সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

ডেস্ক নিউজঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ৪৯ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

বিকেলে নির্বাচন ভবনে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এই ৪৯ জন প্রার্থীর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে। বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (প্রত্যাহারের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা) কোনো প্রার্থীই তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় তারা এখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন।

মঈন উদ্দীন খান আরও জানান, চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ৪৯ জনের মধ্যে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন ৩৬ জন। এছাড়া জামায়াত-এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র থেকে একজন প্রার্থী বৈধ হিসেবে গেজেটভুক্ত হচ্ছেন। একটি আসনের প্রার্থীর বিষয়ে আইনি জটিলতা থাকায় আপাতত সেটির ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। ওই একটি আসনের প্রার্থিতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আপাতত ৫০টি আসনের মধ্যে এই ৪৯ জনের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মূল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে যাচ্ছে কমিশন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, বেসরকারিভাবে নির্বাচিত এসব সংসদ সদস্যদের নাম, ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশের ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন-ইসি সচিবালয়। এরপর শপথ আয়োজনের জন্য সংসদ সচিবালয়ে গেজেট পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা সাধারণত সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর আনুপাতিক আসনসংখ্যার ভিত্তিতে মনোনীত হয়ে নির্বাচিত হন।




বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়াল সরকার

ডেস্ক নিউজঃ বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে ভোজ্যতেলের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছন, বোতলজাত ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা থেকে ১৯৯ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম প্রতি লিটার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১ হাজার ৪০ টাকা ও প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।




পুরো দেশেই বেসিক সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজঃ মানুষের সব সুযোগ-সুবিধা শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে। এজন্য সারাদেশ থেকে মানুষ ঢাকামুখী । এই জন্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের সকল অংশেই এই বেসিক সুবিধাগুলো পর্যায়ক্রমে পৌঁছে দেওয়া- এমনটাই জানিয়েছেন সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানান তিনি।

সংসদ অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় উন্নত চিকিৎসাসেবা ও ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। রাজধানীকে ক্লিন ও গ্রিন সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটিতে আগামী ৫ বছরে ৫ লাখ বৃক্ষরোপন করা হবে উল্লেখ করে সংসদনেতা বলেন, মেট্রোরেলের নিচের খালি অংশে মিরপুর ১২ থেকে ডিওএইচএস পর্যন্ত এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে আব্দুল্লাহপুর  থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত নিচের অংশে খালি জায়গায় বৃক্ষরোপন করা হবে।

বিদ্যমান মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এ কর্মসূচিতে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসূচিতে প্রসবপূর্ব এবং প্রসব পরবর্তী সেবা অন্তর্ভুক্ত করা, টিকা ও প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।




দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণ ও রুপার দাম

ডেস্ক নিউজঃ দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থেকে এই নতুন দাম কার্যকর করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দেশের বাজারে ক্রেতারা স্বর্ণ ও রুপা কিনতে পারবেন সংশোধিত এই দামে।

বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমার কারণে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনটির মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটি মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও বড় ধরনের সংশোধন হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ২৩৩ টাকা কমে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন, কারিগরি মান এবং দোকানভেদে মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে স্বর্ণের দাম মোট ৫৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ বার দাম বেড়েছে এবং ২৫ বার কমেছে। অন্যদিকে, এ বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৩৬ বার।

উল্লেখ্য, বিগত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৯৩ বার এবং রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। গত বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে দাম পরিবর্তনের অস্থিরতা আরও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বাজুস এই নিয়মিত সমন্বয় করছে বলে জানানো হয়েছে।




ক্লিন সিটি গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ রাজধানী ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন সিটি রূপে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব পদক্ষেপের কথা বলেন। সংসদ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন। কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম প্রশ্ন রাখেন রাজধানী ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন সিটি রূপে গড়ে তুলতে সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কি না?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাজধানী ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন সিটি রূপে গড়ে তুলতে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নানাবিধ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নাগরিক সচেতনতা ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনসমূহ (বর্জ্য ফেলার স্থান) আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ল্যান্ডস্কেপিং, সবুজায়ন সচেতনতামূলক গ্রাফিতি কাজ অন্তর্ভুক্ত করে পরিবেশসম্মতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার রোড মিডিয়ান, সড়ক দ্বীপ ও উন্মুক্ত স্থানসমূহ সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক কোরিয়া ভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে সমন্বিত সার্কুলার ইকোনমি ভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তর করার মাধ্যমে সকল বর্জ্যকে জিরো বর্জ্যতে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরশনের আওতাভুক্ত বিভিন্ন এলাকায় নগর বনায়ন (মিয়াওয়াকি ফরেস্ট) উন্মুক্ত মিডিয়ান জিরো সয়েল/সবুজে আবৃত করা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় আগামী ৫ বছরে ০৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মেট্রোরেলের নিচের খালি অংশে (মিরপুর-১২ হতে মিরপুর ডিওএইচএস পর্যন্ত) এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (আব্দুল্লাহপুর হতে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের) নীচে খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হবে।

