ফ্রান্স আমাদের চেয়ে ভালো দল নয়, বললেন ইয়ামাল

ক্রীড়া ডেস্ক : সর্বশেষ দুই আসরেই ফাইনাল খেলেছে ফ্রান্স, একবার তো হয়েছে চ্যাম্পিয়নও। এবারও বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ফেবারিট হিসেবে আসছে ফ্রান্সের নাম। গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচ জিতে শেষ ৩২–এ উঠেছিল তারা, এই পর্বেও ফ্রান্স হারিয়েছে সুইডেনকে।

সব ম্যাচেই দিদিয়ের দেশমের দাপট দেখানো পারফরম্যান্স ছিল। সবারই তাই ফ্রান্সের প্রতি একটা আলাদা সমীহ আছে। তবে এ ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম স্পেন তারকা লামিনে ইয়ামাল। শেষ ৩২–এ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, ফ্রান্সের চেয়ে স্পেনই ভালো দল।

তাঁর কথাগুলো ছিল এমন, ‘হারানো অসম্ভব এমন কোনো দল নেই। ফ্রান্স আমাদের চেয়ে ভালো দল নয়। ইউরোর পর থেকে ওরা আমাদের হারাতেও পারেনি। এখানে কেউ ফেবারিট নয়, কেউ আমাদের চেয়ে এগিয়েও নেই…যেকোনো টুর্নামেন্টে নামার আগে আমি সব সময় জয়ের কথাই ভাবি। এখন আমার মাথায় একটাই চিন্তা, আমি বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছি।’

২০২৪ সালের ইউরোর সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে স্পেন। পরে তারা নেশন্স লিগেও হারিয়েছে ফ্রান্সকে। এখন তাই তাদের নিয়ে খুব ভাবার কারণও নেই ইয়ামালের। বরং বিশ্বজয়ের স্বপ্নেই তিনি বিভোর।




এশিয়ার মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে রাজশাহী স্টার্স এফসি

ক্রীড়া ডেস্ক : বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২০২৬–২৭-এর প্রিলিমিনারি স্টেজের আনুষ্ঠানিক ড্র সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী রাজশাহী স্টার্স এফসি নিজেদের প্রতিপক্ষ কারা, তা জানতে পেরেছে।

এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজশাহী স্টার্স এফসি শুধু একটি ক্লাব হিসেবেই নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ফুটবলের মর্যাদা ও সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার দায়িত্বও বহন করবে।

এএফসি উইমেন্স চ্যালেঞ্জ লিগে দেশের প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নামছে নাবিল গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত রাজশাহী স্টার্স এফসি বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন দলটি।

ড্র অনুযায়ী, প্রিলিমিনারি স্টেজের গ্রুপ ‘এ’-তে রাজশাহী স্টারস এফসির প্রতিপক্ষ ভারতের ইস্ট বেঙ্গল, স্বাগতিক মালয়েশিয়ার সাবাহ এফএ এবং গুয়ামের রোভার্স এফসি। আগামী ১৭ থেকে ২৩ আগস্ট মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই গ্রুপের সব ম্যাচ।

রাজশাহী স্টার্স এফসি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মানের প্রস্তুতি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দলটির টেকনিক্যাল স্টাফ, খেলোয়াড় ও ব্যবস্থাপনা আগামী কয়েক সপ্তাহে নিবিড় অনুশীলন, প্রীতি ম্যাচ এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের সর্বোচ্চভাবে প্রস্তুত করবে।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), ক্লাবের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে দেশের সকল ফুটবলপ্রেমীর কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছে।

রাজশাহী স্টার্স এফসি বিশ্বাস করে, এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের নারী ফুটবলের আন্তর্জাতিক অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নারী ফুটবলারদের জন্য নতুন অনুপ্রেরণার দ্বার উন্মোচন করবে।

ড্র-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় রাজশাহী স্টার্স এফসি-এর প্রেসিডেন্ট মোখছেদুল কামাল বাবু বলেন, ‘আমরা রাজশাহী স্টার্স এফসি হিসেবে নয়, বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে নামব। দেশের সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে লড়াই করাই আমাদের অঙ্গীকার।’




