতুন, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মামনি চাকমা, শামসুন্নাহার সিনিয়র, হালিমা আক্তার, জয়নব বিবি, শিউলি আজিম, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, উমহেলা মারমা, শাহেদা আক্তার, মোসাম্মত সুলতানা, মোসাম্মত সাগরিকা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, ঋতুপর্ণা চাকমা, সিনহা জাহান, রুমা আক্তার ও তনিমা বিশ্বাস।