রাজধানী ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রিন সিটি রূপে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা শহরের পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) সমন্বিতভাবে আধুনিক বাস সার্ভিস ও ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় ঢাকার বায়ুদূষণের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে। সে অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন, কনস্ট্রাকশন কার্যক্রম ও নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ রোধে ঢাকার চারদিকে অবস্থিত অবৈধ দূষণকারী ইটভাটাসমূহ বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অধিকন্তু ঢাকা মহানগরীর বায়ুদূষণ হ্রাস করার লক্ষ্যে ঢাকার সাভার উপজেলাকে ডিগ্রেডেড এয়ারশেড ঘোষণা করা হয়েছে এবং উক্ত এলাকায় ইটভাটার কার্যক্রম পরিচালনা, খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো ইত্যাদি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

‘ঢাকা ও আশেপাশের নদী, খাল ও জলাশয় দূষণরোধে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহে ইটিপি (Effluent Treatment Plant) স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অদ্যাবধি ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের তরল বর্জ্য পরিশোধনের জন্য স্থাপিত ইটিপির রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের জন্য আইপি ক্যামেরা স্থাপন চলমান রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ইতোমধ্যে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ নদীর দূষণের উৎস এবং প্রকৃতি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে ঢাকা মহানগরে প্রবাহিত ১৯টি প্রধান খালের দূষণের উৎস এবং প্রকৃতি নির্ধারণ করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরকে সবুজে আচ্ছাদিত করা, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে যৌথভাবে রাস্তার মিডিয়ান, ইউলুপ, পন্ডিং এরিয়া এবং খালের পাড়সমূহে বৃক্ষরোপণ এবং জিরো সয়েল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ৪১ হাজার ৫শত ৬৫টি ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা শহরের দূষণ কমানোর জন্য বিভিন্ন প্রজাতির লতা, গুল্ম ও ঘাস দ্বারা মাটি আবৃত করা হয়েছে। আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রীন সিটি রূপে গড়ে তুলতে বনায়নযোগ্য খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ সকল কার্যক্রম ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা শহর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।




এমপিওভুক্ত হচ্ছে না ১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজঃ দেশের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের চূড়ান্ত করা তালিকা আপাতত বাস্তবায়ন করছে না বর্তমান সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে এবং একই সঙ্গে নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর পুরোনো ও নতুন সব আবেদন একত্রে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পূর্বের তালিকা বাতিল করা হয়নি; বরং নতুন আবেদনের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এর আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে আবেদন আহ্বান করা হয়। গত ১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হলে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় গ্রেডিং করে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ লক্ষ্যে গত ৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দও চাওয়া হয়। তবে তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।




এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল

ডেস্ক নিউজঃ জামায়াত জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দিন খান।

এর আগে, গতকাল বুধবার জামায়াত জোট মনোনীত ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল ইসি। তবে, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

শুনানিতে জানা যায়, মনিরা শারমিন পূর্বে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা অব্যাহতির পর তিন বছর অতিক্রান্ত না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জিত হয় না। এ বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তার প্রার্থিতা যাচাই করা হয়েছে।

এ কারণে তার মনোনয়নপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দিয়েছিল ইসি। এর মধ্যে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন বলে জানানো হয়। এ সময় মনিরা শারমিন তার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেন।




কাগজশিল্পে শুল্ক-কর কমানোর দাবি

ডেস্ক নিউজঃ বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় জটিলতা, কাঁচামাল আমদানি-উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার কারণে চাপের মধ্যে দেশের কাগজশিল্প। এরই মধ্যে বন্ধ হয়েছে ৮০টি মিল। বন্ধের পথে আরো ২৬টি। এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কাঁচামালের আমদানিতে শুল্ক-কর কমানো, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ ও নীতিগত সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশন।

গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এসব দাবি জানানো হয়েছে।

সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে দাবি তুলে ধরেন ব্যবসা উন্নয়ন ও রপ্তানি বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাক-বাজেট আলোচনায় মোট ১৭টি দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

দাবিগুলো হলো-সংবাদপত্র ও অন্যান্য প্রকাশনার আমদানির ক্ষেত্রে সব পর্যায়ে কাস্টমস শুল্ক (সিডি) ২৫ শতাংশ ও ভ্যাট ১৫ শতাংশ নির্ধারণ। গ্রিসপ্রুফ পেপার, মেলামাইন পেপার, থার্মাল পেপার ও ক্রাফট লিনার পেপারের সিডি ও আরডি ২৫ শতাংশ ও সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ নির্ধারণ। মাইক্রো ক্যাপসুল, কাওলিন ক্লে, ভি-বেল্ট ও এয়ার ফিল্টারের সিডি আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ। এন্ডলেস সিনথেটিকস, ডিস্ক ফর সেট ও এয়ার বিলোর ক্ষেত্রে আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম কর মওকুফ।

মডিফায়েড স্ট্যার্চ, এয়ার স্প্রিং ও হট মেল্ট গ্লু আমদানির ক্ষেত্রে আরডি প্রত্যাহারের পাশাপাশি সিডি কমানোর দাবি জানানো হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের টিস্যু-হ্যান্ড টাওয়েল ও টয়লেট টিস্যুর ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘কাগজশিল্প বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি শিক্ষা, প্রকাশনা ও প্যাকেজিং খাতে ভূমিকা রাখছে। দেশের মিলগুলো বছরে ১৬ লাখ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদনে সক্ষম। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে ৯ লাখ মেট্রিক টন কাগজ ৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা ও ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই খাতে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। এই শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ৩০০টির বেশি সহায়ক শিল্প। তবে বর্তমানে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক মিল উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কাঁচামালের আমদানিতে শুল্ক-কর কমানো, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা, বিদ্যুৎ-গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও নীতিগত সহায়তা দেওয়া হলে এই শিল্প পুনরুজ্জীবিত হতে পারে। সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ শিল্পটিকে শুধু টিকিয়ে রাখবে না বরং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।’




সংসদ চাইলে পুরাতন ডিলার বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজঃ বিগত সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলারদের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি বন্ধে সংসদ চাইলে বর্তমান ডিলারশিপ বাতিল করে নতুন ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা নেবে সরকার।

বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া চিফ হুইপ নুরুল ইসলামের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন-উত্তরের শেষ পর্যায়ে ফ্লোর নিয়ে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে রেশনিং ও সার বিতরণের দায়িত্বে থাকা ডিলাররা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট (আর্টিফিশিয়াল ক্রাইসিস) তৈরির চেষ্টা করছেন। কৃষকরা যেন ন্যায্যমূল্যে সার পায় এবং ‘ফ্যাসিস্টরা’ যেন বিতাড়িত হয়, সেজন্য পুরাতন ডিলার নিয়োগ বাতিল করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

চিফ হুইপের এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সেটিকে স্বাগত জানান। এরপর স্পিকারের অনুমতি নিয়ে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, চিফ হুইপ যেটি বলেছেন, উনি যখন বক্তব্যটি উপস্থাপন করেন তখন আমি খেয়াল করেছি মোটামুটি পুরো সংসদ বিষয়টিকে ওয়েলকাম (স্বাগত) করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ ব্যাপারে যদি পুরো সংসদের সম্মতি থাকে, তবে নিশ্চয়ই সরকার দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।




অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া দুই রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ বাতিল

ডেস্ক নিউজঃ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত দুই রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার।

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এবং সাবেক সচিব ড. এম মাহফুজুল হকের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে বুধবার (২২ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল পোল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন মো. ময়নুল ইসলাম। অন্যদিকে, সাবেক সচিব ড. এম মাহফুজুল হককে ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর পর্তুগালের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সরকারের নতুন এই আদেশের ফলে তাদের উভয়েরই নিয়োগের অবশিষ্ট সময়কাল বাতিল বলে গণ্য হবে।

এর আগে গত ৮ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক নির্দেশনায় ময়নুল ও মাহফুজুলসহ মোট চারজন রাষ্ট্রদূতকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন সেই আদেশের পর এবার প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বাকি মেয়াদটুকুও আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।