কেপ ভার্দের মুখোমুখি হওয়ার আগে আর্জেন্টিনার পরিকল্পনায় হঠাৎ বদল

ক্রীড়া ডেস্ক : নকআউটের লড়াই শুরু হয়ে গেছে। বিশ্বকাপ ঢুকে পড়েছে সেই অধ্যায়ে, যেখানে এক ভুলেই শেষ হয়ে যেতে পারে সব। কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনাও এখন সেই পরীক্ষা দেওয়ার অপেক্ষায়।

এর মধ্যেই আর্জেন্টিনা দলের ভ্রমণসূচিতে সামান্য পরিবর্তন এসেছে। আজ বুধবার কানসাসে নিজেদের শেষ অনুশীলন করবে আর্জেন্টিনা দল। বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে শুরু হবে সেই সেশন। সেটিই হবে মায়ামিতে রওনা দেওয়ার আগে তাদের শেষ প্রস্তুতি।

অনুশীলন শেষে বিশ্রামের পর কানসাস সিটি থেকে মায়ামির উদ্দেশে রওনা দেবে দল। সেখানে পৌঁছে শুরু হবে শেষ পর্বের প্রস্তুতি। বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর ৪টায় বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি হবে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে।

প্রথম সূচি অনুযায়ী ম্যাচের আগের দিন ভ্রমণের কথা ছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় বদল আনা হয়েছে। স্কালোনির দল এখন শেষ অনুশীলন সেশনটি করবে মায়ামিতে। সেই সেশনেই ম্যাচের আগে দলকে শেষ ছোঁয়া দেবেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। হার্ড রক স্টেডিয়াম আর্জেন্টিনার জন্য অপরিচিত নয়। ২০১৪ কোপা আমেরিকায় এখানেই শিরোপা জয়ের স্মৃতি আছে দলের। সেই স্মৃতি এবারও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকতে পারে।

তবে সব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। একাদশ নিয়ে স্কালোনির মাথায় ঘুরছে তিনটি সংশয়।

প্রথম সংশয় লেফট ব্যাকে। নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও ফাকুন্দো মেদিনার মধ্যে লড়াই চলছে। দ্বিতীয়টি সেন্টার ব্যাকে। ক্রিস্টিয়ান রোমেরো পুরোপুরি ফিট কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তিনি না পারলে নিকোলাস ওতামেন্দিই থাকবেন একাদশে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন আক্রমণে। লিওনেল মেসির সঙ্গী কে হবেন? লাওতারো মার্তিনেজ নাকি হুলিয়ান আলভারেজ—এই দোটানা এখনো কাটেনি। আপাতত এগিয়ে আছেন লাওতারো।
সব মিলিয়ে প্রস্তুতির শেষ প্রহরে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টিনা। সামনে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ। যে ম্যাচ হতে পারে অনেক কিছুর শুরু, কিংবা হঠাৎ করেই সবকিছুর শেষ।




ইংল্যান্ডকে স্তব্ধ করে প্রথমার্ধে এগিয়ে কঙ্গো

ক্রীড়া ডেস্ক : বিশ্বকাপের নকাউটের লড়াইয়ে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছে ডিআর কঙ্গো।ম্যাচ শুরুর মাত্র ৭ম মিনিটেই বেনি সিপেঙ্গার দুর্দান্ত গোলে আফ্রিকার দলটি এগিয়ে যায়। এই চমৎকার গোলের উৎস অবশ্য অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বা, তাঁর অ্যাসিস্ট থেকেই লিড নিল কঙ্গো। এরপর ইংল্যান্ড অনেক আক্রমণ করেছে কিন্তু গোলে দেখা পায়নি।

শক্তিমত্তার বিচারে কঙ্গোকে নিতান্তই পুচকেই বলা যায়। তাদের বিপক্ষে সহজ জয়ই পাবে ইংল্যান্ড, এমনটাই আশা ফুটবলপ্রেমীদের। কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই পুরো ফুটবলবিশ্বকে স্তব্ধ করে দিল কঙ্গো।

ইতিহাস কিন্তু এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কথা বলছে! পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে, সেই ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর কেটে গেছে, কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারেনি থ্রি-লায়নরা।

যে কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপ ও আফ্রিকার এই দুটি দল। ফলে ইংল্যান্ডের চমকে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। তবে এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার আফ্রিকার দলের মুখোমুখি হয়েছে তারা। গ্রুপ পর্বে ঘানার সঙ্গে খেলেছিল হ্যারি কেনরা। কিন্তু জিততে পারেননি। ম্যাচ ড্র হয়েছিল। এবার কী হবে?




ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা ‘খুবই সামান্য’, বলছেন হালান্ড

ক্রীড়া ডেস্কঃ বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ১৬-র লড়াইয়ে ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেদের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। শক্তিশালী সেলেসাওদের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সুযোগকে ‘খুবই সামান্য’ বা ‘অসম্ভবপ্রায়’ বলে উল্লেখ করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিন।

গত মঙ্গলবার শেষ ৩২-এর ম্যাচে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে মাত্র ছয় গজ দূর থেকে করা হালান্ডের জয়সূচক গোলেই দীর্ঘ ২৮ বছর পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় নরওয়ে।

ম্যাচ শেষে পরবর্তী প্রতিপক্ষ ব্রাজিলকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হালান্ড বেশ বাস্তববাদী সুর টানেন। তিনি জানান, বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকতে হলে এখন তাদের সেরা দলগুলোর মুখোমুখি হতে হবে এবং ব্রাজিলের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা ভীষণ কঠিন হবে। নরওয়ে শেষ পর্যন্ত সফল হবে কি না তা নিশ্চিত না করলেও, দলের সবাই এই কঠিন চ্যালেঞ্জের জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

এদিকে দুই দলের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই তুমুল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশ আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েসের মাঠের লড়াই দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, যেখানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই ক্লাবের দ্বৈরথ বিশ্বমঞ্চে নতুন মাত্রা পাবে। অন্যদিকে ম্যাচের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে দুই দেশের ফুটবল ভক্তদের মধ্যে চলছে নানা বিশ্লেষণ ও তর্ক-বিতর্ক।

ফুটবল ইতিহাসের পাতায় অবশ্য নরওয়ের একটি দারুণ স্মৃতি রয়েছে। ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে মার্সেইতে অনুষ্ঠিত একমাত্র দেখায় ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল এই নর্ডিক দেশটি। দীর্ঘ প্রায় তিন দশক পর আবারও বিশ্বমঞ্চের নকআউট পর্বে সেই একই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে হালান্ডের নরওয়ে পুরোনো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।




জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

ক্রীড়া ডেস্কঃ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জাপানের বিরুদ্ধে এক রোমাঞ্চকর জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড মাথেউস কুনহা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্রাজিলের নাটকীয় জয়ের পর জাপানি তারকা কান্তো শিওগাইয়ের দিকে করা একটি ইশারাকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে এবার সেই ভাইরাল অঙ্গভঙ্গি নিয়ে নীরবতা ভেঙে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তারকা।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ব্রাজিল জয়সূচক গোলটি করার পরপরই টেলিভিশনের ক্যামেরায় দেখা যায়, কুনহা নিজের জার্সির ব্রাজিলের লোগো বা ক্রেস্টের দিকে আঙুল তুলছেন এবং অন্য হাতটি উঁচিয়ে একটি বিশেষ ইশারা করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফুটবল ভক্তদের অনেকেই এটিকে অসম্মানজনক বলে আখ্যা দেন। মূলত ম্যাচের আগে জাপানের ফুটবলার কেন্টো শিওগাই একটি মন্তব্য করেছিলেন যে, ব্রাজিল এখন আর ফুটবলের পরাশক্তি নয়। ধারণা করা হচ্ছে, শিওগাইয়ের সেই মন্তব্যের জবাব দিতেই কুনহা এমন উদযাপন করেছিলেন।

ম্যাচ শেষে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম এবং মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের এই উদযাপনের ব্যাখ্যা দেন কুনহা। তিনি জানান, এই উদযাপনের উদ্দেশ্য ছিল ব্রাজিলের ফুটবল ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো। কুনহা বলেন, সব সম্মান রেখেই বলছি, ব্রাজিলের মতো একটি সফল ও বিজয়ী দল সম্পর্কে যখন একজন জাপানি ফুটবলার এমন কথা বলেন, তখন তা মেনে নেওয়া কঠিন। যদি কোনো ব্রাজিলিয়ান আমাদের নিয়ে সমালোচনা করতেন, তবে আমরা হয়তো সেটি মেনে নিতাম। কিন্তু বাইরের কেউ যখন এমন কথা বলেন, তখন আমরা সবাই একজোট হয়ে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াই। তাই এই উদযাপনটি ছিল মূলত আমাদের এই জার্সিটির মর্যাদা, যারা আমাদের আগে এই জার্সি পরেছেন তাদের সম্মান এবং আজ আমরা যে অবস্থানে এসেছি তার পেছনের লড়াইকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।

পরবর্তীতে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কুনহা জাপানি তারকা শিওগাইকে উদ্দেশ্য করে বেশ কিছু পোস্টও শেয়ার করেন। একটি পোস্টে তিনি লেখেন, এখন তোমরা আমাদের সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানতে পারলে। অন্য একটি পোস্টে তিনি যোগ করেন, আমরা কারও চেয়ে শ্রেষ্ঠও নই, আবার কারও চেয়ে নিকৃষ্টও নই। এই পোস্টগুলোর একটিতে তিনি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে কেন্ড্রিক ল্যামারের জনপ্রিয় গান ‘হাম্বল’ যুক্ত করেছিলেন।

বিতর্কিত এই উদযাপনের পাশাপাশি মাঠের ভেতরে কুনহার একটি মানবিক রূপও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পর যখন পুরো ব্রাজিল দল উদযাপনে মেতে উঠেছিল, তখন কুনহা সতীর্থদের ছেড়ে জাপানি মিডফিল্ডার আও তানাকার দিকে এগিয়ে যান। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার বেদনায় তানাকা তখন মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। কুনহা তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন, যা ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে।




আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে ষোলোতে নরওয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক : বিশ্বকাপ ফুটবলে আইভরি কোস্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে নরওয়ে। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। আইভরি কোস্ট একটি গোল পরিশোধ করলেও দ্বিতীয় গোল পরিশোধ করা আগে শেষ বাঁশি বাজে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে নকআউট পর্বের ম্যাচে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে নরওয়ের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন তরুণ ফরোয়ার্ড আন্তোনিও নুসা।

দুই দলের পারফরম্যান্স বিবেচনায় প্রথমার্ধে নরওয়েই ছিল বেশি আক্রমণাত্মক, সংগঠিত এবং কার্যকর। বলের দখল, সুযোগ সৃষ্টি এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় তারা আইভরি কোস্টের চেয়ে এগিয়ে ছিল। অন্যদিকে আইভরি কোস্টকে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে হলে আক্রমণে আরও ধারালো ফুটবল খেলতে হবে।

প্রথমার্ধে নরওয়ে ৬টি শট নিলেও আইভরি কোস্ট নিয়েছে ৫টি। তবে তাদের চারটি শটই লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় সমতায় ফিরতে পারেনি দলটি। এই ম্যাচের বিজয়ী দল আগামী ৫ জুলাই বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের।

৬০ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠে নামেন দিয়ালো। পরে এই সুপার সাবের গোলেই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলেছে। ৭৪ মিনিটে তার চোখধাঁধানো এক গোলে ম্যাচে ফেরে আইভরি কোস্ট। পেপের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে এগিয়ে যান দিয়ালো। এরপর মোলার উলফে ও বের্গেকে কাটিয়ে দুর্দান্ত এক দৌড়ে বক্সে ঢুকে দর্শনীয় এক শট নেন তিনি।

ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তখনই নাটকীয় মোড় নেয় ৮৬ মিনিটে। যার নায়ক আর্লিং হাল্যান্ড। ববের দারুণ এক থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন বার্গ। এরপর নিখুঁতভাবে বল বাড়িয়ে দেন আর্লিং হাল্যান্ডের সামনে। খুব কাছ থেকে আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার। তার পর তো বাকিটা ইতিহাস!




জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক : হারারেতে একমাত্র টেস্টে দ্বিতীয় দিনে ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করেছিল বাংলাদেশ। গতকাল সোমবার ৯ ওভার ব্যাট করে ওপেনার সাদমান ইসলামকে হারিয়ে এক উইকেটে ৪০ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার তৃতীয় দিনে দুই সেশনও টিকতে পারল না টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত ১৮৫ রানে অলআউট হয়ে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস এবং ৮৫ রানের ব্যবধানে হেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

দিনের শুরুতে আজ দ্বিতীয় ওভারেই হারাতে হয় দ্বিতীয় উইকেট। আগের দিনের সংগ্রহে মাত্র এক রান যোগ করেই সাজঘরের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়। পরে দলের হয়ে কোনো ব্যাটারই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয়, অমিত হাসানরা দ্বিতীয় ইনিংসেও রানের দেখা পাননি।

দুই ওভার পরেই মুমিনুল হককে ফেরান ব্লেসিং মুজারাবানি। স্লিপে ব্র্যাড ইভান্সের দুর্দান্ত এক ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন প্রথম ইনিংসে অর্ধশতক করা এই ব্যাটার। দিনের চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করান মুজারাবানি। বলের লাইনে না গিয়ে ড্রাইভ খেলতে যান মুমিনুল, কিন্তু ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল উঠে যায় তৃতীয় স্লিপের দিকে। মুমিনুল ফিরে যান ১৩ রান করে। এতে ৪৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ছিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। এদিন তারাও বড় রান করতে ব্যর্থ। শেষ দিকে কোনো ব্যাটারই দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট না করায় ইনিংস ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।




জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

ক্রীড়া ডেস্ক : অবশেষে যোগ করা সময়ের ১১তম মিনিটে বাজল রেফারির শেষ বাঁশি। জাপানকে ২–১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষােলোয় উঠে গেল ব্রাজিল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৫৬ মিনিটে সমতা আনে কার্লো আনচেলত্তির দল। হেডে গোল করেন কাসেমিরো।

প্রথমার্ধে ব্রাজিল ছিল অনেকটাই ছন্নছাড়া। গোলও হজম করে জাপানের কাছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যায় অন্য এক ব্রাজিলকে। জাপানকে পাত্তাই দেয়নি এবার। শেষ পর্যন্ত দাপুটে খেলেই জাপানের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল।

এই জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কার্লো আনচেলত্তির। বিদায় হয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপানের।

প্রথমার্ধে জাপানের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত ফলও পেয়েছে। কাসেমিরোর হেডে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ২৯তম মিনিটে মিডফিল্ডে দানিলোর ভুল পাস কেড়ে নিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন সানো। কাসেমিরোকে সহজেই পেছনে ফেলে বল নিয়ে বক্সের বাইরে প্রায় ২০ গজ বল দূর থেকে জোরালো শটে গোলরক্ষক আলিসনকে পরাস্ত করেন তিনি। সেটিই ছিল জাপানের একমাত্র অন-টার্গেট শট, কিন্তু সেটাই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।

প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও তাদের পারফরম্যান্স ছিল নিষ্প্রভ। বিশেষ করে মধ্যমাঠে জাপানের আধিপত্যের কাছে বারবার চাপে পড়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

ব্রাজিলের দুটি অন-টার্গেট শটই সহজেই রুখে দেন জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি। অন্যদিকে, জাপান তাদের একমাত্র সুযোগটি নিখুঁতভাবে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায়।

জাপানের প্রথম গোলের সময় আংশিকভাবে দায়ী ছিলেন কাসেমিরো। কয়েক মিনিট আগেই সহজ একটি সুযোগও হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। তবে এবার আর কোনো ভুল করেননি ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার।

৫৬ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলের দারুণ সুবিধা নিয়ে ফাঁকা পোস্টে শক্তিশালী হেডে জাল কাঁপান কাসেমিরো। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ এই গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ব্রাজিল (১-১)।

চার মিনিট পর এগিয়ে যেতে পারতো ব্রাজিল। কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লেগে ফেরত আসে।




বিশ্বকাপের যে তিন ম্যাচে হয়েছে সবচেয়ে বেশি দর্শক

ক্রীড়া ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের আয়োজক হলেই দর্শকের রেকর্ড যেন অবধারিত। সর্বশেষ ১৯৯৪ বিশ্বকাপে এমনটা দেখা গেছে। এবারও তা–ই। সর্বোচ্চ দর্শকের নতুন রেকর্ড হয়েছে।

এই আসর শেষ হওয়ার আগে হয়তো নতুন উচ্চতায় চলে যাবে। মজা করে কেউ কেউ বলতে পারেন, বিশ্বকাপে ভবিষ্যতে দর্শকের রেকর্ড ভাঙতে আবারও হয়তো যুক্তরাষ্ট্রকেই আয়োজক হতে হবে!

সেটার কারণও আছে। এবারের কথাই ধরুন। যুক্তরাষ্ট্রের ভেন্যু স্টেডিয়াম ১১টি। সব কটি স্টেডিয়ামই বেসবল, রাগবির পাশাপাশি বড় কনসার্ট মাথায় রেখে বানানো।

কোনো স্টেডিয়ামের গ্যালারিতেই ৬৪ হাজারের নিচে আসন নেই। তাতে এক দিনে যুক্তরাষ্ট্রে তিন–চারটি ম্যাচ হলে বিশ্বকাপে এক দিনে দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড ভেঙে যাওয়াই তো স্বাভাবিক।

ফিফার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২৫ জুন ভেঙে গেছে একক কোনো বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ মোট দর্শক উপস্থিতির পুরোনো রেকর্ডটি। ওই দিন পর্যন্ত স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকের সংখ্যা ছিল ৩৬ লাখ ৫ হাজার ৩৫৭ জন।

তার পর থেকে এই সংখ্যাটি প্রতিনিয়ত আরও বাড়ছে। এর আগে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৮ জন দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড হয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে ৩২ বছর আগের সেই বিশ্বকাপটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই যুক্তরাষ্ট্রেই।

এখন পর্যন্ত ফিফার যা হিসাব, তাতে দেখা যাচ্ছে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে মোট ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৯ জন মানুষ স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছেন। গড়ে স্টেডিয়ামগুলোর ৯৯.৭ শতাংশ আসনই পূর্ণ ছিল দর্শকে। গ্রুপ পর্বে গড়ে প্রতি ম্যাচে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ৬৪ হাজার ৫০৮ জন দর্শক।

ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের ২১০টি দেশ থেকে আসা সমর্থকেরা এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করেছেন। একই সঙ্গে আরও একটি রেকর্ড গড়েছে এবারের বিশ্বকাপ।

২৫ জুন বিশ্বকাপের ইতিহাসে একক কোনো দিনে সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড হয়েছে। ওই এক দিনেই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগ করেছেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৩৪ জন দর্শক। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত আটটি ভিন্ন ম্যাচে স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতির সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

গ্রুপ পর্ব শেষে এখন চলছে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে নকআউট লড়াই। আসুন জেনে নিই, গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে বেশি দর্শক উপস্থিতির ম্যাচ ছিল কোনগুলো?

দর্শক উপস্থিতিতে শীর্ষ তিন ম্যাচ:

দর্শক উপস্থিতির তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে তিনটি ম্যাচ। সেই তিনটি ম্যাচই আবার অনুষ্ঠিত হয়েছে একই স্টেডিয়ামে। আজতেকা! লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম।

এবার বিশ্বকাপে আসনসংখ্যার বিচারেও এটি বৃহত্তম। মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা (উদ্বোধনী ম্যাচ), উজবেকিস্তান-কলম্বিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র–মেক্সিকো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী এই স্টেডিয়ামে। এই তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতে দর্শক উপস্থিতি রেকর্ড ৮০ হাজার ৮২৪ জন।

এক ধাপ পেছনেই আছে নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ব্রাজিল বনাম মরক্কো ম্যাচ। ৮০ হাজার ৬৬৩ জন দর্শক গ্যালারিতে বসে দেখেন এই ম্যাচ।

সবচেয়ে কম দর্শকের ম্যাচ কোনটি

সবচেয়ে কম টিকিট বিক্রি বা দর্শক উপস্থিতির দিক থেকে তালিকার তলানিতে টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে অনুষ্ঠিত ঘানা ও পানামার মধ্যে ম্যাচটি। আফ্রিকান দলটির ১-০ গোলের জয়ের এই ম্যাচে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৪২ হাজার ৯৪২ জন।

অবশ্য এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতাই মাত্র ৪৩ হাজার! চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে কম দর্শক উপস্থিতির ম্যাচ।